Translate into your language

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Sikkim, Gangtok / Gangtok tour / গ্যাংটক ভ্রমণ গাইড

Gangtok 
ঘরের কাছে কম খরচে ও সময়ে, প্রচুর অর্কিড এবং বরফ দেখবার সেরা জায়গা হিমালয়ের বিউটি স্পট সিকিমের রাজধানী Gangtok। রানিপুল নদীর দিকের ছোট্ট শহর শৈলশিরায় সাজানো গোছানো গ্যাংটক। মুল আকর্ষণ অফুরন্ত প্রাকৃতিক শোভা। নির্মেঘ আকাশে আকর্ষণ বাড়ে নৈসর্গিক শোভা দর্শনের। শহর থেকে তুষারাচ্ছন্ন গিরিশিখর পানডিম, নরসিং, সিনোল চু সহ কাঞ্চনজঙ্ঘা সুন্দর দেখা যায়।

Perfect time to visits Gangtok :-
Perfect time to visits Gangtok 
মার্চ থেকে জুন ও অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। অক্টোবরে ফুল ফোটে নতুন করে এবং নভেম্বরে মেঘমুক্ত থাকে আকাশ। Weather and Temperature of Gangtok গ্রীষ্মে ১৩ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শীতে ০.৪  থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নামা ওঠা করে।

How to go Gangtok :-
Gangtok is the Capital City of Sikkim এবং সিকিমের দরজা ভারতীয়দের জন্য খোলা যদিও পূবে রোলিং ও উত্তর সিকিমের ফোডং এর পর Restricted Area Permit ভারতীয়দের এবং বিদেশিদের Special Area Permit লাগবে। আবেদন করতে হয় পাসপোর্ট্ সহ এক কপি ছবি দিয়ে Sikkim Tourist Information Centre, 4/1 Middleton St, Kolkata-71, Call:- 22817905. বা S T N Colony, H C Road, Pradhan Nagar, Siliguri, Call:- 0353- 2512646. বা 14 Panchasheel Marg, Chanakyapuri, New Delhi-110021, Call:- 011-26115346. বা, Mahatma Gandhi Marg, Gangtok-737101, Call:- 03592-221634, Fax- 205467.

বিমান:- কলকাতা থেকে এয়ার ইন্ডিয়া বা জেট এয়ারে ১ ঘন্টায় বাগডোগরা পৌঁছে সিকিম ট্যুরিজমের বাসে বা প্রাইভেট বাস, ট্যাক্সিতে গ্যাংটক যাওয়া যায়। দিল্লি-বাগডোগরা-গুয়াহাটি-দিল্লি। দিল্লি-বাগডোগরা-দিল্লি। বাগডোগরা-গুয়াহাটি-বাগডোগরা এই রুট গুলোর সহযোগিতায় বাগডোগরা পৌছানো যায়।
সড়কে:- দার্জিলিং GPOর কাছ থেকে SNTর বাস যাচ্ছে উল্টো দিক থেকে প্রাইভেট বাস যাচ্ছে। সুপার বাজার থেকে বিভিন্ন প্রাইভেট বাস যাচ্ছে গ্যাংটক। কালিপং থেকে SNTর জিপ ও বাস যাচ্ছে। গ্যাংটক শহরে ঢোকার মুখে জাতীয় সড়কের ডাইনে প্রাইভেট বাসস্ট্যান্ড এবং M G Road তথা Tourist Office-এর বাঁক ছেড়ে বামদিকে Paljor Stadium Rd-এ SNTর বাসস্ট্যান্ড। শিলিগুড়ি তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে NBSTC-র বাস ও Hill Region Mini Bus Owners Association-এর বাস যাচ্ছে গ্যাংটক। উল্টো দিকের সামান্য দক্ষিণ থেকে সিকিম ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট (SNT)র বাস যাচ্ছে। দুই বাসস্ট্যান্ডের মাঝখান থেকে সুমো/জিপ/মারুতি যাচ্ছে শেয়ারে গ্যাংটক।

 Places to visit in gangtok :-
Places to visit in Gangtok are...
Enchey Monestry:- চিনা প্যাগোডার অনুকরণে তৈরি হলুদ টুপি শাখার Enchey Monestry। বাস থেকে নেমে তিন কিমি উত্তর-পূর্বে ট্যুরিস্ট লজের মাথায় তান্ত্রিক গুরু উড়ন্ত লাভার পুণ্যভূমি। ঝলমেলে সাজে নানান দেবদেবীর সমাবেশ ও সুসজ্জিত ফ্রেস্কো চিত্র সহ মনাস্ট্রির দ্বিতীয় তলায় লাইব্রেরি হয়েছে দ্যা প্লেস অব সলিটুডে। নীল, লাল, হলুদ, সবুজ প্রেয়ার ফ্লাগ উড়ছে। লজের নিচে ব্রিটিশ তথা ইন্ডিয়ান রেসিডেন্স। কিছুটা দূরে ছাপাখানার কাঁধে ভর করে সেক্রেটারিয়েটের নিচে পাহাড়ের ঢালে সারনাথের রেপ্লিকা আকারে তৈরি মৃগ উদ্যান এবং মিউজিয়াম হয়েছে মৃগ উদ্যানে Enchey Monestry তে। 

চোগিয়াল সুক-লা-থাং:- অর্থাত্ মহারাজার প্রাসাদ, সাধারণের জন্য খোলা না হলেও ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে Pang Lhabdol উসবে দরজা খুলে দেওয়া হয় সবার জন্য। এর নিচে ম্যুরাল চিত্রে সুুুুসজ্জিত রয়্যাল চ্যাপেল. মহারাজার বিধান সভা বা দরবার হলেের উল্টো দিকে নামনাং ভিউ পয়েন্ট। এদের মাথায় রাজভবন।

Sales Emporium, Gangtok:- হস্তশিল্পের পণ্য সামগ্রী দেখা ও কেনা যায়  ইনস্টিটিউট অব কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজের sales emporium থেকে। রবিবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৯-৩০ থেকে ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে Sales emporium। এদের তৈরি কার্পেট, শাল, কম্বল, কাপড়ের পুতুল, মুখোশ, কাঠের কাজ, আসবাবপত্র, ফোল্ডিং টেবিল, চোকসে, সিকিমিজের স্বতন্ত্রতা আছে। একই জায়গায় ক্রাফট মিউজিয়ামটিও দেখে নেওয়া যায়। এই পথেই ৮ কিমি দুরে নর্থ সিকিম সড়কের পেনলং-এ তাশি ভিউ পয়েন্ট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার মায়াবী শোভা দেখে নেওয়া যায়।

পাথরের বাড়ি:- তিব্বতীয় লাল টুপি অর্থাত্ Nyingma-pa বৌদ্ধদের তীর্থক্ষেত্রটি মূল্যবান স্মারক সম্ভারে স্তূপ DO-TA-BU বা পাথরের বাড়ি। পাশেই মুর্তি রয়েছে ভারতীয় বৌদ্ধ গুরু পদ্মসম্ভবার। কিছুটা দুরে তিব্বতীয় গ্রন্থের সম্ভারে সমৃদ্ধ বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎতম নামগিয়াল ইনস্টিটিউট অব টিবেটলজি। রবিবার ও ছুটির দিনগুলি ছাড়া সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে। নিচে চোগিয়াল পালডেন থোনডুপ নামগিয়াল মেমোরিয়াল পার্কটিও উল্লেখ্য। কাছেই শ্বেত-শুভ্র দো দ্রুল চোর্তেন।

অর্কেডারিয়াম:- শহর থেকে ১৪ কিমি দুরে ৫০০রও বেশি প্রকারের ট্রপিক্যাল উদ্ভিদের জঙ্গল সাজিয়েছে বন দপ্তর।

গণেশ টক:- শহর থেকে ৭ কিমি দুরে টিলার ঢঙে T V Tower সংলগ্ন গণেশ টক বা ছোট্ট মন্দিরটিও দেখা যেতে পারে। মেঘের ভেলায় ভাসছে মন্দির। সামনের দৃশ্যপটে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপসজ্জার সাথে সাথে শহরটিরও অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ্য।

জ্যুলজিক্যাল পার্ক:- গণেশ টকের উল্টো দিকে ২০৫ হেক্টর বিস্তৃত হিমালয়ান জ্যুলজিক্যাল পার্কে পূর্ব হিমালয়ের রেডপান্ডা, ব্লাক বিয়ার, স্নো লেপার্ড, ব্লু শিপ ছাড়াও বিভিন্ন পশুপাখির সম্ভার চমকিত করে।

Saramsa Garden:- গ্যাংটকের ২৫ কিমি দুরে ৭ একরের এই Saramsa Garden টিতে ২০টি দেশ সহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা বর্ণময় ফুল ও অর্কিডের বৈচিত্র্যের মধ্যে উপভোগ করা যায়, মে পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পুষ্প প্রতিযোগিতার আসর। ফুলের প্রদর্শনী যদিও সারা বছর চলে হোয়াইট হলের সামনের স্থায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

প্রজাপতি পার্ক:- ১৯৯২ এ তৈরি হওয়া এই পার্কটিতে চারশোর বেশি প্রজাতির প্রজাপতির রঙিন পাখনা মেলা এক অনবদ্য পরিবেশ। তেমনি দেওরালি বাজার থেকে সেক্রেটারিয়েট পর্যন্ত ১ কিমি রোপওয়েতে চড়ে প্রকৃতির নৈসর্গিক শোভাবর্ধন উপভোগ করা যায়।

Rumtek Monestry:- গ্যাংটক থেকে ২৪ কিমি দুরে শহরের উল্টো দিকে Ranipool Valleyর মাথায় ১৫৫০ মিটার উচ্চতায় বিশ্বের অন্যতম সম্পদশালী রুমটেক ধর্মচক্র সেন্টার বা Rumtek Monestry. চতুর্থ চোগিয়ালের তৈরি ১২ শতকের মুল মনাস্ট্রি ধ্বংস হলেও New Monestry হয়েছে। ১৯৬০-এ তিব্বত চীনের দখলে যাওয়ার পর কালোটুপি সম্প্রদায়ের ১৬তম গুরু কর্মা-পা আমৃত্যু আশ্রয় নেয় Sikkim-এ। চোগিয়ালের দেওয়া জমিতে ১৯৬৮-তে তিব্বতের ছোফুক গুম্ফার রেপ্লিকা রূপে মনাস্ট্রি তৈরি করেন গুরু কর্মা-পা। ধর্মচক্র, দুটি স্বর্ণ হরিণ, সোনার বুদ্ধ ও বহুমূল্য মণিমুক্তো খচিত সোনার স্তূপও রয়েছে।  চূড়াও সোনায় মোড়া। কর্মা-পা-র দেহাবশেষ রক্ষিত হয়েছে স্তূপে। ফেব্রুয়ারিতে ২ দিনের
লোসার, মে মাসে ১ বছর বাদেবাদে ডুবচেন বা সেচু ছাড়াও উৎসব মুখর সারাবছর Rumtek। প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি বোটানিক্যাল গার্ডেন তথা চিড়িয়াখানা মধুময় করে তোলে Rumtek-এর পরিবেশ। রয়েছে জওহরলাল নেহেরু বটানিক্যাল গার্ডেনও, খোলা থাকে সকাল ১০ থেকে ৪টে পর্যন্ত। নতুন মনাস্ট্রি দেড় কিমি দুরে। লোয়ার রুমটেকে ৪র্থ চোগিয়ালের সময়ে ৯ম কর্ম পা-র তৈরি পুরাতন মনাস্ট্রিও দেখে নেওয়া যায় পায়ে হেঁটে। এ পথেই রে খোলা বা মার্তমখোলা ওয়াটার গার্ডেন এক অনবদ্য পিকনিক স্পট। শহর থেকে ৭ কিমি দুরে বনজকরি ঝরনা কে ঘিরে সিকিমের নতুন আর এক পর্যটন স্পট তৈরি হয়েছে। বনজকরি থেকে ৮ কিমি দুরে পাল জুরমাং কাগয়ু মনাস্ট্রি বা Lingdum. এ পথ ধরেই সাজং হয়ে পৌঁছান যায় রুমটেক। পাহাড় ভেঙে বয়ে গিয়ে রে খোলা মিশেছে রানি খোলায়। নদীর জল আকটে সুমিং পুল হয়েছে এখানে।

Changu Lake, Sikkim:- সীমান্তের নাথু-লামুখী ৩৫ কিমি উত্তর পূর্বে গ্যাংটক নাথু-লা-হাইওয়েতে বরফরাজ্যের অনন্য প্রকৃতির মাঝে প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা ও আধ কিলোমিটার চওড়া পঞ্চাশ ফুট লম্বা পবিত্র Changu Lake. বরফ গলা এই Changu Lake-এর উৎস ৩৭৭৪ কিমি উচ্চতায়। ভাগ্যবানরা রেনবো ট্রাউট মাছ দেখতে পায় Changu- এর জলে এবং অতীতে এই লেকের জল দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করতেন। বরফ ভেঙে পাহাড় কেটে সাত হাজার ফুট চড়তে হয় Changu Lake যেতে গেলে। মেঘবালিকারা এসে পথ আগলে আলাপ জমায় পরদেশী প্রিয়দের সাথে। মে-আগস্টে রডোডেনড্রন, প্রিমুলা, পপি ফুলেরা রোমাঞ্চিত করে changu-র পথপাশ। লেকটিকে ঘিরে প্রাচীর হোয়ে দাঁড়িয়ে তুষারমৌলি পাহাড় শ্রেণী। স্বচ্ছ changur-র জলে স্বেত শুভ্র বরফ ভাসে। এখানেই আছে ছঙ্গুবাবার মন্দির, নানা রঙের প্রেয়ার ফ্লাগ, দুষ্প্রাপ্য প্রিমুলা অর্কিড গার্ডেন। সাঁকো পেরিয়ে চলে যাওয়া বরফের রাজ্যে। বরফরাজ্যে যাওয়ার সাজসরঞ্জাম ভাড়ায় পাওয়া যায় এখানের দোকানে। চমরী গাই, পনি পাওয়া যায় পিঠে চেপে ঘোরার জন্য। রিজ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও কাঞ্চনজঙ্ঘার সূর্যাস্ত অপরূপ লাগে। উচ্চতার কারণে ঠান্ডা বেশি, বসতিহীন এখানে ITDC-এর ব্যবস্থায় ক্যাফেটেরিয়া আছে।

Serathang, Sikkim:- ছঙ্গু থেকে ১৩ কিমি দুরে। Serathang এর ৪ কিমি দুরে নাথু লা গিরিবর্ত্ম ১৪৪০০ ফুট তিব্বত তথা চীন সীমান্ত। ৪০০ কিমি দুরে লাসা। ১৯৬৭-র সেপ্টেম্বরে ভারত-চীন যুদ্ধে নিহত ভারতীয় জওয়ানদের স্মৃতিতে শহিদ স্মারক হোয়েছে। ভারত-চীন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে এখানে। বুধ, বৃহস্পতি, শনি ও রবিবার ভারতীয়দের নাথুলা দেখার অনুমতি মেলে। বাঁয়ে নাথু-লা-র পথ রেখে ছঙ্গুর মাথায় কুপুপ উপত্যকা ১২৪০০ ফুট উচ্চতায় মনোমুগ্ধকর পরিবেশে Serathang থেকে ৪ কিমি দুরে বাবা হরভজন সিং মন্দির তথা গুরদ্বারটিও ঘুরে আসতে পারেন মাউন্টেন ডিভিশনের এই সমাধি মন্দির। ১৯৬২তে তিস্তার জলে মৃত্যু ঘটে ভারতের বীর সেনানী হরভজনে। আজও নাকি তার অদৃশ্য আত্মার উপস্থিতে উপকৃত হন সঙ্গী-সাথীরা। সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁর অলৌকিকত্বে মুগ্ধ ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত করেন। মঙ্গল ও রবিবার দুর-দুরান্ত থেকে যাত্রীরা আসেন বাবার মন্দিরে। অন্ন প্রসাদ মেলেও মঙ্গল ও রবিবার। এখনও সৈনিকের বেতন পান বাবা ভরভজন।

Kyongnosla Alpine Sanctuary:- শহরের দিকে ৪ বর্গ কিমি বিস্তৃত, জুনিপার, সিলভার ফার, রডোডেনড্রন, সহ নানান অর্কিডের অরণ্যে বরফ রাজ্যের জীবজন্তু, ফুল, ফল ও উদ্ভিদের সম্ভারে পরিপূর্ণ। মে ও আগস্ট মাসে ফুলে ফুলে ভোরে ওঠে স্বর্গীয় নন্দন কাননটি।

কুপুপ বা এলিফ্যান্ট লেক:- বাবা মন্দির থেকে ডান দিকের রাজ্য সড়ক ধরে ভুটান-ভারত-চীন সীমান্তে অফুরন্ত রূপের ডালি সাজিয়ে রয়েছে এই লেক।

Aritar Lake:- NJP থেকে NH31A রাস্তায় রংপো হোয়ে ডান দিকের রাজ্য সড়ক ধরে রেনক ফটক হয়ে পৌঁছান যায় Aritar Lake। সবুজ পাইন আর পাহাড়ে ঘেঁরা সবুজ জলের অনন্য সুন্দর লামপোখরি লেকই অরিতারের প্রাণ। হেলিপ্যাড ভিউ পয়েন্ট, লাভার্স পয়েন্ট, মানখিম টেম্পল ভিউ পয়েন্ট থেকে দেখা যায় কাঞ্ছন সুন্দীরর অপরূপ রূপ মাধুরী। তিনশো বছরেরও পুরানো রেনক মনাস্ট্রিটিও দেখে নেওয়া যায় Aritar এসে।

Fambonglho wild life Sanctuary:- গ্যাংটক থেকে ২০ কিমি দুরে ৫১.৭৬ বর্গ কিমি বিস্তৃত Fambonglho wild life Sanctuary ঘুরে নিতে পারেন আগ্রহীরা। বাস ও জীপ যাচ্ছে ১৪কিমি দুরে পাংথাং গ্রামে, সেখান থেকে ৬ কিমি ট্রেক করে Sanctuary। রেডপান্ডা, হিমালয়ান ব্লাক বিয়ার সহ বিভিন্ন প্রাণীর উপস্থিত Fambonglho wild life Sanctuary. কাঞ্চনজঙ্ঘার সাথে সাথে সিনিয়লচু, ও তিনঝুরে টাওয়ার থেকে গ্যাংটক শহরও সুন্দর ভাবে উপভোগ্য। 

NB:- সীমান্তবর্তী এলাকায় ছবি তোলায় বিধিনিষেধ আছে। RAP লাগে ভারতীয়দের Superintendent of Police, Gangtok থেকে এবং বিদেশিদের Department of Tourism, Government of Sikkim, M G Marg, Gangtok থেকে। কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের আঞ্চলিক সেনাপ্রধান থেকেও অনুমতি পাওয়া যায় নাথু-লা দর্শনের।

এছাড়া হিমালয়কে যারা আরোও আপন করে উপভোগ করতে চান তাঁরা হেঁটে যেতে পারেন দার্জিলিং থেকে গ্যাংটক।  এরাকম তিনটি পথে যাওয়া যায়। দার্জিলিং থেকে প্রথম ১৩ কিমি উতরাইয়ে নেমে বাদামতলা থেকে চড়াই পথে ১৬ কিমি গিয়ে সিকিমের ৫২০০ ফুট উচ্চতায় নামচিতে সিকিম সরকারের ডাকবাংলো বা প্রাইভেট হোটেলে একরাত থেকে। নামচি থেকে ১৮ কিমি দুরে ৪৮৮০ উচ্চতায় টেমির বাংলোয় দ্বিতীয় রাত। টেমি থেকে ১১ কিমি উতরাই নেমে সেতুতে তিস্তা পার হোয়ে ৮ কিমি গিয়ে ৪৫০০ ফুট উচ্চতার সাং-এর বাংলোয় তৃতীয় রাত থেকে চতুর্থ দিনে ১০ কিমি চড়াই পথে রুমটেক পৌঁছে আরোও ১৪ কিমি দুরে গ্যাংটক পৌঁছান যায়।

Hotels in gangtok :-
 STD of Gangtok- 03592.
There are some Information about Gangtok hotels if you need contact them by Phone number of Gangtok hotels.

1) "Sun 'N' Snow", Call:- 09126672342. 2) Narayani Continental, Call:- 09593907770. 3) Silver Line, Call:- 09233558288. 4) Green Park, Call:- 03592201190. 5) Sonam Delek, Call:- 03592202566. 6) Uddan Hotel, Call:- 09555033033. 7) Magellan's, Call:- 18001236025. 8) Pandim, Call:- 09832080182. 9) Panda International, call: 09064222780. 10) The Golden Crest, Call:- 09800533911. 11) Saikripa, Call:- 09681292163. 12) Mayfair SPA Resort, Call:- 09232855022. 13) Central Hill Resort, Call:- 09832027027. 14) Tenency, Call:- 943400667. 15) Woodland, Call:- 9434169623. 16) Norbu Gang, Call:- 9933004494. 17) Norkhil, Call:- 8420199186. 18) Canaan, Call:- 9832385092. 

Tour operators of Gangtok, Sikkim:-

1) পিস হেরিটেজ ট্যুরস, ফোন:- 9434103381
2) খোরলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 65101393/30533973
3) সাই রাবডান্টস হলিডেজ, ফোন:- 9635120964.
4) অ্যালপাইন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, পাকিয়াং, ফোন:- 257782.
5) মার্কোপোলো ওয়াল্ড ট্রাভেলস, কলকাতা, ফোন:- 22883296.
6) ব্লু মাউন্টেন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, 9832177887.
7) ব্লু স্কাই ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, গ্যাংটক, ফোন:- 205113/203330.
8) টিটিএমআই, ফোন:- 9748114667.


   

                

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...