Translate into your language

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Sikkim, Gangtok / Gangtok tour / গ্যাংটক ভ্রমণ গাইড

Gangtok 
ঘরের কাছে কম খরচে ও সময়ে, প্রচুর অর্কিড এবং বরফ দেখবার সেরা জায়গা হিমালয়ের বিউটি স্পট সিকিমের রাজধানী Gangtok। রানিপুল নদীর দিকের ছোট্ট শহর শৈলশিরায় সাজানো গোছানো গ্যাংটক। মুল আকর্ষণ অফুরন্ত প্রাকৃতিক শোভা। নির্মেঘ আকাশে আকর্ষণ বাড়ে নৈসর্গিক শোভা দর্শনের। শহর থেকে তুষারাচ্ছন্ন গিরিশিখর পানডিম, নরসিং, সিনোল চু সহ কাঞ্চনজঙ্ঘা সুন্দর দেখা যায়।

Perfect time to visits Gangtok :-
Perfect time to visits Gangtok 
মার্চ থেকে জুন ও অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। অক্টোবরে ফুল ফোটে নতুন করে এবং নভেম্বরে মেঘমুক্ত থাকে আকাশ। Weather and Temperature of Gangtok গ্রীষ্মে ১৩ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শীতে ০.৪  থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নামা ওঠা করে।

How to go Gangtok :-
Gangtok is the Capital City of Sikkim এবং সিকিমের দরজা ভারতীয়দের জন্য খোলা যদিও পূবে রোলিং ও উত্তর সিকিমের ফোডং এর পর Restricted Area Permit ভারতীয়দের এবং বিদেশিদের Special Area Permit লাগবে। আবেদন করতে হয় পাসপোর্ট্ সহ এক কপি ছবি দিয়ে Sikkim Tourist Information Centre, 4/1 Middleton St, Kolkata-71, Call:- 22817905. বা S T N Colony, H C Road, Pradhan Nagar, Siliguri, Call:- 0353- 2512646. বা 14 Panchasheel Marg, Chanakyapuri, New Delhi-110021, Call:- 011-26115346. বা, Mahatma Gandhi Marg, Gangtok-737101, Call:- 03592-221634, Fax- 205467.

বিমান:- কলকাতা থেকে এয়ার ইন্ডিয়া বা জেট এয়ারে ১ ঘন্টায় বাগডোগরা পৌঁছে সিকিম ট্যুরিজমের বাসে বা প্রাইভেট বাস, ট্যাক্সিতে গ্যাংটক যাওয়া যায়। দিল্লি-বাগডোগরা-গুয়াহাটি-দিল্লি। দিল্লি-বাগডোগরা-দিল্লি। বাগডোগরা-গুয়াহাটি-বাগডোগরা এই রুট গুলোর সহযোগিতায় বাগডোগরা পৌছানো যায়।
সড়কে:- দার্জিলিং GPOর কাছ থেকে SNTর বাস যাচ্ছে উল্টো দিক থেকে প্রাইভেট বাস যাচ্ছে। সুপার বাজার থেকে বিভিন্ন প্রাইভেট বাস যাচ্ছে গ্যাংটক। কালিপং থেকে SNTর জিপ ও বাস যাচ্ছে। গ্যাংটক শহরে ঢোকার মুখে জাতীয় সড়কের ডাইনে প্রাইভেট বাসস্ট্যান্ড এবং M G Road তথা Tourist Office-এর বাঁক ছেড়ে বামদিকে Paljor Stadium Rd-এ SNTর বাসস্ট্যান্ড। শিলিগুড়ি তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে NBSTC-র বাস ও Hill Region Mini Bus Owners Association-এর বাস যাচ্ছে গ্যাংটক। উল্টো দিকের সামান্য দক্ষিণ থেকে সিকিম ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট (SNT)র বাস যাচ্ছে। দুই বাসস্ট্যান্ডের মাঝখান থেকে সুমো/জিপ/মারুতি যাচ্ছে শেয়ারে গ্যাংটক।

 Places to visit in gangtok :-
Places to visit in Gangtok are...
Enchey Monestry:- চিনা প্যাগোডার অনুকরণে তৈরি হলুদ টুপি শাখার Enchey Monestry। বাস থেকে নেমে তিন কিমি উত্তর-পূর্বে ট্যুরিস্ট লজের মাথায় তান্ত্রিক গুরু উড়ন্ত লাভার পুণ্যভূমি। ঝলমেলে সাজে নানান দেবদেবীর সমাবেশ ও সুসজ্জিত ফ্রেস্কো চিত্র সহ মনাস্ট্রির দ্বিতীয় তলায় লাইব্রেরি হয়েছে দ্যা প্লেস অব সলিটুডে। নীল, লাল, হলুদ, সবুজ প্রেয়ার ফ্লাগ উড়ছে। লজের নিচে ব্রিটিশ তথা ইন্ডিয়ান রেসিডেন্স। কিছুটা দূরে ছাপাখানার কাঁধে ভর করে সেক্রেটারিয়েটের নিচে পাহাড়ের ঢালে সারনাথের রেপ্লিকা আকারে তৈরি মৃগ উদ্যান এবং মিউজিয়াম হয়েছে মৃগ উদ্যানে Enchey Monestry তে। 

চোগিয়াল সুক-লা-থাং:- অর্থাত্ মহারাজার প্রাসাদ, সাধারণের জন্য খোলা না হলেও ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে Pang Lhabdol উসবে দরজা খুলে দেওয়া হয় সবার জন্য। এর নিচে ম্যুরাল চিত্রে সুুুুসজ্জিত রয়্যাল চ্যাপেল. মহারাজার বিধান সভা বা দরবার হলেের উল্টো দিকে নামনাং ভিউ পয়েন্ট। এদের মাথায় রাজভবন।

Sales Emporium, Gangtok:- হস্তশিল্পের পণ্য সামগ্রী দেখা ও কেনা যায়  ইনস্টিটিউট অব কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজের sales emporium থেকে। রবিবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৯-৩০ থেকে ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে Sales emporium। এদের তৈরি কার্পেট, শাল, কম্বল, কাপড়ের পুতুল, মুখোশ, কাঠের কাজ, আসবাবপত্র, ফোল্ডিং টেবিল, চোকসে, সিকিমিজের স্বতন্ত্রতা আছে। একই জায়গায় ক্রাফট মিউজিয়ামটিও দেখে নেওয়া যায়। এই পথেই ৮ কিমি দুরে নর্থ সিকিম সড়কের পেনলং-এ তাশি ভিউ পয়েন্ট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার মায়াবী শোভা দেখে নেওয়া যায়।

পাথরের বাড়ি:- তিব্বতীয় লাল টুপি অর্থাত্ Nyingma-pa বৌদ্ধদের তীর্থক্ষেত্রটি মূল্যবান স্মারক সম্ভারে স্তূপ DO-TA-BU বা পাথরের বাড়ি। পাশেই মুর্তি রয়েছে ভারতীয় বৌদ্ধ গুরু পদ্মসম্ভবার। কিছুটা দুরে তিব্বতীয় গ্রন্থের সম্ভারে সমৃদ্ধ বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎতম নামগিয়াল ইনস্টিটিউট অব টিবেটলজি। রবিবার ও ছুটির দিনগুলি ছাড়া সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে। নিচে চোগিয়াল পালডেন থোনডুপ নামগিয়াল মেমোরিয়াল পার্কটিও উল্লেখ্য। কাছেই শ্বেত-শুভ্র দো দ্রুল চোর্তেন।

অর্কেডারিয়াম:- শহর থেকে ১৪ কিমি দুরে ৫০০রও বেশি প্রকারের ট্রপিক্যাল উদ্ভিদের জঙ্গল সাজিয়েছে বন দপ্তর।

গণেশ টক:- শহর থেকে ৭ কিমি দুরে টিলার ঢঙে T V Tower সংলগ্ন গণেশ টক বা ছোট্ট মন্দিরটিও দেখা যেতে পারে। মেঘের ভেলায় ভাসছে মন্দির। সামনের দৃশ্যপটে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপসজ্জার সাথে সাথে শহরটিরও অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ্য।

জ্যুলজিক্যাল পার্ক:- গণেশ টকের উল্টো দিকে ২০৫ হেক্টর বিস্তৃত হিমালয়ান জ্যুলজিক্যাল পার্কে পূর্ব হিমালয়ের রেডপান্ডা, ব্লাক বিয়ার, স্নো লেপার্ড, ব্লু শিপ ছাড়াও বিভিন্ন পশুপাখির সম্ভার চমকিত করে।

Saramsa Garden:- গ্যাংটকের ২৫ কিমি দুরে ৭ একরের এই Saramsa Garden টিতে ২০টি দেশ সহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা বর্ণময় ফুল ও অর্কিডের বৈচিত্র্যের মধ্যে উপভোগ করা যায়, মে পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পুষ্প প্রতিযোগিতার আসর। ফুলের প্রদর্শনী যদিও সারা বছর চলে হোয়াইট হলের সামনের স্থায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

প্রজাপতি পার্ক:- ১৯৯২ এ তৈরি হওয়া এই পার্কটিতে চারশোর বেশি প্রজাতির প্রজাপতির রঙিন পাখনা মেলা এক অনবদ্য পরিবেশ। তেমনি দেওরালি বাজার থেকে সেক্রেটারিয়েট পর্যন্ত ১ কিমি রোপওয়েতে চড়ে প্রকৃতির নৈসর্গিক শোভাবর্ধন উপভোগ করা যায়।

Rumtek Monestry:- গ্যাংটক থেকে ২৪ কিমি দুরে শহরের উল্টো দিকে Ranipool Valleyর মাথায় ১৫৫০ মিটার উচ্চতায় বিশ্বের অন্যতম সম্পদশালী রুমটেক ধর্মচক্র সেন্টার বা Rumtek Monestry. চতুর্থ চোগিয়ালের তৈরি ১২ শতকের মুল মনাস্ট্রি ধ্বংস হলেও New Monestry হয়েছে। ১৯৬০-এ তিব্বত চীনের দখলে যাওয়ার পর কালোটুপি সম্প্রদায়ের ১৬তম গুরু কর্মা-পা আমৃত্যু আশ্রয় নেয় Sikkim-এ। চোগিয়ালের দেওয়া জমিতে ১৯৬৮-তে তিব্বতের ছোফুক গুম্ফার রেপ্লিকা রূপে মনাস্ট্রি তৈরি করেন গুরু কর্মা-পা। ধর্মচক্র, দুটি স্বর্ণ হরিণ, সোনার বুদ্ধ ও বহুমূল্য মণিমুক্তো খচিত সোনার স্তূপও রয়েছে।  চূড়াও সোনায় মোড়া। কর্মা-পা-র দেহাবশেষ রক্ষিত হয়েছে স্তূপে। ফেব্রুয়ারিতে ২ দিনের
লোসার, মে মাসে ১ বছর বাদেবাদে ডুবচেন বা সেচু ছাড়াও উৎসব মুখর সারাবছর Rumtek। প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি বোটানিক্যাল গার্ডেন তথা চিড়িয়াখানা মধুময় করে তোলে Rumtek-এর পরিবেশ। রয়েছে জওহরলাল নেহেরু বটানিক্যাল গার্ডেনও, খোলা থাকে সকাল ১০ থেকে ৪টে পর্যন্ত। নতুন মনাস্ট্রি দেড় কিমি দুরে। লোয়ার রুমটেকে ৪র্থ চোগিয়ালের সময়ে ৯ম কর্ম পা-র তৈরি পুরাতন মনাস্ট্রিও দেখে নেওয়া যায় পায়ে হেঁটে। এ পথেই রে খোলা বা মার্তমখোলা ওয়াটার গার্ডেন এক অনবদ্য পিকনিক স্পট। শহর থেকে ৭ কিমি দুরে বনজকরি ঝরনা কে ঘিরে সিকিমের নতুন আর এক পর্যটন স্পট তৈরি হয়েছে। বনজকরি থেকে ৮ কিমি দুরে পাল জুরমাং কাগয়ু মনাস্ট্রি বা Lingdum. এ পথ ধরেই সাজং হয়ে পৌঁছান যায় রুমটেক। পাহাড় ভেঙে বয়ে গিয়ে রে খোলা মিশেছে রানি খোলায়। নদীর জল আকটে সুমিং পুল হয়েছে এখানে।

Changu Lake, Sikkim:- সীমান্তের নাথু-লামুখী ৩৫ কিমি উত্তর পূর্বে গ্যাংটক নাথু-লা-হাইওয়েতে বরফরাজ্যের অনন্য প্রকৃতির মাঝে প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা ও আধ কিলোমিটার চওড়া পঞ্চাশ ফুট লম্বা পবিত্র Changu Lake. বরফ গলা এই Changu Lake-এর উৎস ৩৭৭৪ কিমি উচ্চতায়। ভাগ্যবানরা রেনবো ট্রাউট মাছ দেখতে পায় Changu- এর জলে এবং অতীতে এই লেকের জল দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করতেন। বরফ ভেঙে পাহাড় কেটে সাত হাজার ফুট চড়তে হয় Changu Lake যেতে গেলে। মেঘবালিকারা এসে পথ আগলে আলাপ জমায় পরদেশী প্রিয়দের সাথে। মে-আগস্টে রডোডেনড্রন, প্রিমুলা, পপি ফুলেরা রোমাঞ্চিত করে changu-র পথপাশ। লেকটিকে ঘিরে প্রাচীর হোয়ে দাঁড়িয়ে তুষারমৌলি পাহাড় শ্রেণী। স্বচ্ছ changur-র জলে স্বেত শুভ্র বরফ ভাসে। এখানেই আছে ছঙ্গুবাবার মন্দির, নানা রঙের প্রেয়ার ফ্লাগ, দুষ্প্রাপ্য প্রিমুলা অর্কিড গার্ডেন। সাঁকো পেরিয়ে চলে যাওয়া বরফের রাজ্যে। বরফরাজ্যে যাওয়ার সাজসরঞ্জাম ভাড়ায় পাওয়া যায় এখানের দোকানে। চমরী গাই, পনি পাওয়া যায় পিঠে চেপে ঘোরার জন্য। রিজ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও কাঞ্চনজঙ্ঘার সূর্যাস্ত অপরূপ লাগে। উচ্চতার কারণে ঠান্ডা বেশি, বসতিহীন এখানে ITDC-এর ব্যবস্থায় ক্যাফেটেরিয়া আছে।

Serathang, Sikkim:- ছঙ্গু থেকে ১৩ কিমি দুরে। Serathang এর ৪ কিমি দুরে নাথু লা গিরিবর্ত্ম ১৪৪০০ ফুট তিব্বত তথা চীন সীমান্ত। ৪০০ কিমি দুরে লাসা। ১৯৬৭-র সেপ্টেম্বরে ভারত-চীন যুদ্ধে নিহত ভারতীয় জওয়ানদের স্মৃতিতে শহিদ স্মারক হোয়েছে। ভারত-চীন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে এখানে। বুধ, বৃহস্পতি, শনি ও রবিবার ভারতীয়দের নাথুলা দেখার অনুমতি মেলে। বাঁয়ে নাথু-লা-র পথ রেখে ছঙ্গুর মাথায় কুপুপ উপত্যকা ১২৪০০ ফুট উচ্চতায় মনোমুগ্ধকর পরিবেশে Serathang থেকে ৪ কিমি দুরে বাবা হরভজন সিং মন্দির তথা গুরদ্বারটিও ঘুরে আসতে পারেন মাউন্টেন ডিভিশনের এই সমাধি মন্দির। ১৯৬২তে তিস্তার জলে মৃত্যু ঘটে ভারতের বীর সেনানী হরভজনে। আজও নাকি তার অদৃশ্য আত্মার উপস্থিতে উপকৃত হন সঙ্গী-সাথীরা। সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁর অলৌকিকত্বে মুগ্ধ ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত করেন। মঙ্গল ও রবিবার দুর-দুরান্ত থেকে যাত্রীরা আসেন বাবার মন্দিরে। অন্ন প্রসাদ মেলেও মঙ্গল ও রবিবার। এখনও সৈনিকের বেতন পান বাবা ভরভজন।

Kyongnosla Alpine Sanctuary:- শহরের দিকে ৪ বর্গ কিমি বিস্তৃত, জুনিপার, সিলভার ফার, রডোডেনড্রন, সহ নানান অর্কিডের অরণ্যে বরফ রাজ্যের জীবজন্তু, ফুল, ফল ও উদ্ভিদের সম্ভারে পরিপূর্ণ। মে ও আগস্ট মাসে ফুলে ফুলে ভোরে ওঠে স্বর্গীয় নন্দন কাননটি।

কুপুপ বা এলিফ্যান্ট লেক:- বাবা মন্দির থেকে ডান দিকের রাজ্য সড়ক ধরে ভুটান-ভারত-চীন সীমান্তে অফুরন্ত রূপের ডালি সাজিয়ে রয়েছে এই লেক।

Aritar Lake:- NJP থেকে NH31A রাস্তায় রংপো হোয়ে ডান দিকের রাজ্য সড়ক ধরে রেনক ফটক হয়ে পৌঁছান যায় Aritar Lake। সবুজ পাইন আর পাহাড়ে ঘেঁরা সবুজ জলের অনন্য সুন্দর লামপোখরি লেকই অরিতারের প্রাণ। হেলিপ্যাড ভিউ পয়েন্ট, লাভার্স পয়েন্ট, মানখিম টেম্পল ভিউ পয়েন্ট থেকে দেখা যায় কাঞ্ছন সুন্দীরর অপরূপ রূপ মাধুরী। তিনশো বছরেরও পুরানো রেনক মনাস্ট্রিটিও দেখে নেওয়া যায় Aritar এসে।

Fambonglho wild life Sanctuary:- গ্যাংটক থেকে ২০ কিমি দুরে ৫১.৭৬ বর্গ কিমি বিস্তৃত Fambonglho wild life Sanctuary ঘুরে নিতে পারেন আগ্রহীরা। বাস ও জীপ যাচ্ছে ১৪কিমি দুরে পাংথাং গ্রামে, সেখান থেকে ৬ কিমি ট্রেক করে Sanctuary। রেডপান্ডা, হিমালয়ান ব্লাক বিয়ার সহ বিভিন্ন প্রাণীর উপস্থিত Fambonglho wild life Sanctuary. কাঞ্চনজঙ্ঘার সাথে সাথে সিনিয়লচু, ও তিনঝুরে টাওয়ার থেকে গ্যাংটক শহরও সুন্দর ভাবে উপভোগ্য। 

NB:- সীমান্তবর্তী এলাকায় ছবি তোলায় বিধিনিষেধ আছে। RAP লাগে ভারতীয়দের Superintendent of Police, Gangtok থেকে এবং বিদেশিদের Department of Tourism, Government of Sikkim, M G Marg, Gangtok থেকে। কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের আঞ্চলিক সেনাপ্রধান থেকেও অনুমতি পাওয়া যায় নাথু-লা দর্শনের।

এছাড়া হিমালয়কে যারা আরোও আপন করে উপভোগ করতে চান তাঁরা হেঁটে যেতে পারেন দার্জিলিং থেকে গ্যাংটক।  এরাকম তিনটি পথে যাওয়া যায়। দার্জিলিং থেকে প্রথম ১৩ কিমি উতরাইয়ে নেমে বাদামতলা থেকে চড়াই পথে ১৬ কিমি গিয়ে সিকিমের ৫২০০ ফুট উচ্চতায় নামচিতে সিকিম সরকারের ডাকবাংলো বা প্রাইভেট হোটেলে একরাত থেকে। নামচি থেকে ১৮ কিমি দুরে ৪৮৮০ উচ্চতায় টেমির বাংলোয় দ্বিতীয় রাত। টেমি থেকে ১১ কিমি উতরাই নেমে সেতুতে তিস্তা পার হোয়ে ৮ কিমি গিয়ে ৪৫০০ ফুট উচ্চতার সাং-এর বাংলোয় তৃতীয় রাত থেকে চতুর্থ দিনে ১০ কিমি চড়াই পথে রুমটেক পৌঁছে আরোও ১৪ কিমি দুরে গ্যাংটক পৌঁছান যায়।

Hotels in gangtok :-
 STD of Gangtok- 03592.
There are some Information about Gangtok hotels if you need contact them by Phone number of Gangtok hotels.

1) "Sun 'N' Snow", Call:- 09126672342. 2) Narayani Continental, Call:- 09593907770. 3) Silver Line, Call:- 09233558288. 4) Green Park, Call:- 03592201190. 5) Sonam Delek, Call:- 03592202566. 6) Uddan Hotel, Call:- 09555033033. 7) Magellan's, Call:- 18001236025. 8) Pandim, Call:- 09832080182. 9) Panda International, call: 09064222780. 10) The Golden Crest, Call:- 09800533911. 11) Saikripa, Call:- 09681292163. 12) Mayfair SPA Resort, Call:- 09232855022. 13) Central Hill Resort, Call:- 09832027027. 14) Tenency, Call:- 943400667. 15) Woodland, Call:- 9434169623. 16) Norbu Gang, Call:- 9933004494. 17) Norkhil, Call:- 8420199186. 18) Canaan, Call:- 9832385092. 

Tour operators of Gangtok, Sikkim:-

1) পিস হেরিটেজ ট্যুরস, ফোন:- 9434103381
2) খোরলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 65101393/30533973
3) সাই রাবডান্টস হলিডেজ, ফোন:- 9635120964.
4) অ্যালপাইন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, পাকিয়াং, ফোন:- 257782.
5) মার্কোপোলো ওয়াল্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 22883296.
6) ব্লু মাউন্টেন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, 9832177887.
7) ব্লু স্কাই ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, গ্যাংটক, ফোন:- 205113/203330.
8) টিটিএমআই, ফোন:- 9748114667.


   

                

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Sikkim :- Weast Sikkim Tour / সিকিম ভ্রমণ গাইড

 Pelling :- পচ্শিম সিকিমের গেজিং থেকে পেমিয়াং-শি হয়ে আরোও ৩ কিমি গিয়ে ২০৮৫ মিটার উচ্চতায় ছোট্ট পাহাড়ি শহর Pelling। সারি দিয়ে দাড়িয়ে শিখররাজি কোকতাং, কুম্ভকর্ণ, রাতোং, কাব্রু ডোম, কাঞ্চনজঙ্ঘা, পান্ডিম, জোপুনো, সিম্ভো, নারসিং, সিনিয়লচু ছাড়াও খ্যাত-অখ্যাত পাহাড়ের। চন্দ্রালোকিত জ্যোৎস্নায় স্নাত কাঞ্চনজঙ্ঘা যেনো মোহময়ী বিনোদিনী, রূপসী পোলিং-ও অনবদ্য। কাঞ্চনজঙ্ঘা উদিত সূর্যের রশ্মিচ্ছটায় ক্ষনেক্ষনে রঙবাহারি হোয়ে ওঠে, সে এক অপরূপ রূপমাধুরী বিমোহিত করে চিত্ত। কাঞ্চনজঙ্ঘার সব থেকে কাছের মোটরেবল পয়েন্ট এই Pelling থেকে মনে হয় যেনো হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় স্বপ্নসুন্দরী কাঞ্চনজঙ্ঘা কে। বসন্তে হাজারো ফুলের বাহারে উদাসী মন অস্ফুটে বলে চলে আহারে মরমী, আহারে। হ্যালিপ্যাডই পেলিং-এর ম্যাল এবং হ্যালিপ্যাড থেকেও হিমালয়ের শিখররাজি দৃষ্টি সুখ আনে। হাটি হাটি পায়ে পায়ে দেখে নেওয়া যায় কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ ট্রেনিং সেন্টার Lower Pelling-এ।  হেলিপ্যাড থেকে ৪ কিমি চড়াই বেয়ে অরণ্যের পথে সিকিমের প্রাচীনতম ৯০০০ ফুট উচ্চতায় সাঙ্গা চোলিং মনাস্ট্রি বা the place of secret spells দেখে নেওয়া যায়। তবে মুল মনাস্ট্রিটি আগুনে পুড়ে যাওয়ায় পর পাশেই অনবদ্য কারুকার্যমণ্ডিত নতুন মনাস্ট্রি তৈরি হয়েছে। পাশেই আকারে বিশাল চোর্তেন, নানান ফুলে ফুলে ছাওয়া পথপাশ। হেমলক, ম্যাগনোলিয়া, রডোডেনড্রন ফুলের উপত্যকা Varshey-ও দেখা যায় মনাস্ট্রি থেকে, দেখা যায় তুষার শুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘাও। বেড়িয়ে নেওয়া যায় Pelling থেকে ৪ কিমি দুরে বার্সের সহজতম ট্রেকিং রুটে জিপে করে। সারাদিন জিপে করে দেখে নেওয়া যায় Pelling থেকে ১২ কিমি দুরে রিমবি ফলস, সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে ঝর্ণা নামছে। বয়ে চলেছে রিমবি নদী এবং পাশেই রিমবি হাইড্রো-ইলেকট্রনিক প্রজেক্ট। পেলিং থেকে ২৯ কিমি দুরে আর রিমবি থেকে ১৪ কিমি দুরে খেচিপেরি বা ইচ্ছে পুরোন সরোবর। লেপচাদের এই পবিত্র লেকটি কিংবদন্তি অনুযায়ী ইচ্ছে পুরোনের জন্য বিখ্যাত এবং ১৮২০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। চারিপাশে গাছগাছালি ও প্রেয়ার ফ্লাগে ছাওয়া। ফেব্রুয়ারি-মার্চের উৎসবে বৌদ্ধ এবং হিন্দুরা প্রার্থনার সাথেসাথে কাঠের খোলায় মাটির প্রদীপ জ্বালায় বিভিন্ন কামনা পুরোনের আশায়। জিপে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লাগে পেমিয়াং-শি থেকে। পাকদণ্ডি পথেও ঘন্টা চারেক ট্রেক করে যাওয়া যায় খেচিপেরি। জিপে করে পেলিং থেকে ২৯ কিমি দুরে ২ টি পাহাড়ের খাঁজে ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নামছে কাঞ্চনজঙ্ঘা ফলস। সুর্যের আলোয় রামধনুর সাত রঙ প্রতিভাত হয় তাই রেইনবো ফলসও বলে অনেকে। জিপে করে Pelling থেকে ডেনথাম হয়ে ২৬ কিমি দুরে দুটি পাহাড় জুড়ে তৈরি এশিয়ার দ্বিতীয় গভীরতা বিশিষ্ট ১৯৭ মিটার লম্বা সিংসোর সেতু। ৬৭৮ ফুট নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে সরু রূপোলি ছোট্ট এক নদী। পথেই পড়ে সাঙ্গে ফলস। সিংসোর সেতু থেকে ৩ কিমি দুরে মেঘে ঢাকা, রডোডেনড্রনে ছাওয়া গ্রাম "উত্তরে"। জিপ যায় Pelling থেকে এছাড়া গেজিং ও জোরথাং থেকে সার্ভিস জিপ পাওয়া যায় উত্তরে গ্রামে যেতে। নেপাল সীমান্তে চারিধারে পাহাড়ে ঘেঁরা, ফুল-ফল-এলাচে ভরা পাহাড়ি শহর উত্তরে ট্রেকারদের স্বর্গরাজ্য। পাহাড় চুড়া থেকে দেখা যায় সিঙ্গলীলা পর্বতশ্রেণী। উপত্যকার শুরুতে ১০০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড় চূড়ায় কাগজু গুম্ফা এর সামনে চোর্তেন এবং পাশে বাঙালি কালী মন্দির রয়েছে। 

Hotels in Pelling:-
STD of Pelling- 03595.
1) White Orchid, 7872586263. 2) Diamond, Call:- 22259639. 3) New Namsaling Residency, Call:- 32318019. 4) Kabur, Call:- 9775972112. 5) Norbugang Resort, Call:- 9933004492. 6) Sikkim Aurora, Call:- 9732258987. 7) 10th Planet, Call:- 9732392230. 8) Haven, Call:- 9734929228. 9) Dolphin, Call:- 22378968. 10) Chiminda International, Call:- 9832066111. 11) Reliable Travels, Call:- 9830163154. 12) Magnolia, Call:- 9433447466. 13) Ashwamedh, Call:- 9434169623. 14) Resort Stellate, Call:- 9748114667. 15) Touristo, Call:- 9593306031. TTMI, Call:- 9903042163. 16) Swagat, Call:- 9733014434

 Yuksom :- 
Yuksom সিকিমের রাজধানী ছিলো অতীতে। এই মনোগ্রাহী পাহাড়ি উপত্যকা তিনজন দলাই লামার মিলন স্থল। Nyingma-pa বা বৌদ্ধদের লাল টুপি শাখার উদ্ভব Yuksom থেকেই। ১৬৪২ এ সিকিম দেশে চোগিয়ালদের রাজ্য পত্তন  ইয়াকসামের নরবুগাং-থেকে। বাজার থেকে গেজিং-এর দিকে মায়াবী তরুছায়া পথ দিয়ে গিয়ে কার্থোক লেকেড় পাড়ে পাইন গাছের নিচে মাটি ও পাথর দিয়ে তৈরি চোগিয়ালের করোনেশন থ্রোন। পাথরে প্রধান লামার পদচিহ্ন রয়েছে এবং পাইন গাছটিকে প্রধান লামার ছড়ি বলে বিশ্বাস করা হয়। ভাঙাচোরা অতীতের চোর্তেনের পাশে Dra Lhagang এবং সোনালী সাদা কাঞ্চনজঙ্ঘা। ১৬৭০-এ Yuksam থেকে পেমিয়াং মাথার কাছাকাছি রাবডান্টসে রাজ্যপাট স্থানান্তরিত হয়েছিল। হাই স্ট্রিট থেকে দক্ষিণ দিকে জঙ্গলের পথে ৪ কিমি দুরে ১৭০১-এ তৈরি হওয়া দ্বিতীয় প্রাচীন মনাস্ট্রি Dubdi বা the hermit's cell রয়েছে ট্রেকারদের স্বর্গরাজ্য ইয়াকসামে। Yuksomকে কেন্দ্র করে জোংরি বেস ক্যাম্পে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের পাহাড়ে চড়ার ট্রেনিং কোর্সের কর্মকাণ্ড চলছে। Dzongri যেতে গেলে ইয়াকসামে রাত্রিতে থাকতে হবে এবং ইয়াকসাম ভ্রমণাথীর্দের Pelling ফিরে যাওয়া উচিত।

How to go Yuksom:-

গেজিং থেকে SNT-এর বাস ৪২ কিমি দুরের Yuksom যাচ্ছে। বাস যাচ্ছে গেজিং থেকে লেগশিপ হয়ে Yuksom। টাসিডিং থেকে বাস ও শেয়ার জিপ যাচ্ছে ইয়াকসাম। শিলিগুড়ি যাচ্ছে জিপ ইয়াকসাম থেকে। 

Hotels in Yuksom:-
STD of Yuksam- 03593.
Hotel Pradhan, Call:- 9933019979. Yuksam Residency, Call:- 9593668773. Dzongrila Lodge, Call:- 9832321159. Tashiggang, Call:- 241202. Diamond, Call:- 22259639.

Dzongri :- 
ইয়াকসাম থেকে ১৬ কিমি দুরে  ৯০০০ ফুট উচ্চতায় বাখিম এবং ১৮ কিমি দুরে ১০০০ ফুট উচ্চতায় ছোকা। গুম্ফা, প্রার্থনা পতাকা, চোর্তেন, হোটেল, ফল ও সবজির বাগান দিয়ে সাজানো Tsokaa.শ'কয়েক তিব্বতি নিয়ে এ পথের শেষ বসতি ছোকার উত্তর দিকে মাউন্ট পান্ডিমের উন্নত পাঁচ শিরের রূপে মুগ্ধ হতেই হয়। ট্রেকাররা বাখিম ফরেস্ট বাংলো/ছোকায় ট্রেকার্স হাট বা লজে প্রথম রাত কাটিয়ে দ্বিতীয় দিনে ৮ কিমি দুরে পাঁচ হাজার ফুট উচ্চতায় Dzongriপৌঁছে যেতে পারেন। ৩৯৩৯ মিটার উচু জোংরির সামনেই Dzongri Peak। বামে ১৪ কিমি দুরে Goecha-La ১৬৪০০ ফুট গিরিবর্ত্ম। নিচে সমিতি লেক। Dzongri Peak থেকে দেখা যায় হিমালয়ের মনমোহন রুপের বাহার। পাহাড় আর পাহাড়, গভীর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা জাতীয় উদ্যান হোয়ে পথ এসেছে Yuksam থেকে। মনভরানো পথের নৈসর্গিক শোভাবর্ধন অতুলনীয়। মে-জুন মাসে ২০রেও বেশি প্রজাতির রডোডেনড্রন পথপাশে রঙিন বাতাবরণ তৈরি করে। জোংরিতে ট্রেকার্স হাটে বা নিজিস্ব তাবুতে থেকে তৃতীয় দিন ৯ কিমি দুরে কাঞ্চনজঙ্ঘার বেশ ক্যাম্প ট্রেক করে Dzongri তে ফিরে রাত্রিযাপন করা। চতুর্থ দিন ইয়াকসাম পৌঁছে রাতের অবস্থান। চলার পথে খাওয়ার পাওয়া যায় দোকানপাটে তবুও নিজিস্ব ব্যবস্থায় খাবার ও জল সঙ্গে রাখা উচিত হবে। অভিযাত্রীরা Dzongri থেকে ৬৮৯০ মিটার উঁচু Mount Pandimও যাচ্ছেন। আট কিমি ট্রেক করে ১২৬০০ ফুট উচ্চতায় থানসিং এবং থানসিং থেকে ৬ কিমি গিয়ে ১৪০০০ ফুট উচ্চতায় সমিতি লেক ঘুরে নেওয়া যায়। সমিতির মাথায় ২ কিমি উঠলেই প্রিয়তমা কাঞ্চনজঙ্ঘা হাত বাড়ালেই। থাকার ব্যবস্থা থানসিং ও সমিতি লেকের ট্রেকার্স হাটে। 

Perfect time to Dzongri trek :- 
ফেব্রুয়ারী থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে জোংরি অভিযানের সেরা সময়। তবে মে ও অক্টোবর আদর্শ। ট্রেকিং সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
Bigfoot Tour & Treks, pop Hotel Tibbet, Paljor Stadium Rd.
Snow Lion Travels, Sikkim Himalayan Adventure, Gangtok-737102. বিভিন্ন ট্রেক ট্যুরেও যাচ্ছে এরা। জোংরি ট্রেকিং-এ সিকিম ট্যুরিস্ট অফিস, ইয়াকসাম থেকে অনুমতির সাথে টোল লাগে। 

Rinchenpong :- 
Town in Sikkim ১৮৬০ এ ব্রিটিশ এসে ঘাঁটি গাড়লেও লেপচাদের চাতুরির কাছে হেরে পালিয়ে যায় ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন মূরে Rinchenpong থেকে। জোরথাং থেকে ৪১ কিমি দুরে এই লেবচা গ্রামে। রিশপ ও Rinchenpong Monestry, পয়জন লেক, হেরিটেজ হাউস, রবীর স্মৃতি বনের ইতাসের সাথে কাঞ্চনজঙ্ঘাও দৃদৃশ্যমান।  রিনচেনপং অভিনব বুদ্ধমূর্তিটিই অন্যতম দ্রষ্টব্য। বাজারের মাথায় ১৮ শতকের রিনচেনপং গুম্ফাটিও দেখে নেওয়া যায়। Rinchenpong থেকে ৩ কিমি দুরে কুম্ভকর্ণ, কোকতাং, কাব্রু, গোচা সহ কাঞ্চনজঙ্ঘার ১৮০ ডিগ্রি বিস্তৃতি নিয়ে কালুক সিকিমের নতুন সংযোজন। 

Hotels in Rinchenpong:- 
Diamond, Call:- 22259639. Denzong, Call:- 9836557890. Mount View, Call:- 25136161. Ashwamedh, Call: 9733136939. Rinchenpong Nest, Call:- 9733136939.

 Burmiok :- 
কালুক থেকে ১৪ কিমি দুরে হি গাঁও কে ঘিরে Burmiok। পেলিং থেকে দুরত্ব ৩৮ কিমি Hee-Bermiok-এর। হি মানে ঘুরে ঘুরে ওঠা এবং বার্মিও মানে শ্রেষ্ঠ। কাঞ্চনজঙ্ঘা তথা সিকিমের গ্রাম্য জীবনের সৌন্দর্যই Burmiok-এর দর্শনীয় বিষয়। হি গাঁও থেকে তিন কিমি পাহাড়ের উপরে ছায়াতাল থেকে ২০ কিমি ট্রেক করে বার্সে রডোডেনড্রন স্যাংচুয়ারিওতে পৌঁছান যায়। হি বাজার থেকে ঢালু পথে নেমে সিকিমের উপাস্য শ্রীজঙ্ঘার  ইউমা স্যামিও মন্দির, শ্রীজঙ্ঘা ওয়াধন(ঝর্ণা) ও শ্রীজঙ্ঘা ফুকু(গুহা) দেখাই হি বার্মিওক এবং সিকিম ভ্রমণের বিরল অভিজ্ঞতা।

Hotels in Burmiok :- 
Chemed, Call:- 9733328705. Tarbery Shinglila Resort, Call:- 9434213212. Kanchan View, Call:- 9051166563.

 Tashiding :- 
গেজিং থেকে ৪০, লেগশিপ থেকে ১৬ আর ইয়াকসাম থেকে ১৯ কিমি দুরে Tashiding। দিনে একটি বাস যাচ্ছে গেজিং থেকে লেগশিপ হোয়ে Tashiding। জিপ ভাড়া করে যাতায়াত করা যায় এই পথে। বাজার থেকে ২ কিমি দুরে গভীর জঙ্গলের মধ্যে এক পাহাড় চূড়ায় অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে ৩য় চোগিয়ালের সময়ে ১৭১৬ তৈরি Tashiding Monestry তে পদ্মসম্ভাবার নানান স্মৃতি বিজড়িত Elevated Glorious White Rock. মনাস্ট্রি ঘিরে বিক্ষিপ্ত ভাবে মন্ত্রখোদিত পাথর খন্ড এবং Thong-wa-Rang-Dol বা পিরামিড চোর্তেন।
ফেব্রুয়ারির বুমচু উৎসবে বিরাটকায় পাথরের জারের মুখ খোলা হয় একবছর পরপর উৎসবের সময়ে। ৩০০ বছরের এই জারের জল কখনোই শেষ হয়নি। বাস যাত্রায় এক রাত থাকতে হয় Tashiding-এ।

 Legship :- 
 Legship এর পর্যটন মর্যাদা তার উষ্ণ প্রস্রবনের জন্য। রাবাংলা থেকে ২৬ আর তাসিডিং থেকে ১৬ কিমি দুরে  Legship অবস্থিত। রঙ্গিত নদীর জলবিদ্যুত্ প্রকল্পটিও ঘুরে নেওয়া যেতে পারে Legship-এ এসে। ত্রিমুখী রাস্তা এখানে রাবাংলা হোয়ে গ্যাংটক, গেজিং হয়ে পেলিং, জোরথাং/মেলি হয়ে শিলিগুড়ি।


সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Sikkim :- Places to visit in South Sikkim / দক্ষিণ সিকম ভ্রমণ গাইড

Ravangla :- 
সবুজের সমারোহে Tavangla-এর ঋতুচক্রে। রূপ-রঙ-লাবণ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম ভাবে  Ravangla.শীতে বরফ পড়ে, এপ্রিল-মে তে ফুলের বাহারে মাতে। ১৮০ ধাপ সিঁড়ি ভেঙে উঠে মণি চোখার লিং মৈনাম পর্বতের পাদদেশ থেকে দেখে নেওয়া যায় Ravangla-এর অপরূপ সৌন্দর্য। দেড় কিমি দুরে কারুকার্যমণ্ডিত অ্যালে ক্যাম্প বা গুম্ফা। ১২ কিমি ট্রেক করে ওক, বাদাম, ম্যাগনোলিয়া, রডোডেনড্রন গাছেদের মধ্যে দিয়ে ঘন্টা ছয়েকে ১০৩০০ ফুট উচ্চতার Maenam Hill  থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপসজ্জা উপভোগ করা অনবদ্য, অনন্য। সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রতি মহুর্তে পর্বত মালার রঙ বদল মনোমুগ্ধকর। সূর্যাস্ত সেতো আর এক স্বর্গীয় স্বকীয়তায় মোড়া অনবদ্য অনুভূতিতে রোমাঞ্চিত করে শিরা-উপশিরা। পরিস্কার আকাশ থেকে পচ্শিমবঙ্গের কালিম্পং, দার্জিলিং ছাড়াও চীনা সীমান্ত সুস্পষ্ট দেখা যায় Maenam Hill এর পাহাড় চুড়া থেকে। নিরালা নির্জনে ক্ষয়প্রাপ্ত মনাস্ট্রিতে ধ্যানমগ্ন একাকী বুদ্ধের সঙ্গলাভও করা যায় Ravangla-য়। লেপচারা বিশ্বাস করে কাঞ্চনজঙ্ঘাই তাদের সৃষ্টি করেছে তাই আগস্টের শেষ ও সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাঁরা কাঞ্চনজঙ্ঘার আরাধনা করে। দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের মেলা বসে Ravangla উসবে মেতে ওঠে নাচ-গান-বাজনায়। কাঞ্চনজঙ্ঘাও স্পষ্ট Ravangla থেকে তখন দেখা যায়। পথ গিয়েছে ৩৫ কিমি বিস্তৃত Maenam Wildlife Sanctuary হয়ে। ব্ল্যাক ফেজেন্ট, ব্ল্যাক ফেজেন্ট, ব্লাক ইগল, রেড পান্ডা, লেপার্ড ক্যাট ছাড়াও বিভিন্ন পশুপাখি দেখে নেওয়া যায় Maenam-এ। দুর থেকে দেখে নেওয়া যায় মোরগের মাথার ক্লিফের মত খাড়া পাহাড় ভালেদুঙ্গা। মৈনাম থেকে ১১ কিমি দুরে জঙ্গলের ভিতরে পাহাড়ের একটি ছোট্ট গুম্ফা। গুম্ফা থেকে দেড় কিমি ট্রেক করে একই শৈলশিরায় ভালে দুঙ্গা। নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে ধীরস্থির তিস্তা।
How to go Ravangla :- 
গ্যাংটক ও গেজিং থেকে ৬৬ কিমি দুরে ২০২৪ মিটার উচ্চতায় রাবাংলা। গ্যাংটক-গেজিং ও গ্যাংটক-পোলিং রুটে বাস ও জিপ যাচ্ছে রাবাংলা হোয়ে। শিলিগুড়ি থেকে SNTর বাসে বা জিপে ৮৪ কিমি দুরে সিংতাম গিয়ে। সিংতাম থেকে ৩৭ কিমি দুরের রাবাংলা যাওয়া যায়। এখান থেকে সারাদিন রাবাংলা যাওয়ার জিপ পাওয়া যায়। শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি জিপ পাওয়া যায় রাবাংলার সপ্তাহের তৃতীয় ও সপ্তম দিন বাদে। শিলিগুড়ি থেকে ৯৬ কিমি দুরে SNTর বাসে নামচি পৌঁছেও বাস বা জিপে ২৬ কিমি দুরের রাবাংলা যাওয়া যায়। নামচি-রাবাংলা রাস্তায় নামচি থেকে ১০ কিমি দুরে টেমির চা বাগান। চা তৈরির পদ্ধতি দেখে নিতে পারেন কারখানায় গিয়ে। ১৪ কিমি দুরে ডামথাং এবং ডামথাং থেকে ১২ কিমি দুরে রাবাংলা। 

Hotels in Ravangla:- PIN COAD - 737134, STD- 03595.

1) Rabtenling, Call:- 9733393960. 2) Silver Fir, Call:- 9733017989. 3) Rabangla Star, Call:- 260733/22845062. 4) Diamond, Call:- 22259639/22318019. 5) Lokenath, Call:- 9831510631. 6) Blue Spring Residence, Call:- 9733121105. 7) TTMI, Call:- 22845062. 8) Snow White, Call:- 9433137831/ 9434169623. 9) Melody, Call:- 9932550141.

Namchi :- 
Top of the Sky, ১৫০০ মিটার উচ্চতায় South Sikkim District Town is Namchi. বাইচুং স্টেডিয়াম, সাই ক্যাম্প তৈরি হয়েছে Namchi-তে। অনুচ্চ দুই পাহাড়ে নেপালি ও ভুটিয়াদের দুই প্রাচীন মনাস্ট্রি মেঘাচ্ছন্ন বা কুয়াশাচ্ছন্ন দিনের আকর্ষণ। ফেব্রুয়ারির পুষ্প প্রদর্শনী, হ্যান্ডিক্রাফটস সেন্টার, রক গার্ডেন, পার্ক, বিভিন্ন ভিউ পয়েন্ট সহ রবিবারের হাট সবে মিলে নামচি অনবদ্য। ৬ কিমি দুরে The wish fulfilling Hill-এ ১৩৫ ফুট উঁচু পদ্মসম্ভাবার মুর্তি তৈরি হয়েছে। Namchi থেকে রোপ ওয়ে The wish fulfilling Hill-এ। Namchi-র কাছেই ১০৮ ফুট উঁচু শিবমূর্তি সহ Chardham তৈরি হয়েছে।

নামচি থেকে ১৪ কিমি দুরে ডামথাং গিয়ে ৯ কিমি ট্রেক করে ১০৮০০ ফুট উচ্চতায় মৃত আগ্নেয়গিরি Tendong দেখে নেওয়া যেতে পারে। Tendong Wildlife Sanctuary দিয়ে পথ। সিঙ্গলীলা, কাঞ্চনজঙ্ঘা, মাউন্ট নরসিং, জোপুনো, কাবুর ছাড়াও দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড় শ্রেণী দৃষ্টি রোধ করে। তবে Tendong গিয়ে সেই দিনেই নামচি বা রাবাংলা ফিরে যেতে হবে রাত্রিযাপনের জন্য।
রাবাংলা থেকে ১৭ কিমি দুরে সালফার জলের উষ্ণ প্রস্রবন, Borong চা চু-ও ঘুরে নেওয়া যায়। অজস্র পাখির কলকাকলিতে মুখরিত Borong অনন্য। কাগিয়ুপা শাখার রালং গুম্ফা মাঝপথে রাবাং-এ ১৭৩০শে তৈরি। নতুন বছরের সমৃদ্ধি কামনায় ডিসেম্বরের শেষে কাগিয়াং নৃত্যোৎসব বিখ্যাত Ralong-এর।  বৌদ্ধ বিহার থেকেও গুটিগুটি পায়ে যাওয়া যায় Ralong চা চু।

How to go Namchi :- 
৭৮ কিমি দুরের গ্যাংটক থেকে বাস যাচ্ছে নামচি। শিলিগুড়ি থেকেও নামচি ও রাবাংলার বাস, জিপ পাওয়া যায়।

Hotels in Namchi :- 
Yatri Niwas, Call:- 9832623898/7872888880. Hotel Pradhan, Call:- 03545-264972. Manokamana, Call:- 03545-203564. Seven Hill Resort, Call:- 9733053324. Diamond, Call:- 03545-22259639.
বোরং-এ:- The Wild Flower Retreat, 9609853543/22259639. Boring Retreat, Call:- 9051166563.

Singtam :-
তিস্তা ও রঙ্গিত নদীর মাঝখানে South Sikkim. নামচি ও রাবাংলা দক্ষিণ সিকিমের দুই রূপের রানী। কাঞ্চনজঙ্ঘা সুন্দরীও সুন্দর দেখা যায় এই South Sikkim থেকে। পাহাড়-নদী-অরণ্য তিনের সমন্বয়ে Singtam. কিছুটা দুরে বয়ে গিয়ে মিলন হয়েছে তিস্তা ও রানীঝোরা নদীদ্বয়ের। এখানের প্রাকৃতিক শোভা অবর্ণনীয়। গ্যাংটক থেকে ৩৯ কিমি দুরে Singtam যাওয়া যায় শেয়ারে জিপে করে। প্রতি ৩০ মিনিট বাদেবাদে জিপও যাচ্ছে Gangtok to Singtam, Singtam to Gangtok. সিংতাম থেকে রাবাংলা ও পোলিং-এ যাওয়ার জন্য শেয়ারে জিপও পাওয়া যায়। সিংতামে থাকা যেতে পারে Hotel Sangrila, Call:- 03592-235189 বা Hotel Ratna, Call:- 03592-233624-এ।

Package Tour Operators of Sikkim:-

1) পিস হেরিটেজ ট্যুরস, ফোন:- 9434103381
2) খোরলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 65101393/30533973
3) সাই রাবডান্টস হলিডেজ, ফোন:- 9635120964.
4) অ্যালপাইন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, পাকিয়াং, ফোন:- 257782.
5) মার্কোপোলো ওয়াল্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 22883296.
6) ব্লু মাউন্টেন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, 9832177887.
7) ব্লু স্কাই ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, গ্যাংটক, ফোন:- 205113/203330.
8) টিটিএমআই, ফোন:- 9748114667.

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Vijaywada : Vijaywad tour and travels / বিজয়ওয়াড়া ভ্রমণ

তেলেগুর প্রাণকেন্দ্র Vijaywada কৃষ্ণা নদীর উত্তর তীরে ব-দ্বীপে সমুদ্র থেকে ৭০ কিমি দুরে পাহাড়ে ঘেরা অন্ধ্রপ্রদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। পূর্বে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে পূর্বঘাট পর্বতের মাঝখানে পূর্ব অন্ধ্রের বাণিজ্য নগরী Vijaywada কে দক্ষিনের প্রবেশ দ্বার বলা হয়। ইন্দ্রকিলা পর্বতে অর্জুনের তপস্যায় সন্তুষ্ট হোয়ে শিব কিরাত রূপে দর্শন দেন Vijaywada -তে। যুদ্ধ বিজয়ের আশীর্বাদ সহ পাশুপত অস্ত্র উপহার পান শিব কতৃক অর্জুন। জায়গাটির নাম সেই থেকে Vijaybatika.স্মৃতি হিসেবে মন্দির তৈরি হয়েছে এবং মন্দিরের গায়ে মহাভারতের গল্প খোদিত হোয়েছে Vijaywada Temple-এ।

Places to visit in Vijaywada:-

Kanak Durga Temple, Vijaywada:-
দেবি দূর্গা এখানে পার্বতী রূপে অধিষ্ঠিত। মন্দির তৈরি হয়েছে ইন্দ্রকিলাদ্রি পাহাড়ের মত করে Kanak Durga-এর। Kanak Durga Mondir-এর জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব দশেরা। আদি শঙ্করাচার্যের আগমনের স্মৃতি স্বরূপ শ্রীচক্র অধিষ্ঠিত। Kanak Durga Temple-এর রাস্তাতেই ১৭শ শতকের কুতুবশাহীদের পাহাড় কেটে তৈরি করা আক্কান্না ও মাডান্না নামে দুই গুহা। কিছুটা দুরে আর একটি গুহায় খ্রিস্টপূর্ব ২ শতকের ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। আর ব্রিটিশদের তৈরি করা Krisna Delta Canal থেকে জলবন্টন হচ্ছে কৃষিজমিতে। এখানেই  ১৮৫৭য় তৈরি হয়েছিল ১২২৩.৫ মিটার লম্বা Prokasam Barrage. কৃষ্ণা নদীর এই Krisna River Bridge দিয়ে বাস-ট্রেন চলছে। লেকে ১৩৩ একরের ভবানী দ্বীপে জলকেলি ও ১৪ শতকের ধ্বংসপ্রাপ্ত দূর্গটিও দেখে নেওয়া যেতে পারে।

Victoria Jubilee Museum, Vijaywad:- হিন্দু-বৌদ্ধ-বৈষ্ণব পুরাতাত্ত্বিক সংগ্রহ দেখার সাথে সাথে Bandar Road-এ কালো গ্রানাইট পাথরের বুদ্ধমূর্তিটিও দেখে নেওয়া যেতে পারে Victori Jubilee Museum-এ এসে। শুক্রবার ছাড়া ১০.৩০ থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা Victoria Museum. বাসস্ট্যান্ডের কাছেই Rajib Gandhi Park-টিও শিক্ষা ও চিত্তবিদোন মুলক। মডেল ডাইনোসর ছাড়াও প্রি-হিস্টোরিক জীবজন্তুর সংগ্রহ রয়েছে Rajib Gandhi Park-এ। খোলা থাকে সকাল ৮ থেকে ১০-৩০ এবং বিকাল ৫টা থেকে ৮-৩০ পর্যন্ত Rajib Gandhi park টি।

Gandhi Hill, Vijaywada:- ১৯৬৮তে তৈরি ৭টি গান্ধী স্তূপ সহ গান্ধী মেমোরিয়াল লাইব্রেরি, লাইট এন্ড সাউন্ড প্রদর্শনী, প্ল্যানেটেরিয়াম ছাড়াও টয়ট্রেন চলছে Gandhi Hii-এ। শহরের দৃশ্যও অত্যন্ত  সুন্দর Gandhi Pahar থেকে।
দেখে নেওয়া যায় আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত মল্লেশ্বর শিব মন্দিরের শ্রীচক্র, হজরতবাল মসজিদে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মোহম্মদের স্মারক। 
Guha Mandir:- Vijaywad Town থেকে ৫ কিমি দুরে দক্ষিণ ভারতের প্রাচীনতম দ্বিতীয় মাধব বর্মার তৈরি Guha Mandir-এ নটরাজ, বিনায়ক ৪৬২ থেকে রক্ষা করা হচ্ছে। দক্ষিণ ভারতের একমাত্র অর্ধনারীশ্বরের মুর্তিও রয়েছে Cave Temple-এ।
 
Undavalli Cave:- প্রকাশম ব্যারেজ থেকে ৮ কিমি দুরে  গ্রানাইট পাহাড়েের ঢালে ৫ ধাপে ৭ শতকের দক্ষিণী পহ্লব শৈলির Undavalli. গুহায় অনন্তনাগের উপরে বসে রয়েছেন বিশালাকার মনোলিথিক বিষ্ণু। এই ৫ মিটার উঁচু বিষ্ণু কে বুদ্ধও বলে অনেকে। নারায়ণ রূপেও উপস্থিতি ঘটেছে শেষনাগের উপরে। ২টি জৈন মন্দিরও আছে Undavalli Cave-এ।

Mangalagiri:- ভগবান বিষ্ণুর অবতার রূপী নৃসিংহদেবের মন্দিরটিও ঘুরে নেওয়া যেতে পারে ১২ কিমি দুরে Managalagiri-তে। পাহাড়ে পানাকালা স্বামী মন্দিরও রয়েছে। Mangalagori-এর আর এক আকর্ষণ Manalagiri-এর কটন শাড়ি।

Sitanagaram:- ৩ কিমি দুরে সোমেশ্বরী মন্দির ও Krisna River Beach টিও বেড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে Sitanagaram এসে। এক সময় হিরে ব্যাবসার যথেষ্ট খ্যাতি ছিলো Sitanagaram, Vijaywad-এর।

Kondapalli Caves:- বিজয়ওয়াড়া-হায়দ্রাবাদ রোড ধরে ১৬ কিমি দুরে  সূক্ষ্ম কারুশিল্প দেখে আসুন Kondapalli-তে। সিডার গাছের হালকা কাঠে তৈরি বিশ্ব বিখ্যাত জন্তু-জানোয়ার সহ রংচঙে পুতুল অন্ধ্রপ্রদেশ ভ্রমণের স্মৃতি হিসেবে সংগ্রহ করা যেতে পারে Kondapalli থেকে। ১৪ শতকের Prolay Veema Reddyর দূর্গও আছে Kondapalli- মাথায়। মন্দিরের কাছেই তিনতলা পাথুরে টাওয়ার ও মন্দির আছে বিরূপাক্ষের। শিব রাত্রি ও দশেরায় উৎসব মুখর হয় Kondapalli.

Kuchipudi:- বিজয়ওয়াড়া থেকে ৬০ কিমি দুরে Kuchipudi Dance-এর শ্রষ্টা সিদ্ধেশ্বর যোগীর জন্মভূমি ও লোকশিল্পের গ্রাম Kuchipudi Village. Kuchipudi Dance School তৈরি হয়েছে যোগীর বাসভবনে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে Kuchipudi Dance Association আয়োজিত সিদ্ধেন্দ্র জয়ন্তী বিখ্যাত উৎসব।

Machilipatnam:- বিজয়ওয়াড়ায় থেকে ৭৮ কিমি দুরে কৃষ্ণা নদীর পাড়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তৈরি বাণিজ্য নগরী Machilipatnam. ডাচ ও ফরাসিরাও শিল্প-কারখানা তৈরি করেছিলেন Machilipatnam-এ। Machilipatnam Town-এর গোড়া পত্তন ১৪ শতকে আরব থেকে রেড সী ধরতে আসা এক পোলনীর হাতে। Machilipatnam-এর সিল্ক ও সুতি বস্ত্ররের আজও সুখ্যাতি আছে। ১৯ শতকের Machilipatnam Church-টিও মছলিপতনমের উল্লেখ্য।

Manginapudi Beach:- বন্দর থেকে ১২ কিমি দুরে এই Manginapudi Beach-টি রয়েছে। মাঘী পূর্ণিমায় দুর-দুরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা আসেন Manginapudi-তে পুণ্যস্নানে। বিজয়ওয়াড়া থেকে বাস ও ট্রেন যাচ্ছে মছলিপতনমে। ট্রেন আসছে সেকেন্দ্রাবাদ থেকে বিজয়ওয়াড়া হোয়ে মছলিপতনমে।

Kolleru Bird Sanctuary:- বিজয়ওয়াড়া থেকে এলুরু হয়ে ৮৫ কিমি দুরে Kolleru Lake বা পাখিরালয়। ৬৭৩ বর্গ কিমি জুড়ে কৃষ্ণা ও গোদাবরী নদীর ব-দ্বীপে এই জলাভূমি ১৯৬৩তে ৯০০ বর্গ কিমি নিয়ে স্যাংচুয়ারিও ঘোষণা করা হয়েছিল। আয়তনের সঙ্গে সঙ্গে পাখির সংখ্যাও কমে গেছে। তবে অক্টোবর থেকে মে মাসে টিল, পোচার্ড, পেলিক্যান, হিরন ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার পাখি দেখা যায় Kolleru Bird Sanctuary-তে। Kolleru Lake-এর মাঝে ছোট ছোট দ্বীপের মধ্যে একটি দ্বীপে জেলেদের দেবী পদ্মা মন্দির। হাওড়া-বিজয়ওয়াড়া রেল পথে এলুরু বা বিজয়ওয়াড়া নেমে Kolleru Bird Sanctuary ঘুরে নেওয়া যায়। 

Suryalanka Beach:- অন্ধ্রপ্রদেশের আর এক সুন্দর সাগর সৈকত Suryalanka. বিজয়ওয়াড়ায় থেকে ১০০ কিমি দুরে Suryalanka Sea Beach. বাসে বা ট্রেনে বাপটলায় নেমে অটোয় ৯ কিমি দুরে, নিরব কবিতার কলতানে মোড়া Suryalanka Beach ঘুরে দেখা যায়।

How to go Vijaywada:- 
কলকাতা-চেন্নাই/হায়দ্রাবাদ/ তিরুপতি ও চেন্নাই-দিল্লি/ আমেদাবাদ রেল রাস্তায় জংশন স্টেশন বিজয়ওয়াড়া।
কলকাতা-চেন্নাই NH5 ও হায়দ্রাবাদ-পুনে NH9 সড়কে বিজয়ওয়াড়া। হায়দ্রাবাদ থেকে Air deccan ও Kingfisher বিজয়ওয়াড়ার সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেছে। 

Hotels in Vijaywada:- STD of Vijaywad-0866
There are some Information about vijaywada Hotels and Vijaywada hotels contact number. Contact Vijaywada Hotels for further enquiries.

1) Fortune, Call:- 2471311. 2) Vijaywad, Call:- 2418058/22813679 3) TTMI, Call:- 22845062. 4) Jagapathi International, Call:- 2571291. 5) Abhiram Palace, Call:- 6661888. 6) Hapuram, Call:- 2571282. 7) Abhilash, Call:- 2577711. 8) Manorama, Call:- 2571301. 9) Anupama, Call:- 2433921. 10) Raj Towers, Call:- 2571311. 11) Lila Residency, Call:- 3295635. 12) Swarna Palace, Call:- 2577222. 13) River Inn, Call:- 2434314. 14) Surya City Home, Call:- 2579752. 15) Srinivas, Call:- 2573877. 16) Mamata, Call:- 2571251. 17) Santhi, Call:- 2577351. 18) D V Monor, Call:- 2474455. 19) Kandhari International, Call:- 2471310

Vijaywada tour Package :- 

প্রতি শনিবার সকাল ৬টায় বের হয়ে দ্বারকা তিরুমালা-রাজমহেন্দ্রী ম্যারেডুমেল্লি যাচ্ছে জনপ্রতি ২০০০ টাকার মধ্যে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে অধিক জানতে পর্যটন দপ্তরের ফোন নম্বর:- 2571393/2570761-এ যোগাযোগ করা যেতে পারে। এবং এই লিঙ্ক গুলো দেখা যেতে পারে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

North Sikkim : Sikkim / সিকিম ট্যুর


North Sikkim :-
Sikkim Tourism -এর প্রধান স্থান এখন North Sikkim। ফুলে ভরা উপত্যকায় উষ্ণ প্রস্রবন, হিমবাহ, পাঁচশতাধিক জলপ্রপাতের সম্ভার North Sikkim-এ। পাহাড় থেকে পাহাড়ে জিপ চলে এঁকেবেঁকে, রঙবেরঙের ঘাসের গালিচায় বিচিত্র বর্ণের প্রিমুলা, রডোডেনড্রন, চেরি, ওক, মেপল, ম্যাগনোলিয়া বাসর সাজায় পরদেশী প্রেমিকদের আশায় আশায় North Sikkim-এ। জুনিপার, পাইনেরা ছাতা ধরে মাথায়। রঙবেরঙের ফুলেদের সাথে অর্কিডের বর্ণময়তায় মুগ্ধ করে মনোজগৎ। আকাশ ফুঁড়ে ঝরনা নামে যৌবনের বন্যা নিয়ে বাঁকে বাঁকে প্রেয়সী, শ্রেয়সী Kanchanjangha লুকোচুরি খেলে যাত্রীদলের সাথে।

Places to visit in North Sikkim :-
If you want to know places to visits in North Sikkim you may read these places of North Sikkim and make plan for your North sikkim tour.

কাবি গুহা:- গ্যাংটক শহর থেকে ১৭ কিমি দুরে রাস্তা থেকে সামান্য নিচে Kabi Guha ৫৪০০ ফুট উচ্চতায়। ১৫ শতকে ভুটিয়া ও লেপচাদের মৈত্রি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় Kabi Guha য়। চুক্তি অনুযায়ী ভুটিয়ারা বসবাসের অধিকার পায় সিকিমে।  লোংচক অর্থাত্ স্মৃতি স্তম্ভ হয়েছে এখানে। কিছুটা গিয়ে সিনবা রডোডেনড্রন স্যাংচুয়ারি। SNT-র বাস যাচ্ছে গ্যাংটক ছেড়ে ফোদং হয়ে মংগন পৌঁছে আরোও ৫ কিমি দুরে Singhik। চুংথাং যাচ্ছে মেলবাস, লাংচু যাচ্ছে আর্মি বাস। নিজিস্ব জিপের ব্যবস্থাও করে নেওয়া যায় গ্যাংটক থেকে। 

Phodong:- গ্যাংটক থেকে ৪০ কিমি দুরে থামলং ৫৭০০ ফুট উচ্চতায়, প্রধান রাস্তা ছেড়ে ১ কিমি পাহাড়ে চড়ে Phodong Monastery দেখে নেওয়া যায়। Chogyal Gyurmed Namgyal-র তৈর সিকিমের অন্যতম সুন্দর মনাস্ট্রি কার্মা কাগয়ু মনাস্ট্রি। এই মনাস্ট্রির মাথার উপরে ২ কিমি দুরে প্রাচীন Nyingma-pa শাখার লাবরাং মনাস্ট্রিও ৩০ মিনিটে ট্রেক করে দেখে নেওয়া যায় Phodong থেকে। তেমনি দেখা যেতে পারে দুই মনাস্ট্রির মাঝে সিকিম রাজাদের তৃতীয় রাজধানী Tumlong-এর ধ্বংসাবশেষ।

Mongon:- Phodong থেকে ২৭ কিমি দুরে North Sikkim এর জেলা সদর ৩৯৫০ ফুট উচ্চতায় Mongon। রংরং-এ এশিয়ার দ্বিতীয় উচ্চতম ঝুলন্ত সেতু পার হোয়ে যেতে হয় Phodong থেকে। মংগন থেকে ৫ কিমি দুরে সুন্দর ছোটখাটো শহর Singhik। কাঞ্চনজঙ্ঘা এখান থেকে দৃশ্যপটে চলে আসে এবং সুন্দর প্রাকৃতিক প্রাচুর্যের মাঝে পাহাড়ের চূড়ায় কারুকার্যমণ্ডিত, ফ্লেস্কো চিত্র ও নানান মুর্তি সহ অনবদ্য সিংঘিক গুম্ফা ও চোর্তেন।

Chungthang:- গ্যাংটক থেকে ৯৮ কিমি আর Singhik থেকে ২৬ কিমি দুরে ৩৫০০ ফুট উচ্চতায় মিলিটারি ছাউনি Chungthang। Mongon এর কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘা রেঞ্জের শেষ তুষারমৌলি সিনিয়লচু থেকে নেমে আসা জেমি হিমবাহ থেকে সৃষ্ট Lachen Chhu ও Lachung Chhu দুটি পাহাড়ি নদীর সঙ্গম। লাচেন ও লাচুং-এর মিলিত ধারায় পুষ্ট North Sikkim এর Tso Lhamu Lake থেকে সৃষ্ট দিসতং বা তিস্তা নদ। অন্য আর একটি মতে আত্রেয়ী, পুনর্ভবা, করতোয়ার ত্রিস্রোত অর্থাত্ তিস্তা। লোকশ্রুতি, গুরু রিমপোচেও বিশ্রাম করেন এখানে। তাই স্মারক রূপে বৌদ্ধ তীর্থও Chungthang। চুংথাং থেকে ২০ কিমি দুরে লা অর্থে গিরিপথ এবং চেন অর্থে বড়ো, মানে বড়ো গিরিপথ লাচেন। লাচেন গ্রামেও মনাস্ট্রি আছে, দেবতা সেখানে স্বর্ণকান্তি গৌতম বুদ্ধ। ইয়াক ও ভেঁড়া পালন এখানের লোকেদের জীবিকা। লাচেন থেকে ৬৮ কিমি দুরে গুরুদোংমার লেক ১৭৪০০ ফুট উচ্চতায়। ভোর ৫টায় লাচেন ছেড়ে ১০টার মধ্যে পৌঁছে যাওয়াই সঠিক। দুপুর থেকে আবহাওয়া বিভ্রাট স্বাভাবিক ঘটনা। বরফে মোড়া লেকে শীতের দিনেও উষ্ণ জল।

ভারত-তিব্বত সীমান্তে Gurudongmar Lake। Yumthang যাত্রায় দু-দিন বৃদ্ধি করে যাওয়া যায় লেক বিহারে। নৈসর্গিক শোভার লীলাভূমি এবং রোমাঞ্চে ভরা পথ। ১৭১০৩ ফুট উচ্চতায় Gurudongmar যাওয়ার সময় নানান বাধা বিপত্তি আজও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সব থেকে বেশি বাধার সৃষ্টি হয় চীনা সীমান্ত চুম্বি উপত্যকায়। গ্যাংটক থেকে ১২০ কিমি দুরের লাচেন থেকে আরো ৩৬ কিমি দুরে এপথের শেষ গ্রাম মায়াবী Thangu ১৩৫০০ উচ্চতায়। থাঙ্গু পৌঁছে রাত্রিযাপন। থাঙ্গু থেকে পথ উঠে গেছে ৬ কিমি দুরের বরফাবৃত সমতলক্ষেত্র Chopta Valley র। গ্যাংটক থেকে ১৪৮ কিমি ও লাচেন থেকে ৩০ কিমি দুরে ১৩২০০ ফুট উচ্চতায় চোপতা উপত্যকায়। অ্যালপাইন ফরেস্টের মধ্য দিয়ে পথ চলে গেছে বরফ রাজ্য Chopta য়। সামনেই লুকানলা পর্বত। পথের পাশে রডোডেনড্রন ফুলের মেলা। বয়ে চলেছে চোপতা চু। যাতায়াত আজও দুর্গম। বিশেষ অনুমতি লাগে লাচেন-চোপতা/গুরুদোংমার যেতে। যাতায়াত জীপ নির্ভর।
গ্যাংটক থেকে বিভিন্ন ট্রাভেলস এজেন্ট ২ রাত ৩ দিনের প্যাকেজে লাচেন, চোপতা Gurudongmar Lake ঘুরিয়ে আনে। পরের দিন থাঙ্গু থেকে ২৬ কিমি দুরে উত্তুঙ্গ পর্বত শিখরে ঘেঁরা Gurudongmar Lake এ  যাওয়া। পিছনে বরফাবৃত পাহাড় নিস্তব্ধ প্রহরীর মত দাঁড়িয়ে। নীলাকাশের নিচে ত্রিকোণ গুরুদোংমার লেকের পবিত্র জলে গিরিশৃঙ্গ দ্বয়ের প্রতিবিম্ব প্রস্ফুটিত হয়। Gurudongmar থেকে ১২ কিমি দুরে সীমান্তের দিকে আর এক লেক সো লামু। বরফে ঢাকা পাহাড়ে ঘেঁরা ডিম্বাকৃতির সো লামু আয়তনে গুরুদোংমার থেকে বড়ো। তিস্তা নদের জন্ম এই লেক থেকে। সো লামুর পরেই চুম্বি উপত্যকা বা তিব্বত। এপথে হোটেল রয়েছে লাচেন ও থাঙ্গুতে। লেক যাত্রার অনুমতি দেয় Superintendent of Police, Gangtok. 
গ্যাংটক থেকে নিয়মিত বাস যাচ্ছে ফোদং এবং মংগনও। এক দিনেই ফোদং ঘুরে ফেরা যায় গ্যাংটক। জিপে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও মনাস্ট্রি দেখে ফেরা যায় ঘন্টা পাঁচেকে। বিকাল ৪ টায় ফোদং ছেড়ে গ্যাংটকের শেষ বাস আসছে। লাবরাংও দেখে ফেরা যেতে পারে গ্যাংটক থেকে একই দিনে।

Lachung:- গ্যাংটক থেকে ১১৯ কিমি, চুংথাং থেকে ২১কিমি দুরে ছোট্ট উপত্যকা Lachung বা বিগ পাস। হিমালয়ের সুইজারল্যান্ড, দ্য মোস্ট পিকচারস্কিউ ভিলেজ লাংচু। চিত্রময়ী লাংচুতে ভুটিয়াদের বসবাস। ছাম্পা বা বার্লির আটা আর মাংসের তৈরি স্যাফালে এদের প্রিয় খাবার। শীতের সঙ্গে ক্লান্তি কমায় ইয়াকের দুধে তৈরি ছুরপি। রান্নাতে ইয়াকের ঘি ব্যবহার করে এরা। এছাড়া লবন, মাখন ও চায়ের প্রচলন আছে। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সংস্কৃতি তিব্বতীয়। পাইনে ছাওয়া তুষার সাদা পাহাড় চক্রব্যুহ রচনা করেছে। সকালে নীলাভ থেকে ধীরে ধীরে সাদা ও সবুজে রঙ বদলায় পাহাড় এখানে। মেঘবালিকারা লুকোচুরি খেলে রৌদ্রের সাথে লাংচুর আকাশে। এপ্রিল-মে মাসে ২৪ ধরণের নানান রঙের রডোডেনড্রন ফোটে বটানিক্যাল মহাকাব্য লাংচুতে। Langchu পরিচিত ইয়ুমথাং প্যাকেজ ভ্রমণের রাত্রিযাপনের জায়গা হিসেবে। বয়ে চলেছে বাঁকা তলোয়ারের মত লাংচু নদী এবং সামনেই ছুমাজং ঝর্ণার ঝরঝর। নদীর পাড়ে আছে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তৈরি করা Langchu Monestry। ডিসেম্বরে ছাম-লো সুঙ উসবে মেতে ওঠে লাংচু। মার্চ থেকে জুন ও অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যাত্রীরা আসছেন প্যাকেজ ট্যুরে। রাত্রিতে থাকার ব্যবস্থা হয় লাংচুতে। প্যাকেজের খরচ যাত্রী সংখ্যা ও সিজন অফসিজনের উপরে নির্ভর করে। যাতায়াত, থাকা খাওয়া ও RAP নিয়ে প্যাকেজ তৈরি হয়। সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন বিভিন্ন ট্যুরিস্ট এজেন্টদের সঙ্গে যথাসম্ভব মিডিয়া পরিত্যাগ করে।

Yumthang:- গ্যাংটক থেকে ১৪১ কিমি দুরে ১১৮০০ ফুট উচ্চতায় অনবদ্য-অনন্য অ্যালপাইন ফুলের উপত্যকা ইয়ুমথাং। প্রিমুলা ফুলের গালিচায় ঢাকা সারা উপত্যকা। ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত অপরূপ সাজে উপস্থাপন করে নিজেকে। চারিপাশ ঘিরে রেখেছে তুষারশৃঙ্গ, সিমখামু ও সিংরা হিমবাহ, উষ্ণ প্রস্রবন, উচ্ছল প্রপাতেরা Yumthang Valley কে। সদানীর তিস্তার পাড় ধরে সবুজ জঙ্গলে ঢাকা পাহাড়-পর্বত ডিঙিয়ে জিপ চলে গন্তব্যে। ৬৭ কিমি দুরের মংগন হয়ে সিংঘিক পেরিয়ে টুং ব্রিজে RAP দেখাতে হয়। সেতু পার হতেই মিলিটারি জোন শুরু। কিছুটা এগিয়ে চুংথাং পেরিয়ে Langchu। লাংচু থেকে ১৮ কিমি দুরে Yumthang আর ইয়ুমথাং থেকে ১০ কিমি দুরে চীন সীমান্ত। ইয়ুমথাং থেকে ১২ কিমি দুরে সেনাবাহিনীর শিবমন্দির হয়ে আরোও ২১ কিমি দুরে ১৬৫০০ ফুট উচ্চতায় সুগন্ধি উপত্যকা জোডাং। ২৩ কিমি দুরে ১৫৩০০ফুট উচ্চতায় বরফ রাজ্যে ১৪টি উষ্ণ জলের প্রস্রবন প্যাকেজ দ্রষ্টব্য বা ভ্রমণ দ্রষ্টব্য এই পথের।

Katao:-
লাংচু নদী পার হোয়ে লাংচুর মাথায় ২৪ কিমি দুরে ১২৬৬৬ফুট উচ্চতায় ডংকিলা পর্বতে Katao অবস্থিত। সৌন্দর্য ও আকর্ষণে ইয়ুমথাং-এর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি katao। প্রকৃতি Yumthang-এর মতোই। তবে বরফ আর ফুলের সম্ভারে বেশি  সমৃদ্ধ ইয়ুমথাং-এর থেকে Katao। ইয়ুমথাং-এর মতোই পপি, প্রিমুলা ফুলের গালিচায় রঙবাহারি রঙিন রডোডেনড্রনের রকমারি চমক রয়েছে katao-তে। বরফে ঢাকা সারগিলা, কাটাও, গ্রেট অ্যালপাইন, দোমং, জেমার শিখরেরা ব্যারিকেড তৈরি করে। বরফ আর বরফ ডাইনে বাঁয়ে সব দিকেই, দিশাহারা যাত্রীরা অনাবিল আনন্দে মেতে স্লিপ খান, বরফ ছোঁড়া-ছুঁড়ি করেন তাল পাকিয়ে। কাছেই মিলিটারি চেকপোস্ট সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই এখানে। বিশেষ অনুমতি নিয়ে ১২ কিলোমিটার যাওয়া যায়। Yumthang Package Tour-এর জিপ চালকদের সঙ্গে সমঝোতায় কাটাও ঘুরে নেওয়া যায়।

Hotels in north sikkim:-

There are some Information about North Sikkim Hotels according to Visiting places of North Sikkim. If you need to contact North Sikkim Hotels you may contact with them for further enquiries of North Sikkim Hotels by contact number.


ফোদং, Kanchenjunga, Call:- 262903.

মংগন:- Lachen Valley, Call:- 234333. North Point, Call:- 234505. Didi, Call:- 234732. Kalden, Call:- 234504. Mountain View, Call:- 234503. Assam Karma, Call:- 234712. PWD Bungalow, Call:- 234595/9745076810. Gangs Jamuna, Call:- 234506.
চুংথাং, Dongmar, Call:- 03592-204116.

লাংচু, Le Coxy Resort, Call:- 03592-205113. Mountain, Call:- 03592-204116. Modern Residency,  Call:- 03592-205131. TTMI, Call:- 22845062.

Tour operators of Sikkim:-
1) পিস হেরিটেজ ট্যুরস, ফোন:- 9434103381
2) খোরলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 65101393/30533973
3) সাই রাবডান্টস হলিডেজ, ফোন:- 9635120964.
4) অ্যালপাইন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, পাকিয়াং, ফোন:- 257782.
5) মার্কোপোলো ওয়াল্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 22883296.
6) ব্লু মাউন্টেন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, 9832177887.
7) ব্লু স্কাই ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, গ্যাংটক, ফোন:- 205113/203330.
8) টিটিএমআই, ফোন:- 9748114667.

How to go North Sikkim:- 

নর্থ সিকিমে ভ্রমণে যেতে গেল প্রথমেই পৌঁছানো উচিত সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক। এবং সেখানে থেকে বাস, জিপ সহ অন্যান্য মাধ্যমে পৌঁছাতে হবে উত্তর সিকিমের ট্যুরিস্ট স্পট গুলিতে।
বিমান:- কলকাতা থেকে এয়ার ইন্ডিয়া বা জেট এয়ারে ১ ঘন্টায় বাগডোগরা পৌঁছে সিকিম ট্যুরিজমের বাসে বা প্রাইভেট বাস, ট্যাক্সিতে ১২৪ কিমি দুরের গ্যাংটক যাওয়া যায়। দিল্লি-বাগডোগরা-গুয়াহাটি-দিল্লি। দিল্লি-বাগডোগরা-দিল্লি। বাগডোগরা-গুয়াহাটি-বাগডোগরা এই রুট গুলোর সহযোগিতায় বাগডোগরা পৌছানো যায়।
সড়কে:- দার্জিলিং GPOর কাছ থেকে SNTর বাস যাচ্ছে উল্টো দিক থেকে প্রাইভেট বাস যাচ্ছে। সুপার বাজার থেকে বিভিন্ন প্রাইভেট বাস যাচ্ছে গ্যাংটক। কালিপং থেকে SNTর জিপ ও বাস যাচ্ছে। গ্যাংটক শহরে ঢোকার মুখে জাতীয় সড়কের ডাইনে প্রাইভেট বাসস্ট্যান্ড এবং M G Road তথা Tourist Office-এর বাঁক ছেড়ে বামে Paljor Stadium Rd-এ SNTর বাসস্ট্যান্ড। শিলিগুড়ি তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে NBSTC-র বাস ও Hill Region Mini Bus Owners Association-এর বাস যাচ্ছে গ্যাংটক। উল্টো দিকের সামান্য দক্ষিণ থেকে সিকিম ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট (SNT)র বাস যাচ্ছে। দুই বাসস্ট্যান্ডের মাঝখান থেকে সুমো/জিপ/মারুতি যাচ্ছে শেয়ারে গ্যাংটক।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Sibsagar:- Sibsagar tour / শিবসাগর


১৮৩৪ সালে ব্রিটিশ চক্রান্তে কাছাড়, শিবসাগর মণিপুর থেকে কেটে, ব্রিটিশ ভারতের ভিতরে নিয়ে আসা হোল। পড়ে রইল মণিপুর। ১৯৩৭ সালে মনিপুর আবার ভাগ হোল। বর্মাকে ব্রিটিশ ইন্ডিয়া থেকে আলাদা করে আলাদা সীমানা টানা হোল। ১৯৪৭-এ আবার ভারত পাকিস্তান আসাম ভাগ। এই বার আন্তঃরাজ্য এবং আন্তর্জাতিক সীমানা টানা হোল। উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষ ব্রিটিশ বদান্যতায় একবার নয় কয়েকবার পার্টিশনের আওতায় পরেছে।

অঞ্চলটির নাম এখানকার বিখ্যাত জলাশয় “শিবসাগর পুকুর” থেকে হয়েছে। শিব আর সাগর এই দুয়ে মিলে শব্দ যুগল শিবসাগর। ১২৯ একর বিস্তৃত প্রায় দুইশত বছরের পুরানো জলাশয়টি সাগরের মতোই। এর দক্ষিণ পাড়ে শিবডোল বা শিব মন্দির। এটি ১৭৩৪ সালে অহোমরাজা শিব সিংহের স্ত্রী রানী মাদামবুকার তৈরি করান। এর ডাইনে-বাঁয়ে বিষ্ণুডোল ও দেবিডোল। পচ্শিম পাড়ে পার্কের পাশে মিউজিয়াম আছে। অহোম রাজাদের ৬০০ বছরের রাজধানী শহর ছিলো এটি। পুরানো নাম রঙ্গপুর।

○○○○○○○○○○○○○○○○○○○○
Places to visit in Sibsagar:- 
○○○○○○○○○○○○○○○○○○○○

রংঘর:- এই রঙঘর প্যাভিলিয়নে বসে হাতির লড়াই সহ বিভিন্ন জন্তু-জানোয়ারের খেলা বা রঙ্গ  দেখতেন রাজা প্রমত্ত সিংহ। এখন বিহু উৎসবের আসর বসে এখানে। ১৭৪৪-এ তৈরি হওয়া রংঘরে ১৯৭৯-তে ULFA-এর জন্ম হয়।

কারেঙ্গঘর:- এর ৪ টি তলা উপরে এবং ৩ টি তলা মাটির নিচে। মাটির নিচের তলা গুলোতে ছিলো রাণীমহল, সেনা নিবাস আর একটিতে গড়গাঁওয়ের কারেঙ্গঘর। দুটি সুড়ঙ্গ পথ ছিলো যার মধ্যে একটি দিখৌ নদীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। ঘরটির আর একটি নাম তলাতল ঘর। রংঘর থেকে কিছুটা দুরে উল্টো দিকে রুদ্র সিংহের তৈরি এটি।

জয়সাগর:- জয়সাগর আকৃতিতে শিবসাগরের থেকে বড়ো। অহমরাজ রুদ্র সিংহ মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ১৬৯৭ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ৪৫ দিনে তৈরি করান জয়সাগর। এর পাড় ধরেই কলেজ, মৎস গবেষণা কেন্দ্র, জয়ডোল ও শিবডোল। ৩১৮ একর জমি নিয়ে বিস্তৃত এটি, শিবসাগর থেকে ৫ কিমি দুরে অবস্থিত।

গৌরিসাগর:- রানী ফুলেশ্বরী ১৭২৩-এ ১৫০ একর বিস্তৃত গৌরিসাগর খনন করান। জয়সাগর থেকে ১৬ কিমি দুরে গৌরিসাগরের পাড়ে দেবী দূর্গার মন্দির আছে।

কারেঙ্গঘর:-  ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে স্বর্গদেব চাও চুকেনমুঙে কাঠ আর পাথর দিয়ে তৈরি করেন ৭ তলা প্রাসাদটি। শিবসাগর থেকে ১৩ কিমি দুরে  গড়গাঁওয়ে পিরামিডের মত ১৬ শতকের এই কারেঙ্গঘরটি অবস্থিত। এর সিংহ দরজাটি তৈরি করান প্রমত্ত সিংহ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে কারুকার্য নষ্ট হলেও ভাস্কর্য অনন্য সুন্দর। এই প্রাসাটির বর্তমান রূপটি উপস্থাপন করেন ১৭৫২য় রাজেশ্বর সিংহ। ১৬৯৯-এ রুদ্র সিংহ রাজধানীর স্থানান্তর ঘটিয়ে নতুন কারেঙ্গঘর তৈরী করেন রংঘের কাছাকাছি।

চরাইদেও:- ২৮ কিমি দুরে প্রথম অহমরাজা সুখাফার(১২২৯) রাজধানী চরাইদেও বাসে ঘুরে আসতে পারেন।
○○○○○○○○○○○○○○○○○○○○
How to go Sibsagar:-
○○○○○○○○○○○○○○○○○○○○
জোড়হাট থেকে ৫৬ কিমি দুরে শিবসাগরে জোড়হাট থেকে বাস যাচ্ছে। গুয়াহাটি-লামডিং-তিনসুকিয়া ব্রডগেজে, শিমালগুড়ি থেকে শিমালগুড়ি-মোরানহাট শাখায় ১৬ কিমি দুরে শিবসাগর। 
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
Hotels in Sibsagar:- 
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••

1) Tourist Lodge, Call:- 09953476062. 2) Hotel Brahamaputra, Call:- 03772-222200. Asamam Tourism এর থাকার ব্যবস্থার জন্য, ফোন করুণ:- 03772-222394.

□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□
Weather in Sibsagar:-
□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□

শিবসাগরের আবহাওয়া সারা বছর মনোরম প্রকৃতির। তাপমাত্রা ১০° সেন্টিগ্রেড থেকে ৪০° সেন্টিগ্রেডের মধ্যে থাকে। ব্রহ্মপুত্র নদ শহরের পাশাপাশি প্রবাহিত হওয়ায়। এখানে বছরে ৯০ থেকে ৯৪ ইঞ্চি (২৩০ থেকে ২৪০ সেমি) বৃষ্টিপাত হয়।


Araku : Araku Tourist places / অরাকু ভ্রমণ

Araku :- 
সিলভার ওক, পাইন ও ইউক্যালিপ্টাসে ঢাকা অপরূপ সবুজ সৌন্দর্যে ভরা স্বপ্নময় রঙিন Araku-র আকুতি রমণীয়। Araku Mean লালমাটি সুতরাং এই লালমাটির Araku Valley পাঁচটি টিলায় ঘেরা ছোট্ট এবং সৌন্দর্য অবর্ণনীয়। বিশাখাপত্তনম থেকে ১২৫, কোরাপুট থেকে ৯২ কিমি আগে ১১৬৬ মিটার উচুতে অবস্থিত Araku  
Valley.। 
Temperature of Araku Valley 
গ্রীষ্মে ৩৪ আর শীতে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা ওঠা নামা করে Araku-তে। Weather of Araku স্বাস্থ্যকর নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির। সর্বোচ্চ শিখর হাওয়া পাহাড় বা গালিকোন্ডা ১৭০০ মিটার উঁচু। মেঘেরা এদের মাথায় চরে বেড়ায়, অপরূপ মাধুরী সূর্যাস্তেরও। সারা পাহাড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পোস্টকার্ডের ছবির মত আদিবাসী গ্রাম। সর্বমোট ১৯ উপজাতির বসবাস এই পাহাড়ে। ধিমসা ও ময়ুরী নাচ-গান-বাজনায় উচ্ছ্বসিত Araku-তে পটারি, সিল্ক, কফি চাষ হচ্ছে।

 Perfect time to Visits Araku :- 
Perfect time to Tour Araku ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী আরাকু উপত্যকা দেখার সবচেয়ে ভাল সময়।

Places to visit Araku :-

Tribal Museum, Araku:-
আদিবাসীদের সংস্কৃতির নিদর্শন tribal museum.ময়ুরী কমপ্লেক্সের উল্টো দিকে গোলাকার বাড়িটিতে Tribal Museum টি অবস্থিত। খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে ৫-৩০ পর্যন্ত।

Padmapuram:- Horticulture Nursery Cum Training Centre রয়েছে Padmapuram-এ। ৫কিমি দুরে ১৯৪২এ তৈরি ২৬ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত Padmapuram Garden. ৩৫ প্রকার গোলাপ সহ ভেষজ উদ্ভিদের Botanical Garden টি শিশুদের বিনোদনেরও নানান ব্যবস্থা রেখেছে। 

Chaparai Waterfall :- পাহাড়ি নদী-
ও গাছপালার সমন্বয়ে সুন্দর সাপরাই সুটিং স্পটটি ১৫ কিমি দুরে। জগদলপুরের দিকে ৮ কিমি গিয়ে Chaparai-তে ডম্বুরিণ্ডডা ওয়াটার ফলসটিও দেখে নেওয়া যায়।

Anantagiri Hills:- বিশাখাপত্তনম থেকে ৮৭ কিমি আর Araku-এর ২৫ কিমি দুরে পূর্বঘাটে ১১৬৮ মিটার উঁচু অনন্তগিরির পাহাড়ি শহর। চুনের দণ্ডে ভরা চুনাপাথরের গুহা Anantagiri-র অনন্ত আকর্ষণ। এই Anantagiri-র কোবলা নদীতে এ পথের দীর্ঘতম আধা কিলোমিটার রেল সেতুটি রয়েছে। Thatigunda Waterfalls-টিরও অপরূপ সৌন্দর্য নির্জন বনমাঝে। 

Borra Caves:-
বিশাখাপত্তনম থেকে ৯২ কিমি, আর্কু থেকে ৩৪ কিমি, মুলিয়াণ্ডডা জংশন থেকে ৭ কিমি দুরে Borra Guha. Borra Caves Rail Station থেকে ১ কিমি দুরে ভারতের দীর্ঘতম গুহা Borraguha। দশ লক্ষ বছর ধরে তৈরি হয়েছে স্ট্যালাগটাইট বা চুনাপাথরের ঝুলন্ত গুহা। স্ট্যালাগটাইট জল ঝরে ঝরে তৈরি হয়েছে চুনাপাথরের স্তম্ভ Borra Mean ফাঁকা গর্ত(Hole). প্রকৃতির পরিকল্পনায় অনন্য স্থাপত্যের নিদর্শন বাতাস হীন, রহস্য-রোমাঞ্চে ভরা পাতাল রাজ্যের ৭২২ মিটার উচ্চতায় ৩০মিটার প্রশস্ত ৪০ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট ১১৮ ধাপের Borra Caves. শিবলিঙ্গ, কামধেনু, হিন্দু পুরাণের দেবদেবীরা মুর্ত হয়েছে Cave-এ। রাম-লক্ষণ ও সীতাদেবী বনবাসের সময়ে এই Cave-এ এসেছিলেন। Borraguha খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বিদ্যুতের আলো পৌছালেও টর্চ রাখা উপযুক্ত হবে।

How to go Borraguha :-
একটি মাত্র প্যাসেঞ্জার ট্রেন বিশাখাপত্তনম থেকে বোরা গুহা হোয়ে আর্কু যাচ্ছে সকাল ৯-৪০এ। বিশাখাপত্তনম ফেরেও একটি ট্রেন ৩-৫৫ মিনিটে আর্কু ছেড়ে। বাস সড়ক বোরা গুহা থেকে ৫ কিমি দুরে বোরা জংশনে। তাই ট্রেনের অস্বস্তি এড়াতে আর্কু থেকে ও বিশাখাপত্তনম থেকে জিপে, বাসে, ট্যাক্সিতে বোরা গুহা ঘুরে দেখা যেতে পারে।  

Hotels in Araku Valley:-
STD of Araku:- 08936.
There are some Information about Araku Hotels and Araku hotels phone numbers.

1) TTMI, Call:- 22845062. 2) Vikash Resort, Call:- 249746/09492233183. 3) Sri Sai Krisna, Call:- 249056. 4) Green Valley, Call:- 09491551667/249997. 5) Maa Durga, Call:- 40070974. 6) Elegant, Call:- 22107954. 7) Diamond,Call:- 22259639. 8) Sainath Inn, Call:- 09550784699/249899. 9) Krishna Tara Comfort, Call:- 09490544257/249330. 
অনন্তগিরি:- 1) Haritha Hill Resort, Call:- 08936-231898/70. 2) Way Side Restaurant Pongali, Call:- 08936-231958.
বোরা গুহা:- 1)APTDC, Call:- 22813679. 2) Diamond, Call:- 22259639. 3) Mountain View Tyda Valley Resort, Call:- 09490133107.


বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Tirupati : Tirupati Temple Tour / তিরুপতি মন্দির

তিরু অর্থাত্ শ্রী বা লক্ষ্মী সুতরাং Tirupati মানে লক্ষ্মীপতি বা লক্ষ্মীর পতি বা স্বামী নারায়ণ। বিশ্বের সমস্ত হিন্দু মন্দির গুলোর মধ্যে অত্যন্ত সম্পদশালী এই Tirupati Temple. Tirupati Balaji Temple-এর এক বছরের ইনকাম প্রায় পাঁচ লক্ষ কোটি টাকা। গর্ভগৃহে ১০০ কেজি সোনায় মোড়া পদ্মের উপরে ২ মিটার উচু চতুর্ভুজ দেবতা বালাজী। পিছনের দুই হাতে শঙ্খ ও চক্র এবং সামনের এক হাতে অভয়মুদ্রা আর অন্যটি কোমরে রাখা Balajir। মণিমুক্তো স্বর্ণালঙ্কারে Balaji-এর মুকুটের ওজন ১২ কেজি এছাড়া মুকুটে রয়েছে ৯ হাজার টুকরো হিরে। প্রতি বৃহস্পতিবার ফুলের পোষাকে সেজে ওঠেন বালাজী, সারা দেহ ফুলে ফুলে ঢাকা। এতো ফুল যে চোখ দুটিও দেখতে পাওয়া যায় না। খুব ভাগ্য ভালো হলে পায়ের পাতা আর মুখমণ্ডল দেখতে পাওয়া যায় Balaji-র। Tirupati Balaji Temple-এ রয়েছেন বালাজীর দুই স্ত্রী শ্রীদেবী ও ভূদেবী। এছাড়া Tirupati Mandir-এর আর একটি আকর্ষণ ৭৫০ কেজি তামার উপরে ৩০ কেজি সোনায় মোড়া সাড়ে একুশ ফুট উচু সোনার রথ। অক্টোবরের নবরাত্রিতে বালাজী এই রথে চড়েন। ২৪৭ ফুটের অধিক উচু গালিগোপুর দ্রাবিড় স্থাপত্যের সুন্দর নিদর্শন। সহস্র ফোটিক শিলাস্তম্ভের মণ্ডপ বা সভাগৃহটিও সুন্দর। গম্বুজের মাথায় সোনায় মোড়া আনান্দ নিলয়ম। রানী সহ বিজয়নগরের কৃষ্ণদেব রায় ছাড়াও সোনায় মোড়া তালগাছ রয়েছে। তামা ও পাথরের নানান রাজা ও মহারাজাদের মূর্তিও রাখা আছে মন্দিরে। মন্দিরের উল্টো দিকে মিউজিয়ামটিও উল্লেখ্য। 

Balaji Darsanam :- সুপ্রভাত দর্শনম রাত ২.৩০ মিনিটে, থোমালেসেবা রাত ৩.৩০ মিনিটে, অর্চনা ভোর ৪.৩০ মিনিটে, এছাড়া বিশেষ কল্যাণম দর্শনের প্রথাও আছে। 

Places to Visits In Tirupati :-

৩১ টি মন্দির সহ ৭টি কুণ্ডও আছে সাত পাহাড়ে। 

পাপ বিনাশম বাঁধ:- মন্দিরের বাসস্ট্যান্ড থেকে ৫ কিমি দুরে পাপ বিনাশম বাঁধ ঘুরে আসতে পারেন। এখানে ঝর্ণার জলে স্নানে পাপ মুক্ত হওয়া যায় বলে লোকশ্রুতি আছে। রয়েছে এরই মাথায় মন্দির থেকে ৩ কিমি দুরে আকাশ গঙ্গা ঝরনা। সিঁড়ি ভেঙে উঠে দেখা যায় বিষ্ণুর পা থেকে প্রবাহিত গঙ্গা। মন্দির থেকে ১ কিমি দুরে গো-গর্ভ। রয়েছে বিষ্ণুর পায়ের ছাপ পাহাড়ি গুহায় এবং পঞ্চপাণ্ডবের ছোট্ট মুর্তি। রয়েছে ৫০০ একর বিস্তৃত শ্রীভেঙ্কটেশ্বর স্যাংচুয়ারিও।

লোয়ার তিরুপতি-তিরূমালার মধ্যেও মন্দির রয়েছে অনেক। লোকশ্রুতি বালাজীর স্ত্রী শ্রীপদ্মাবতীদেবী বা আলামেলুমঙ্গাপুরম দর্শন ছাড়া তিরুপতি দর্শন অপূর্ণ রয়ে যায়। গর্ভগৃহে কালো পাথরের তৈরি দেবী লক্ষ্মীর চোখ দুটি রুপোর তৈরি। তিরুপতির ১২ কিমি দুরে শ্রীনিবাস মঙ্গাপুরম গ্রামে বিবাহের পর বসবাস করেন লর্ড ভেঙ্কটেশ্বর ও পদ্মাবতী। ১৬ শতকে নায়ক রাজাদের তৈরি ভেঙ্কটেশ্বরের ভাই শ্রীগোবিন্দরাজস্বামী মন্দিরটিও উল্লেখ্য। মন্দিরের গোপুরমটিও ভিষন সুন্দর। মিউজিয়াম হয়েছে মন্দির প্রাঙ্গণে। এছাড়াও আছে কপিলেশ্বর মন্দির, কপিলাতীর্থম পুষ্করিণী। ১০ কিমি দুরে অগস্ত্যস্বামী মন্দির, ১৮ কিমি দুরে কল্যাণী ড্যামও দেখতে যাওয়া যায়। তিরুপতিতে এক রাত থেকে, তিরুপতি থেকে বাস বা অটোয় ১১ কিমি দুরে চন্দ্রগিরিও ঘুরে আসা যায়। ১৫৬৫তে তালিকোটার যুদ্ধে হেরে স্বর্ণমুখী নদীর তীরে গ্রানাইট পাথরের পাহাড়ে ১৮২ মিটার উচ্চতায় ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে তৈরি করা বিজয়নগররাজদের তৃতীয় রাজধানী বা দূর্গটি রয়েছে চন্দ্রগিরিতে। দূর্গটি বারবার হস্তান্তর হয়েছে ১৭৮২তে হায়দার আলির, ১৭৯২তে ব্রিটিশদের। প্রাসাদের ইন্দো-সেরাসেনিক শৈলির রাজমহলে মিউজিয়াম তৈরি হয়েছে। ১০ টা থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে সোমবার ছাড়া। রানী মহল ও মন্দির আছে প্রাসাদে। এই চন্দ্রগিরিতেই ১৬৩৯ এ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মাদ্রাজে সেন্ট জর্জ ফোর্ট তৈরির জমি ইজারা নেন। লাইট ও সাউন্ড শো-এর মাধ্যমে চন্দ্রগিরির অতীত ইতিহাস তুলে ধরা হয় প্রতিদিন ইংরেজি ও তেলেগু ধারাভাষ্যে দুটি শোয়ে।

How to go Tirupati Balaji Mondir:-  

হায়দরাবাদের Gowliguda বাসস্ট্যান্ড থেকে সরকারি বাস ও রেল স্টেশনের উল্টো দিক থেকে বেসরকারি বহু বাস যাচ্ছে তিরুপতি। চেন্নাই TTC বাসস্ট্যান্ড বা এসপ্ল্যানেড থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য পরিবহণের বাসে তিরুপতি দর্শনে যাওয়া সুবিধাজনক। হায়দ্রাবাদ ও সেকন্দ্রবাদ থেকে বাস ও রেল সংযোগ রয়েছে তিরুপতির সঙ্গে। ব্যাঙ্গালোর-চেন্নাই রেল শাখায় রেনিগুন্টা হোয়ে রেল সংযোগ রয়েছে ভারতের বিভিন্ন দিকের তিরুপতির সঙ্গে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান তিরুপতি থেকে হায়দ্রাবাদ যাচ্ছে আসছে প্রতিদিন। Air Deccan হায়দ্রাবাদ থেকে তিরুপতি যাচ্ছে আসছে প্রতিদিন। যশবন্তপুর এক্সপ্রেস, হাওড়া বিশাখাপত্তনম-বিজয়ওয়াড়া হয়ে ১৬৫০ কিমি দুরের তিরুপতি পৌঁছে যশবন্তপুর যাচ্ছে। হাওড়া-চেন্নাই-এর  ট্রেন গুলিতে গুডুর গিয়ে সেখান থেকে তিরুপতি যাওয়া যায় ট্রেনে বা বাসে। হাওড়া-চেন্নাই রেলের বিজয়ওয়াড়া থেকে ২৯৪ কিমি আর চেন্নাই থেকে ১৩৮ কিমি আগে গুডুর জংশন। গুডুর থেকে  শাখা লাইনে রেনিগুন্টা হয়ে ট্রেন যাচ্ছে আড়াই ঘন্টায় ৯৪ কিমি দুরে তিরুপতি ইস্ট।

Hotels in Tirupati:- 
STD of Tirupati- 0877
There are some hotels of Tirupati Balaji Temple, contact these Tirupati Hotels by their Phone number.

1) Diamond, Call:- 22259639. 2) Annapurna, Call:- 2250666. 3) Charminar, Call:- 6644641. 4) Durga Residency, Call:- 2229111. 5) Bhimas Residency, Call:- 2237371. 6) Wood Side, Call:- 2284464. 7) Bhimas Paradise, Call:- 09290427028/2237271. 8) Elegant, Call:- 22107954. 9) TTMI, Call:- 22845062/9748114667. 10) Mayura, Call:- 2225925. 11) Sri Ganesh, Call:- 2221565. 12) Mamata Lodge, Call:- 2225873.

Package tour Arranger for Tirupati:- 

APTDC প্রতিদিন লোকাল সাইট সিইং-এ Srikalahasti, Tiruchanur, Kanipakam, Sreenivasa, Mangapuram ও Kapilateertham যাচ্ছে তিরুপতি ও তিরুমালাই থেকে খরচ ৩০০ থেকে ৪০০এর মধ্যে জনপ্রতি। কোয়েম্বাটুর থেকে ৩ দিনের, কারুর থেকে ২ দিনের, কুম্ভকোণাম থেকে ২ দিনের, মাদুরাই থেকে ৩ দিনের, নৈভেলি থেকে ২ দিনের তিরুমালাই যাচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যটন দপ্তর, খরচ ১২০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে জনপ্রতি। এছাড়া বিমানে ট্যুরের ব্যবস্থাও রয়েছে হায়দ্রাবাদ থেকে খরচ ১২০০০-এর মধ্যে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য 0877-2289120/2289129 এ যোগাযোগ করা যেতে পারে। 



বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Visakhapatnam tourist spots / Vizag / বিশাখাপত্তনম ট্যুর

১১ শতকে অন্ধ্রের রাজা বারাণসীর পথে মন্দির তৈরি করে পুজা করেন দেবসেনাপতি বিশাখস্বামীর। এই বিশাখ থেকে জায়গাটির নাম হোয়ে যায় Visakhapatnam। Visakhapatnam Town বুক ধরে দক্ষিণ থেকে পচ্শিমে নীলগিরি পর্বতমালা বিস্তার লাভ করেছে। পাহাড় আর পাহাড়, চড়াই উতরাইয়ে ভরা Visakhapatnam। পূর্বদিকে বয়ে চলেছে বঙ্গোপসাগর। কেউ বলে বিশাখাপত্তনম, কেউ বলেন ওয়ালটেয়ার আবার কেউ কেউ Vizag। কলিঙ্গরাজ থেকে বাহমনি সুলতানদের হাত ঘুরে ১৭৬৮তে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দখলে যায় Vizag। একসময়ের ওয়ালটেয়ার জংশন আজ Visakhapatnam Junction। Visakhapatnam weather নাতিশীতোষ্ণ এবং Yearly General Temperature of Visakhapatnam বিশাখাপত্তনমে সারা বছর তাপমাত্রা ২৪ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওঠা নামা করে।

Places to visit in visakhapatnam :-

Three Hills:- কালেক্টর চক থেকে ১৩ রুটের বাস ধরে বা অটোয় GPO গিয়ে ডকের পাশেই three hills। পূর্বঘাট পর্বতের তিন চূড়ায় তৈরি হয়েছে Our Lady of the Sacred Heart রোমান ক্যাথলিক গির্জা, দূর্গাকোণ্ডায় মদিনার ঈশাকের নামে উৎসর্গীকৃত মসজিদ এবং ভেঙ্কটেশাকোণ্ডায় তৈরি মন্দিরে হিন্দু দেবতা ভেঙ্কটেশ্বর দেখে নেওয়া যায় three hills এ।

Light House:- ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের পিছন থেকে লঞ্চে নরাভাগেদ্দা নদী পার হোয়ে ৩৮০ ধাপ সিঁড়ি ভেঙে কিছুটা ঢাল বেয়ে নেভি পার হোয়ে ঘন্টা খানেকের পথ গিয়ে ৩৫৮ মিটার উঁচু পাহাড়ে Light House টি অবস্থিত। শহরের দক্ষিণে বন্দর এলাকায় ডলফিন আকৃতির দ্বীপ ১৭৪ মিটার উঁচু Dolphin nose point থেকে প্রতিদিন বিকাল ৩টে থেকে ৫টা পর্যন্ত লাইট হাউসে চড়ার ব্যাবস্থা করা হয়। উপর থেকে নীল সমুদ্র ও শহরের দৃশ্য অনবদ্য লাগে light house থেকে। ৬৪ কিমি দুরের জাহাজ কে সিগন্যাল দেওয়া যায় এই লাইট হাউস থেকে। ইয়ারোদা গিরি ডল ফিনের নাকের মত হয়ে সাগরে মিশেছে তাই নামটিও ডলফিন নোজ। কনক দূর্গা মন্দির আছে এখানে আর আছে সাগরে হাঙরের উপদ্রব। বন্দরের পাশেই মৎস বন্দরটিও উল্লেখ্য। সন্ধ্যা বেলা সেজে ওঠে বন্দর নগরী আলোক সজ্জায় সজ্জিত হোয়ে। এই মৎস বন্দর থেকে APTDC এর "বিশাখা" বোটে ২০ মিনিটে ৩ কিমি সমুদ্র ভ্রমণ সেরে নেওয়া যায়।

Ramkrisna Beach:- সিটি সেন্টার থেকে ৩ কিমি দুরে বিশাখাপত্তনমের Mission Beach. পাহাড়ের পাদদেশে সমুদ্রের জলকেলিতে দক্ষিণ বন্দর এলাকায়  Beach-এর শুরু, শেষ হয়েছে বিশাখা মিউজিয়াম ছাড়িয়ে ভূধা পার্কে। দুইয়ের মাঝখানে দেবী ভবতারিণী মন্দিরটি তৈরি করেছেন বাদল ব্যানার্জি। দেবি মন্দিরের পিছনে রামকৃষ্ণ মিশন এবং পাশে অ্যাকোয়ারিয়াম। সামনে অন্তহীন বঙ্গোপসাগরের তান্ডব নৃত্য প্রদর্শন। Mission Beach এ স্নানের সময় বিক্ষিপ্ত পাথর খন্ড ব্যাঘাত ঘটায়। তাই স্নান করতে একান্তই ইচ্ছে হলে সঠিক হবে কৈলাস গিরির দিকের লসনস বে-তে যাওয়া। kali mandir থেকে A P Tourism-এর বাস যাচ্ছে Rishikonda Beach এ।

VUDA Park:- Visakhapatnam Urban Development Authority বা VUDA আসলে একটি park বা প্রমোদ উদ্যান। লেকে বোট চলছে, গা ছমছম করা কৃত্রিম গুহা, ফিশ অ্যাকোয়ারিয়াম এবং মিউজিক্যাল ফাউন্টেন পায়ে পায়ে দেখে নেওয়া যায় VUDA গিয়ে । ঘোঁড়া বা উটের পিঠেও চড়া যায় VUDA তে। আছে যোগ সেন্টার, কলা ভেদিকা, ডিজনিল্যান্ড, জিম ও রোলের স্কেটিং রিঙ্ক VUDA Park-এ।

Vishakha Museum :- ৩৫০ কেজি ওজনের জাপানি বোমা, ভিজিয়ানা গ্রামের মহারাজদের দান করা ডিউক অফ এডিনবরার তলোয়ার, তাল পাতায় লেখা রামায়ণের অংশ সহ বিভিন্ন কিছু রাখা আছে Vishakha Museum এ। সোমবার ছাড়া প্রতিদিন খোলা Vishakha Museum সকাল ৯টা থেকে ৭টা পর্যন্ত। ১ কিমি দুরে বিচিত্রতায় ভরা রাশিয়া নির্মিত ডুবোজাহাজে সাবমেরিন  মিউজিয়ামে ভারতের প্রথম সাবমেরিন কুরসুরার কলাকৌশল দেখে নেওয়া যায়। NH-5 এ ইন্দিরা গান্ধী জ্যুলজিক্যাল পার্কটিও দেখা যেতে পারে। সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে ৫টা পর্যন্ত টয়ট্রেন যাচ্ছে ৪৫ মিনিটে পার্ক সাফারিতে। চিতা, বাঘ, সিংহের সাথে নানান পাখি ও সরীসৃপের অতুলনীয় স্বাদের বৈচিত্র।

Kailasgiri:- রোড ট্রান্সপোর্ট কমপ্লেক্স থেকে বাসে ১০ কিমি দুরে কৈলাস পাহাড়তলি পৌঁছে সিঁড়ি বেয়ে চড়া kailashgiri র গিরিশিখরে। শহর থেকে অটোও যাচ্ছে শহরের পাদদেশে, যাচ্ছে ট্যাক্সিও। তিনদিক নীল সমুদ্র ঘেরা স্বর্ণাভ বালুকাবেলা সহ নিরালা নির্জনে মনোরম প্রকৃতির মাঝে Kailasgiri যেনো স্বর্গরাজ্য। বঙ্গোপসাগরের বুকে ঝুঁকে পড়ে নীল জলে নীলাকাশের প্রেমে মাখামাখি কঠিন পাহাড়ের। পাহাড়ে নিউজিল্যান্ডের মত মনোমুগ্ধকর উদ্যান, Well Come to Kailasgiri Gate রেখেই শিব-পার্বতীর বিশাল যুগলবন্দি, রেস্তরা। পিকনিকের মনোজ্ঞ পরিবেশ ১০০ একর বিস্তৃত Kailasgir তে। আছে পাহাড়ি রাস্তায় শ্রীকৈলাশ গিরীশ্বর মন্দির ও পাহাড়ি সমুদ্রতটে আপ্পুঘর পার্ক। রোপওয়ে ও টয়ট্রেন চলছে গিরিশিখরে।

Rishikonda Beach:-  রেল স্টেশন থেকে ৮ কিমি দুরে প্রকৃতির কোলে অন্যতম আকর্ষণ সোনালি Risikonda Beach। পূর্বঘাট পর্বতের প্রাচীন উপজাতির ঐতিহ্যের সমারোহ, বালিয়াড়ি, ঝাউবন আর পাহাড়-সাগরে মিলেমিশে একাকার Risikonda Beach। সমুদ্র সফরের ব্যবস্থা আছে Risikonda থেকে স্পিড বোটে। 

Bheemunipatnam:- গোস্তানি নদী সাগরে মিলেছে পূর্বঘাট পর্বত থেকে এসে Bheemunipatnam-এ। নিরালা-নির্জনে সমুদ্র স্নানের জন্য উপযুক্ত Bheemunipatnam। সাগর তীরে মৎসকন্যা সহ নানান দেবদেবী, ধীর স্থির স্বর্ণাভ সাগরবেলা, জেলেদের রোজনামচ, অনুচ্চ লাইট হাউস, ১৭ শতকের ডাচ বন্দরনগরী-দূর্গ-সমাধিভূমির ধ্বংসাবশেষ Bheemunipatnam। শহরের মাঝখানে পাহাড়ের চুড়ায় বনবাসের সময়ে ভীমের প্রতিষ্ঠিত নৃসিংহ মন্দির। পাথরে ভীমের পদচিহ্ন ও সীতাকুণ্ড। সিটিবাস, ট্যাক্সি, অটো যাচ্ছে শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে Bhemunipatnam এ। ২৮ কিমি দুরের বিজয়নগরম থেকেও বাস আসছে। এখানে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। শহরের পথে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কাজুবাদাম গাছে ছাওয়া লালমাটির ঢিবি, রামান্দ্রী মানে রাম-সীতা-লক্ষণও হনুমানের মন্দির।
ভিমিলির রাস্তাতেই শহর থেকে ১৬ কিমি দুরে বীচ রোডে বভিকোণ্ডা ও থোতলাকোণ্ডায় আবিষ্কার হয়েছে বুদ্ধিস্ট কমপ্লেক্স। খ্রীষ্টপূর্ব ২ থেকে ৭ খ্রিস্টাব্দের বৌদ্ধ বিহার, মহাচৈতন্য সহ নানান স্তূপ। উৎসাহীরা বিশাখাপত্তনমের ৪৮ কিমি দুরে কোণ্ডাকারলায় গাড়ি থেকে নেমে ১ কিমি গিয়ে নীল পাহাড়ের নিচে ২৯৬ একর বিস্তৃত হোগলা-শালুক-নলখাগড়ার জলাশয়ে পাখিদের মেলাটিও দেখে নিতে পারেন। শীতে পরিযায়ী পাখিরাও আসে পিকনিক স্পট এই বভিকোণ্ডা ও কোণ্ডাকারলায়। Visakhapatnam Rai Colony-ও ঘুরতে ফিরতে দেখে নিতে পারেন। বিশাখাপত্তনমের হাতির দাঁত, মহিষের শিং ও কচ্ছপের খোলের কাজও দেখে নেওয়া যায়।

Simanchal Temple:- রেল স্টেশন থেকে ৫ কিমি দুরে এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ১৬ কিমি দুরে ২৪৪ মিটার উচ্চতায় কৈলাস পাহাড়ে ১৩ শতকের নৃসিংহদেবের মন্দিরের জন্য Simanchal বিখ্যাত। ভগবান বিষ্ণুর চতুর্থ অবতার মানব আর বরাহের মিশ্রণে মানবাকৃতির এই দেবতা নৃসিংহদেব সোনার মুখমণ্ডল সহ চন্দনে আবৃত। চারকোনা এই মন্দিরের চোল স্থাপত্য অতুলনীয়, কারুকার্যমণ্ডিত শিখর সহ মন্দিরের গায়ে বিষ্ণু পুরাণের ৫২৫ আখ্যান আঁকা হয়েছে। বিষ্ণুর বিবাহ বাসর ৯৬ স্তম্ভের কল্যাণ বা বিবাহ মণ্ডপের কারুকাজও সুন্দর। মুল মন্দিরের সামনে কালো কষ্টিপাথরের নাটমন্দির, একপাশে লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির, অন্যপাশে পাথরের রথ রয়েছে Simanchal Temple এ। ১৫১২ সালে শ্রীচৈতন্যদেও এসেছিলেন পদচিহ্ন রয়েছে Simanchal Temple এর প্রবেশদ্বারে। ১৫২৬ সালে বিজয়নগর রাজ কৃষ্ণ চন্দ্র রায়ও Simanchal Mandir তীর্থে এসে দান করেন বিপুল ভূসম্পত্তি।

How to go Visakhapatnam :-
কলকাতা চেন্নাই রেল পথের মাঝখানে vishakapatnam rai junction। কলকাতা থেকে ৯২৪, চেন্নাই থেকে ৮১০,  রাজমহেন্দ্রী থেকে ১৯৪, বিজয়ওয়াড়া থেকে ৩৫১, হায়দ্রাবাদ থেকে ৬৬৭ কিমি দুরে বিশাখাপত্তনম।
Air Deccan হায়দ্রাবাদ থেকে বিশাখাপত্তনম যাওয়া আসা করছে প্রতিদিন। রেল স্টেশন থেকে ৩ কিমি দুরে, বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ কিমি দুরে বিশাখাপত্তনম বন্দর নগরী বা সাগর বেলা।  APSRTCর বাস যাচ্ছে আসছে বিজয়ওয়াড়া, হায়দ্রাবাদ, গুন্টুর, আর্কু, রাজমহেন্দ্রী ছাড়াও রাজ্য তথা প্রতিবেশী রাজ্যের দিক্বদিক। APSRTC, Call:- 2565038.

Hotels of Visakhapatnam:- Visakhapatnam's STD:- 0891.
There are some Information about Visakhapatnam Hotels you may contact by these phone number of Visakhapatnam hotels for further enquiries.

1) Ramkrisna, Call:- 23509199. 2)  Diamond, Call:- 22259639/9748114667. 3) Jaipur,Call:- 2560121. 4) TTMI, Call:- 22845062. 5) Rajdhani, Call:- 2748156. 6) Taj Mahal, Call:- 2560786. 7) Durga, Call:- 22131247. 8) Dolphin, Call:- 6666677/2567000. 9) Anand, Call:- 2502107. 10) Monarama, Call:- 2562448. 11) Jupitar, Call:- 2564881. 12) Sri Kanya, Call:- 2564881. 13) Gemini Lodge, Call:- 2508326. 14) Max, Call:- 23541436.

Package tour for Visakhapatnam:-

Central Reservation Office,  46/A, RTC Complex, Visakhapatnam-16, Call:- 0891-2788820/09848007022 থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৫-৩০ টা পর্যন্ত লাঞ্চ ও প্রবেশমূল্য সহ হেরিটেজ ট্যুরে নিয়ে গিয়ে কৈলাসগিরি, সীমাচলম, থোতলাকোণ্ডা, মৎস্যবন্দরের বোটিং, ঋষিকোণ্ডা বীচ, বিশাখা মিউজিয়াম, সাবমেরিন মিউজিয়াম, লেপক্ষী এম্পোরিয়াম ঘুরিয়ে আনে। খরচ ৪০০ থেকে ৮০০টাকা হয় জনপ্রতি। প্রতিদিন আর্ক ও বোরা গুহা যাচ্ছে রেলে সকাল ৬টা থেকে ৮-৩০ পর্যন্ত। খরচ ৭০০ থেকে ৯০০এর মধ্যে জনপ্রতি। প্রতি শুক্রবার ৩ দিনের ট্যুরে আর্কু-জগদলপুর যাচ্ছে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা সহ খরচ ৩২০০ থেকে ৫২০০ পর্যন্ত হয় জনপ্রতি। ২ দিনের ইকো টুরিজম ট্যুরে, তাবুতে থাকা খাওয়া সহ ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা জনপ্রতি খরচে, বিশাখাপত্তনম-রাজমহেন্দ্রী-মেরিডুমেল্লি যাচ্ছে। APTDC বুকিং Andhra Pradesh Tourism Unit, no 36A, RTC Complex, Visakhapatnam-530016, Call:- 2788820. 



মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Hyderabad : Hyderabad visiting places:- হায়দ্রাবাদ শহর ভ্রমণ।

Hyderabad :- 
Hyderabad the capital City of Andhrapradesh, গোলকুণ্ডা থেকে সমতলে নেমে ৮ কিমি দুরে মুসী নদীর তীরে ২৫৯ বর্গ কিমি বিস্তৃত ভারতের পঞ্চম বৃহৎতম শহর Hyderabad. ১৭২৪-এ মোগল থেকে নিজামী শাসনের শুরু হয় হায়দ্রাবাদে। Hyderabad কম্পিউটার তথা সফটওয়্যার শিল্পে প্রভূত উন্নতি করে শিল্পে বিপ্লব এনেছে। খ্যাতিও তাই প্রযুক্তি নগরী বা High tech City বলেও Hyderabad-এর। ভীষণ দ্রুতই শিল্পনগরীর রূপ পেয়েছে বর্তমান হায়দ্রাবাদ। কংক্রিটে মোড়া রাজপথের ধারে সুন্দর সুন্দর বাড়িঘর, বাগিচা, সরোবর। পার্সীও ছাপ রয়েছে বাড়িঘরের স্থাপত্যে। শেষ নিজাম মীর ওসমান আলি খান ১৯১১য় ক্ষমতায় বসেন। এবং শাসক ছিলেন ১৯৪৮ পর্যন্ত হায়দ্রাবাদের। বিশ্বের অন্যতম একজন ধণী ব্যাক্তি ছিলেন এই Nizam. বিশাল প্রাসাদ, ১০০ বেগম, ৪০০ সন্তান, ১১০০০ চাকরবাকর, ডিম্বাকৃতি হিরের পেপারওয়েট তার সমৃদ্ধির উদাহরণ। ঠিক তেমনই প্রজারা ছিলেন দরিদ্রতম এবং অনুন্নত। যদিও পর্তুগিজদের থেকে গোয়া কিনতে আগ্রহী ছিলেন নিজাম বলে লোকশ্রুতি রয়েছে। সারা দক্ষিণ ভারতের হিন্দু সাম্রাজ্যের মাঝে মুসলিম নবাব হায়দ্রাবাদে। 

Weather in Hyderabad :- 
Weather of Hyderabad preferabl for tour Generaly অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত। গ্রীষ্মকালে যথেষ্ট গরম পড়ে এছাড়া জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে যথেষ্ট বৃষ্টি হয়। দিনের বেলা শুষ্ক গরম পড়ে General Temperature of Hyderabad ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড মত এবং রাতের আবহাওয়া যথেষ্ট শীতল।

 places to visit in Hyderabad:- 

Golconda Fort:- শহর থেকে ১১ কিমি দুরে Golconda Fort। কলার মোচার মত গ্রানাইট পাথরের পাহাড় চূড়ায় মাটির তৈরি ঐতিহাসিক Golconda Fort. Golconda Fort-টি ১২ শতকে ওয়ারাঙ্গালের কাকাতীয় রাজা গণপতি তৈরি করেন। ১৩৪৬ থেকে ১৫১৮ পর্যন্ত গুলবর্গার বাহমনি সুলতানদের অধিকারে ছিল Fort-টি। সেই সময়েই বাহমনিদের হাতে মাটি থেকে রূপান্তরিত হয় দূর্গটি পাথরের। দূর্গের পরিধি ১১ কিমি, দীর্ঘ ৫ কিমি এবং ১৮ মিটার উচ্চতা সম্পূর্ণ দেওয়ালের বেষ্টনী, অলঙ্কৃত গ্রানাইট পাথরে। ৮ টি প্রবেশদ্বার, হাতির আক্রমণ প্রতিরোধে গজাল বসানো দরজা, ৮৭টি বুরুজ ও কুতুবশাহীদের বন্দুক এখনো রয়েছে। মরিটিউরি বাথ রেখে আক্কানা ও মাডান্না নামের দুই মন্ত্রীর দুইতলা বাড়ি পার হয়ে ৩৬০ ধাপ সিঁড়ি ভেঙে উঠে পাহাড় চূড়ায় ১২টি খিলান যুক্ত ত্রিতল দরবার হল বা তানা শাহ কি গদি। সিঁড়ির ডাইনে ঝরনায় শোভিত পাতকুয়ো। আরো ছিল দূর্গে মণিমুক্তো খচিত নানান প্রাসাদ হারেম মহল, মন্দির, মসজিদ, তামার ফোয়ারায় গোলাপ জলের তার্কিশ বাথ, ত্রিতল তোপখানা, অন্ধকার কারাকক্ষ, নাগিনা বাগ। প্রধান ফটকে প্রাচীর ঘেরা বালাহিসার তোরণ। গেট রেখে কিছুটা গেলে দরদালান গম্বুজের নীচে ফতে দরওয়াজায় হাততালি দিলে ১২৮ মিটার উচ্চতায় Golconda Fort-এর দরবার হলে সেই আওয়াজ পৌঁছে যায়। 

Qutb Shahi Tombs:- দূর্গের ১ কিমি দুরে ফলবাগিচা ঘেরা ইব্রাহিম বাগে ৭ Qutb Shahi ছাড়াও সমাধিস্থ রয়েছেন রয়্যাল ফ্যামিলির ৮২ জন। হিন্দু, পারসী ও পাঠান স্থাপত্যে অনন্য সুন্দর কারুকার্য সম্পূর্ণ সমাধিসৌধ Qutb Shahi. শেষকৃত্যের জন্য অন্ত্যেষ্টি গৃহও রয়েছে। গ্রানাইট পাথরের গম্বুজের মাথায় ছোট্ট মসজিদে ব্যাসাল্ট পাথরের দরজা। Qutb Shahi Sultan-দের গ্রীষ্মাবাসও সম্প্রতি খননে পাওয়া গেছে ইব্রাহিম বাগে। শুক্রবার ছাড়া ৯ থেকে ৪ টে পর্যন্ত খোলা থাকে ভ্রমণাথীর্দের জন্য Qutb Shahi Tombs.

Silpa Gram Craft Village:- সারা ভারত থেকে আসা শিল্পীদের সৃষ্টি দেখা ও কেনার জায়গা Craft Village,  Hyderabad. Hyderabad Town থেকে ১৪ কিমি দুরে মাধবপুরে ৩০ একর জায়গা জুড়ে Silpa Gram Craft Village অবস্থিত। মার্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ শিল্পোৎসবে আকর্ষণ বাড়ে। এরই উল্টো দিকে থিয়েটার হল, শিল্পকলা বেদিকা। পাশেই High Tech City লাগোয়া IT Park অনুমতি নিয়ে দেখে নেওয়া যায়। সকাল ১০-৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭-৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে।

Durgam Cheruvu:- চারপাশ পাহাড়ে ঘেরা প্রাকৃতিক Secret Lake টিকে  Durgam Cheruvu-ও বলে লোকে। গোলকুণ্ডা থেকে ৩ কিমি দুরে শিল্পগ্রাম বা শিল্পরমম লাগোয়া। এই ৬৩ বিঘা বিস্তৃত দুর্গম চেরুভু বা Secret Lake থেকে জল যেতো কুতুবশাহীদের গোলকুণ্ডা দূর্গে। ১৯৯৮-এ Durgam Cheruvu Lak-এর পাড়ে লেক রিসর্ট, রেস্তরাঁ তৈরি হয়েছে। বোটিং ও মৎস শিকারিদের মাছ ধরার ব্যবস্থাও আছে Cheruvu Lake-এ APTDC-র, Call:- 235555072/23110523.

Osman Sagar:-  দূর্গের মক্কা দরজা দিয়ে বেরিয়ে ডাইনে কিছুটা যেতেই osman sahor lake । ইসা নদীর প্লাবন থেকে বাঁচতে গান্ধীপেট গ্রামে ১৯০৮-এ তৈরি হয় এই কৃত্রিম জলাধার Osman Sagor 
৮ মিলিয়ন টাকা ব্যায়ে ৪৬ বর্গ কিমি জুড়ে। সুন্দর বাগিচা সহ গলফকোর্স, ওয়াটার স্পোর্টসের ব্যবস্থা রয়েছে Osman Sagor Lake-এ।

Himayat Sagor:- মুসীকে বশে আনতে ৭ম নিজাম ওসমান আলী খান ৯.৩ বিলিয়ন টাকা খরচ করে ৮৫ বর্গ কিমি জুড়ে এই  Himayat Sagor Lake টি তৈরি করেন হায়দ্রাবাদ থেকে ২০ কিমি দুরে। অবকাশ যাপনের অনন্য পরিবেশ Himayat Sagor-এ।

Mahavir Harina Vanasthali National Park:৩৫০০ একরের Vanasthali Deer Park-টিতে শতাধিক প্রজাতির পাখি ছাড়াও বসবাস করছে শজারু, বন্যশূয়োর, ব্ল্যাক বাক, চিঙ্কারা সহ হরিণেরা। বিজয়ওয়াড়া জাতীয় সড়ক ধরে শহর থেকে ১৩ কিমি দুরে Vanasthali Park। পথেই পড়ে ফরাসি সৈনিক মাকেল রেমন্ড বা মুসারামের সমাধি।

Falaknuma Palace:- বাঁক খাওয়া ঘাট রোড ধরে কোহিটুর পাহাড়ে Falaknuma Palace-টি অবস্থিত।  শ্রীভিখারুল উমর ১৮৭৩-এ ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ইতালিয়ান ও টিউডরি স্থাপত্যে তৈরি করেন Falaknuma। ষষ্ঠ কুতুবশাহী নিজাম মীর মহবুব আলি খান ১৮৯৭-এ এটি কিনে প্রাসাদ তৈরি করেন। আধুনিক বাড়ি গুলোর মধ্যে Star of the Heaven বিশ্বববিখ্যা। এর লাইব্রেরি পাণ্ডুলিপি এবং দুষ্প্রাপ্য বইয়ে সমৃদ্ধ Falaknama prasad-টির। বিলাসবহুল রাজকীয় Falaknama Palace-টির রিসেপশন ঘরটি স্ফটিক, হীরা ও মূল্যবান সব ধাতুর কারুকার্যে শোভিত। মর্মর, ঝাড়লন্ঠন ও ছবির সংগ্রহ অতুলনীয়। তবে দেখার জন্য Secretary, Nizam's Trust Fund-এর অনুমতি লাগে।

Purani Haveli:- চারমিনারের উত্তর-পূর্বে মুসী নদীর দক্ষিণ পাড়ে পুরানো শহর সপ্তম নিজামের তৈরি Purabi Haveli Palace. মীর ওসমান আলির নিজামী সিলভার জুবিলির স্মৃতি হিসেবে ১৯৩৭-এ তৈরি সিলভার জুবিলি মিউজিয়ামে নিজামের সংগ্রহ ও পাওয়া পুরস্কারের সম্ভারে প্রদর্শনশালা রয়েছে। খোলা থাকে সকাল ১০-৩০ থেকে ৫টা পর্যন্ত। আর পুরাতন শহরের প্রাণকেন্দ্রে ১৮ শতকের তেহরান শাহ-র প্রাসাদের অনুকরণে চার প্রাসাদের সমন্বয়ে ১৭৫০-তৈরি জঙ-র গড়া চৌমহল্লা প্রাসাদ।

Osmania University:- ১৯১৭-তে নিজাম মীর ওসমান আলি খানের সময়ে শুরু হয়ে ১৯৪৩-এ নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয় osmania university. সেকন্দ্রবাদ থেকে ৮ কিমি দুরে ১৪০০ একর জুড়ে এই osmania university-টি অবস্থিত। দিল্লি আগ্রা সহ সারা বিশ্ব থেকে স্থাপত্য এবং ভাস্কর্য গ্রহণ করা হয়েছে osmania-তে। ১৯৩৯এ তৈরি হিন্দু(অজন্তা) ও মুসলিম(আরব্য ও পারসীয়) শৈলীতে গড়া কালো গ্রানাইট পাথরের কলা বিভাগের বাড়িটিও স্থাপত্যে অনন্য। গবেষণা কেন্দ্র, হস্টেল, ক্যান্টিন, খেলার মাঠ, স্টেট আরকাইভ ও বটানিক্যাল গার্ডেন তৈরি হয়েছে Osmania University চত্ত্বরে। বাড়ির পর বাড়ি College ও তার বিভিন্ন বিভাগে, গাড়িতেই যাতায়াত ব্যবস্থা। পাঠের মাধ্যম উর্দু, মেয়েদের ওসমানিয়া কলেজ অতীতের ব্রিটিশ রেসিডেস্নিতে। বেগমপেটে ২০ শতকে তৈরি হায়দ্রাবাদ পাবলিক স্কুলটিও দর্শনীয়।

Public Gardens:- সারা বিশ্ব থেকে বৃক্ষরা এসেছে ১৯ ভাগে তৈরি ১২০ একরের এই Public Gardens-এ। পদ্মভরা লেক, গোলাপ বাগিচা, সাইপ্রিম বাগিচা, ছোটদের খেলার মাঠ সবিই রয়েছে Public Gardens-এ। পুরাতত্ত্বের পসরা নিয়ে Hyderabad Museum-টিও এই পাবলিক গার্ডেনে রয়েছে।  ১৯৩০-এ তৈরি মিউজিয়ামটিতে মুদ্রা, বাসনকোসন, আগ্নেয়াস্ত্র, পাণ্ডুলিপির সংগ্রহ উল্লেখ। এর অজন্তা প্যাভিলিয়নে অজন্তা গুহার ফ্লেস্কো চিত্র রয়েছে। খোলা থাকে সোম ছাড়া সকাল ১০-৩০ থেকে ৫টা পর্যন্ত Hyderabad Museum-টি। এরই সামনে হেলথ মিউজিয়াম, রবীন্দ্রভারতীর জাতীয় থিয়েটার, মুক্তাঙ্গন থিয়েটারও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে জওহর বালভবন, ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী অডিটোরিয়াম, ললিত কলা খোরানাম ও স্ব স্ব মহিমার ভাস্বর। শুক্রবার ছাড়া  ১০-৩০ থেকে ৫-৩০ পর্যন্ত খোলা।

Naubat Pahad:- ড্রাম পিটিয়ে রাজাজ্ঞা ঘোষণা করা হতো এক সময় এই Naubat Pahar থেকে।  পাবলিক গার্ডেন পার হয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উল্টো দিকে হুসেন সাগরের পাড়ে দুটি পাহাড়ি অধিত্যকা। ১৯৪০-এ নবাবের প্রধানমন্ত্রী মির্জা ইসমাইল দুটি প্যাভিলিয়ন গড়ে Baubat-এর আকর্ষণ বাড়ান। একটিতে অর্থাত্ ২৮০ ফুট উচু কালাপাহাড়ে ১৯৭৬-এর ১৩ই ফেব্রুয়ারি বিড়লা গ্রুপ ২ কোটি টাকা খরচ করে সাদা ধবধবে মন্দির তৈরি করেছে। ৫০ লাখ টাকার ২০০০ টন পাথর এনে রাজস্থান থেকে। মন্দির হোয়েছে খাজুরাহো ও বোধগয়ার শৈলীতে শ্বেতমর্মরে ৯.৫ ফুট উচু ভগবান শ্রীভেঙ্কটশ্বরের। ৫১ ফুট উচু রাজা গোপুরমটি দক্ষিণী স্থাপত্যে তৈরি। মন্দিরে রূপ পেয়েছে নানান পৌরাণীক কাহিনি। ৭টা থেকে ১২টা এবং ২টো থেকে রাত্রি  ৯টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকে। পথের মধ্যে ১৫ ফুট উচু কালো পাথরে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মুর্তি সহ লাইব্রেরি, মিউজিয়াম ও অডিটোরিয়াম হয়েছে। অন্যটিতে অর্থাত্ উল্টো দিকে Naubat Pahad-এ তৈরি হয়েছে ঝুলন্ত উদ্যান ও জাপানি শিল্প সহযোগিতায় অত্যাধুনিক বি এম বিড়লা প্লানেটেরিয়াম, বিড়লা সায়েন্স মিউজিয়াম। মাসের শেষ বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে।

Hussain Sagar:- সান্ধ্য ভ্রমণের আদর্শ পরিবেশ Hussain Sagar রাতে আলোকমালায় অপরূপ পরিবেশ সৃষ্টি করে। প্যারাসেলিং, মেকানাইজড, প্যাটুন বোট, লাক্সারি, প্লেজার ক্রুইজের আকর্ষণ অনবদ্য Hussain Sagar। হুসেন সাগর সংস্কার হায়দ্রাবাদ ও সেকন্দ্রবাদ সংযোগকারী বাঁধ তৈরি করেছে। ব্যাধি থেকে মুক্তি লাভের জন্য হুসেন শাহ ওয়ালির প্রতি কৃতজ্ঞতা বশত ১৫৬২তে ইব্রাহিম কুলী কুতব শাহ Hussain Sagar Lake টি খনন করেন। Hussain Sagor Lake-এর বুকে ৩৬ জন মনীষীর মূর্তি তৈরি হয়েছে। লেকের পাড়ে পচ্শিমবঙ্গের ছেলে নীতীশ রায়ের নকশার হুডার গড়া ৩৪ একর বিস্তৃত ফাইবার গ্লাসে তৈরি নানান সম্ভারে সমৃদ্ধ N T R Garden-টিও সুন্দর। ২-৩০ থেকে ৮-৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে পার্কটি। লেকের দক্ষিণ-পচ্শিম পাড়ে টাউন হলে বিধান সভা বসেছে। বিধান সভার পিছনে জুবিলি হল। শহরের পথেই পড়ে K B R National Park. শহরের প্রাণকেন্দ্রে ট্যাঙ্ক বাঁধ তৈরির বর্জ দিয়ে তৈরি করা ইন্দিরা পার্কে রক গার্ডেনস, এম চেন্না রেড্ডি স্মারক, সঞ্জীবাইয়া পার্ক যাত্রী বিনোদন উল্লেখ যোগ্য। শহরের অন্যতম আকর্ষণ Hussain Sagar Lake-এর নিজামিয়া অবজারভেটরিতে লুম্বিনী পার্ক। লেকের মধ্যমণি Rock of Gibraltar-এ গোমতেশ্বরের সমান উচ্চতার ৩২০ টনের বিশ্বের সর্ববৃহত্ ভগবান বুদ্ধের মনোলিথিক মুর্তি। প্রবেশ পথে ফুলঘড়িটি অনবদ্য। ফেরি নৌকায় পারাপার। শীতের দিনে জানা অজানা পাখিদের কলকাকলি সহ বোটিং-এর ব্যাবস্থা রয়েছে কৃত্রিম লেক Hussain Sagar-এ। বোটিং যোগাযোগ:- 09848011860/23455315. নওবত পাহাড় সংলগ্ন ফতে ময়দান। ঔরঙ্গজেবের ক্যাম্প বসেছিল এখানে গোলকুণ্ডা দখলের সময়। এছাড়া কাছেই অত্যাধুনিক আইম্যাক্স থিয়েটর, Call:- 23448980.

Salar Jung Museum: -  একক সংগ্রহে বিশ্বে অনন্য এই Salar Jung Museum টি Haydrabad-এর অন্যতম দ্্রষ্টব্য। মেইন, ওয়েস্টার্ন, ইস্টার্ন  এই ৩ টি ব্লকের ৩৫ টি ঘরে ৩৫০০০ বিভিন্ন সম্ভারে বিত্তের প্রাচুর্য  প্রদর্শিত হয়েছে Museum-টিতে। এখনো বাক্সবন্দি হয়ে গোডাউনে দিন গুনছে সারা বিশ্ব থেকে একক সংগ্রহের বহু জিনিস। এই সংগ্রহ মীর ইউসুফ আলি খানের। যিনি নিজামের প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে সঁপে দিয়েছিলেন নিজেকে সংগ্রাহক বানাতে। চীন, জাপান ও বার্মার আলাদা আলাদা হল রয়েছে। রয়েছে জুয়েল হল, পেইন্টিং হল, স্কাল্পচার হল, ম্যানাসক্রিপ্ট হলও। ইতিহাসও জীবন্ত হয়ে উঠেছে নুরজাহানের ড্যাগার, টিপুর হাতির দাঁতের চেয়ার, ঔরঙ্গজেবের তরোয়াল, জাহাঙ্গীরের মদের গ্লাসে। শুক্রবার ও সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন ১০ থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা 
Salar Jung Museum-টি Call:- 24523211-12.  কিছুটা দুরে ওসমানিয়া আদালত বা Osmania High Court. ১৯৮০ সালে ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে লাল আর সাদা পাথরে ইন্দো-সেরাসোনিক শৈলীতে তৈরি Osmania General Hospital উল্টো দিকে। হাসপাতালের পূর্ব দিকে আসাফিয়া স্টেট সেন্ট্রাল লাইব্রেরি। 


Charminar:- Hyderabad Town থেকে প্লেগ মহামারী দুর করে স্মারক রূপে মহম্মদ কুলী কুতবশাহ ১৫৯৩-এ তৈরি করেন এই Minar.সালার জং থেকে বাজারের দিকের রাস্তায় তাজিয়ার ঢঙে চুন আর পাথরের তৈরি কারুকার্যমণ্ডিত হলুদ রঙের Charminar. চারটি সরু Minar চারপাশে। প্রতিটি মিনার ৫৬ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট, বেড় ১৫ থেকে ৩০ মিটার। ১৪৯ স্পাইরাল সিঁড়ি বেয়ে মিনারে ওঠা যায়। দ্বিতলে মন্দির, ত্রিতলে মসজিদ, নবাব পরিবারের সন্তানদের কোরান পাঠের স্কুল। প্রেমিকা হিন্দু নারী ভাগমতীর সঙ্গে প্রথম দেখার স্থানেই গড়ে তোলেন Charminar বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আলোয় সেজে ওঠে Charminar. সকাল ১০ টা থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে Minar-টি। Charminar-এর পচ্শিম দিকে গাড়ি ঘোঁড়ার ঠাসা, ঘিঞ্জি পথ, কাঠ-পাথরের কার্ভিং বাড়িঘর, পিঙ্ক রঙের এলিফ্যান্ট গেট পার হয়ে চকে মসজিদ পুরানো লাভ বাজার।

Mecca Masjid:- ১৬১৪ খ্রিস্টাব্দে ষষ্ঠ সুলতান আবদুল্লা কুতুব শাহর আমলে শুরু হোয়ে শেষ হয় গোলকুণ্ডা দখলের পর ঔরঙ্গজেবের সময়ে ১৬৮৭তে Mecca Masjid তৈরি। দক্ষিণ ভারতের বৃহত্তম এই Mecca Masjid চত্বরে একসঙ্গে ১০০০০ জন নমাজ পড়তে পারেন। তোরণটি তৈরি হয় ১৬৯২-এ একখণ্ড পাথর দিয়ে। ৩০ মিটার উঁচু পিলার ভর রেখেছে খিলানের। খন্ড খন্ড গ্রানাইট পাথলে তৈরি হয়েছে দরজা ও পিলার। তিন দিকে ৫ টি করে সুন্দর খিলান। একটি ইট Mecca থেকে আনা হয়েছিল এবং মক্কার মসজিদের অনুরূপ বলে নাম Mecca Masjid বলে লোকশ্রুতি আছে। 

Mir Alam Tank:শহরবাসীদের জনপ্রিয় পিকনিক স্পট। চারমিনার থেকে ২.৫ কিমি দুরে ব্যাঙ্গালোর রোডে ২০ বর্গ কিমি বিস্তৃত কৃত্রিম লেক Mir Alam Lake। লেকের জলে বোট, লঞ্চ, হাউসবোট চলছে। এরই এক অংশ নেহেরু জ্যুলজিক্যাল পার্ক বা চিড়িয়াখানা। ৩৫০ একর জায়গা জুড়ে ২৫০ প্রজাতির প্রাণীর পার্ক। ভারতের প্রথম লায়ন সাফারি পার্কটিও মর্যাদা বাড়িয়েছে জ্যুলজিক্যাল পার্কের। আছে টাইগার সাফারি, বিয়ার সাফারি পার্কও। প্রবেশ পথে প্রাগৈতিহাসিক জীবজন্তুর স্টাফড, প্রকৃতি বিজ্ঞান, অতীত সমাজজীবন, শিশুদের মনোরঞ্জনে টয়ট্রেন রয়েছে Mir Alam Tank-এ। সোমবার ছাড়া প্রতিদিন ৯টা থেকে ৬ পর্যন্ত খোলা Mir Alam Tank। যোগাযোগ, Call:- 24477355

Ramoji Film City:- চলচ্চিত্র নির্মাণ উদ্দেশ্য সারা বিশ্বের আঙ্গিকে গড়া পাহাড়-পর্বত-বনজঙ্গল, বাগিচা-খেতি-চাষবাস, চাকচিক্যে ভরা রাস্তঘাট, ডিসকভারি পন্ড, কৃপালু গুহা, বস্তি, প্রাসাদ, স্কুল-কলেজ, চার্চ-মন্দির-মসজিদ, সুইমিং পুল, বাস-রেল-বিমানবন্দর তৈরি হয়েছে ২০০০ একর যায়গা জুড়ে Ramoji Film City। বিশ্বের বৃহত্তম ইনট্রিগ্রেটেড ফিল্ম-প্রোডাকশন কমপ্লেক্সে ৪টি তারকা হোটেল এবং ৭টি রেস্তরাঁ রয়েছে Ramoji City - তে। সবই কৃত্রিমতায় ভরা, এনাডু পত্রিকার মালিক রামোজি রাও-এর স্বপ্ন কে মিলিয়ে স্থপতি নীতিশ রায়। গেট থেকে বিশেষ বাসে ইউরেকা জংশন পৌঁছে আবার বাসে কখনো থেমে কখনো নেমে গাইডের নির্দেশে। ৮০০০ কর্মী, ১৫০ বাগিচায় ৫০০ মালির তত্ত্বাবধানে। সকাল ৯টা থেকে ৫টা ৩০ পর্যন্ত খোলা Ramoji Film City । যোগাযোগ Response, Ramoji Film City, Call:- 08415- 325856/247555/09848522366. শহর থেকে ৪০ কিমি দুরে হায়দ্রাবাদ-বিজয়ওয়াড়া হাইওয়ে ধরে হায়াৎ নগরে Ramoji Film City অবস্থিত।

How to go Hyderabad Town:- 
রেল সংযোগ রয়েছে রাজ্য তথা ভারতের দিগ্বিদিক। কলকাতা/হাওড়া থেকে প্রতিদিন সরাসরি ট্রেন ও বিমান যাচ্ছে হায়দ্রাবাদ। হায়দ্রাবাদ থেকে কলকাতা,  দিল্লি, ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই, বিশাখাপত্তনম যাচ্ছে-আসছে বিমান প্রতিদিনই।

Hotels in hyderabad:- 
There are some hotels of hyderabad contact number if you need Hyderabad Hotels contact with these contact number. 

STD of Hyderabad:- 040.
1) Elegant, Call:- 22107954. 2) Imperial, Call:- 64512111/23202220. 3) Rajmata, Call:- 66665555. 4) Gateway Hyderabad, Call:- 66100000. 5) Royal, Call:- 2320411. 6) TTMI, Call:- 22845062. 7) Stee Nanda, Call:- 24657511. 8) National, Call:- 27705572. 9) Padmaja, Call:- 27712527.

Hyderabad tour Package from:-

Yatrinivas Complex, S P Road, Secunderabad-3, Call:- 09848126947/040-27893100 থেকে প্রতিদিন সকাল ৭-৩০ শে বের হয়ে সন্ধ্যা ৭-৩০ শে গোলকুণ্ডা দূর্গ, কুতুবশাহী সমাধি(শুক্রবার বন্ধ), সালার জং মিউজিয়াম(শুক্রবার বন্ধ), নিজাম জুবিলি প্যাভিলিয়ন, চৌমহল্লা প্যালেস, জ্যুলজিক্যাল পার্ক(সোমবার বন্ধ), চারমিনার, মক্কা মসজিদ, লুম্বিনী পার্ক, নওবত পাহাড়/বিড়লা মন্দির মানে শহর ঘুরিয়ে আনে ৫০০টাকার মধ্যে জনপ্রতি খরচ। প্রতিদিন দুপুর ২ টায় বের হোয়ে দুর্গম চেরুভু, হাইটেক সিটি, বটানিক্যাল গার্ডেন, গোলকুণ্ডার লাইট এন্ড সাউন্ড শো দেখিয়ে ফেরে রাত্রি ৯টার সময়। খরচ পড়ে জনপ্রতি ৩০০ টাকার মধ্যেই। রামোজি ফিল্ম সিটি ট্যুরে সকাল ৭-৩০ শে বের হোয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ফিরে আসে, ফিল্ম সিটি দর্শনের টিকিট সহ এদের ভাড়া ১১০০টাকার মধ্যেই। প্রতিদিন সির্ধি যাচ্ছে ৩ দিনের প্যাকেজে  APTDC.

ITDC, 3-6-150 Himayatnagar Road, Hyderabad-500029-এর সুপার ডিলাক্স কোচ যাচ্ছে প্রতিদিন শহর দেখাতে। ভাড়া ও প্যাকেজ প্রোগ্রাম একই রকম শুধুমাত্র সালার জঙে ITDC দু'ঘন্টা সময় দেখার জন্য দেয় আর ফেরে আধঘন্টা লেটে।

APTDC সপ্তাহের ষষ্ঠ ও সপ্তম দিন সকাল ৭-৩০শে বের হয়ে নাগার্জুন সাগর, নাগার্জুনকোণ্ডা, ইথিপোথালা দেখিয়ে রাত্রি ১০টায় ফিরে আসে। খরচ পড়ে ৫০০টাকার মধ্যে। প্রতিদিন ৭-৩০শে বের হোয়ে শ্রীশৈলম যাচ্ছে ২ দিনের ট্যুরে। খরচ ১৫০০টাকার মধ্যে। প্রতিদিন বিকাল ৪টায় বের হয়ে গোলকুণ্ডার লাইট সাউন্ড শো, চারমিনার, কুতুবশাহী সমাধি, লুম্বিনী পার্ক, নৌকা বিহার,ক্রুসে ভেজ ডিনার সহ নাইট ট্যুর গিয়ে ফেরে রাত্রি ১০টার সময়। খরচ ৫০০টাকার মধ্যে জনপ্রতি। এছাড়া প্রতি শনিবার ২ দিনের ট্যুরে বাসার যাচ্ছে ৮০০টাকা খরচের মধ্যে। ৬ দিনের ট্যুরে উটি-মহীশূর-ব্যাঙ্গালোর যাচ্ছে ৬০০০টাকা খরচের মধ্যে। ৪ দিনের প্যাকেজে প্রতি বুধ ও শুক্র সির্ধি-অজন্তা-ইলোরা যাচ্ছে ২৫০০টাকা খরচের মধ্যে। ৪ দিনের প্যাকেজে সির্ধি-নাসিক-ত্র্যাম্বকেশ্বর যাচ্ছে ১৭০০টাকা খরচ সীমায় প্রতি শনিবার।

সমস্ত প্যাকেজ ও ট্যুরিজম সম্পর্কে আরোও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন-
Sikkim House, Middleton Street, Kolkata-17, Call:- 033-22813679.
Tourism House, 3-5-891, Himayatnagar, Hyderabad-500029, Call:- 040-23262154/50.
Shakar Bhavan, Fatch Maidan, Basheerbagh, Call:- 66746370.
দিল্লিতে, A P Bhavan, Call:- 011-23381293.

জোড়হাট, মাজুলি ভ্রমণ / Majuli

অহোম রাজাদের রাজধানী জোড়হাটের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনবদ্য। চায়ের শহর জোড়হাটে চা নিয়ে গবেষণা হচ্ছে ৫ কিমি দুরের চিন্নামারাতে। এখানে বাৎসরিক টি ফেস্টিভ্যালও হয়। আছে বুড়ি গোহানির মন্দির, ব্রিটিশদের তৈরি করা স্মারক স্তম্ভ সহ জেলখানার সামনে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ফাঁসির মঞ্চ। মাজুলির উত্তরে সুবনসিরি ও খ্যারকুটিয়া নদী এবং দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র। নানান মঠ, সত্র, আখড়াও অবস্থিত মাজুলিতে। ২৪৩টি গ্রামের মাজুলিতে দেওরি উপজাতির বসবাস। বৈষ্ণবাচার্য শ্রী শঙ্করদেব প্রথম সত্র তৈরি করেন মাজুলির বেলগুড়িতে। অসমের সমাজ ও কলা সংস্কৃতির মিলন ঘটেছে পাঞ্জাবাড়ির কলাসত্রে। ব্রহ্মপুত্রের জলোচ্ছ্বাস ও ভূমিক্ষয়ে সত্র কমে ৪২ থেকে ২২ হয়েছে। বিহু, রাসযাত্রা, জন্মাষ্টমি, বিষ্ণু পুজোয় উৎসবে মেতে ওঠে মাজুলি। এই উৎসব ঘিরে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচিও থাকে। জোড়হাট থেকে ১২ কিমি দুরের নিয়ামতি ঘাট থেকে ফেরি পেরিয়ে ৫ কিমি বাসে মাজুলির প্রধান কেন্দ্র কমলাবাড়ি। কমলাবাড়ি থেকে আরো ৫ কিমি দুরে মাজুলির সদর দপ্তর গড়মুর। কমলাবাড়ি থেকে বাস যাচ্ছে গড়মুড়ে। তবে সঠিক হবে জোড়হাটে থেকে সেই দিনেই মাজুলি বেড়িয়ে আসা। গড়মুখ থেকে ৩ কিমি দুরে লুহিতঘাট থেকে ফেরি পার হয়ে খাবালুঘাট থেকে বাসে নর্থ লখিমপুর/তেজপুর/ইটানগর যাওয়া যায়।
গড়মুখে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে Curcuit House, PWD-এর সহ Sattras Guest House, Call:- 09435504326. 

●●○●●○●●○●●○●●○●●○●●
How to go Mazuli
●●○●●○●●○●●○●●○●●○●●

কলকাতা থেকে বিমান শিলং পৌঁছে জোড়হাট যাচ্ছে এবং কলকাতায় ফিরছে। ফারকেটিং-মরিয়ানি ব্রডগেজ শাখা রেল পথে জোড়হাট। ফারকেটিং থেকে প্রতিদিন প্যাসেঞ্জার ট্রেন যাচ্ছে জোড়হাটে। মরিয়ানি থেকেও ট্রেন যাচ্ছে জোড়হাট। কাজিরাঙ্গা থেকে প্রতিমুহূর্তে বাস যাচ্ছে NH-37 ধরে ৯০ কিমি দুরে জোড়হাটে। 

○○●○○●○○●○○●○○●○○●○○
Accommodation at Jorhat, Mazuli:- 
○○●○○●○○●○○●○○●○○●○○

1) Prashaanti Tourist Lodge, Call:- 0376-2321579. 2) Paradise, Call:- 0376-2321521/366. 3) Hotel Dilip, Call:- 0376- 2321610. 4)Hotel Heritage, Call:- 0376-2301839. 5) Hotel Rishiraj, Call:- 0376-2320965. 6) Marwari Patty, Call:- 09435703435. 7) Hotel Lima, Call:- 0376-2321934. 


সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Lakshadweep : Lakshadweep Tour Plan / লাক্ষা দ্বীপ ভ্রমণ

History of Lakshadweep  :- 

Lakshadweep-এর ইতিহাসে লোকশ্রুতির প্রভাবে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও মার্কোপোলোর ভ্রমণ বৃত্তান্তে মিনিকয় কে আকর্ষণীয় প্রমিলা রাজ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্র্যাঙ্গানোর রাজা চেরামন পেরুমল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পরে ক্র্যাঙ্গানোর থেকে মক্কার পথে সামুদ্রিক যাত্রা শুরু করে দিকভ্রান্ত হয়ে বাঙ্গারাম দ্বীপে পৌঁছান এবং বাঙ্গারাম থেকে আগাতি পৌঁছান। দেশে ফিরে যে সমস্ত লোকলস্কর পাঠান রাজা, তারা ছিলেন হিন্দু। যে কারণে বসতি তৈরি হয় সে সময়ে Lakshadweep- এ হিন্দুদের। পরবর্তীতে আবিষ্কৃত হয় আগাতি, আমিনী সহ অন্যান্য দ্বীপ সমূহ। তবে এরো আগে গ্রীক নাবিকেরা পৌঁছান Laksha-য়। সাত শতকে মুসলিম সুফি সাধক উবেদুল্লাহ ইসলাম প্রচারে বের হোয়ে জাহাজ ডুবিতে আমিনী দ্বীপে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং হিন্দুদের মধ্যে সফলভাবে ইসলাম প্রচার করেন। যে কারণে হিন্দু প্রভাব মুসলিম অধ্যুষিত Lakshadweep-এর বাসিন্দাদের মধ্যে আজও পরিলিক্ষত হয়। ১০ শতক পর্যন্ত দক্ষিণী শাসক চেরা, পাণ্ড্য, চোলদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা লেগে থাকতো Laksha-র দখল নিয়ে। ১৩ শতকে কান্নুরের মুসলিমরা দ্বীপ-ভূমি দখল করে শাসক বসান Lakshadweep-এ। ১৪৯৮-এ পর্তুগিজরাও পৌঁছান এবং দূর্গও তৈরি করেন Laksha-য়। বিদেশিদের আগ্রাসন প্রতিহত করতে দ্বীপবাসীরা বিষ দিয়ে হত্যা করেন পর্তুগিজদের। ১৬ শতকের মাঝামাঝি চিরাক্কলের হিন্দু রাজার হাত থেকে ক্ষমতা ফিরে পান আরাকানের মুসলিম রাজা। পরবর্তীতে ১৭৯২-এ টিপু সুলতানের দখলে যায় কয়েকটি দ্বীপ এবং ১৭৯৯-এ টিপুর মৃত্যুর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দখলে যায় দ্বীপপুঞ্জ। আবারও ক্ষমতা ফিরে পায় চিরাক্কলের রাজা। ১৯৪৭-এ সামুদ্রিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় আনদ্রোত দ্বীপ। ক্ষতি পুরনে অসমর্থ চিরাক্কলের রাজা কে ঋণ দেন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। সেই ঋণ পরিশোধে অক্ষম রাজার থেকে Lakshadweep-এর দখল যায় ১৮৫৫য় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে। ১৯৪৭-এ মুল ভূখণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে ভারত রাষ্ট্রের অন্তর্গত হয় Lakshadweep. ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজের অংশ ছিলো Lakshadweep. ১লা নভেম্বর ১৯৫৬ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে শাসন ক্ষমতা কেন্দ্র সরকারের অধীনে যায়। ১৯৭৩-এ এই দ্বীপটির নামকরণ হয় Lakshadweep. ১৯৯৭ সালে জাতীয় ইকো ট্যুরিজমের মর্যাদা পায় দ্বীপটি।

Where is Lakshadweep:- 

৮ ডিগ্রি থেকে ১২ ডিগ্রি ৩০" উত্তর অক্ষাংশে আর ৭২ ডিগ্রি থেকে ৭৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৪ মিটার উচ্চতায় লাক্ষাদ্বীপ অবস্থিত।

Perfect time to visits Lakshadweep:-
Perfect time to tour Lakshadweep 
ট্রপিক্যাল আবহাওয়ার দেশ লাক্ষায় তাপমাত্রা গ্রীষ্মে ২২ ডিগ্রি থেকে ৩৫ ডিগ্রি আর শীতে ২০ ডিগ্রি থেকে ৩২ ডিগ্রি নামা ওঠা করে। বেড়বার মরশুম অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত।

লাক্ষাদ্বীপের সমাজ সংস্কৃতি:-

ধর্মে গোঁড়া ৯৩ শতাংশ সুফি সম্প্রদায়ের লোকের বসবাস। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পুরুষেরা বিবাহের পরে স্ত্রীর বাড়িতে বসবাস করে। সমাজে মর্যাদা বেশি মেয়েদের, চলেন ফেরেন ঘরে-বাইরে এবং যথেষ্ট আভরণ পরেন মেয়েরা। পুরুষদের আদ্রি ও মেয়েদের বারাঙ্গি নামে দুটো সামাজিক প্রতিষ্ঠান আছে। সাক্ষরতার হার ৯২.২৮ শতাংশ। ইংরেজি, হিন্দি, মালয়ালম ভাষার প্রচলন রয়েছে। সর্বস্তরেই অবৈতনিক লেখা পড়া। নারকেল চাষ ও মাছ ধরা এদের জীবিকা। দ্বীপেভেদে নৌকার গঠন পার্থক্য রয়েছে, নৌকা তৈরি ও নৌকা চালানোয় পারদর্শী এরা। ভাত, মাছ কাঁকড়া এদের প্রিয় খাবার। ৩৬ টি দ্বীপের মধ্যে বসতি গড়ে উঠেছে ১০টিতে। মিষ্টি জলের অভাবে অন্য ২৬ টি দ্বীপে বসতি গড়ে ওঠেনি। ১২টি উপহ্রদ, ৩টি প্রবাল প্রাচীর, ৫টি বেলাভূমির সমষ্টি লাক্ষা। লাক্ষা, মিনিকয় আর আমিনদীভে দ্বীপ নিয়ে ১৯৭৩ সালে গঠিত হয়েছে লাক্ষাদ্বীপ।

How to go Lakshadweep:-

জাতীয় স্বার্থে এবং দ্বীপবাসীদের নিজিস্বতা ধরে রাখতে  লাক্ষাদ্বীপে যাওয়া-আসার ক্ষেত্রে নানান বিধি-নিষেধ রয়েছে। ভারতীয়দেরও অনুমতি লাগে লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের জন্য। অনুমতির জন্য যোগাযোগ করতে হয় The Assistant General Manager(SPORTS), Lakshadweep Tourism, Indra Gandhi Road, Willingdon Island, Kochi-682003, Call:- 0484-2668387, Fax- 0484-2668647 কে। যাওয়ার বেশ কিছু দিন আগে লিখিত আবেদন করতে হবে। আর বিদেশীদের লিখিত আবেদন করার ঠিকানা Liaison Officer, Lakshadweep, 202 Kasturba Gandhi Road, New Delhi-110001.
রেল, বিমান, সড়কে পথে প্রথমে পৌঁছাতে হয় ভারতের যে কোনো অঞ্চল থেকে কোচি। সেখান থেকে জাহাজে লাক্ষা পৌঁছাতে পারা যায়। কেরল থেকে আকাশ ও জল পথে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে লাক্ষাদ্বীপের। একক যাত্রার উদ্দেশ্য থাকলে লাক্ষাদ্বীপে যাওয়ার অনুমতি ও জাহাজের টিকিটের জন্য লিখিত আবেদন করা উচিত The Secretary, to the Administrator, Lakshadweep Tourism, Sports, Indira Gandhi Road, Kochi-682003  কে। এয়ার ইন্ডিয়ার টিকিটের জন্য যে কোনো এয়ার ইন্ডিয়ার অফিসে যোগাযোগ করা উচিত হবে। এয়ার ইন্ডিয়ার কোচির অনুসন্ধান অফিসের ফোন নম্বর 0484-2371141. Bangaram Island এর যাত্রীরা Reservation Manager, Casino Hotel, Willingdon Island, Kochi-682003, Call:- 0484-2668221 কে লিখতে পারেন যাতায়াতের প্যাসেজ বুকিং-এর জন্য।

Hotels in Lakshadweep:- 
লাক্ষাদ্বীপে হোটেল ব্যবসা তেমন বিস্তার লাভ না করলেও সরকারি ট্যুরিস্ট হাট রয়েছে কাভারতি, বাঙ্গারাম, আগাতি এবং কদমাত দ্বীপে। বীচ রিসর্ট হয়েছে কালপেনি, মিনিকয় ও কাভারতি দ্বীপে। হনিমুন রিসর্ট ও ইয়ুথ হোস্টেল আছে কদমাতে। 

Package tour for Lakshadweep:- 
Society for Promotion of Recreation at Tourism and Sports in Lakshadweep বা SPORTS অক্টোবর থেকে মে মাস পর্যন্ত ৮ রকমের প্যাকেজে লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণে নিয়ে যায়। এই প্যাকেজ ট্যুরে অংশগ্রহণ করলে লাক্ষাদ্বীপে ভ্রমণের জন্য আলাদা করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

১) ৩ রাত্রি ৪ দিন Coral Reef প্যাকেজ, ডায়মন্ড শ্রেনী ৪ যাত্রী ও গোল্ড শ্রেণীর ৪ যাত্রী। রাতে থাকা, ফাইবার গ্লাসে মোড়া বোটে সারাদিন ঘোরা Kavarati, Kalpeni, Mivicoy এবং Kadmat দ্বীপের মধ্যে। খরচ First Class-এ ১৯০০০ এবং Second Class-এ ১৫০০০.

২) ৪ রাত ৫ দিনের Lakshadweep Samudra Package- এ Kavarati, Kalpeni, Kadmath, Minicoy. ডায়মন্ড শ্রেণী, খরচ:- ২৪০০০.

৩) ৬ রাত ৭ দিনের Swaying Palm Package-এ ৬০০০০ টাকার মধ্যে মিনিকয় যাচ্ছে।

৪) Marine Wealth Awareness Programme-এ প্রতিদিন থাকা ৪০০০ থেকে ১০০০০টাকা আর যাতায়াত ৪০০০ থেকে ৯০০০টাকা পর্যন্ত প্রতিজনে। 

৫) Taratashi Package- এ প্রতিদিন ৮০০০ আর যাতায়াত ৪০০০ থেকে ৯০০০টাকা পর্যন্ত।

প্যাকেজে ভাড়া বলতে, কোচি থেকে লাক্ষা ও লাক্ষা থেকে কোচি যাতায়াত, থাকা, খাওয়া ও দ্বীপ ভ্রমণের বোট ভাড়া এক সঙ্গেই। যাওয়ার আগে অবশ্যই প্যাকেজ সম্পর্কে SPORTS এর সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনা করে নেওয়া উচিত হবে।

Lakshadweep Package tour form:-

এছাড়া নিজের শহর থেকে সরকার অনুমোদিত লাক্ষাদ্বীপ ট্যুর প্যাকেজ প্রভাইড করছে যে সমস্ত এজেন্সি গুলো তাদের কয়েকটি হলো:-

1)  Ankur Tour & Travels Pvt. Ltd.,
11 Jessore Road,
2 1/2 No. Airport Gate,
Kolkata- 700 081
e-mail address: info@ankurkolkata.com
Mobile: 9836613131, 9836950501

2) ATT Holidays
Peppermint Sadan
M.G.Road, Ravipuram
MG Road Ravipuram Jn.
Kochi-682 016
Ph: +91 484 3014444 (100 Lines)
Cell: +91 9446002685,
+91 9496002013
Email: cochin@attholidays.com,tourscok@attholidays.com

3) Blue Lagoon Holidays Cruises Pvt. Limited
XI/260 House No.32,
2nd Avenue Alappat Nagar
Kakkanad, Cochin-682 030.
Tel: (0484) 2429150, 2668407, 9447015565
Email: mail@bluelagoonholidays.net

4)  Dolphin Travels
26/2AShashi Bhusan Dey Street
Kolkata- 700012,
Ph: 2227-8968,2246-1801,
2227-0412
E-mail: inquiry@dolphintravels.net

5) Goodies
1,Pearls Nursery Road,
Ejipura, Behind Chavara Church,
Bangalore - 560 047,
email-customercare@indiatrotter.com,
Phone:+91 82967 01596 / +91 94821 07129,

6) India Tourism Development Corporation Ltd.
3G, Everest Building, 46C J.L.Nehru Road, Kolkata-700071
Phone:91 33 22880901/5254/5208
Mob:91 8017650721

7) atrik Travel Agency
309-B B Gangula Street Kolkata-700012
Ph: (033) 2221-9369,2236-5017, 2225.

8) Krish Tour & Travels
68, Kayasto Para Main Road Haltu New Park Kolkata-78
Ph: 9830504149, 9232689660
Fax 033- 28310298
Email:krishtoursandtravelss@gmail.com
krishtoursandtravels@yahoo.in

9) Lakshadweep Identity
SAJNAZ: E-5-128,
Kavaratti Island
UT Of Lakshadweep- 682555
Email: laktourism@gmail.com
Ph: 0489 6263222,+91 4896263222
Mob: 9447304775,9495810688

10) Lakshadweep Tours & Travels
702, Garden Gate Apartment
Gandhi Nagar
Kochi-682 020
Ph: 0484 2203396, 08547703595, 08136834569
Email: lactours@gmail.com

11) Lakshadweep Travelinks
Passport Studio Annex,Jer Mahal, 1st Floor
Opp. Metro Cinema, Dhobi Talao,Mumbai-400 002
Ph: 022 22054231, 09821182350
Email:lakshadweeptravelinks@gmail.com

12) Lakshadweep Voyage
Building No.C-10318
Kalpeni Island-682 557,
U.T of Lakshadweep,
Ph: 8547670011, 8921718442
Email:lakshadweepvoyage@gmail.com

13) Orca Dive Club.
1/110, Shroff House,
Opp.Jijamata Nagar, Dr.E Moses Road,
Next to Four Seasons Hotel,
Worli, Mumbai - 400 018,
Phone:+912224928175, +912224921541.
Email:info@orcadiveclub.in

14) Oasis Tours India Pvt. Ltd.
1st Floor, Laxmi Chambers
Near City Bank, M.G Road
Cochin-682 035
Phone:+91-484-2361343, 4017222
Mob: +91 9846079707
Email:sales@oasisvacationshub.com

15) Parjatajkguru Tours and Travels Pvt.Ltd.
P-129, Lake Town,
Block-A,1st Floor, Opp. Jaya Cinema,
Kolkata-700 089
Phone: 033 25347003/9230807071/9830009029
Email: parjatakguru@gmail.com, info@parjatakguru.com

16) Pugmarks Eco Tours Pvt. Ltd
65 Ground Floor Kudalkar Building,
Opp. State Bank of India,
Ranade Road,Dadar(W),
Landmark-Near Ovenfresh
Mumbai 400 028
Contact: 8879366192/191
Email: packages@pugmarksholidays.com

17) Travio Holidays
Building No.C-14-141,
Near Hussain Pally (Juma Masjid),
Keecheri, Androth-682 551
Ph:9495822419, 8089040001
Email:traviolak786@gmail.com

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...