Translate into your language

সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

Badrinath / Badrinath yatra / বদ্রীনাথ ভ্রমণ


Badrinath temple:-

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় অলকানন্দা নদীর তীরে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০,২৭৯ ফুট উচ্চতায় হিন্দু  মন্দির Badrinath খ্রিস্টপূর্ব ১৭০০-৫০০ অব্দে তৈরি হয়েছিল এবং এই মন্দিরটি খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত একটি বৌদ্ধবিহার ছিল। আদি শঙ্করাচার্য নবম শতাব্দীতে এটিকে হিন্দু মন্দির রূপে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীতে, বিশেষ করে প্রবেশদ্বারটি বৌদ্ধবিহারের সাক্ষ্যবহন করে বলে অনেকেই মনে করেন। নবম শতাব্দীতে আদি শঙ্করাচার্য বদ্রীনাথের মূর্তিটি অলকানন্দা থেকে উদ্ধার করে তপ্তকুণ্ডের উষ্ণ প্রস্রবণের পাশে মন্দির তৈরি কোরে প্রতিষ্ঠা করেন বলে দ্বিতীয় আর একটি মত রয়েছে। ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী বদ্রীকাশ্রমে শ্রীবিষ্ণু নর ও নারায়ণ ঋষি রূপে আবির্ভূত হয়ে ছিলেন। এছাড়া স্কন্দপুরাণ ও মহাভারতের মতো প্রাচীন গ্রন্থেও বদ্রীনাথ মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়। স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী “স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতালে যত পবিত্র তীর্থ আছে তারমধ্যে Badrinath  এর মতো পবিত্র তীর্থস্থান কোথাও নেই। মহাভারতের মতে অন্য সকল তীর্থে মোক্ষলাভ করতে হলে ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয় কিন্তু badrinath এলেই প্রতিটি জীবন মোক্ষ লাভ করতে পারে। ছোট চারধামের এই মন্দির গুলো শৈব ও বৈষ্ণব তীর্থ হলেও, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবশ্রেণীর পুণ্যার্থীরা চারধাম মন্দিরগুলিতে পুণ্যার্জনে আসেন। badrinath temple টি উত্তরাখন্ডে অবস্থিত কিন্তু মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রাওয়ালরা দক্ষিণ ভারতের কেরলের নাম্বুদিরি ব্রাহ্মণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে নিয়োজিত হয়ে থাকে। badrinarayan এর ৩.৩ ফুট উচু শালগ্রাম শিলায় নির্মিত মুর্তিটি সোনার চাঁদোয়ার নিচে রাখা আছে। দুই হাত উপরে তোলা শঙ্খ ও চক্র ধরা অবস্থায় এবং নিচের দুটি হাত পদ্মাসনে উপবিষ্ট মূর্তির কোলের উপরে। গর্ভগৃহে  badrinarayan ছাড়াও রয়েছে কুবের, নারদ, উদ্ধব সহ নর ও নারায়ণ ঋষির মূর্তি। মন্দিরের চারিদিকে মিলিয়ে আরোও ১৫টি মতো দেবদেবী মূর্তি রয়েছে। যার মধ্যে দেবী লক্ষ্মী গরুড় ও নবদুর্গার মুর্তি উল্লেখ্য। মন্দিটিতে লক্ষ্মীনৃসিংহ ও আদি শঙ্কর বেদান্ত দেশিকা সহ রামানুজের মন্দিরও রয়েছে। Badrinath temple এর সকল মূর্তি শালগ্রাম শিলায় তৈরি।

Temperature of Badrinath:-

Yearly temperature of Badrinath ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে। শীতে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে এবং গ্রীষ্মে ৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বদ্রীনাথের তাপমাত্রা ওঠানামা করে।

Badrinath yatra:-
 Perfect time to visits Badrinath মে থেকে জুন এবং অক্টোবর। মে থেকে নভেম্বরেও যাওয়া যেতে পারে জুলাই থেকে আগস্টের বৃষ্টির মৌসম বাদ দিয়ে। মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে মন্দিরে থাকেন বদ্রীনাথ এবং অন্যান্য সময়ে যোশীমঠের শীতাবাসে বদ্রীনাথ দর্শন করা যায়। 

 Badrinath Travel root:-
১) কলকাতা-হরিদ্বার-ঋষিকেশ-দেবপ্রয়াগ-কীর্তিনগর-শ্রীনগর-রুদ্রপ্রয়াগ-গৌচর-কর্ণপ্রয়াগ-নন্দপ্রয়াগ-চামোলী-বিরহী-পিপালকোটি-গুরুগঙ্গা-হেলাং-জোশিনাথ-বিষ্ণুপ্রয়াগ-গোবিন্দঘাট-পাণ্ডুকেশ্বর-হনুমানচটি-শ্রীবদ্রীনাথ।

২) কলকাতা-হরিদ্বার-বারকোট-যমুনেত্রী-উত্তরকাশী-গঙ্গোত্রী-গুপ্তকাশী-কেদারনাথ-পিপালকোটি-বদ্রীনাথ-শ্রীনগর-হরিদ্বার-কলকাতা।

Kolkata to Kedarnat Yatra:-
১) কলকাতা থেকে ট্রেনে হরিদ্বার বা দেরাদুন গিয়ে এক রাত্রি থেকে Tax ভাড়া করে ভোর না হতেই পরের দিন ঋষীকেশ ঘুরে সন্ধ্যায় জোশিমঠ পৌঁছে রাত্রিযাপন করে, পরের দিন ভোরে বদ্রীনাথ দর্শন করে তিব্বতিয় সীমান্ত মানাগ্রাম ঘুরে জোশিমঠে ফিরে আর এক রাত্রিযাপন করে, পরের দিন গুপ্তকাশীর উদ্দেশ্য বেরিয়ে পড়ুন চোপতা হয়ে এবং গুপ্তকাশী এক রাত্রি অতিবাহিত করে পরের দিন ঋষীকেশ বা হরিদ্বারে পৌঁছে এক রাত্রি থেকে কলকাতা ফিরে আসুন। বা গুপ্তকাশী থেকে শোনপ্রয়াগ হয়ে কেদারনাথেও যেতে পারেন।

২) কলকাতা থেকে হরিদ্বার গিয়ে এক রাত্রি থেকে হরিদ্বার থেকে বারকোট গিয়ে দুই রাত্র। বারকোট থেকে উত্তরকাশী দুই রাত্রি থেকে গুপ্তকাশীও দুই রাত্রি থাকতে হবে। গুপ্তকাশী থেকে কেদারনাথে এক রাত থেকে গোবিন্দঘাটে আরও একরাত্রি কাটিয়ে হরিদ্বার পৌঁছে এক রাত থেকে কলকাতা ফিরে আসা।
Badrinath visiting places:-
Tapta kund badrinath :- মন্দিরের ঠিক নিচে গন্ধকের ঔষধিগুণ সম্পূর্ণ একটি উষ্ণ প্রস্রবন রয়েছে। পুণ্যার্থীরা বদ্রীনাথ দর্শনে যাওয়ার আগে, এই কুণ্ডে স্নান করা অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করে। এই উষ্ণ প্রস্রবনের গড় তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মন্দিরের দুটি পুকুরের নাম নারদ কুণ্ড ও সূর্যকুণ্ড

Vasudhara Falls :- বশিষ্ঠ মুনিকে পাপমুক্ত করতে বসুর আট ছেলে অষ্টবসু তপস্যা করেছিলেন এখানে। গঙ্গাদেবীও সন্তুষ্ট হয়ে আটটি ধারায় নেমে এসেছেন। রামধনুর সাত রঙের জলরাশি নামছে বদরী থেকে আট কিলোমিটার দুরে ধর্মশিলায়। ঘোড়ায়-জিপে বা গাড়িতে করে মানার ভোটিয়া গ্রাম পর্যন্ত গিয়ে ১০০০ ফুট উচ্চতার বসুধারাতে যাওয়া যায়, পাহাড় কেটে তৈরী পায়ে চলা সঙ্কীর্ণ পথে।

Mana Village :- এখানের ইন্দো-মোঙ্গোলিয়ান সম্প্রদায় এক সময়ে মানা পাশ ধরে ভারত থেকে তিব্বতে বাণিজ্য করতো এবং এটাই তিব্বতের রাস্তায় শেষ ভারতীয় গ্রাম। এখানের ব্যাসগুহায় মহামুনি ব্যাস বেদ কে চারটি খণ্ডে বিভক্ত করেছিলেন। ব্যাসদেবের মুর্তি, গণেশ গুহা, ঘন্টেশ্বরী মন্দির, পাথরের ভীম পুল এবং কেশবপ্রয়াগ একে একে দেখে নেওয়া যায় বদরী থেকে ৩ কিমি দুরে মানাগ্রামে এসে।

স্বর্গের পথ:- দুর্গমতার কারণে দ্রোপদী মানাগ্রামে, সহদেব লক্ষ্মীবনে, নকুল সহস্রধারায়, অর্জুন চক্রতীর্থে ও সতোপন্থে ভীমের মহাপ্রস্থান ঘটে। এই স্বর্গের পথ যাত্রায় বসুধারা কে দক্ষিণে রেখে নীলকন্ঠের কাছ দিয়ে চামতোলী উপত্যকায় গিয়ে লক্ষ্মীবন হয়ে আরো ১৩ কিমি গিয়ে ১৩০০০ ফুট উচ্চতার বাণধারে প্রথম রাত্রিযাপন। এরপর চক্রাকার উপত্যকা বাণধার থেকে ৮ কিমি গিয়ে চক্রতীর্থে দ্বিতীয় রাত্রিযাপন। আরো ৫ কিমি গিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্গমতা মাড়িয়ে ১৬০০০ ফুট উচ্চতায় সতোপন্থ তাল। এই ত্রিকোন তালের তিন কোণে ত্রিদেব ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বাস করেন।

Sightseeing in Badrinath:-
লক্ষ্মীবদরী, পঞ্চশীলা, পঞ্চধারা, বিষ্ণুর চরণ পাদুকা, শেষনাগের নয়ন, ব্রহ্মকপালে পিণ্ডদান এছাড়াও বামনি গ্রামে অপ্সরা-উর্বশীর মন্দির।

How to go Badrinath:-
হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুন এক্সপ্রেস এবং কুম্ভ এক্সপ্রেস মঙ্গল বার ও বৃহস্পতিবার ছাড়াও উপাসনা এক্সপ্রেস হরিদ্বার যাওয়া আসা করছে। এছাড়াও হাওড়া-অমৃতসর/জম্মু রেল লাইনের লক্সারে নেমে লোকাল ট্রেনে বা বাসে ৩০ মিনিটে ১৮ কিমি দুরের হরিদ্বার পৌঁছাতে পারেন।  বদরীনাথে নিয়মিত বাস যাচ্ছে হরিদ্বার, ঋষীকেশ, কোটদ্বার ও কর্ণপ্রয়াগ থেকে। এছাড়াও বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া করে এই সমস্ত জায়গার থেকে বদ্রীনাথ যাওয়া যায়-Haridwar Taxi Union, Phone:- 09410192179/ Sree Krishna Taxi Service, Phone:- 07947437859/Haridwar Taxi Car Rental, Phone:- 09760375417.

Hotels at Badrinath:-
Hotel Patliputra, Phone:- 09411390340. Hotel Devlok, Phone:- 01381-222212.
Yatri Niwas, Phone:- 01381-222338.হরিদ্বার হোটেলস- BLT International, Phone:- 09759091133. Brij Lodge, Phone:- 01334-226872. Ganga Darshan, Phone:- 01334-224076. Shankar Niwas, Phone:- 01334-227849. Mayur, Phone:- 01334-227586. Mansaravar, Phone:- 01334-226501.
Gyan Niketan, Phone:- 01334-22845062
কেদারনাথ হোটেলস-Dev Dham (Rampur) Phone:- 09759290329.
Raj Palace ( Guptakashi), Phone:- 09557041862.
Himalayan Tourist Lodge (Sitapur), Phone:- 01364 262106.
GMVN (Guptakashi), Phone:- 01364 267221.
Bharat Sebasram Sanga (Ukhimoth), Phone:- 01364264274.
GMVN (Ukhimoth), Phone:- 01364284236.
Devriya (Mastura, Chopta), Phone:- 09456772744.
GMVN (Gopeshwar), Phone:- 01372252468/09568006658
Tapaban Resort( Birohi, Kalpeshwar), Phone:- 01372-260465
উত্তরকাশী হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01374-222271/22. Akash Ganga Hotel, Phone:- 222666. TTMI, Phone:- 22845062.
গঙ্গোত্রীতে হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01377-222221. Tourist reast House, Phone:- 23708004. Diamond,  Phone:- 22259639.
বারকোটে হোটেলস- Yatri Niwas, Phone:- 01375-224236 these all are hotels of Badrinath and Badrinath hotels contact number. Contact by Phone with Badrinath hotels and get further information about Badrinath hotels.

Badrinath tour Package form Kolkata:-

Or Contact:-
 Tourist Bureau, Lattarao Bridge, Haridwar, Phone:- 01334-224240
Yatra Office, GMVN, Muni-ki-Reti, Rishikesh, Phone:- 0135-2430799/2431793.
Garhwal Mandal Vikash Nigam Ltd, Phone:- 0135-2431783 or 033-22315554          

রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

Char dham Yatra :- ছোট চারধাম ভ্রমণ


Haridwar-Gangotri-Yamunotri-Kedarnath-Badrinath, Chardhamyatra Guide.
Chardham:-
পৌরাণিক গল্প, প্রাকৃতিক নয়ন লোভন সৌন্দর্য, অনন্য সুন্দর ঝর্ণাধারা এবং দুর্গমতা কে জয় করার প্রবল আগ্রহে অভিযাত্রী প্রকৃতি প্রেমী আর পুণ্যার্থীরা ছুটে চলে অপার আকর্ষণে Chardham দর্শনে। ভগীরথের নদী পরিকল্পনায় তেজস্বিনী  গঙ্গা নেমে আসলেন অনুর্বর পৃথিবীকে উর্বরতার রূপ-রস-গন্ধে ভরিয়ে দিতে ১২টি ধারায়। এই ১২ ধারার মধ্যে অলকানন্দার তীরে বদরীবিশালে নারায়ণ মন্দির এবং মন্দাকিনীর তীরে কেদারনাথে শিবের মন্দির। এছাড়াও দুই দেবী- গঙ্গোত্রী মানে গঙ্গা যেখানে প্রথম নেমে আসেন, সেখানে দেবী গঙ্গা ও যমুনার উৎস মুখে সূর্যকন্যা যমুনার মন্দির যুমুনোত্রিতে। এই চারটি জায়গার প্রতিটিই অবস্থিত উত্তরাখন্ডের ৩০০০ মিটার উচ্চতায় গাড়োয়াল পাহাড়ে। হরিদ্বার ও ঋষীকেশ থেকে এই চারটি স্থানে যাওয়া-আসার যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে এবং এই চারটি জায়গা কে এক সঙ্গে ছোট Chardham বলে হিন্দু বা সনাতন রীতেতে।

 Chardhayatra প্রথম পরিকল্পনা:- ৬ রাত্রি ৭ দিন
১ম:- কলকাতা থেকে Haridwar গিয়ে হরিদ্বারে রাত্রিযাপন।
২য়:- হরিদ্বার থেকে দেরাদুন/মুসৌরী হয়ে বারকোট-জানকিচাট্টি পৌঁছে যমুনেত্রী দর্শন এবং বারকোটে রাত্রিযাপন।
৩য়:- বারকোট থেকে উত্তরকাশী হয়ে গঙ্গোত্রী গিয়ে গঙ্গোত্রী দর্শন করে উত্তরকাশী ফিরে এসে রাত্রিযাপন।
৪র্থ:-  উত্তরকাশী থেকে গুপ্তকাশী হয়ে গৌরীকুণ্ড পৌঁছে Kedarnath দর্শন করে গুপ্তকাশী ফিরে রাত্রিযাপন।
৫ম:- গুপ্তকাশী থেকে Badrinath দর্শন এবং বদ্রীনাথে রাত্রিযাপন।
৬ষ্ট:- বদ্রীনাথ থেকে রুদ্রপ্রয়াগ হোয়ে হরিদ্বার এসে রাত্রিযাপন।
Chardhamyatra-র
দ্বিতীয় পরিকল্পনা:-১১ রাত্রি ১২ দিন।

Haridwar থেকে যমুনেত্রী গিয়ে রাত্রিযাপন এবং যমুনেত্রী থেকে গঙ্গোত্রী দর্শন ও রাত্রিযাপন।
গঙ্গোত্রী থেকে গুপ্তকাশী গিয়ে রাত্রিযাপন এবং গুপ্তকাশী থেকে Kedarnath গিয়ে রাত্রিযাপন। কেদারনাথ থেকে গুপ্তকাশী ফিরে রাত্রিযাপন এবং গুপ্তকাশী থেকে চোপতা গিয়ে ভুঙ্গনাথ দেখে রাত্রিযাপন। চোপতা থেকে বদ্রীনাথ গিয়ে দুই-রাত্রিযাপন এবং বদ্রীনাথ থেকে আউলি গিয়ে রুদ্রপ্রয়াগে এসে রাত্রিযাপন। এছাড়া রুদ্রপ্রয়াগ থেকে খিরসু গিয়েও এক রাত থাকা যেতে পারে। রুদ্রপ্রয়াগ বা খিরসু থেকে হরিদ্বারে এসে আর এক রাত্রিযাপন।
মে-জুন মাসে Chardhamyatra না করাই ভালো।
কারণ...........
ক) রাস্তাঘাটে প্রচণ্ড যানজট থাকে।
খ) গাড়ী ভাড়া ও হোটেল ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।
গ ) পেট্রল পাম্পে বিশেষ করে পাহাড়ে তেল পাওয়া কষ্টকর।
ঘ) যাত্রী নিরাপত্তার কারণে রাত্রিতে পাহাড়ে গাড়ী চলতে দেয় না উত্তরাখন্ড প্রশাসন।


Hotels for Chardhamyatra:-
হরিদ্বার হোটেলস- BLT International, Phone:- 09759091133. Brij Lodge, Phone:- 01334-226872.
Ganga Darshan, Phone:- 01334-224076. Shankar Niwas, Phone:- 01334-227849. Mayur, Phone:- 01334-227586. Mansaravar, Phone:- 01334-226501.
Gyan Niketan, Phone:- 01334-22845062
কেদারনাথ হোটেলস-Dev Dham (Rampur) Phone:- 09759290329.
Raj Palace ( Guptakashi), Phone:- 09557041862.
Himalayan Tourist Lodge (Sitapur), Phone:- 01364 262106.
GMVN (Guptakashi), Phone:- 01364 267221.
Bharat Sebasram Sanga (Ukhimoth), Phone:- 01364264274.
GMVN (Ukhimoth), Phone:- 01364284236.
Devriya (Mastura, Chopta), Phone:- 09456772744.
GMVN (Gopeshwar), Phone:- 01372252468/09568006658
Tapaban Resort( Birohi, Kalpeshwar), Phone:- 01372-260465
উত্তরকাশী হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01374-222271/22. Akash Ganga Hotel, Phone:- 222666. TTMI, Phone:- 22845062.
গঙ্গোত্রীতে হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01377-222221. Tourist reast House, Phone:- 23708004. Diamond,  Phone:- 22259639.
বারকোটে হোটেলস- Yatri Niwas, Phone:- 01375-224236. (এদের উত্তরাখন্ডের সমস্ত স্পটে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে) হনুমানচটি/জানকীচটি/যমুনেত্রী সহ।


Some Information about Uttarakhand:-
১) Chardhamyatra -র জন্য কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে ৭ দিনেও Chardhamyatra সম্পূর্ণ করা যায় কিন্তু কষ্টকর যাত্রা হয়। 
২) তিনধাম ভ্রমণের জন্য কমপক্ষে ৮ দিন সময় লাগে। ৬ দিনেও সমাপ্ত করা যায় কষ্টকর যাত্রায়।
৩) দুইধাম ভ্রমণের জন্য কমপক্ষে ৬ দিন সময় লাগে যদিও অনেকে ৪ দিনেই শেষ করেন।
৫) বদরীনাথ ও গঙ্গোত্রী ভ্রমণ করতে কমপক্ষে ৪ দিন সময় লাগে কিন্তু অনেকেই ২ দিনে সমাপ্তও করেন।
৬) দেরাদুন ও মুসৌরী ভ্রমণের জন্য এক থেকে তিনদিন সময় লাগে এবং যদি দেরাদুন মুসৌরীর সাথে ধনৌন্তি, দেবপ্রয়াগ, খিরসু যেতে চান তাহলে ৫ দিন সময় লাগবে।
Chardhamyatra Biometric:-
১) Haridwar Railway station ( Office Hours)
২) Rahi Hotel ( GMVN GUEST HOUSE,  HARIDWAR)
৩) Phata Chatti.
৪) Guptakashi GMVN
৫) Soneproyag
৬) Barkot Bend 
৭) Uttarkashi,  Gangotri Road near Bharwari
৮) Pandukeswar

Places to visits Gangotri:-  গঙ্গা মন্দির, লক্ষ্মী মন্দির, সরস্বতী মন্দির, যমুনা মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, ভগীরথ মন্দির, শঙ্করাচার্য মন্দির, গৌরীকুণ্ড, সীতাকুণ্ড, ব্রহ্মানন্দ তীর্থ, পাণ্ডবগুহা, গঙ্গোত্রী বাজার, গঙ্গা দাসজীর কুটির, কেদার তাল এবং সাততাল।
গঙ্গোত্রী থেকে উত্তরকাশী/ হনুমান চটি/ যমুনোত্রী বাস যাচ্ছে। উত্তরকাশী থেকে বাস না পেলে ধরাসু হয়েও হনুমানচটি যাওয়া যায়। ঋষীকেশ/ধরাসু হয়ে হনুমানচটির দুটো বাস যাচ্ছে সকাল সাতটার মধ্যে। ধরাসু থেকে ঋষীকেশ ও গঙ্গোত্রী যাওয়া যায়ও। উত্তরকাশী থেকে বারাকোট এবং বারাকোট থেকে হনুমানচটি।

Places to visits in Yomunotri :-  স্যানাচটি, হনুমানচটি, খারসিলের সোমেশ্বর মন্দির, ডোডিতাল, যমুনোত্রীতে দেবী দর্শন, নারদচটি, ফুলচটি, জানকীচটি, সূর্যকুণ্ড, দিব্যশিলা, যমুনা মন্দির, তিনকুণ্ড, তপ্তকুণ্ড, চম্পাসার গ্লেসিয়ার, খারসিলিতে কাঠের মন্দির।
যমুনেত্রী থেকে বাসে বারকোট-উত্তরকাশী-ধরাসু-লঙ্কা হয়ে গঙ্গোত্রী যাওয়া যায়।

Places to visit in Kedarnath :-
শঙ্করাচার্য সমাধি, গান্ধী সরোবর, বাসুকি তাল, ভৈরো ঝম্প, ত্রি-যুগের নারায়ণ, মদমমহেশ্বর, গুপ্তকাশী, কালীমঠ, লেখ, রাশু, যোগাসূ,  বুঢ়া মদমহেশ্বর, কেদারনাথ অভয়ারণ্য, মদমহেশ্বর তাল, ভুঙ্গনাথ, উখীমঠ, দেওড়িতাল, চোপতা, চন্দ্রশীলা, দোগোলভিটা, রুদ্রনাথ, গোপেশ্বর, কল্পেশ্বর, চামোলী, হেলাং, উর্গম ও বিরহী।
গুপ্তকাশী থেকে চামোলী হয়ে বদরী বাস যাচ্ছে  এবং রুদ্রপ্রয়াগ, শ্রীনগর, ঋষীকেশ, বদরী থেকে গুপ্তকাশী/উখীমঠে বাস যাওয়া আসা করছে।

Places to visit in Badrinath :-
বদরীনারায়ণ, লক্ষ্মী বদরী, পঞ্চশীলা, পঞ্চধারা, পঞ্চতীর্থ, বিষ্ণুর চরণ পাদুকা, ব্রহ্মকপালে পিণ্ডদান, অপ্সরা-উর্বশী মন্দির, বসুধারা জলপ্রপাত, মানা গ্রাম, ব্যাসগুহা, ঘন্টেশ্বরী মন্দির, ভীমপুল, কেশবপ্রয়াগ, সতোপন্থ তাল, বাণধারা, লক্ষ্মীবন ও চক্রতীর্থ। 
 বদরী যাওয়ার বাস পাবেন নিয়মিত হরিদ্বার, ঋষীকেশ, কোটদ্বার, কর্ণপ্রয়াগ থেকে।

Places to Visit in Hrisikesh :- ত্রিবেণী ঘাট, রঘুনাথ মন্দির, ঋষীকুণ্ড, ভরত মন্দির, চন্দ্রেশ্বর মহাদেব মন্দির, লক্ষণঝোলা, লক্ষণ মন্দির, রাধাকৃষ্ণর, শিব, সত্য সাঁই আশ্রম, কৈলাসানন্দ মিশন, সমাধি মন্দির, রামেশ্বর মন্দির, লক্ষীনারায়ন, গীতা ভবন, স্বর্গাশ্রম, মহেশ যোগীর আশ্রম, বেদ নিকেতন, সাইবাবার আশ্রম, তপোবন, শঙ্করাচার্য নগর, শিবানন্দ আশ্রম, নীলকন্ঠ পাহাড় ও নীলকন্ঠ মহাদেব।
হরিদ্বার থেকে ট্রেন, শেয়ার ট্যাক্সি, অটো, বাস যাচ্ছে ঋষীকেশে।

Places to Visit in Haridwar :- 
হরি-কি-পাউরি ঘাট, গঙ্গারতি, ব্রহ্মাকুণ্ড, মনসাদেবী মন্দির, চণ্ডী মন্দির, কনখলে দুর্গা মন্দির-দক্ষপ্রজাপতি মন্দিরে দশ অবতার মুর্তি-সতীকুণ্ড-শ্রীজগৎগুরু আশ্রমে কালী-রাধামাধব-রাজরাজেশ্বরী-মৃত্যুঞ্জয় মন্দিরে শিব-অর্ধনারীশ্বর এবং আনান্দমার আশ্রম। পবনধাম, ভারতমাতা মন্দির, বানপ্রস্থ আশ্রম, ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস, ভীমগোদা ক্যানাল, ভীমগোদা ট্যাঙ্ক, বিড়লা টাওয়ার, মানসিং ছত্তিশ, গুরুকুল কাংড়ী বিশ্ববিদ্যালয়, বেদ মন্দির মিউজিয়াম, রামকৃষ্ণ মিশন, সপ্তঋষি আশ্রম, রাজাজী পার্ক, চিল্লা স্যাংচুয়ারি ও বিদ্ধেবাসিনী।

How to go Haridwar:-
হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুন এক্সপ্রেস এবং কুম্ভ এক্সপ্রেস মঙ্গল বার ও বৃহস্পতিবার ছাড়াও উপাসনা এক্সপ্রেস হরিদ্বার যাওয়া আসা করছে। এছাড়াও হাওড়া-অমৃতসর/জম্মু রেল লাইনের লক্সারে নেমে লোকাল ট্রেনে বা বাসে ৩০ মিনিটে ১৮ কিমি দুরের হরিদ্বার পৌঁছাতে পারেন।
কম খরছে চারধাম যাত্রার Taxi ভাড়া পাওয়া যায় Haridwar Taxi Union, Phone:- 09410192179/ Sree Krishna Taxi Service, Phone:- 07947437859/Haridwar Taxi Car Rental, Phone:- 09760375417.

Car rental cost for Chardhamyatra:-
Flexi-Non Ac-Per Day basis 
Indigo/Swift (4 Seater):- Rs.3100/-
Sumo/Bolero (9 Seater):- Rs.3400/-
Xylo :- Rs.4200/-
INNOVA :- Rs.4500/- 
Tempo Traveller(14 Seater):- Rs.5500/- Tempo Traveller (12 Seater):- Rs.6000/-

Char dham yatra Package:-
Tourist Bureau, Lattarao Bridge, Haridwar-র থেকে প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে, Phone:- 01334-224240
Yatra Office, GMVN, Muni-ki-Reti, Rishikesh, Phone:- 0135-2430799/2431793.
Garhwal Mandal Vikash Nigam Ltd, Phone:- 0135-2431783 or 033-22315554

শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০

Haridwar Tour Guide / হরিদ্বার ভ্রমণ।

Haridwar:-
হরিদ্বার ভারতের সংস্কৃতি ও উন্নয়নশীলতার একটি রঙিন ছবি উপস্থাপন করে থাকে। বিভিন্ন সনাতন ধর্মীয় বইপত্রে এই জায়গাটির নাম কপিলস্থান, গঙ্গাদ্বার, মায়াপুরী, মোক্ষপুরি ও তপোবন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ-ছাড়াও বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রি নামে হিন্দুদের চার ধাম ভ্রমণের Haridwar-ঐ প্রধান সংযোগকারী স্থান। শৈবরা মানে শিব বা হরের উপাসকরা একে হরদ্বার এবং বৈষ্ণবরা বা বিষ্ণুর উপাসকরা Haridwar বলে ডাকে। হরিদ্বার বা হরদ্বার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সাতটি পবিত্রতম জায়গার মধ্যে একটি এবং হিন্দুরা একে সপ্তপুরী বলেও আখ্যায়িত করে। পাহাড় থেকে গঙ্গা নেমে এসেছে হরিদ্বারের Har-ki-pauri ঘাটে, Har-ki-pauri মানে হরি বা বিষ্ণুর পদচিহ্ন। Har-ki-pauri সংলগ্ন তিন কিমি জুড়ে পুণ্যার্থীরা স্নান করছেন লৌহ শিকল ধরে। এখানে গঙ্গাদেবীর মুর্তি সহ রয়েছে হাজার দেবদেবী মুর্তি। বৈশাখ মাসের ১৩ তারিখে কুম্ভের অমৃত পড়ে হরি-কি-পাউরির ব্রহ্মাকুণ্ডে, তাই ওই দিনে পুণ্যস্নান করে পুণ্যার্থীরা মোক্ষলাভের আশায়। ১২ বছর অন্তর কুম্ভ এবং ৬ বছর অন্তর অর্ধকুম্ভ মেলা হয় Haridwar-এ। চণ্ডী পাহাড় ও মনসা পাহাড়ের মধ্যবর্তী হর-কি-পাউরি কে কেন্দ্র করে গঙ্গার পশ্চিমে শহর তৈরি হয়েছে।

Haridwar Weather:-
এপ্রিল থেকে জুলাই এবং অক্টোবর মাস সহ আগস্ট/সেপ্টেম্বর মাসেও হরিদ্বার ভ্রমণে যাওয়া যায়। তবে perfect time to Haridwar tour  অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে temperature of Haridwar প্রায় ১৬ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠা নামা করে এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের জন্য নদীগুলো ফুলে ফেঁপে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করার জন্য পুণ্যস্নানে বাধার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে হরিদ্বারে রাত্রিতে ঠান্ডা আবহাওয়া সহ এক স্বর্গীয় বাতাবরণ সৃষ্টি হয় পর্যটকদের জন্য এবং তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠা নামা করে। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময় Haridwar tour এর উপযুক্ত নয়।

Visiting places of Haridwar:-

Manash Temple:- বিল্ব পর্বতের শুভ্র শিখরে একটি টিলার মতো তৈরি মনসা মন্দিরটি রয়েছে। ঘর থেকে বের হোয়ে আকাশের দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। শক্তিরূপিণী দেবী দূর্গারই প্রতিমূর্তি সহ Manasa Temple থেকে গঙ্গার সৌৌন্দর্যও উপভোগ্য। মনসা পাহাড় থেকে রোপওয়ে চড়ে চণ্ডি পাহাড়ে chandi temple এবং মনসা মন্দিরটি এক সঙ্গে দেখে নেওয়া যায়। তাছাড়া আপার রোড থেকে রোপওয়ে চড়ে ১৭৫ মিটার উচ্চতায় manasa temple পৌঁছে যাওয়া যায়। 

Chandi Temple:-
স্থানীয়দের নীলধারার উল্টো পার থেকে ৬ কিমি দুরের নীল পাহাড়ের চূড়ায় chandi temple এবং এখান থেকে লালদিওয়ালা ড্যামের সৌন্দর্য উপভোগ্য। নীলধারা পাখিরালয়ে শীতে হাজারো পরিযায়ী পাখির মেলা বসে। পায়ে হেঁটে পাহাড়ে চড়ে অথবা গোলচক থেকে শেয়ার অটো করে রোপওয়ে স্টেশনে গিয়ে রোপওয়ে চড়ে দেখে নিতে পারেন chandi temple ।

Konkhol:-
এখানে পৌঁছে একে একে দেখে নিন। আনন্দময়ী আশ্রম, অর্ধনারীশ্বর, মৃত্যুঞ্জয় মন্দির, শ্রীজগৎ গুরু আশ্রম, দূর্গা মন্দির, দক্ষপ্রজাপতি মন্দির। হরিদ্বার থেকে বাস/অটো/টেম্পো/রিকশাতে করে ৫ কিমি দক্ষিণে কনখোলে পৌঁছান যায়।

Paban Dham:-
ঋষীকেশের দিকে আশ্রম মার্গ থেকে ৫ কিমি দুরে ভূমা নিকেতনে পৌরাণিক ও রামায়ন-মহাভারতের গল্প বর্ণিত হয়েছে সজীব ও নির্জীব মুর্তিতে। পাশেই আটতলা থেকে হিন্দু পুরাণের বর্ণনা এবং মুণি-ঋষিদের মাহাত্ম্য দেখতে-দেখতে নিচে নেমে আসুন ভারত মাতা মন্দির থেকে।

Chilla Tourist Complex:-
চিল্লা বাঁধ, chills Sanctuary ও চিল্লা জলবিদ্যুত্ প্রকল্প নিয়ে তৈরি Chilla Tourist Complex টির গুরুত্ব পর্যটকদের কাছে যথেষ্টই। চিল্লার ২৯৪ কিলোমিটার বিস্তৃত জঙ্গলটিতে গোরাল, হরিণ, চিতা, নীলগাই, হাতি, শম্বর, প্যান্থার সহ শতাধিক প্রজাতির বন্যদের বন্ধুত্বে বিমোহিত হতেই হয়। পর্ণমোচী বৃক্ষের জঙ্গলে শতাধিক প্রজাতি পাখি, ময়ূরদের কলকাকলি এবং রঙবাহারি পাখনা মেলা দেখার অন্যান্য সুন্দর অনুভূতি রয়েছে।
হরিদ্বার থেকে ৯ কিমি দুরে চিল্লা রেঞ্জে পৌঁছাতে পারেন চণ্ডিঘাট থেকে জিপে বা অটো সহ অন্যান্য গাড়িতে করে। 

Rajaji National Park:-
ধনেশ, থ্রাশ, ফ্লাইক্যাচার, লম্বা লেজ টিয়া, ব্লু ম্যাগপাই, মিনিভেট হর্নবিল ছাড়াও প্রায় ১৮০ প্রজাতির পাখিদের বসবাস এবং তাদের কলকাকলিতে মনোময় করে তোলে পরিবেশ। বাঘ, হাতি, শম্বর, ভাল্লুক, নীলগাই, হরিণ ছাড়াও লাঙ্গুরদের দেখাও যায় rajaji national park এসে। প্রকৃতি প্রেমিদের স্বর্গরাজ্য এই স্তন্যপায়ী ও তৃণভোজিদের বাসভূমিটি শিবালিক পাহাড়ের পাদদেশে পাইন অরণ্যে মোড়া এবং এটি করবেটের অংশবিশেষ।
দিল্লি-হরিদ্বার ট্রেন লাইনটি এই জাতীয় উদ্যানের মধ্যে দিয়ে ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে বিস্তৃত। অটো ও জিপ যাচ্ছে এই জঙ্গল সফরে। হরিদ্বার বাজার থেকে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের অনুমতি নিয়ে ১৫ই নভেম্বর থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত সময়ে রাজাজী ঘুরে দেখে নেওয়া যায়।

Sightseeing of Haridwar:- 
সপ্তঋষি আশ্রম, বেদ মন্দির মিউজিয়াম, রাজা মানসিং ছত্তিশ, গুরুকুল কাংড়ী বিশ্ববিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন, ভীমগোদা ক্যানাল, ভীমগোদা ট্যাঙ্ক, ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস, বানপ্রস্থ আশ্রম, বিদ্ধেবাসিনী, পরমার্থ মন্দির, বৈষ্ণদেবী মন্দির। 
পুরো হরিদ্বার অটো/জিপে/বাসে/রিকশা/রোপওয়েতে ঘুরে নেওয়া যায়।

How to go Haridwar:-
হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুন এক্সপ্রেস এবং কুম্ভ এক্সপ্রেস মঙ্গল বার ও বৃহস্পতিবার ছাড়াও উপাসনা এক্সপ্রেস হরিদ্বার যাওয়া আসা করছে। এছাড়াও হাওড়া-অমৃতসর/জম্মু রেল লাইনের লক্সারে নেমে লোকাল ট্রেনে বা বাসে ৩০ মিনিটে ১৮ কিমি দুরের হরিদ্বার পৌঁছাতে পারেন।

Hotels of Haridwar:-
Hotel Teerth, Phone:- 01334-225211. Himalchura, Phone:- 01334-23708004. Ramkrisna,  Phone:- 01334-23509199.
Sun Shine, Phone:- 01334-222464.
BLT International, Phone:- 09759091133. Brij Lodge, Phone:- 01334-226872.
Ganga Darshan, Phone:- 01334-224076. Shankar Niwas, Phone:- 01334-227849. Mayur, Phone:- 01334-227586. Mansaravar, Phone:- 01334-226501.
Gyan Niketan, Phone:- 01334-22845062.
(এগুলো হরি-কি-পউরি সংলগ্ন হোটেল ও লজ)
বিষ্ণু ঘাটে- Alpana, Phone:- 01334-224567. Abuja, Phone:- 01334-227847.
Raj, Phone:- 01334-221775.
Ganga Kiran, Phone:- 01334-221736.
City Heart, Phone:- 01334-229952.
Ganga Lahari, Phone:- 01334-225348. Sona, Phone:- 01334-226340.
Bharat Sevashram Sangha Haridwar, Phone:- 07060290072.
Kalikamali, Phone:- 09359943969.
Sri Sri Loknath Dharamsala, Saptarisi marg, Haridwar, যোগাযোগ তেঘরিয়া, Phone:- 25707462

Tour Package for Haridwar:- 
Haridwar থেকে ৪, ৬, ১০ দিনের সেমি-ডিলাক্স বাসে, ডর্মিটরি প্রথায় থাকার ব্যবস্থা সহ package tour এ নিয়ে যায় Garhwal Motor Owners Union Ltd, Haridwar, Phone:- 01334-226886. বুকিং-এর ডিপোজিট ব্যাঙ্ক ড্রাফটে পাঠাতে হয়।
এছাড়া প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে, গাড়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগম লিমিটেডে, যোগাযোগ, 0135-2747898/2431783 অথবা 011-23350481 অথবা GMVN Room-244, 2nd Floor, Marshall House, 33/I N S Road, Kolkata-1, Phone:- 033-22315554. এদের Package ৪ থেকে ১৫ দিনের হোয়ে থাকে।


বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০

Kedarnath Tour Plan / কেদারনাথ ভ্রমণ/ Kedarnath

Kedarnath temple:-
দুই নদী অলকানন্দা ও মন্দাকিনীর মধ্যবর্তী বিস্তৃত এলাকার নাম কেদারাখন্ড। উত্তরাখণ্ড রাজ্যের গাড়োয়াল হিমালয় পর্বতশ্রেণীর Kedarnath town এর মন্দাকিনী নদীর তীরে তৈরি শিব মন্দিরটি Kedarnath temple। এই মন্দিরটি কেদারনাথ পাহাড়ের ৬৯৪০ মিটার উচ্চতায় প্রথম তৈরি করেছিলেন পাণ্ডবেরা। কুরুক্ষেত্র রণাঙ্গনে আত্মীয়-স্বজন নিধনের পাপ থেকে মুক্তি পেতে, দেবাদিদেব দর্শনে হিমালয়ে গেলেন বেদব্যাসের সুপরামর্শে পঞ্চপাণ্ডব কিন্তু পঞ্চপাণ্ডবদের দেখা দিতে নারাজ মহাদেব। মহিষের রূপ ধরে, পৃথিবীর দিকে ফিরে আসার সময়ে ভীম ঝাপটে ধরেণ এবং মহিষরূপি শিবের শরীর খন্ড-বিখন্ড হয়ে ছিটকে ভুঙ্গনাথে বাহু, নাভি মদমহেশ্বরে, মুখমণ্ডল রুদ্রনাথে, জটা কল্পনাথে এবং পিছনের অংশ পড়ে কেদারনাথে। সেই পাঁচটি জায়গায় পাঁচটি মন্দিরও তৈরি করেন পঞ্চপাণ্ডব এবং এই পাঁচ জায়গাকে pancha kedar ও বলা হয় সেই সময় থেকে। বর্তমান kedarnath temple টি অষ্টম শতকে আদি শঙ্করাচার্য শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশে তৈরি করেন। জ্যোতির্লিঙ্গ গুলোর মধ্যে দ্বিতীয়, এই কেদারনাথের শিবলিঙ্গটি কষ্টিপাথরে পিরামিডের মত করে মহিষের পিছনের অংশের আকৃতিতে তৈরি। কালো গ্রানাইট পাথরের মন্দিরটির দরজায় গণপতি এবং বাইরে নন্দীর কালো মুর্তি রয়েছে। স্বতন্ত্র গঠন বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত অনন্য সুন্দর স্বর্গীয় পরিবেশে আড়াই কিমি বিস্তৃত উপত্যকায় বিরাজমান কেদারাখণ্ডের অধিপতি kedarnath। সারা বছর বরফে ঢাকা মন্দিরটির দরজা দীপাবলিতে বন্ধ হয়ে আবার খোলে অক্ষয় তৃতীয়াতে। প্রবল শীতের সময় দেবতা থাকেন উখীমঠে শীতাবাসে।

Weather in kedarnath :-
গ্রীষ্মে ১৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫.৬ এবং শীতে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস temperature of Kedarnath। perfect time to visit kedarnath মে থেকে জুন পর্যন্ত এবং সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাস। মে থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে মনোরম আবহওয়ার কারণে যথেষ্ট ভিড় থাকে এবং খরচখরচাও যথেষ্ট বেশি হয়। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাতের কারণে খারাপ আবহওয়া ও ভূমি ধ্বসের সংশয় থাকায় ভিঁড় কমে যায়।

Kolkata to Kedarnath:-
কলকাতা থেকে ট্রেনে Lucknow পৌঁছে বাসে Haldwani গিয়ে, ক্যাবে কেদারনাথ যেতে সময় লাগবে প্রায় পঞ্চাশ ঘন্টা মতো।
কলকাতা থেকে বিমানে চৌধুরী চরণ সিং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছে সেখান থেকে Haldwani গিয়ে ক্যাবে কেদারনাথ পৌঁছাতে সময় লাগবে ৩৪ ঘন্টা মতো। কোলকাতা থেকে ট্রেনে হরিদ্বার/ঋষিকেশ/নাজিবাবাদ গিয়ে সড়কে রুদ্রপ্রয়াগ বা শোনপ্রয়াগ হয়ে গৌরিকুণ্ড।
দুন এক্সপ্রেস, কুম্ভ এক্সপ্রেস, উপাসনা এক্সপ্রেসে হরিদ্বারে গিয়ে, হরিদ্বার থেকে গাড়ি নিয়ে সীতাপুর গিয়ে রাত্রিতে থেকে পরের দিন শোনপ্রয়াগ পৌঁছন৷ এরপর ৪ কিলোমিটার দূরে গৌরীকুণ্ডর যাত্রা শুরু করুণ হেঁটে বা সরকারি শেয়ার জিপে৷ গৌরীকুণ্ড থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে ভীমবলি৷ এখানে মন্দাকিনীর উপরের ব্রিজ পার হয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার দুরে লিঞ্চোলি এবং  লিঞ্চোলি থেকে কেদারনাথ ৫ কিলোমিটার দূরে৷ হরিদ্বার থেকে কেদারনাথে বাসেও যাওয়া যায়। বিমানে হরিদ্বারের কাছে জলিগ্রাণ্ট এয়ারপোর্টে নেমে সড়কে ৩০ মিনিটে ঋষিকেশ পৌঁছে, যোশিমঠ৷ ট্রেন বুকিং ক্লিক....  আবার, হাওড়া থেকে ট্রেনে হরিদ্বারের উদ্দেশ্য রওনা হওয়ার পর দিন, হরিদ্বারে হোটেলে রাত্রি থেকে সন্ধ্যা আরতি "হার কী পরি" দেখে নিন। তৃতীয় দিন হরিদ্বার থেকে মসৈরী হয়ে জানকিচাট্টিত পৌঁছে চতুর্থদিন জানকিচাট্টিতে থেকে ৬ কিমি গিয়ে যমুনেত্রী দেখে হোটেলে ফিরে আসুন। পঞ্চম দিনে জানকিচাট্টি থেকে উত্তরকাশী হোটেল পৌঁছান এবং ষষ্ঠ দিনে হোটেল থেকে গঙ্গোত্রী দর্শন করে, সপ্তম দিনে uttarkashi হোটেল থেকে guptakashi বা sonprayag হোটেল চলে যান। অষ্টম দিনে হোটেল থেকে ১৮ কিমি পায়ে হেঁটে পাহাড়ে উঠে কেদারনাথে রাত্রিযাপন ও কেদারনাথ দর্শন করুণ। নবমতম দিনে কেদারনাথ থেকে নিচে নেমে guptakashi অথবা সোনপ্রয়াগ হোটেলে রাত্রিতে থাকুন এবং দশম দিনে গুপ্তকাশী অথবা sonprayag থেকে বদ্রীনাথ পৌছে বদ্রীনাথ দর্শন করে হোটেলে রাত্রিতে থেকে, এগারোতম দিনে বদ্রীনাথ থেকে পঞ্চপ্রয়াগ দেখে হরিদ্বারে ফিরে হোটেলে রাত্রিতে থাকুন এবং দ্বাদশতম দিনে হরিদ্বার থেকে হাওড়ার ট্রেন ধরে ১৩তম দিনে হাওড়া পৌঁছে যান।

Kedarnath place 

Adi Shankaracharya Samadhi:-
বৈদিক মতাদর্শ কে নতুন রূপরেখা প্রদান করার 
পর ৩২ বছর বয়সে এখানেই দেহ রাখেন আদি sankaracharya। মন্দিরের পিছনে শঙ্করাচার্যের সমাধি রয়েছে। দক্ষিণে সরস্বতী নদী পার হয়ে হংসকুণ্ডের পাশে ফলহারী বাবার সমাধি এবং কেদারে রয়েছে চারটি কুুণ্ড সহ ভৈরব মন্দির।

Chorabari Tal :- গান্ধীজীর চিতাভস্ম এই chorabali tal এ ভাসানো হয়েছিল তাই নাম পরিবর্তন হয়ে, হয়েছে গান্ধী সরোবর। কেদারনাথের ৪ কিমি উত্তরে স্বর্গীয় সৌন্দর্যের লীলাভূমি শুভ্র সুন্দর বরফ সরোবর chorabali

Vasuki Tal:-
স্রোতস্বিনী মন্দাকিনী পার হয়ে বোল্ডার ঢিঙিয়ে দুর্গম এ-পথে যুধিষ্ঠির স্বর্গে পাড়ি দিয়েছিলেন বলে শোনা যায়। যাইহোক স্বর্গের এই সিঁড়ি ছেড়ে কেদার নাথ থেকে গিরিপথে গিরিশিরার উপরে উঠে পানপাতিয়া কল পার হয়ে বদরী যাওয়া যায়। এছাড়া বদরী যাত্ররীরা শোনপ্রয়াগ থেকে গোপেশ্বর হয়ে বদরী অথবা রুদ্রপ্রয়াগ হয়ে বদরী বা গঙ্গোত্রী যেতে পারেন।

Sonprayag:-
বাসুকি এবং মন্দাকিনীর মিলনস্থল এই শোনপ্রয়াগের হোটেল থেকে বের হয়ে। চড়াই উতরাই পথে চলে যান পাঁঁচ কিলোমিটার দুরে ত্রিযুগের নারায়ণ দেখতে। নারায়ণ কে সাক্ষী রেখে হর-পার্বতী বিবাহ করেছিলেন এখানে। সেই অগ্নিকুুণ্ড তিনযুুগ পরে এখন জ্বলছে এবং তিনযুগ ধরে নারায়ণও এখানে অবস্থান করছেন তাই নাম ত্রিযুুগের নারায়ণ। সীতাপুর থেকে পাঁচ কিলোমিটার গিয়ে ত্রিযুুগের নারায়ণ দেখেও শোনপ্রয়াগ যাওয়া যায়।

Guptkashi:-
পঞ্চপাণ্ডবদের দেখা না দিতে চেয়ে মহাদেব  এখানে লুকিয়ে তপস্যা করেছিলেন বলে নাম হয়েছে gupkashi। এক সময়ে ১৩১৯ মিটার উচু পাহাড়ে ঘেরা guptkashi থেকে পায়ে হেঁটে পুণ্যার্থীরা কেদারনাথ যেতেন। গুপ্তকাশীতে লক্ষ্মী-নারায়ণ, অর্ধনারীশ্বর, বিশ্বনাথ সহ অনেকগুলো মন্দির রয়েছে। এছাড়া মণিকর্ণিকা নামে গঙ্গা যমুনার মিলনে একটি কুণ্ড রয়েছে। এখান থেকে কেদারনাথ সহ চৌখাম্বা, মদমহেশ্বর গিরিশিখর সুুুন্দর ভাবে দেখাও যায়। বাস আসছে  গুপ্তকাশীতে ও উখীমঠে, শ্রীনগর ঋষীকেশ, বদরীও থেকে।

Madhyamaheshwar Mandir:-
চলার পথে মনোরম শোভামণ্ডিত বাহারি রডোডেনড্রণ ক্লান্তি মুছিয়ে দিয়ে স্বর্গীয় অনুভূতিতে শিহরিত করে দেহমন। সবুজের সমারোহে তিন দিকে ঘেরা রূপোলি পাহাড়, কাছেই শান্ত চৌখাম্বা শিখর, কেদারনাথ ও নীলকণ্ঠ গিরিশিখর দৃৃশ্যসুখে। ভগবান এখানে অষ্টধাতুর এবং রূপোর পাতে মোড়া ইষৎ হেলানো শিবলিঙ্গ। মুল মন্দিরটির পিছনে কষ্টিপাথরের হর-পার্বতীর যুুগোল মুর্তি এবং শুধু  পার্বতী মুর্তির আরো দুুুটি মন্দির রয়েছে।

Ukhimath:- মন্দির রয়েছে এখানে চিত্রলেখা, উষা-অনিরুদ্ধ, ভোলেশ্বর, মান্ধাতা, নবদূর্গা এবং গঙ্গার। দীপাবলী থেকে অক্ষয় তৃতীয়া পর্যন্ত এই শিবমন্দিরে কেদারনাথ ও মদমহেশ্বর থেকে দেবতারা এসে অধিষ্ঠিত হন।
গুপ্তকাশী থেকে কুণ্ড হয়ে ukhimath-এর শেয়ারে জিপ ও ট্যক্সি পাওয়া যায়। মদমহেশ্বর থেকে লেক হয়ে উতরাইয়ে নেমে ukhimath। নালা থেকে ৫ কিমি ট্রেক করে অথবা কুণ্ড হয়ে জিপে/বাসে উখীমঠ পৌঁছান যায়।

Kalimath:- উখীমঠ থেকে হাঁটাপথে বা বাসে/জিপে কালীমঠে যাওয়া যায়। আবার নালা বা জুরাণী থেকে হেঁটে মন্দাকিনী পার হয়ে kalimath এ যাওয়া যায়। মহাকালী, মহালক্ষী, মহাসরস্বতী, ভৈরবনাথ শিব সহ চারবাহু শিব এবং দ্বিবাহুর পার্বতীর যুগল মুর্তি রয়েছে এই মহাপীঠ, যোনিপীঠে।

Sight seeing Kedarnath place:- 
বূঢ়া মদমহেশ্বর, কেদারনাথ মাস্ক ডিয়ার স্যাংচুয়ারি, কেদারনাথ অভয়ারণ্য, মদমহেশ্বর তাল, তুঙ্গনাথ, চোপতা, দেওরিয়াতাল, চন্দ্রোশিলা, দোগলভিটা, রুদ্রনাথ, মণ্ডল গ্রাম, গোপেশ্বর, অনসূূয়া মন্দির, কল্পেশ্বর, চামোলী, হেলাং, উর্গম ও বিরহী।


Hotels  in Kedarnath:- 
Punjab Sindhu Awas (Main Market), Phone:- 09412915221.
Kedar River Retreat (Sitapur), Phone:- 09650413216.
BEHL Asharam ( Kedarnath), Phone:- 09650413216.
New Basera (Sitapur), Phone:- 07827720186.
Himachal House (Gouri Kundu), Phone:- 09412356025.
Hotel Ajay ( Rudra Prayag), Phone:- 01243986371.
J P J Place (Sitapur), Phone:- 09412364789.
Nautical Sadan (Sirshi), Phone:- 09639359320.
Hotel Nimantran (Phata), Phone:- 09720400800.
New Devlok (Rampur), Phone:- 01364262119.
Villa Asdhya (Khumera), Phone:- 088592 19332.
Dev Dham (Rampur) Phone:- 09759290329.
Raj Palace ( Guptakashi), Phone:- 09557041862.
Himalayan Tourist Lodge (Sitapur), Phone:- 01364 262106.
GMVN (Guptakashi), Phone:- 01364 267221.
Bharat Sebasram Sanga (Ukhimoth), Phone:- 01364264274.
GMVN (Ukhimoth), Phone:- 01364284236.
Devriya (Mastura, Chopta), Phone:- 09456772744.
GMVN (Gopeshwar), Phone:- 01372252468/09568006658
Tapaban Resort( Birohi, Kalpeshwar), Phone:- 01372-260465

These all are Cheapest Hotels of Kedarnath, contact them with phone number if you need to contact with Kedarnath hotels. 


Tour Package for Kedarnath:- 
Haridwar থেকে ৪, ৬, ১০ দিনের সেমি-ডিলাক্স বাসে, টর্মিটরি প্রথায় থাকার ব্যবস্থা নিয়ে  Package tour নিয়ে যায় Garhwal Motor Owners Union Ltd, Haridwar, Phone:- 01334-226886 থেকে। বুকিং ডিপোজিট ব্যাঙ্ক ড্রাফটে পাঠাতে হয়।
এছাড়া প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে, গাড়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগম লিমিটেডে, যোগাযোগ, 0135-2747898/2431783 অথবা 011-23350481 অথবা GMVN, Room-244, 2nd Floor, Marshall House, 33/I N S Road, Kolkata-01, Phone:- 033-22315554. এদের প্যাকেজ ৪ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত।



মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

Vellor : Vellor tour & treatment / ভেলোর ভ্রমণ ও চিকিত্সা

Vellore:-
তামিলনাড়ুর Vellore District একটি শহর ও জেলা সদরদপ্তর। এটি চেন্নাই সেট্রাল থেকে ১৩০ কিলোমিটার ও ব্যাঙ্গালোর শহর থেকে ২১১ কিলোমিটার দূরে। Vellore town এর আয়তন ৮৭.৯১৫ বর্গ কিলোমাটার। এটি রাজ্যের নবম বৃহত্তম শহর এবং fort City বা দূর্গের শহর হিসাবে পরিচিত। এছাড়া শহরটি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বিখ্যাত। Vellore Townটি ১২.৫৫ উত্তর ও ৭৯.০৮ পূর্বে অববস্থিত। সমুদ্রতল থেকে শহরটির উচ্চতা ২২০ মিটার। ভেলোর পূর্বঘাট পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন পালার নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। শহরটি রাজ্যের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ব্রিটিশ ভারতের প্রথম সিপাই বিদ্রোহের ঘটনাস্থল ছিল Vellore। ভেলোর শহরে চর্ম শিল্প ও চর্মজাত দ্রবের জন্য নানান শিল্প গড়ে উঠেছে এবং এখান থেকে চর্মজাত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। তাই এই vellore town দেশের চর্ম শিল্পেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Tourist places in vellore:-

Vellor Fort:- ১৬ শতকে সবুজ গ্রানাইট পাথরে বিজয়নগর রাজাদের তৈরি এই দূর্গটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি বিজড়িত এই vellore fort, দুটি প্রাচীর ও গভীর পরিখার দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। ১৫৬৬ সালে তৈরি Jalakandeswarar Temple  বিজয়নগরীও স্থাপত্যের একটি অনন্য নিদর্শন Vellore fort টি।
Jalakandeswarar মানে শিব। জলের মধ্যে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেই পুজো চালু হয়েছিল। সেই জন্যই শিব jalakandeswar নামে পূজিত হয় এখানে। কারুকার্যমণ্ডিত মন্দিরটির ঘাড় উঁচু করে চুড়ো দেখতে হয়। দুর্গে ঢোকার সময় ডান দিকে রয়েছে চার্চ আর সিপাহী বিদ্রোহে মৃত ব্রিটিশ সৈনদের সমাধি। ভেলোর বিদ্রোহে শহীদ টিপুর সুলতানের  দ্বিতীয় পুত্রের স্মৃতিতে তৈরি পার্ল প্যালেস, শহর থেকে ১ কিলোমিটার উত্তরে। মেইন বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে গভর্নমেন্ট মিউজিয়ায়।

Vellor C M C:-

১৯০০ সালে আমেরিকান মিশনারি Ida Schudder-এর তৈরি Vellor C M Cর চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য vellor পৃৃথিবী বিখ্যাত। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে রোগীরা আসেন Vellor C M C তে দুরারোগ্য রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে। একটি ছোট্ট ঘরের ডিসপেনসারি দিয়ে vellore c m c এর যাত্রা শুরু হলেও, বর্তমানে হাজার-হাজার ডাক্তার, নার্স, ছাত্র, বেড আর বিল্ডিং তৈরি হয়েছে আধুনিক ও উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে  vellore c m c -তে।

Temple at vellore:-

Mahalaxmi Temple:-
ভোলোরের আর একটি আকর্ষণ শ্রীপুরমের এই মহালক্ষী মন্দির। ভেলোর দুর্গের জলাকণ্টেশ্বরের মন্দির রাস্তা থেকে কিছুটা নীচের দিকে এটিই golden temple at vellore। ভেলোর থেকে অটোতে গিয়ে Mahalaxmi temple 
 ঘুরে দেখা যায়। ঘুরে দেখতে পয়সা লাগে না, আবার স্পেশ্যাল ভিজিটও করা যায় টিকিট কেটে mahalaxmi temple। ১০০ একর জায়গা জুড়ে তৈরি mahalaxmi temple-এর পুরোটা ঘুরে দেখতে ঘণ্টা দু'য়েক মত সময় লাগে।

Lord Karthikeya Hill Top Temple:-

১৪ শতকে তৈরি প্রাচীন lord karhikeya hill top temple টি ভেলোরের ১২ কিমি দুরে রত্নগিরিতে অবস্থিত। বাসে ও অটোতে যাওয়া যায় Lord karthikeya দর্শনে। তবেে বাসে গেলে প্রচুর সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হয়। সুতরাং সিঁড়ি ভাঙতে না চাইলে বাসের থেকে অটোতে যাওয়াই শ্রেয়। দর্শনের জন্য দিনে দু’বার খুলে দেওয়া হয় মন্দিরটি। এই মন্দিরটির গায়ের কারুকাজ এবং বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা দেখে মুগ্ধ হতেই হয়। তামিলদের বিশ্বাস যেখানেই পাহাড়, সেখানেই murugan বা কার্ত্তিক আর দেবসেনাপতি মানেই সুরক্ষা।

Sri Murugan Temple :-

শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে বাসে ভেন্নামালাই গিয়ে শিবের পুত্র কার্তিকের Morgan temple টি দেখে নেওয়া যায়। একটি পাথর কেটে তৈরি হওয়া Morgan temple -এ মনোবাসনা পূরণের জন্য অনেকেই ঢিল বাঁধেনও। 


Yelagiri:-

ভেলোরের কাছেই ১০০০ মিটার উচ্চতায় পূর্বঘাটে অবস্থিত, এই yelagiri town টির সুন্দর প্রাকৃতিক শোভা এবং জলবায়ু পর্যটকদের আকর্ষণ করেই। yelagiri তে ৫৭ বর্গকিলোমিটার জুড়ে কৃত্রিম লেক পুঙ্গানুরের মধ্যে ১৫ ফুট উচু ফোয়ারার রাতের আলোকসজ্জা রোমাঞ্চকর। লেকের পাড়ে মিনি চিড়িয়াখানা এবং চিলড্রেন পার্ক রয়েছে। পাহাড়ি আত্তারু নদী জলপ্রপাতের মত ঝাঁপিয়ে পড়েছে yelagiri তে ৩০ কিলোমিটার নীচে। 

Ho to go Vellore:-

চেন্নাই সেন্ট্রাল থেকে চেন্নাই-ব্যাঙ্গালোর ব্রডগেজ রেল পথে কাটপানি স্টেশন। চেন্নাই ও ব্যাঙ্গালোর থেকে যথাক্রমে ২ ঘন্টা এবং ৪ ঘন্টায় কাটপানি যাচ্ছে এক্সপ্রেস ট্রেন- গুয়াহাটি/হাওড়া-ব্যাঙ্গালোর/কোচি/তিরুভনন্তপুরম এক্সপ্রেস। এ ছাড়াও সেন্ট্রাল থেকে বিভিন্ন ট্রেন আসছে-যাচ্ছে কাটপানি হয়ে মুম্বাই/মাদুরাই/তিরুপতি/কোচি/ব্যাঙ্গালোর/কন্যাকুমারী/তিরুভনন্তপুরমে। কাটপানি থেকে অটো/বাস/ট্যাক্সি যাচ্ছে ভেলোর শহরে। চেন্নাই ব্রডওয়ে বাসস্ট্যান্ড থেকে ১০২ রুটের বাস ৩০ মিনিট অন্তর কাঞ্চি হয়ে ভেলোর যাচ্ছে। এছাড়াও ভেলোরে বাস-যাচ্ছে আসছে তাঞ্জোর, মহাবলী, ভিল্লুপুরম, উটি, পন্ডিচেরি, তিরুপতি, ত্রিচি, মাদুরাই থেকেও।

Kolkata to Vellore Train:-
ভেলোরের কাছের স্টেশনটি হলো Katpadi Station.
Katpadi স্টেশনের উদ্যেশে কলকাতা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন গুলো হলো- HWH YPR AC EXPRESS ট্রেনটি সোমবার ছাড়া প্রতিদিন, MAQ VIVEX EXPRESS ট্রেনটি বৃহস্পতিবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH MYS EXPRESS ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH YPR EXPRESS ট্রেনটি প্রতিদিন যাতায়াত করে, GURUDEV EXPRESS  ও ANGA EXPRESS ট্রেন দুটো বুধবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH PDY EXPRESS ট্রেনটি রবিবার ছাড়া প্রতিদিন যাতায়াত করে।

Hotel in vellore:- STD of Vellor- 0416

Hotels at vellore near cmc - VDM Lodge, Phone:- 22240008. Srinivasa Lodge, Phone:- 2226389. Mohan Mansion, Phone:- 2227083. Hotel Mouni Paradise, Phone:- 2228631. Hotel River View, Phone:- 2225251. Hotel Surabi International, Phone:- 2216399. Baby Residency, Phone:- 22266484. Darling Residency, Phone:- 22845062.

Vellor C M C treatment Information:-

Vellor C M C-তে চিকিৎসা করাতে চাইলে আপনি কোন ডিপার্টমেন্টে ডাক্তার দেখাবেন সেটা আগে ঠিক করে অফলাইন বা অফলাইনে এপোয়েন্টমেন্ট নেবেন, সেই ডিপার্টমেন্টের ডাক্তারদের। এই এপোয়েন্টমেন্ট আবার দুই ধরণের হয়। জুনিয়র ডাক্তারদের দেখানোর জন্য জেনারেল এপোয়েন্টমেন্ট এবং সিনিয়র ডাক্তারদের দেখানোর জন্য প্রাইভেট এপোয়েন্টমেন্ট। সাধারণত বাইরে থেকে যাঁরা যাবেন। তারা প্রাইভেট এপোয়েন্টমেন্ট নিতেই চাইবেন কিন্তু অনলাইনে এই এপোয়েন্টমেন্ট পেতে পনেরো দিন থেকে তিন মাস সময় লেগে যেতে পারে। তাই ভালো হবে ভেলোর গিয়েই অফলাইনে এপোয়েন্টমেন্ট নেওয়া। সেক্ষেত্রে আপনাকে হসপিটালে ঢুকেই " সিলভার গেট ফর নিউ এপোয়েন্টমেন্ট"- এ যোগাযোগ করতে হবে এবং এপোয়েন্টমেন্ট পেতে, সময় লাগবে দু'দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত।

তিন থেকে চারটি বিল্ডিং আছে CMC-তে এর মধ্যে OPD Building এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে সমস্ত প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা গুলো হয়। ডাক্তার বাবু টেস্ট লেখার পর। আপনি ওপিডি বিল্ডিং-এর ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে পরীক্ষার জন্য টাকা জমা দেবেন এবং যে পেমেন্ট Slip পাবেন। সেটার উপরেই লেখা থাকবে আপনার কত নম্বর রুমে পরীক্ষা করাতে বা করতে যেতে হবে। এই বিল্ডিং এর ফাস্ট ফ্লোর থেকে বিভিন্ন ফ্লোরে বিভিন্ন ডাক্তার বাবুরা বসেন। আপনার এপোয়েন্টমেন্ট Slip-এ লেখা থাকবে কোন ফ্লোরে কত নম্বর রুমে, আপনার ডাক্তার বাবু বসবেন এবং কখন আপনাকে উপস্থিত থাকতে হবে।

ISSCC  Building:- এখানেও ডাক্তার বাবুরা বসেন তবে নিউ এপোয়েন্টমেন্ট, রিপিট এপোয়েন্টমেন্ট, ক্রিস কার্ড, ফার্মাসি এবং ক্যাশ পেমেন্ট-এর কাজ হয় এখানে।
Criss Card:- ATM কাডের মত একটি কাড যেখানে ট্রিটমেন্ট সংক্রান্ত টাকা অগ্রিম জমা করে রাখা হয়। পেশেন্ট আইডি দেখিয়ে এই বিল্ডিং-এর ৪০২ নম্বর ঘর থেকে এই কাড সম্পর্কিত সমস্ত কাজ করে নেওয়া যায়। ATM দিয়েও পেমেন্ট সংক্রান্ত কাজ করা যায় কিন্তু লাইনে দাড়ানোর ঝামেলা থাকে।

PMRO Building:- ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে এই বিল্ডিং-এ যেতে হবে এবং যোগাযোগ করতে হবে।
Ward Building:- রোগী ভর্তি ও সার্জারি সংক্রান্ত কার্যক্রমে এখানে যেতে হয়।
Alpha Clinic:- সমস্ত প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা গুলো OPD বিল্ডিং-হলেও। USG সহ বেশ কিছু পরীক্ষায় OPD বিল্ডিং-এ দেরী হতে পারে। সে কারণে ডাক্তার বাবুকে বলে, লিখিয়ে নিয়ে Alpha Clinic- এ গেলে এক দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
ইমার্জেন্সি পরীক্ষার রিপোর্ট ডাক্তার বাবুর কাছে সরাসরি চলে যায়। তাই রিপোর্ট হাতে পাবেন না এবং পেতে হলে অবশ্যই আবেদন করবেন পরবর্তীতে।


শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

Kanyakumari / Kanyakumari Tourist places /কন্যাকুমারী।

Kanyakumari:-

Kanyakumari নামটি হিন্দু দেবী কুমারী আম্মানের নাম থেকে এসেছে। যেখানে আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর এসে মিলিত হয়েছে সেখানেই দেবী কন্যাকুমারীর বা স্থানীয় নাম কুমারী আম্মানের মন্দিরটি রয়েছে। অতীতে কন্যাকুমারী ছিল তামিলাকাম বা প্রাচীন তামিলনাড়ুর দক্ষিণতম সীমান্তরেখা। কন্যাকুমারী শহরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত। অন্তরীপ টি ভারতের পশ্চিম উপকূল ধরে বিস্তীর্ণ পশ্চিমঘাট পর্বতমালার Cardamom Hills-র দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত এবং এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের Kanyakumari জেলার একটি শহর।

Kanyakumari places to visit:-

Tiger Reserve:- বাঘ, সিংহ, টেইলড ম্যাকাক, বনেট ম্যাকাক, নীলগিরি লাঙুর, নীলগিরি থর, শম্বর, গউর, লেপার্ড ও বিভিন্ন প্রজাতির হরিণের বসবাস করে Tiger Reserve-টিতে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে যাওয়া যেতে পারে এই পাহাড়ি জঙ্গলে বা স্যাংচুয়ারিতে। তামিলনাড়ুর একমাত্র ব্যাঘ্রপ্রকল্প টি মুনডনথুরাই এবং কালাক্কাডূ মিলে তৈরি হয়েছে।

Triveni Sangamam:- বাঁয়ে বঙ্গোপসাগর, ডাইনে আরব সাগর আর সামনে ভারত মহাসাগরের মিলনস্থল Kanyakumari-এর Triveni Sangamam. মহীশূর থেকে এসে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা সমুদ্রে ডুবেছে Triveni Sangamam-এ। সকাল সন্ধ্যায় মন্দিরের আঙিনা থেকে জলের রঙিন বাহার এবং সাত রঙা বালির সমাহারে বিমোহত হতেই হয় Triveni-এসে। তাইতো কেপ কমোরিন বা কন্যাকুমারীর পর্যটক আকর্ষণ অদ্বিতীয় পর্যটন মানচিত্রে।

kanyakumari temple :-
শিবের সঙ্গে বিয়ের লগ্ন ভঙ্গ হওয়ার কারণে লগ্নভ্রষ্টা দেবী আজও কুমারী। গ্রানাইট পাথরের তৈরি পদ্মের উপরে দাড়িয়ে পরমাসুন্দরী Devi Kumari Kanya. তিন দিকে তিন মহাসমুদ্র আঁচল জড়িয়ে অসীমের অপেক্ষায় অপেক্ষমান। দিনের শুরুতে পরা কুমারী কন্যার সাজ ছেড়ে, আজও গোধূলিতে দেবী সাজে নববধূর সাজে। তবুও শঙ্কর আসে না যে আর আসে না, মন লাগে না কাজে। মন্দিরের চারটি স্তম্ভ কে ধাক্কা দিলে, সঙ্গীতের সপ্তস্বর ধ্বনিত হয়, মৃদঙ্গ, বেণু ও বীণা সহ। পূর্ণিমা তিথিতে একই সঙ্গে সূর্যাস্ত ও চন্দ্রোদয় দেখা যায় কন্যাকুমারীর আকাশে। Kanyakumari Temple-এ দেবীর নাকের পরশুরামের কাটা হীরের নথটি গভীর সমুদ্র থেকে দেখা যায়। ডান হাতে জপের মালা, বাম হাতটি উরুর উপরে রাখা।
দেবীর ৪-৩০ মিনিটে "বিশ্বরূপ", ৫-০০টায় "অভিষেক", ৬-১৫ মিনিটে "দীপ আরতি", ১০-টায় "অভিষেক", ১১-৩০ "দীপ আরতি", সন্ধ্যা  ৪-৩০ মিনিটে "অলঙ্করণ", ৬-৩০মিনিটে "সান্ধ্য দীপ আরতি", ৮-৩০ মিনিটে "অর্ধযাম পূজা" এবং ৮-৪৫ মিনিটে "দীপ আরতি পূজা" হয়। 

Vivekananda Rock Memorial:- এক সময়ের পিটরু এবং মঠরু শিলাখণ্ডের বর্তমান নাম Vivekananda Rock. ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে বিবেকানন্দ জ্ঞান আহরণে বের হয়ে ধ্যানে বসেন এই শিলাখন্ডে। সেই থেকে শিলাখন্ডের নাম পরিবর্তন হয়ে Vivekananda Rock হয়েছে। ১৯৬৪ সালে বিবেকানন্দের জন্মশতবার্ষিকীতে চোল, পাণ্ড্য, পহ্লব এবং আর্য স্থাপত্য শৈলীর সংমিশ্রণে মন্দির তৈরি করে ৮ ফুট উচু স্বামীজির ব্রোঞ্জ মুর্তি রাখা হয়েছে। নিচে আছে কাঁচের পাত্রে দেবী কন্যাকুমারীর পায়ের ছাপ এবং মেডিটেশন হল। এক সময়ে এই শিলাখন্ডে পরশুরামের তৈরি  শ্রীপাদ মণ্ডপম নামে দেবীর মন্দির ছিল। সময়ের ও সমুদ্রের গ্রাসে সেই মন্দির হারিয়ে যাওয়া পর মূল ভূখণ্ডে মন্দির তৈরি হয় কুমারী দেবীর। 

Sree Thanumalayan Temple:-  সপ্তম শতাব্দী থেকে অষ্টম শতাব্দীতে দ্রাবিড়ীয় শৈলীতে তৈরি এই Thanumalayan Mandir-টি। মন্দিরে নবব শতাব্দীর শিব লিঙ্গ সহ বিষ্ণু রয়েছেন। এক সময়ে নাম ছিলো এর জ্ঞানারণ্য, Thanumalayan Temple-দেবরাজ ইন্দ্র অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্য শিবের তপস্যা করে এবং শিব কতৃক শুচিশুদ্ধ হন। একটি পাথর কেটে দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত মন্দিরটিতে সাতটি মিউজিক্যাল পিলারে আঘাতে সরগম অনুরণিত হয়। নবগ্রহ মুর্তি সহ দেবতারা রয়েছেন গণেশ, কার্তিক সহ অন্যান্যরা। এর চুড়ার একদিকে রামায়ণ এবং অন্যদিকে মহাভারতের কাহিনী খোদাই করা রয়েছে এছাড়াও একটি সুন্দর ১০৩৫ পিলারের নৃত্যশিল্পীদের জন্য ঘর রয়েছে। ঋষি অত্রির স্ত্রী অনসূয়ার সতীত্ব পরীক্ষা করতে আসেন Stanumalayan-এ ত্রিদেব ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। প্রতিদিন ভোর ৪ টা থেকে ১১-৪৫ পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৫টা থেকে ৮টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকে। কন্যাকুমারী থেকে বাস ও ট্রেনে সহ প্রাইভেটে জিপ ও ট্যাক্সি ভাড়া করে ঘুরে নেওয়া যায় Temple-টি।

Nagraj Temple:- নাগরাজা মন্দিরটির জন্য Nagercoil সুবিখ্যাত।
Nagraj Mandir-এ রয়েছে পাঁচমুখের কেউটের প্রহরায় রুপোর সিংহাসনে Nagraj-সহ শিব এবং বিষ্ণু। চীনা প্যাগোডা শৈলীতে প্রবেশ পথ এবং জৈন তীর্থংকর পার্শ্বনাথ স্বামী ও মহাবীর আঁকা রয়েছে Nagraj Temple-এর স্তম্ভে।

tourism places in kanyakumari:-

লাইট হাউস, সীতারাম দাস ওঙ্কারনাথ আশ্রম, ১৬ শতকের রোমান ক্যাথলিক চার্চ, চক্রতীর্থে কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির, পাতাল গঙ্গা, গন্ধমাদনের ছিটকে পড়া টুকরো, ১৮ শতকের ভাট্টাকোট্টাই, ভাট্টা, থিরুপারাপ্পুতে জলপ্রপাত এবং শিব মন্দির, উদয়গিরি দুর্গ এবং পদ্মনাভপুরম।

How to go Kanyakumari:-

হাওড়া থেকে সোমবার বিকাল ৪-১০ মিনিটে কন্যাকুমারী-এগমোর-হাওড়া এক্সপ্রেস। চেন্নাই-এগমোর-কন্যাকুমারী এক্সপ্রেস, রবিবার, নাগেরকয়েল যাচ্ছে, মঙ্গলবার যাচ্ছে তিরুভনন্তপুরম। চেন্নাই সেন্ট্রাল ছেড়ে চেন্নাই-তিরুভনন্তপুরম মেলে তিরুভনন্তপুরম সেন্ট্রাল গিয়ে ট্রেনে, বাসে ট্যাক্সিতে করে কন্যাকুমারী। হাওড়া থেকে কন্যাকুমারী ট্রেন লিস্ট এবং টাইমটেবল লিঙ্ক

Hotels in kanyakumari:-
There are some kanyakumari hotels contact number. If you need further information you may contact by the kanyakumari hotels Phone numbers.

Hote Tamildu-Kanyakumari, Phone:- 246257.
Kerala House, Phone:- 246229.
Hotel Sen Rock, Phone:- 246167.
Hotel Shivas Residency,  Phone:- 246150/246929.
Hotel Sea View, Phone:- 247841.
Hotel Jas, Phone:- 246446.
Hotel Samudra, Phone:- 246162-63/65.
Hotel Melodi park, Phone:- 247667.
Hotel New Cape, Phone:- 247561
Hotel Maadhini, Phone:- 246787.
Hotel Sea Face, Phone:- 246353.
 Gopi Niwas Lodge, Phone:- 246355/246262
Bhagavati Lodge, Phone:- 246298.


শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

Chennai:- Places in Chennai to visit/ চেন্নাই ট্যুর

Chennai :-
Chennai আমরা সাধারণ গিয়ে থাকি চিকিত্সা সংক্রান্ত কাজে এবং এই বিষয়ে আমাদের উদ্দেশ্য থাকে Chennai Apollo Hospital এবং চেন্নাই হয়ে Vellore C M C যাওয়া এবং Chennai Town ঘুরে দেখা । সুতরাং আমদের প্রথম জিজ্ঞাসা থাকে-

Hospital of chennai:-
Some chennai hospital 
১) গ্লোবাল হাসপাতাল চেন্নাই,
439, চেরন নগর, Perumbakkam.
২) ফোর্টিস মালার হাসপাতাল, গান্ধী নগর, আদায়ের।
৩)  ডাঃ রিলা ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল সেন্টার, নং 7, সিএলসি ওয়ার্কস রোড, ক্রোমপেট।
৪) ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (ডাব্লুআইএ) আদায়ের, নং 38, সরদার প্যাটেল রোড।
৫) বিজয়া হাসপাতাল, নং 434, এনএসকে সালাই, ওডাপালানি।
৬) আগারওয়ালের আই হাসপাতাল, নং 222, টিটিকে রোড, রাজ পার্ক হোটেল কাছাকাছি।
৭) বিলারথ হাসপাতাল, 43, লক্ষ্মী টকাইজ Rd, শেনইয়ান নগর।
৮) শংকর নেত্রালয়, নং 41 পুরানো 18, কলেজ রোড।
 ৯) শ্রী রামচন্দ্র মেডিকেল সেন্টার, রামচন্দ্র নগর, পৌর চেন্নাই।
১০) এমজিএম হেলথ কেয়ার, নেলসন ম্যানিকাম রোড, আমিনজিকারাই।
১১) ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, ভেলোর তামিলনাড়ু।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট যেদিনই থাকুক না কেন, চেন্নাই পৌঁছানোর পরদিন সকালেই হাজির হবেন Apollo তে। শুরুতেই নাম রেজিসেট্রশন এবং রেজিসেট্রশন হলেই চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয় তাড়াতাড়ি Chennai Apollo Hospital এর। Apollo Hospital এর অনেক চিকিৎসকের ঘরে বাঙালি একজন সহকর্মী থাকেন। সুতরাং ইংরেজিতে দক্ষতা না থাকলেও ওই সহকর্মীর কাছে রোগের বিস্তারিত জানান। পুরনো রিপোর্টগুলো দেখান। কিছু কিছু চিকিৎসককে ইংরেজিতেও বোঝানোর চেষ্টা করবেন। বাংলা ভাষা জানা কেউ না থাকলে ট্রান্সলেটর লাগবে জানালে চিকিৎসকই ব্যবস্থা করে দেবেন। প্যাথলজিক্যাল কোনও টেস্টের প্রয়োজন হলে টেস্ট করাতে দেবেন। টেস্টগুলোর রিপোর্ট  দ্রুতই Apollo আপনাকে দিয়ে দেবে কোনও রিপোর্ট যদি দেরি হয় ও ততদিনে আপনার বাড়ি ফেরার সময় হয়ে যায়, বিষয়টি জানিয়ে দিলে  ইমেইলে রিপোর্ট পাঠিয়ে দেবে Apollo Hospital. সেই রিপোর্ট ও প্রেসক্রিপশন চিকিৎসককে ই-মেইল করলে তিনি একসপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেবেন।
একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, Chennai Apollo খুব দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া শুরু করে। এজন্যই Chennai Apollo Hospital কে বলা হয় খরুচে হাসপাতাল।

Chennai Town কে তিনভাগে ভাগ করে নিতে হবে ঘুরতে যেতে চাইলে Chennai। দক্ষিণে একসময়ের পর্তুগিজ উপনিবেশের সাক্ষী মৈলাপুর, উত্তরে কায়ুম নদীর সীমানা ঘেরা ব্রিটিশ বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক এলাকা জর্জ টাউন এবং এর ডাইনে ব্যাস্ত শহর প্যারিস কর্নার এছাড়া আডিয়ার এবং কায়ুম নদীর মধ্যবর্তী এলাকায় Chennai Central। সুবিধা নিতে পারেন চেন্নাই ঘুরে দেখার জন্য TTDC- এর প্যাকেজ ট্যুরের, যোগাযোগ Tamilnadu Tourist Information Centre & TTDC, Central Railway Station, Phone:- 044-25353352. তামিলনাড়ু এবং সারা দক্ষিণ ভারত ঘোরার সুন্দর ব্যবস্থা করে তামিলনাড়ু ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট বা TTDC-র, এক দিন থেকে আট দিনের প্যাকেজে এই ট্যুর গুলো আয়োজিত হয়। কলকাতা থেকে যোগাযোগ করুণ কলকাতার অফিসে TTDC, G-26, Dakshinapan Shopping Complex, 2 Gariahat Road, Kolkata-700068, Phone:- 033-24237432. এছাড়া TTDC থেকে কম খরচে গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে নিতে পারেন চেন্নাই ও তামিলনাড়ুর দিগ্বিদিক।

How to go Chennai:-

By Train- কোলকাতার হাওড়া থেকে প্রতিদিন করমণ্ডল এক্সপ্রেস ছেড়ে পড়দিন চেন্নাই সেন্ট্রাল পোঁছায়। এছাড়া যাচ্ছে হাওড়া থেকে চেন্নাই মেল, শালিমার-তিরুভনন্তপুরম এক্সপ্রেস, গুয়াহাটি-ব্যাঙ্গালোর এক্সপ্রেস, হাওড়া-ত্রিচি এক্সপ্রেস, হাওড়া-কন্যাকুমারী এক্সপ্রেস সহ দুর্গাপুর এবং এনজিপি থেকে ট্রেন যাচ্ছে চেন্নাই। এছাড়া দেশের প্রায় সব জংশন রেল স্টেশন থেকে চেন্নাই যাওয়া যায় ট্রেনে।
By Air- কলকাতা থেকে Air Deccan, Air India সহ বিভিন্ন বিমান যোগাযোগ রয়েছে চেন্নাই-এর সঙ্গে।
Buss:- পন্ডিচেরি, ব্যাঙ্গালোর, ভেলোর, তিরুভনন্তপুরম হায়দ্রাবাদ, তিরুপতি ছাড়াও দক্ষিণ ভারতের দিকে দিকে বাস যাচ্ছে আসছে চেন্নাই-এর দুটি বাসস্ট্যান্ডে Brodway ও Thiruvalluvar-এ।

Visiting places of chennai:-

Fort Sent George:-  ১৯৪০ থেকে ১৯৫৩ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে প্রথম দূর্গ তৈরি করেন মৎসজীবীদের গ্রাম Chennapatnam-এ। কিং জর্জ পঞ্চমের ভারতে আগমন কে স্মরণীয় করে তুলতে চেন্নাপতনমের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় GeorgeTown। দূর্গের প্রবেশ পথ তিনটি হাইরোড- ম্যারিনা, মাউন্ট রোড এবং পুনামেল নিয়ে তৈরি। রয়েছে ফোর্ট মিউজিয়াম Fort Sent George এ। Fort Museum দর্শকদের ৩০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের স্মৃতি উসকে দেয়। Museumটিতে ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ব্যবহার করা শিরস্ত্রাণ, তরবারি, আগ্নেয়াস্ত্র সহ কোম্পানি মুদ্রা, ক্লাইভের চিঠিপত্র, পাণ্ডুলিপি সহ ঐতিহাসিক দলিল রাখা আছে। দ্বিতীয় তলায় আর্ট গ্যালারি। বর্তমানে কাঠের কারুকার্যমণ্ডিত সেন্ট জর্জ দূর্গে সচিবালয়ের অফিস এবং বিধানসভার অধিবেশন বসে। Museum টির ডান দিকে ইংল্যান্ডের বাইরে তৈরি প্রাচ্যের ১ম  প্রোটেস্টান্ট চার্চটি এলিহু ইয়েলের টাকায় ১৬৭৮-৮০ খ্রিস্টাব্দে এডওয়ার্ড ফাউলের নকশায় তৈরি। চার্চের দেওয়াল ১.৩ মিটার পুরু এবং কামানের গোলা প্রতিরোধী ছাঁদে ঢাকা। Museum টি সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

Armenian Church, Chennai:- আর্মেনিয়ান স্ট্রিটে দূর্গের উত্তর দিকে আর্মেনিয়ানদের বসবাস। এখানে রয়েছে Armenian Church, Armenian Colony এবং Armenian Cemetery, ছাড়াও রোমান ক্যাথলিক ক্যাথড্রাল। অনেকেই মনে করেন আর্মেনিয়ান চার্চের উত্তরে এই ক্যাথলিক ক্যাথেড্রালটিই চেন্নাইয়ের প্রথম চার্চ।

Paris Corner:- George Town এর বর্তমান নাম হয়েছে Paris Corner। মিন্টো পার্ক জুড়ে বানিজ্য নগরীর রূপ নিয়েছে। টাকশাল এবং সরকারি ছাপাখানা হয়েছে, রয়েছে চার্চ, হিন্দু মন্দির, মসজিদ, জৈন মন্দির সহ ব্যাঙ্ক, বাসস্ট্যান্ড, বাণিজ্যিক অফিস আদালতে, দোকান পাট Paris Corner-এ।

High Court,  Chennai:- ইন্দো-সেরাসেনিক শৈলীতে তৈরি পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম বিচারালয় Chennai High Court। ১৮৯২ সালে জে এইচ স্টিফেন ও হেনরি আরউইনের পরিকল্পনায় তৈরি হয়েছিল High Court টি। কাঁtচের দারুণ কারুকার্যে অভিনবত্ব পাওয়া যায় high court এর শৈলীতে। সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিট থেকে ১টা ৪৫ এবং বিকাল ২টো ৩০ মি থেকে ৪টে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রবিবার ছাড়া যে কোনো দিন রেজিস্টারের অনুমতি নিয়ে দেখে নেওয়া যায় Chennai High Court. 

Light House:- ৪৯ মিটার উচু হাইকোর্টের উত্তর দিকের এই Light Houseটির উপর থেকে, পুরানো শহর সহ ৩০ কিমি পর্যন্ত জল দুরত্ব দেখতে পাওয়া যায়। হাইকোর্টের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে এসপ্ল্যানেড লাইট হাউস ছাড়াও আরো একটি অত্যাধুনিক লাইট হাউস রয়েছে আকাশবাণীর উল্টো দিকে ম্যারিনায়।

Marina Sea Beach, Chennai:-  জর্জ টাউনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১৩ কিমি বিস্তৃত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম Sea Beach ম্যারিনার আকর্ষণ চেন্নাই ভ্রমনার্থীদের কাছে অদ্বিতীয়। ১৮৮১-৮৬ সালে প্রমোদ ভ্রমণের কেন্দ্র হিসেবে Marina কে সাজিয়ে তোলেন সেই সময়ের গভর্নর। 

Vivekananda Museum:- ম্যারিনার অ্যাকোরিয়ামের পাশে Ice Houseটিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সময়ে আমেরিকা থেকে বরফ এনে রাখা হতো। পরবর্তীতে স্বামী Vivekananda বেশ কিছুদিন ছিলেন এই আইস হাউসে। ফটোশপের মাধ্যমে বিবেকানন্দের জীবনী তুলে ধরে আইস হাউসটিকে মিউজিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়েছে, যার নাম Vivekananda Museum.

Chepauk Palace, Chennai:- অসংখ্য খিলান আর সরু সরু মিনার নিয়ে ১৭৬৮-তে ম্যুরিশ শৈলীতে তৈরি কর্ণাটকের নবাবের Chepauk Palace। সেই সময়ে কর্ণাটকের রাজদরবার Chepauk Palace এ বসলেও বর্তমান পূর্ত দপ্তরের অফিস তৈরি হয়েছে Historic Chepauk Palace টিতে। Palace টির পিছনে রয়েছে Chepauj Stadium এবং ডাইনে ইন্দো-সেরাসেনিক শৈলীতে তৈরি presidency College.।কাছেই কামরাজ সলাই বা Beach Road এ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে Victoria War Memorial তৈরি হয়েছে।

Sri Parthasarathyswamy Temple:- পহ্লবদের রাজত্বকালে তৈরি কৃষ্ণ মন্দিরটির স্থাপত্যবিদ্যা অনবদ্য। Parthasarathyswamy Mondir টি ১৬ শতকে বিজয়নগরের রাজাদের দ্বারা সংস্কার করা হয়েছিল। বিষ্ণুর পাঁচ অবতার সহ বিষ্ণুর স্ত্রী ভেদাবল্লী আম্মান এবং বন্ধুবান্ধবে ঘেরা শ্রীকৃষ্ণের অবস্থান মন্দিরে। সকাল ৬টা থেকে ১২টা এবং ৪টে থেকে রাত্রি ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে Parthasarathyswamy Temple টি।

Kapaleeshwarar Temple:- দ্রাবিড়ীয় শৈলীতে মৈলাপুরে চেন্নাই-এর বৃহত্তম এই শিব মন্দিরটি পহ্লবদের সময়ে তৈরি। স্টুকো শৈলীতে বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী আঁকা চেন্ননাই-এর এই Kapaleeshwarar Mondir এ। যার মধ্যে অন্যতম, পুরাণ অনুযায়ী দূর্গার ময়ূরের রূপ ধরে শিবের তপস্যা করার কাহিনী। প্রথম kapaleeshwarar Mondir টি পর্ততুগিজদের দ্বারা ধ্বংস হওয়ার পর বর্তমান মন্দিরটি ১৬ শতকে বিজয়নগরের রাজার দ্বারা তৈরি হয়েছিল। পাশেই তামিল কবি তিরুভাল্লুভারের স্মৃতি মন্দির। স্মৃতি মন্দিরের নিচে এশিয়ার বৃহত্তম অডিটোরিয়াম। প্রথম শতকের এই তামিল কবির ১৩৩০টি পবিত্র শ্লোক আঁকা রয়েছে গ্রানাইট পাথরে।

Thomas Mount National Shrine:- বিমান বন্দরের রাস্তায় ৯১.৫ মিটার উচু Thomas Mount সমাধিস্থ হয়েছিলেন। সেই জায়গায় ১৩৪ ধাপ সিঁড়ির উপরে "আওয়ার লেডি অব এক্সপেক্টেশান চার্চ" তৈরি করেন পর্তুগিজরা। ১০ শতকে পারস্য থেকে এসে এক ধার্মিক খ্রিষ্টান গির্জা তৈরি করেন সেন্ট টমাসের সমাধিতে। বর্তমান  Thomas Mount Church ১৮০ ফুট উঁচু শঙ্কু আকারের চূড়ায় নিওগথিক শৈলীতে ১৮৯৩-এ তৈরি। মার্কো পোলোর ভারতভ্রমণে Sent Thomas Cemetery র এবং আর্মেনিয়ান কাহিনী পাওয়া যায়।

Little Mount,  Chennai:- চক্রান্তকারীদের চক্রান্তের ফাঁদ থেকে লুকিয়ে সেন্ট টমাসের আশ্রয় নেওয়া গুহা Little Mount। অ্যাডিয়ার নদীর দক্ষিণ তীরে সইদাপেট পুলের সামনে অবস্থিত। আওয়ার লেডি অব হেল্থ চার্চ এবং যিশুর কুমারী মা মেরির ছবি রয়েছে Little Mount এ, রয়েছে লিটল মাউন্টের আশেপাশে সুড়ঙ্গে সেন্ট টমাসের আট বছর  Little Mount থাকার স্মৃতিচিহ্ন তার পায়ের ছাপ। পাহাড়ের পিছনে রয়েছে পবিত্র ঝর্ণা।

Art Gallery, Chennai:- মোগলি, রাজপুত এবং দক্ষিণি ছবির সাথে সাথে মর্ডান আর্টের সম্ভারে সাজানো Art Gallery. বেলে পাথরে মোগলি ধাঁচে তৈরি আর্ট গ্যালারিটি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হিসেবেই গড়ে তোলা হয়েছিল। আর্ট গ্যালারির মিউজিয়ামটি ভারতের ব্রোঞ্জ শিল্পের সম্ভারে সাজানো। বিভিন্ন বৌদ্ধ কাহিনী আঁকা রয়েছে  Art Gallery Museum টির চুনাপাথরের দেওয়াল জুড়ে। ইথনলজিক্যাল গ্যালারিতে উপজাতীয় জীবনযাপনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। ব্রোঞ্জের নটরাজ মুর্তি এবং অর্ধনারীশ্বরের মুর্তি এক অনবদ্য উপস্থাপন Chennai Art Gallery। ব্রোঞ্জের নটরাজ মুর্তি কিনতে চাইলে কেনা যেতে পারে Art Gallery থেকে। বিজয়নগর, পহ্লব, হোয়সল, পাণ্ড্য, চোলদের সময়ের স্থাপত্য এবং ভাস্কর্যের সংগ্রহে ভরপুর মিউজিয়ামটিতে তেমনি রয়েছে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রও। মিউজিয়ামে থিয়েটার এবং ক্যান্টিন রয়েছে।

Guindy National Park:- স্পটেড ডিয়ার, সিভিট ক্যাট, ব্ল্যাক বাক, চিতা, বেজি, শিয়ালের ৫৯৫ একর জমি জুড়ে বসবাস Guindy National Park এর। কালো হরিণ এবং রাজভবন সংলগ্ন Deer Park-এ বিভিন্ন প্রজাতির হরিণের ঘুরে ফিরে বেড়ানো এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ Guindy National Park ।

Chennai Snake Park:- গবেষণা চলছে Snake Park-এর ২০০ প্রজাতির সাপের বিষ নিয়ে স্নেক পার্কটিতে। রয়েছে কুমির, অ্যালিগেটর, টিকটিকি, গিরগিটি ও কচ্ছপও Sanke Park টিতে। আন্না স্কোয়ার এবং প্যারিস কর্নার থেকে বাসে ঘুরে নেওয়া যায় Snake Park টি।

Theosophical Society, Chennai:- ২৭০ একর লবনাম্বু জঙ্গলে অ্যাডিয়ার নদীর দক্ষিণ তীরে তৈরি হয়েছে এই Society। বিভিন্ন মূল্যবান ১৮০০০ বইয়ের সংগ্রহ, মেডিটেশন হল, গার্ডেন অব রিমেমব্রান্স, অলকট মেমোরিয়াল স্কুল, মিউজিয়াম, অতিথিশালাও রয়েছে Theosophical Society তে। ৪০০০০ বর্গফুটের বিশ্বের ২য় বৃহত্তম প্রাচীন বটবৃক্ষটিও রয়েছে theosophical Society তে। শীতে পরিযায়ী পাখিরা যেমন আসে তেমনি অলিভ রিডলে কচ্ছপেরা ডিম পাড়ে অ্যাডিয়ারের নদীর মোহনায়।

Kalakshetra Foundation:- এটি একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। Kalakshetra তে কুরাতি যাযাবরদের কুরুভাঞ্চি লোকনৃত্য থেকে সৃষ্টি হওয়া ব্যালেধর্মী ভারত নাট্যম সহ বিভিন্ন ধ্রুপদী নৃত্যকলা শিক্ষা দেওয়া হয়। অ্যাডিয়ার থেকে ২০ কিমি দুরের চোলামণ্ডল শিল্পীগ্রাম। স্থাপত্য, বাটিকা, টেরাকোটা, গ্রাফিক্স শিল্পীদের হাতের কাজ দেখা ও কেনার ব্যবস্থা সহ মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ্য Kalakshetra Fountain এ এসে।

Anna Zoological Park, Chennai:- প্রাগ ঐতিহাসিক জীব-জন্তুর স্টাফড, সিংহ ও বাইসন সাফারি, নিশাচর জীবজন্তুর ঘর, অ্যাকোরিয়াম, প্রাকৃতিক মিউজিয়ামের জন্য Anna Zoological Park টি বিখ্যাত। রোপওয়ে, ব্যাটারি গাড়ি, মনোরেল এবং সাইকেল চলছে। সকাল নটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকে Zoological Parkটি।

Sightseeing of Chennai-
স্মরণ মন্দির, গান্ধী মণ্ডপ, রাজাজি হল, রাজভবন, পেরাম্বুর ইনটিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি, রেড হিলস লেক, সিট্টারঙ্গম, স্যানথোম ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, ওল্লাজাহ মসজিদ, আন্নাস্কোয়ার, সানডে মার্কেট সহ বিভিন্ন কিছু চেন্নাই-এ।

Hotels in chennai:-
There ar some Information about Chennai hotels and chennai hotels contact number. Contact chennai hotels by these Phone number for further enquiries of chennai hotels.


Hotel Himalaya, Phone:- 28547568/7522.
Hotel Adithya, Phone:- 25615958/68.
Hotel Tamilnadu, Phone:- 25389132/33.
Hotel City Tower, Phone:- 25332011.
Hotel Saptagiri, Phone:- 25352306.
Hotel Raj Bhavan, Phone:- 25357034.
Hotel Impala Continental, Phone:- 28191423.
Hotel New Victoria, Phone:- 28193638.
Hotel Madras Asoka, Phone:- 28553377.
Hotel Atlantic, Phone:- 28553914.
Hotel Ambassador Pallava, Phone:- 28554476.
Hotel New Woodlands, Phone:- 28113111.
Hotel Cristal Residency, Phone:- 28291305.
Hotel Palmgrove, Phone:- 28271881.
Hotel Savera, Phone:- 281147700.
Hotel Brindavan, Phone:- 28253434.


বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

Mahabalipuram:- মহাবলীপুরম ভ্রমণ / Mahabalipuram tourist places

 Mahabalipuram :- 
মহাবলী অসুরের নাম থেকে জায়গাটির নাম হয়েছিল Mahabalipuram বলে অনেকরই ধারণা।  মহামল্ল ছিলেন প্রথম পল্লব রাজ নরসিং বর্মণ তাই মহামল্ল থেকে Mahabalipuram হয়েছে বলে দ্বিতীয় আর একটি ধারণা  প্রচলিত রয়েছে। দ্রাবিড় মন্দির শিল্পের সূচনা এই মহাবলীপুরম থেকে। দক্ষিণের মন্দির স্থাপত্যে দেবদেবীর প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও Mahabalipuram Temple এ এর বৈচিত্র ঘটেছে। মহাবলীপুরমে সেই সময়কার সমাজ জীবনই তুলে ধরা হয়েছে এর মন্দির শৈলীতে। প্রথম এবং দ্বিতীয় নরসিংহ বর্মণের সময়ে পাথর কেটে তৈরি হয় ১০টি গুহামন্দির এবং একটি করে শিলা খোদাই করে ৯টি মনোলিথিক রথ।
Mahabalipuram দেখার মানে সনাতন স্থাপত্য শিল্পের  প্রথম দিকের একটা পরিণত স্থাপত্য বিদ্যা কে অনুধাবন করা।
মহাবলীপুরমের গুরুত্ব হল- একই জায়গায় তিন ধরণের মন্দির দেখতে পাওয়া।
cave architecture বা  গুহাশিল্প।
rock cut architecture বা পাথর খোদাই শিল্প।
structural or free standing বা কাঠামো ভিত্তিক শিল্প। গুহাশিল্প প্রথমদিকে বৌদ্ধরাই বেশী তৈরি  করতেন। পঞ্চম শতক থেকে দেখা গেল হিন্দু গুহামন্দির- বিদিশার উদয়গিরি, ষষ্ঠ শতকে বাদামি-রাবণফাড়ি। কাঠামোভিত্তিক ফ্রী স্ট্যান্ডিং হিন্দুমন্দিরও ষষ্ঠ শতক থেকে দেখতে পাওয়া যায়। তার আগের গুলোর আর অবশিষ্ট নেই।
পহ্লবরাজাদের ইতিহাস যেমন কিংবদন্তিতে মোড়া তেমনি বহু দিন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার পর ১৮ শতকের শেষে বালি খুঁড়ে নতুন করে আবিষ্কার হয় বহুদিন লোক চক্ষুর আড়ালে থাকা Mahabalipuram.

How to go Mahabalipuram :- 

বিমানে বা রেলে চেন্নাই বা পণ্ডিচেরি গিয়ে সেখান থেকে গাড়ী নিয়ে এক দিনেই ঘুরে আসা  যায়। চেন্নাই থেকে ওলা বা ট্যাক্সি নিয়েও যাওয়া যায়। ৫৫ কিমি রাস্তা। ৯০০-১২০০ টাকা ভাড়া। প্যারিস কর্ণার থেকে ১৮৮/এ-বি-ডি-কে বাস যাচ্ছে। যাচ্ছে ১৯এ, ১৯সি, ১১৯ রুটের বাস কোভেলঙ হয়ে। মহাবলি থেকে পন্ডিচেরি বাস যাচ্ছে।
এখানে একরাত থেকে ঘুরে নিতে চাইলে মন্দ হয় না। চেন্নাই বা পণ্ডিচেরি থেকে যাবার রাস্তাটার নাম ইস্টকোস্ট রোড- সমুদ্র, ব্যাকওয়াটার আর সবুজের বাহার নিয়ে সুন্দর পথ।

places to visit mahabalipuram:-

Pancha Rathas Temple, Mahabalipuram:- Pancha Rathas এর আর এক নাাম পঞ্চপাণ্ডব। পঞ্চপাণ্ডব নাম হলেও রথ রয়েছে মোট ৯ টি। বৌদ্ধবিহারের মত করে Pancha Rathas তৈরি ৬৩০ থেকে ৭০৯ খ্রিস্টাব্দে। দেখে মনে হবে কাঠামোভিত্তিক মন্দির যদিও এগুলো রক-কাট আর্কিটেকচার বা পাথর খোদাই করে তৈরি। এই মন্দির গুলির কোনো অভ্যন্তর নেই, অর্থাৎ ভেতরটা নিরেট পাথর। দেয়ালের ভাস্কর্য গুলোই এদের মূল সৌন্দর্য। হয়তো বিশুদ্ধ শিল্পকর্ম হিসাবেই এগুলি তৈরী, অথবা আইহোলের মত ওয়ার্কশপ হিসাবে। তবে কোনো কোনো মন্দিরের গায়ে বারান্দা আছে, কিন্তু বারান্দার ভেতরে কোনো ঘর নেই। উপর থেকে নীচ পর্যন্ত ভাস্কর্য খোদিত হয়েছে Pancha Rathas temple গুলোর। প্রথম রথটির নাম দ্রৌপদী বাংলার চালা ঘরের আদলে তৈরি এবং ভিতরের দ্রোপদীর বা ভিন্ন মতে দূর্গা মুর্তি রয়েছে। একই ভিতে বৌদ্ধ বিহারের মত অর্জুন রথ। দ্রোপদীর সামনে বিশালাকার সিংহ মুর্তি এবং এই দুটো রথের পিছনের দেওয়ালে ইন্দ্রের মূর্তি। দক্ষিণে পিরামিডের মত কারুকার্যমণ্ডিত ভীমরথটির উচ্চতা ২৬ ফুট। ৪৮×২৫ ফুট আয়তনের ধর্মরাজ রথটি অর্জুন রথের অনুরূপ তৈরি। প্যানেলে খোদিত হয়েছে শিব-পার্বতী, শিব ও বিষ্ণুর সমম্বয়ে হরিহর মূর্তি। অর্জুন রথের কাছে বৌদ্ধ চৈত্যের শৈলিতে তৈরি নকুল এবং সহদেব দ্বিতীয় সারিতে। দেখব Pancha Rathas Mondir-এর একটির দেয়ালে অর্ধনারীশ্বরকে। তিনি বাম অংশে নারী আর ডান অংশে পুরুষ। তাই দুদিকের বেশভূষাও দুরকম। বাঁ পায়ে অলংকার, ডান পা খালি; বাঁ দিকে উন্নত স্তন, ডান দিকের বুক পুরুষের; বাম কোমর ও হাতে তরঙ্গায়িত ভাব, যেটা ডানদিকে নেই; বাঁ হাতে অনেক চুড়ি, ডান হাতে মোটে দুখানা বালা; দুই কানে দুই ধাঁচের দুল।

Arjunas Penance, Mahabalipuram:- 
অর্জুনের তপস্যার দেয়ালচিত্রটির দুটি নাম- অর্জুনের তপস্যা বা ভগীরথের তপস্যা। ৬৩০ থেকে ৬৭০-এর মধ্যে একটিই পাথর খোদাই করে তিমি মাছের মত করে তৈরি Arjunas Penance। অর্জুনের তপস্যার কারণ হিসেবে দুটো জনশ্রুতি হলো গঙ্গাতীরে শিব কে সন্তুষ্ট করে পাশুপত অস্ত্র লাভের তপস্যায় অর্জুন ও আত্মীয় নিধনের প্রায়শ্চিত্ত করতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে শিবের তপস্যায় অর্জুন। অনেকটা দ্ব্যর্থক কবিতার মতো শিল্পীর কল্পনা কে কুর্নিশ জানাতেই হয় Aejunas Penance এর শিল্পকর্মে। এছাড়া খোদিত হয়েছে বাঁদরের দুষ্টুমি, পঞ্চতন্ত্রের গল্প, শিবের জটা থেকে গঙ্গার মর্তে আগমন, কিরাত-অর্জুনের যুদ্ধ, ভগীরথের গঙ্গা আনায়নের নিখুঁত কারুকার্য।

 Cave Temple, Mahabalipuram:- পাহাড় কেটে মহাবলীপুরমে ১০টি সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত Cave Temple তৈরি হয়েেছে। কৃষ্ণ মণ্ডপটি এদের মধ্যে সব থেকে বড় এবং সৌন্দর্যমণ্ডিত। দুগ্ধদোহনরত শ্রী কৃষ্ণ, রাখাল বালক কৃষ্ণ, গোপ-গোপিনী সহ ইন্দ্রের রোষানল থেকে গোপীনিদের রক্ষা করতে গোবর্ধন পাহাড় তুলে ধরার দৃশ্য খোদিত হয়েছে Cave Temple এ, এছাড়া খোদিত হয়েছে কৃষ্ণের জীবন কাহিনীও Guha Mandir এ।
মহিষাসুরমর্দিনী মণ্ডপে আছেন অনন্তসয্যায় বিষ্ণু এবং অবশ্যই মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গা। মহিষাসুরমর্দনের দৃশ্যটির মধ্যে একটা অদ্ভুত নাটকীয়তা ও গতিময়তা দেখা যায়। এই ধরনের ন্যারেশন য়ুরোপের রেনেসাঁ-পূর্ববর্তী যুগের শিল্পে বিরল। ছবির কেন্দ্রে ঝুলন্ত উল্টোনো মানুষ এবং আরও অন্যান্য উদ্বেগের আবহ রয়েছে এই চিত্রসুলভ ভাস্কর্যটিতে। এত নাটকীয়তা এর আগে বৌদ্ধ সাঁচী-ভরহুতের তোরণ বা প্রাচীরে দেখা গেছে- তবে এটি আরও উৎকৃষ্ট। কাঞ্চীর মত পিলারকে অবলম্বন দিয়ে বসে থাকা সিংহ পাবেন Guha Mandir এ।

Varaha Cave Temple:-
Varaha Guha Mandir এ আছেন বরাহ অবতারে বিষ্ণু, দরজায় আছে দ্বার  রক্ষক। এক পা নাগ আর অন্যটি গজলক্ষ্মীর উপরে রেখে সাগর থেকে জলমগ্ন পৃথিবীকে তিনি তুলে আনছেন। সাধারণত পৃথিবী বা ভূদেবী তাঁর নাকে বা দাঁতের উপরে থাকেন। আছেন গজলক্ষ্মী, দূর অতীতে তাঁকে প্রধানত বৌদ্ধশিল্পে দেখা যেত যেটা Varaha Cave temple দেখা গেছে। সাঁচী-ভরহুতে আরও সাত-আটশো বছর আগে তিনি ছিলেন এমন ভাবেই পদ্মফুলের উপর, হাতির শুঁড় দ্বারা অভিষিক্তা। দু-দিকের দুটো হাতিকে সাধারণতঃ প্রতিসম ভাবে দেখা যায় কিন্তু এখানে অপ্রতিসম আছে। যেটা আলাদা একটা আঙ্গিক দিয়েছে Varaho Cave এ।

Shore Temple, Mahabalipuram-
 সমুদ্র সৈকতে দ্রাবিড়ীয় শৈলিতে পাহাড় কেটে পিরামিডের মত করে তৈরি Shore Temple টি। Shore Temple ফ্রী-স্ট্যান্ডিং কাঠামোভিত্তিক মন্দির। ভিতরে ঢোকা যায় না, তবে বাইরের সৌন্দর্য অসাধারণ। সারিবদ্ধভাবে বসে থাকা বৃষের মূর্তি গুলো অসাধারণ দেখতে লাগে Shore Temple এ। কুড়ি ফুট জলের গভীরে মন্দিরের ভিতপত্তন করে পাঁচতলা ধর্মরাজ রথের মতো পহ্লব রাজাদের শেষ সৃষ্টি এই এই Shore Mandir। নীল সমুদ্রের ঢেউ বারে বারে আছড়ে পড়ছে Shore Mandir এর দেওয়ালে। জলোচ্ছ্বাস আটকাতে প্রাচীর তৈরি হয়েছে গ্রানাইট পাথরের। লয়ের দেবতা শিব লিঙ্গ স্ত্রী-পুত্র সহ এবং স্থীতির দেবতা সর্পশয্যায় নিদ্রামগ্ন শ্রী বিষ্ণু রয়েছেন Shore Temple-এ। পাহাড় খোদাই করে সারিবদ্ধ ষাঁড় এবং পশুরাজ সিংহ সহ পৌরাণিক দেব-দেবিরা অনুপম ভাস্কর্যে মন্দির শোভা অবর্ণনীয়।  

places to visit in Mahabalipuram :-

১) পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্র(কল্পাক্কাম সমুদ্র তীরে)
২) গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড স্কালাপচার মিউজিয়াম(বাসস্ট্যান্ডের উল্টো দিকে)
৩) প্রত্নতত্ত্ব মিউজিয়াম(ওয়েস্ট রাজা স্ট্রিট)
৪) টাইগার কেভ( কোভেলঙ রোডে সমুদ্র সৈকত)
৫) ক্রোকোডাইল ব্যাঙ্ক(চেন্নাই-মহাবলীপুরম রোডে)
৬) বোটিং কমপ্লেক্স(মুথুকাডু)
৭) দক্ষিণা চিত্র
৮) ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির(তিরুভানমেয়ূর)
৯) ইলিয়ট বীচ
১০) এন্নোর বীচ
১১) পুণ্ডী রাজার্ভার
১২) পুলিক্যাট।

hotels in Mahabalipuram:-
There are some Mahabalipuram hotels Information if you need mahabalipuram hotels contact them by the Phone numbers of mahabalipuram hotels.

Hotel Sea Breeze, Phone:- 603104-27443065.
Hotel Binodhara, Phone:- 603104-27442694.
Lodge Iswariya, Phone:- 603104-27442084.
Mamalla Heritag, Phone:- 603104-27442260.
Ramkrisna Lodge, Phone:- 603104-27442331.

mahabalipuram resorts:-
Ideal Beach Resort, Phone:- 603104-27442240.
Mamalla Beach Resort, Phone:- 603104-27442643.
Surya Resort, Phone:- 603104-27442292.
Tamilnadu-Mamallapuram Beach Resort, Phone:- 603104-27442361.





বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০

Konarak :- Konarak tour / কোণারক সূর্য মন্দির ভ্রমণ

Konarak :- 
পুরাণ অনুসারে শ্রীকৃষ্ণের অভিশাপে শাম্ব কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হবার পর চন্দ্রভাগা নদীর কূলে মৈত্রেয়ারণ্যে এসে সূর্যের উপাসনা শুরু করেণ আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে। ১২ বছর ধরে উপাসনা করার পরে সূর্যের আশীর্বাদে শাম্ব রোগভোগ থেকে মুক্তি পেয়ে Konarak Mandir তৈরি করে সূর্যদেবের মুর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। Konarak Temple টি ঘোড়ায় টানা রথের মত করে তৈরি। ঘোড়ার সংখ্যা সাত এবং দুই পাশ মিলে চব্বিশটি চাকা রয়েছে, প্রতিটি চাকায় আটটি করে স্পোক। সাতটি ঘোড়ার অর্থ এক সপ্তাহে সাত দিন এবং প্রতিমাসে শুক্লাপক্ষ এবং কৃষ্ণপক্ষ ধরে ১২ মাসে ২৪ টি পক্ষের প্রতিক হিসেবে ২৪টি চাকা এবং আটটি করে স্পোকের অর্থ দিনে অষ্টপ্রহর হয়। যেমন অনন্য Konarak Temple এর কারুকার্য তেমনি উন্নত চিন্তাভাবনার প্রতিফল ঘটেছে নকশায়। পূর্বদূয়ারি Sun Temple টির প্রধান ফটকে দুটি সিংহের মুর্তি শক্তির প্রতিক, ধনের প্রতিক হাতি দলনে ব্যাস্ত। চূড়ার আগে তিন ধাপ বারান্দায় সারি দিয়ে রাখা ক্লোরাইট পাথরের তিনটি সূর্যমূর্তি। আজও সকাল, দুপুর এবং সূর্যাস্তের সময়ে সূর্যরশ্মি এসে পড়ে দেবতার মুখমণ্ডলে। পিরামিডের মত ছাঁদের সমতল অংশের নিচে লোহার কড়ি, ২০ ফুট লম্বা এবং চওড়ায় ৮ থেকে ১১ ইঞ্চি, ওজন ৭১×৪০ কেজি। Konarak Sun Temple টির প্রধান প্রবেশ পথে ২০×৪ ফুটের সূর্য, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, রাহু ও কেতু আঁকা ছিল প্রায় ২০ টনের নবগ্রহ পাথরে। ধ্বসে পড়ার পর রাখা হয়েছে মিউজিয়াম চত্বরের উত্তর-পূর্ব দিকে। সূর্যালোকের বিচ্ছুরণে মন্দিরটির দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে মনে হয় যেনো চাকা গুলো ঘুরে চলেছে। Sun Temple এর দেওয়ালে কারুকার্যমণ্ডিত বিভিন্ন দেবদেবীর পৌরাণিক মুর্তি, মিথুন মুর্তি, চার মাথা ছয় বাহুর শিব, নাচ-গান-ঢোল-করতাল-বীণা বাদ্যরতা মোহময়ীদের অনন্য মূর্তি আঁকা রয়েছে। রয়েছে মন্দির জুড়ে ব্যাস রিলিফে রাজার মৃগ শিকার, খেদা প্রথায় হাতি ধরা, রাজার যুদ্ধ যাত্রা সহ রাজ দরবারের বিভিন্ন কাহিনীচিত্র। ১৩ শতকে আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতিক জিরাফের ছবি সহ সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে প্রথম চাতালে নারীমূর্তি গুলো অপরূপ মাধুর্যের Sun Temple এর.

আইন-ই-আকবরীর রচয়িতা আবুল ফজলের মতে ৯ শতকের শেষের দিকে কেশরী বংশের রাজা ১২ বছরের রাজস্ব খরচ করেছিলেন একটি Surya Mandir তৈরি করতে। ১২ বছর সময় নিয়ে ১২০০০ শ্রমিকের কঠোর পরিশ্রমে ১২০০ স্থপতির নিখুঁত স্থাপত্য অবিস্মরণীয় করে রেখেছে Sun temple kanarak কে। ইতিহাস অনুযায়ী প্রথম বাংলা জয় কে স্মরণীয় করে রাখতে গঙ্গা বংশের প্রতাপশালী রাজা নরসিংহ দেব ১২৪৩ থেকে ১২৫৫ পর্যন্ত সময়ে Sun Temple টি তৈরি করেন। প্যাগোডার মত কালো রঙের মন্দিরটি নাবিকদের কাছে ব্লাক প্যাগোডা বলে পরিচিত ছিল সেই সময়ে। মন্দিরটির সামনে দিয়ে বয়ে যেতো বঙ্গোপসাগর এবং কাছেই ছিল চন্দ্রভাগা নদী। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে উৎসব হয়। Konarak Sun Temple এর তিন কিমি দুরে চন্দ্রভাগা ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমে মাঘী শুক্লাসপ্তমীতে সাগর স্নানে আসেন পুণ্যার্থীরাও। সেই সময়ে সূর্যের প্রথম রশ্মি কোনাকুনি ভাবে পড়তো মন্দিরের সূর্য মূর্তির মুখে। বহুদিন অনাদরে ও অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছিল Sun Temple টি অবশেষে ১৯০৪ এ লর্ড কার্জনের পৃষ্ঠপোষকতায় ৩০০ বছরের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন ভাবে আবিষ্কৃত হয় konarak Surya Mandir.

সূর্যমন্দির ঘিরে রহস্য ও লোকশ্রুতি:-

মন্দিরটিতে নাকি কুম্ভপাথর নামে এক ভিষণ শক্তিশালী চুম্বকিয় পাথর ছিল। সমুদ্র দিয়ে যাওয়া-আসার সময়ে জাহাজ গুলো এর আকর্ষণে গতি হারিয়ে ফেলতো এবং জাহাজের মেশিনপত্র বিকল হয়ে যেতো। যে কারণে একদল নাবিক পাথর রূপি চুম্বকটি মন্দির থেকে অপসারণ করে বিপর্যস্ত হওয়ার পর।

মন্দিরটির কাছেই কোণারকের বিভিন্ন ভাস্কর্য এবং পুরাতাত্ত্বিক সামগ্রী নিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক মিউজিয়াম তৈরি হয়েছে। মন্দিরটির পিছনে স্থায়ী মঞ্চে খোলা আকাশের নিচে উড়িষ্যার কৃষ্টিতে ওডিশি নৃত্যের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১ থেকে ৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত Konarak Dance Festival এ সারা ভারত থেকে শিল্পীর অংশগ্রহণ করে থাকে। 

How to go Konarak Sun temple :-
পুরী থেকে বাস যাচ্ছে এক ঘন্টায় মেরিন ড্রাইভ ধরে। বাস যাচ্ছে ভুবনেশ্বর থেকেও ঘন্টা দেড়েকে। এছাড়া প্রতি মহুর্তে ম্যাটাডর ট্রেকার ও অটো যাচ্ছে পুরী বাসস্ট্যান্ড থেকে Konarak.

Hotels in Konarak :-
There are some Information about konarak hotels if you need, contact them by Phone number.

Yatrinivas, Phone:- 06758-236820
Royal Lodge, Phone:- 06758-236818
OTDC, Phone:- 033-22654556

Distance form Konarak :-
ভুবনেশ্বর থেকে ৬৪ কিমি।
পুরী থেকে ৩৬ কিমি।
পিপলি থেকে ৪৪ কিমি।

মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০

Ranchi : রাঁচি ভ্রমণ / Ranchi Tour Guide

জঙ্গল আর আদিবাসী অধ্যুষিত প্রাকৃতিক শোভায় ভরপুর Ranchi Town। পশ্চিমে Ranchi Hills আর উত্তরে মোরাবাদী বা Tegor Hill. এরই মাঝে ১৮৪২এ ওয়েলেসলির তৈরি Ranchi Lake কে কেন্দ্র করে Ranchi Town.।লেকের চারিপাশ পাহাড়ে ঘেরা রক গার্ডেন।

Weather in Ranchi:- 
জলবায়ু স্বাস্থ্যকর রাঁচি পাহাড়ের গ্রীষ্মে ২০.৬ ডিগ্রি থেকে ৩৭.২ ডিগ্রি এবং শীতে ৲০.৩ ডিগ্রি থেকে ২২.৯ ডিগ্রি পারদ ওঠানাম করে। রাঁচি বেড়ানোর উপযুক্ত সময় অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত।

Tourist places in Ranchi:- 

Ranchi mental hospital :- 
Ranchi বিখ্যাত এই উদ্মাদ আশ্রমের জন্য। যেটি শহর থেকে ৮ কিমি দুরে কাঁকেতে অবস্থিত। এটি মানসিক রোগীদের জন্য একটি হাসপাতাল। যেটি দেখতে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। আশ্রম দর্শনে গিয়ে অযথা পরিবেশ কে ভারাক্রান্ত না করাটাই পর্যটকদের মানবিক দায়িত্ব। শহরের দিকে ফিরতেই ডাইনে জাহাজবাড়ি এবং সংলগ্ন প্লেনবাড়িকিছুটা এগিয়ে পাহাড়ের দিকে কাঁকে ড্যাম বা বাঁধ। রাঁচির নতুন আকর্ষণ কাঁকে বাঁধের রক গার্ডেন। কৃত্রিম জলপ্রপাত ছাড়াও পর্যটকদের বিনোদনের বিভিন্ন সুব্যবস্থা রয়েছে। শহরের চার কিমি উত্তরে মোরাবাদী পাহাড় যেটি টেগোর হিল নামেও পরিচিত। এর মাথায় রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি-বিজড়িত ভবন যেখানে বাসও করতেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। সুন্দর বাড়িটিতে বর্তমান গান্ধী শান্তি কমিটির দপ্তর তৈরি হয়েছে। আছে পাহাড়তলিতে শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, ট্রাইবাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা মিউজিয়াম এই রাস্তায়। রয়েছে গভর্নর হাউস সংলগ্ন পর্যটক বিনোদনের পসরা নিয়ে তৈরি নক্ষত্রভবনরাঁচি লেকের কাঁধে ভর করে শহরের মুল কেন্দ্রে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রাঁচি হিলস। শিবমন্দির হয়েছে এছাড়া দেবতারা রয়েছেন অনেকেই পাহাড় চুড়োয়। শহর কে সুন্দর লাগে মন্দির থেকে। রাঁচির উপকণ্ঠে ছয় কিমি দুরে রয়েছে নামকুণ্ড। এলোমেলো পাহাড়ে গাছগাছালি ছাওয়া ক্যান্টনমেন্ট এলাকা। দশম যাত্রীরা চলার পথেই দেখে নিতে পারেন-দেশি-বিদেশি রঙিন মাছের মছলি ঘর, মোরাবাদী রোডে মিউজিয়াম, ডিয়ারপার্ক, চিড়িয়াখানা, ট্রাইবাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ঘুরে নিতে পারেন অটো এবং বাসেও। আগ্রহীরা ১৩ কিমি দুরের রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালিত টি বি স্যানাটোরিয়াম, ১২ কিমি দুরে হাতিয়া বাঁধ, ১১ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, ৬ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে পুরীর আদলে তৈরি জগন্নাথ মন্দির ও পঞ্চমুখী হনুমান মন্দির, সংলগ্ন গণেশ মন্দির। শহর থেকে ১৬ কিমি দুরে পাটনা রোডে জিওলজিক্যাল ও বটানিক্যাল গার্ডেনের মেলবন্ধনে তৈরি বিরসা মুণ্ডা জৈবিক উদ্যাটিও দেখে নেওয়া যেতে পারে। রাঁচি ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ সান টেম্পলটি রাঁচি থেকে ৩৯ কিমি দুরে টাটা রোডে অবস্থিত। ১৮ চাকার রথরূপী মন্দির টানতে ৭ তেজস্বী ঘোড়া প্রস্তুত। শহরের ঘিঞ্জিভাব, অপরিষ্কার পরিবেশে কষ্ট দেবে পর্যটকদের। রাঁচিও যেনো আজ শিল্পনগরী রূপেই সমাদৃত।
শহর থেকে নামকুণ্ড হয়ে রাঁচি-টাটা সড়কে ২৬ কিমি গিয়ে ডানদিকের রাস্তায় আরোও ৯ কিমি গিয়ে দশম ঘাঘ বা জলপ্রপাত। কাঞ্চি নদী নামছে ১৪৪ ফুট উচু থেকে এবং গিয়ে মিলছে সুবর্ণরেখায়। দশটি ধারায় পাহাড় থেকে নামছে নামটিও তাই দশম। হুড্রুর জলধারা কমে যাওয়ায় দশমই আজ পর্যটক বিনোদনে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে।

শহরের উত্তর-পূর্বে হুড্রুর দুরত্ব ৪৩ কিমি। জলবিদ্যুত্ তৈরি কারণে বাঁধ তৈরি হওয়ার জন্য জলের ধারা কমলেও আজও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। ৩২০ ফুট উচ্চতা থেকে জলধারা পড়ছে সুবর্ণরেখার। অন্য ঝর্ণা গুলোর থেকে অনেকটা নিচে নামতে হলেও, অন্যগুলোরই মতো ধাপে ধাপে সুন্দর সোপান শ্রেণী নেমে গেছে ঝর্ণা তলায়। চড়ুইভাতির এই সুন্দর পরিবেশে বাস যাচ্ছে শহর থেকে হড্রু ফলসে।
এই রাস্তায় আকারে ছোট হলেও সীতা ফলস অনন্য। গভীর জঙ্গলের শোভা মোহময় করে তোলে পরিবেশ। আছে পাথলে সীতা দেবীর পায়ের ছাপ ছোট্ট এক মন্দিরে। হুড্রু থেকে ৩৩ আর শহর থেকে ৩৮ কিমি দুরে নিস্তব্ধ-নির্জনে এক সময়ের জোনা ফলস আজ হয়েছে গৌতমধারা জলপ্রপাতRanchi-Purulia Road-এ জোনা হয়ে পথ চলে গিয়েছে।
১৪০ ফুট উচু থেকে ১০ টি ধারায় কাঞ্চি নদী নেমে গিয়ে মিশেছে সুবর্ণরেখায়।  রঙেরও বদল ঘটে বারেবারেই। ২৮০ ধাপ সিঁড়ি ভেঙে, সেই জল ডিঙিয়ে পথ গিয়েছে আদিবাসী গ্রামে। মন্দির হয়েছে গৌতম বুদ্ধের মুর্তি সহ। ট্রেন ও বাস যাচ্ছে শহর থেকে গৌতম ধারায়।

How to go Ranchi:- 

ট্রেনে:- হাওড়া থেকে হাওড়া-রাঁচি-হাতিয়া এক্সপ্রেস রাঁচি পোঁছায় দ্বিতীয় দিন সকালে। হাওড়া থেকে দূর্গাপুর-আসানসোল-ধানবাদ-বোকারো স্টিল সিটি গিয়ে রাঁচি যাচ্ছে হাওড়া-রাঁচি শতাব্দী এক্সপ্রেস।

বিমানে:- প্রতিদিন মুম্বাই ছেড়ে দিল্লি হয়ে Ranchi পোঁছায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স।
বাস:- দুর্গাপুর থেকে বাঁকুড়া/পুরুলিয়া হয়ে সরকারী/বেসরকারি বাস যাচ্ছে ঘন্টা পাঁচেকে নেতার হাট থেকে Ranchi. কলকাতার বাবুঘাট থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিভিন্ন প্রাইভেট ডিলাক্স/ভিডিও/শীততাপনিয়ন্ত্রিত কোচ যাচ্ছে Ranchi. রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস সল্টলেকের আন্তর্জাতিক বাস টার্মিনাল থেকে Ranchi যাচ্ছে।

Hotels in Ranchi:-
There are Some Ranchi hotels and Ranchi Hotels contact numbers.

Hotel Yubaraj Palace, Phone:- 0651-2480326/27. Hotel Ranchi Ashok, Phone:- 0651-2480759/65. Hotel Arya, Phone:- 0651-2561971-73. Capital Residancy, Phone:- 0651-6607777. Hotel Landmark, Phone:- 0651-2560051/55. Hotel Embassy, Phone:- 0651-2460813/449. Hotel Satkar, Phone:- 0651-2460844. Hotel Konark, Phone:- 0651-2461240. Hotel Amrit, Phone:- 0651-2462067/68. Capital Hill, Phone:- 0651-2331330/31. Hotel Baseera, Phone:- 0651-2331633/717. Hotel Akashdweep, Phone:- 0651-2209551. Hotel Crown Plaza, Phone:- 0651-3295124. Contact by phon number and get information about ranchi hotels criteria.

Package tour for Ranchi:-

Hotel Birsa Vihar, 5 Main Rd, Ranchi-834001, Phone:- 0651-2330538/2331828/2331646 থেকে রাঁচি ও আশপাশ সহ ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন দিকে প্যাকেজ ট্যুরে যাচ্ছে পর্যটন দপ্তর। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৪-০০ টে পর্যন্ত, টেগোর হিল, জোনা, সীতা ফলস যাচ্ছে। ৯টা থেকে ৪-টে রাঁচি হিল, কাঁকে বাঁধ, রক গার্ডেন, টেগোর হিল, নক্ষত্র ভবন, সিধু কানু পার্ক, ট্রাইবাল রিসার্চ সেন্টার যাচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে ৪টে পর্যন্ত রাজরাপ্পা, বিরসা জৈবিক উদ্যান, ওয়ার সিমেট্রি যাচ্ছে। সারা দিনের ট্যুরে জগন্নাথ মন্দির, ডিয়ারপার্ক, পঞ্চ ঘাঘ ও হিরণী ফলস যাচ্ছে। ২ দিন ১ রাতের ট্যুরে জামসেদপুর, ঘাটশিলা যাচ্ছে। একই সময়ে রাঁচি, হাজারীবাগ, ইটখোরি, উরওয়ান, পরেশনাথ, রাজরাপ্পা, তেনুঘাট, যাচ্ছে। একই সময় সূচিতে রাচি, রাজরাপ্পা, তেনুঘাট, পরেশনাথ, তোপচাঁচি, ধানবাদ, জোনা, হড্রু ফলস যাচ্ছে। ৩ দিন ২ রাতের ট্যুরে রাঁচি-বেতলা-নেতারহাট যাচ্ছে।
৫ দিন ৪ রাতের ট্যুরে রাঁচি-বেতলা-নেতারহাট যাচ্ছে। একই সময় সূচিতে পিলগ্রিম স্পেশাল ট্যুরে রাঁচি-হাজারীবাগ-ইটখোরি-তিলাইয়া-পরেশনাথ-ধানবাদ-তারাপীঠ-ম্যাসাঞ্জোর, বাসুকীনাথ, দেওঘর, গিরিডি-তেনুঘাট-রাজরাপ্পা, যাচ্ছে। ভ্রমণের ধরণের উপরে মিনারেল ওয়াটার/চা/ব্রেক ফাস্ট/লাঞ্চ/ডিনার/রাত্রিবাসের ব্যবস্থা থাকে। প্যাকেজ অনুযায়ী মাথা পিছু খরচ হয় ২০০ টাকা থেকে ৩১০০টাকা রাঁচি থেকে।

একক ভ্রমণ করতে চাইলে টাকা ও সময় দুটোই বাঁচে। বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া ৪ ঘন্টার জন্য  অথবা ৩৫ কিমির জন্য ৪০০ থেকে ৬০০টাকা। সারাদিন ৮ ঘন্টার বা ৬০ কিমির জন্য ৭০০ থেকে ৯০০টাকা(AC)। সম্পূর্ণ দিন ১২ঘন্টা ৭৫ কিমি (AC) ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। পর্যটন দপ্তর থেকে গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায় এবং ১০০টাকা নাইট হল্টের সুবিধা সহ কিমি প্রতি ৮ থেকে ১০ টাকাতেও গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়।

বুকিং ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য Usha Kiran Building, 8th floor, Flat No 8A, 12A, Camac Street, Kolkata-17, Phone:- 033-22820601. এ যোগাযোগ করা যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

Krishna nagar tourist places : কৃষ্ণনগর ভ্রমণ

Krisnanagar :- 
সঠিক হবে ট্যুরিস্ট লজে দুই রাত থেকে প্রথমদিনে Krisnanagar Town, Sibniwas ও Bethuadahari ঘুরে দ্বিতীয় দিনে Mayapur ও Nabadwip এবং তৃতীয় দিনে Santipur ও Fulia ঘুরে Ranaghat বা Santipur বা Krisnanagar থেকে ঘরে ফেরা।

তখন সবে দ্বীপ জেগেছে গঙ্গায় এবং বসতি তৈরি শুরু হয়েছে। একজন সন্যাসী প্রতিদিন ন দীয়া মানে নয়টি প্রদীপ জ্বেলে তন্ত্র সাধনা করতেন। আর এই ন দীয়াই সময়ের ব্যাবধানে নদীয়া হয়ে, জেলাসদর Krisnanagar হয়েছে। যদিও এক সময় নাম ছিল রেউই। এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা ভবানন্দ মজুমদারের রাজধানী তখন মাটিয়ারি। ভবানন্দের পৌত্র রাঘবের সময় রাজধানীর স্থানান্তর ঘটলেও কৃষ্ণনগর নামকরণ রাঘবের পুত্র মহারাজ রুদ্রের। তখন বসবাস ছিল শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত গোপ সম্প্রদায়ের রেউই-এ। মহারাজা Krisnachandra এর সময়ে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে যায় Nadia রাজ্য। সিরাজের বিরুদ্ধে পলাশির যুদ্ধে ক্লাইভের পক্ষ নিয়ে রাজরাজেন্দ্র বাহাদুর উপাধি পান কৃষ্ণচন্দ্র। উপহার পাওয়া পলাশীর যুদ্ধে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি কামানও দেখা যায় রাজবাড়ির উঠানে। 
কৃষ্ণনগরের প্রধান আকর্ষণ তার মাটির পুতুল। বিশ্বজুড়ে সুখ্যাতি আছে এর। জলঙ্গি নদীর তীরে ঘূর্ণিতে মৃৎশিল্পের কর্মশালা। বিখ্যাত শিল্পীরা ভিষন নৈপুণ্যতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এখানে -বিক্রির ব্যবস্থাও আছে এখানে। মানুষের অববয় তৈরি তে গোটা পৃথিবীতে এদের সুখ্যাতি আছে। এছাড়াও Krisnagar Rajbariও একটি অন্যতম দর্শনীয়। Rajbari র বীরত্বের কাহিনি আজও আকর্ষণীয়। রাজপরিবারে বীরত্বই শুধু নয়, জ্ঞান ও গুণের কদরও ছিল সেই সময়ের রাজ-দরবারে।  krisnanagar এর Rajbari চত্বরের Durga Mandir টিও অনন্য সুন্দর। Krisnachandra Roy এর শেষ কাজ সুন্দর শোভিত নাটমন্দিরটি আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত। চারমিনার বিশিষ্ট কারুকাজ মন্ডিত মুসলিম স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি Krisnanagar এর Rajbari এর প্রবেশ তোরণ সেও আজ ধ্বংসের পথে। প্রতিবছর এপ্রিলে Baro Dol অর্থাত্ শ্রীকৃষ্ণের দ্বাদশ বিগ্রহ দোলায় বসে। Baro Dol Mela Ground টিও Krisnanagar Rajbari তে। Krisnanagar এর Jagadhatri Puja এর সুনাম আছে। দীপাবলির রাতে কালীপুজোর প্রচলন করেন কৃষ্ণচন্দ্র। মৃত্যুর আগে দান অর্থাত্ উইলপত্রের প্রথম প্রথা চালু করেন কৃষ্ণচন্দ্রই। কৃষ্ণনগরের আর এক আকর্ষণ স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে অনবদ্য Krisnanagar এর Roman Catholic church. ২৭ টি তৈলচিত্রে যীশুর কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে Krisnanagar এর Roman Catholic Church এ। ইতালিয়ান শিল্পীদের তৈরি কাঠের মুর্তিগুলিও সুন্দর। এছাড়া মারিয়া স্মৃতি ১৯৮৮র ১৫ই আগস্ট চার্চ অঙ্গনে। আছে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক ভিটা "Ranikuthi", ১৮৪৬ শে তৈরি হওয়া Krisnanagar এর Krisnanagar College Bhawan , ১৮৫৬র পাবলিক লাইব্রেরি, রামতনু লাহিড়ীর বাড়িতে Krisnanagar Academy, প্রোটেস্টান্ট চার্চ কৃষ্ণনগরে। Krisnanagar Rail Station এর উল্টো দিকে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বসতবাড়ি আজ ধ্বংস প্রাপ্ত। আছে জাতীয় সড়কের ধারে আধুনিক ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে স্থাপত্য ও ভাস্কর্য বাগান। কিছুটা দুরে আশানগরে নীল বিদ্রোহ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের সোপান। নীলকর সাহেবদের নীলকুঠিতে জেলা জজের বাংলো হয়েছে। ৬ কিমি দুরে প্রাচীন নৃসিংহদেবের মন্দির। নদীয়ার আর এক চমক ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট Radcliffe-এর রায়ের ভূল ব্যাখার ফলে ৩ দিনের জন্য পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল  কৃষ্ণনগর সহ আজকের Nadia District। ভ্রমনার্থীদের রসনা তৃপ্তির জন্য কৃষ্ণনগরের সরভাজা ও সরপুরিয়ার খ্যাতি আছে। তেমনি কৃষ্ণনগরের আর এক আকর্ষণ গেদে-মাজদিয়া-ভাজনঘাটের বাসে ২৪ কিমি দুরের শিবনিবাস দেখা। শিয়ালদহ-গেদে শাখার ট্রেনও যাচ্ছে মাজদিয়া হয়ে। রেল স্টেশন থেকে ১৮ মিনিটের রাস্তা শিবনিবাস। বর্গীদের আক্রমণ থেকে রাজ্য রক্ষার্থে ১৭৫৪ সালে চূর্ণীর পাড়ে রাজধানী তৈরি করেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়। বড়ো ছেলে শিবচন্দ্রের নাম থেকে Siv Niwas হয়েছে। Siv Niwas নগরীর নিরাপত্তা বাড়াতে কঙ্কনাকারে প্রচীর তৈরি করেছে চূর্ণী। সময়ের ব্যাবধানে রাজধানী বিধ্বস্ত হলেও রাজরাজেশ্বর শিবমন্দির ১৭৫৪, বাগীশ্বর শিবমন্দির ১৭৬২, রাম-সীতা মন্দির ১৭৬২ তে পুজা হয় আজও। সংস্কারও হয় মন্দির তিনটি ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে বিড়লা জনকল্যাণ ট্রাস্টের অর্থানুকূল্যে। এছাড়া আছে সাধক জাফর খাঁর দরগা তথা সমাধিভূমি। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সিন্নি চড়ায়, বাতি জ্বালায় আজও সাধকের উদ্দেশ্যে।

How to go Krisnanagar :-

শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকাল ও লালগোলাও যাচ্ছে কৃষ্ণনগর হয়ে। বাস যাচ্ছে কলকাতা থেকে কৃষ্ণনগর CSTC, SBSTC ও NBSTC-র কৃষ্ণনগর, বহরমপুর ছাড়াও উত্তর বঙ্গের বিভিন্ন দিকের জাতীয় সড়ক ধরে কৃষ্ণনগর হয়ে। আর অনবরত বাস যাচ্ছে শান্তিপুর-ফুলিয়া হয়ে রাণাঘাট, বেথুয়াডহরি/বহরমপুর/ধুবুলিয়া হয়ে মায়াপুর, নবদ্বীপ ছাড়াও বর্ধমান, বীরভূম, পুরুলিয়া মুর্শিদাবাদ-এর বিভিন্ন দিকে কৃষ্ণনগর থেকে। রেল স্টেশন থেকে ৩ কিমি দুরে বাসস্ট্যান্ড। সিটিবাস ও রিকশা চলছে। শীত ও গ্রীষ্ম দুটোই প্রকট কৃষ্ণনগরের আবহাওয়ায়।

Hotels in Krishnanagar:-
There are some Krisnanagar hotels Information you may contact Krisnanagar hotels with these Phone number for further enquiries.

Krishnanagar Municipal Tourist Lodge, Dr Sachin Sen Road, Krishnanagar-741101, Phone:- 03472-223512. বাসশ্রী হোটেল, Phone:- 03472-252408. পূর্বাশা লজ, Phone:- 03472-252730. গোল্ডেন লজ, Phone:- 03472-252139. প্লাজা হোটেল, Phone:- 03472-263022. জেলা পরিষদ বাংলো, Phone:- 03472-252901. সার্কিট হাউস, Phone:- 03472-252410.


বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

Puri Tourist Spots /Puri tour guide / পুরী ভ্রমণ

তীর্থযাত্রী ও ভ্রমণাথীর্দের অপার আকর্ষণ puri কে ঘিরে। ভারতের চারধাম বন্দ্রীনাথ, দ্বারকা, রামেশ্বরম এবং পুরীর মধ্যে বঙ্গোপসাগরের তীরে puri র আকর্ষণ অদ্বিতীয়। পুরাণে পাওয়া যায় Sree Jagannath বদ্রীতে স্নান করে, দ্বারকায় পোষাক পরিচ্ছদ পরে, পুরীতে খাওয়া-দাওয়া সেরে রামেশ্বরমে বিশ্রাম নিতেন। এখানে যেমন রয়েছে তীর্থযাত্রীদের জন্য জগন্নাথদেবের বিখ্যাত মন্দির তেমনি রয়েছে পর্যটকদের জন্য ৭ কিমি দীর্ঘ সুবিশাল সুন্দর puri beach. ১৯৩৬ সালে কটকে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে পুরীই ছিল ওড়িশার রাজধানী। puri-র বিভিন্ন নাম নীলাচল, নীলগিরি, নীলাদ্রি, পুরুষোত্তমক্ষেত্র, শঙ্খক্ষেত্র, শ্রীক্ষেত্র ও জগন্নাথক্ষেত্র।

Tourist places in Puri:-

Puri Beach:- ভারতীয় সামুদ্রিক শহর গুলোর মধ্যে পুরী একটি। যেমন উত্তাল তেমনই দূর্দমনীয় Puri Seabeach. বারেবারে ভয়ঙ্কর গর্জে উঠে আছড়ে পড়ছে অর্ধচন্দ্রাকার বঙ্গোপসাগর। নীল জল আর ছোট্ট ছোট্ট ঢেউ এসে ছুয়ে যাচ্ছে বালুকাবেলা এবং সাদা ফেনা রেখে মহুর্তে বিলীন হচ্ছে সমুদ্রে। অগভীর এই সমুদ্রে, সমুদ্র স্নান শুরু হয়ে যায় সকাল থেকেই ভ্রমণাথীর্দের সাগরে গর্জনের সাথে পাল্লাদেয় জনকোলাহল। সাঁতার না জানা থাকলে Nulia বা তিন কোনা টুপি বা রবারের টিউব নিয়ে নেওয়াই ভালো। ভয়াবহতার শিকার হবার সম্ভাবনা থাকে অসতর্ক ও বেপরোয়াদের। পুরীর সমুদ্র স্নান স্বর্গদ্বার দিয়েই শুরু করার প্রথা। শ্রীচৈতন্যদেবও প্রথম স্নান করেন স্বর্গদ্বারে। আর মহাদধি বা স্বর্গদ্বারের পাশ্ববর্তী সমুদ্রে স্নানে তীর্থযাত্রীদের অতীত পাপ নাশ হয় বলে বিশ্বাস। এই স্বর্গদ্বারের পাশেই মহাশ্মশান, পুরীধামে মৃত্যু হলে মোক্ষলাভ হয় বলে তীর্থযাত্রীদের ধারণা।

সুদামাপুরী/বিদূর পুরী/মহোদধি/কানপাতা হনুমান:- স্বর্গদ্বার সংলগ্ন সুদামাপুরীতে পাতগঙ্গা এবং গুপ্ততীর্থের অবস্থান। বিভিন্ন নারায়ণ শিলা রয়েছে বিদূর পুরীতে। বিদূরের স্মৃতিমাখা গলিপথে বিদূরপুরীতে শাক ও খুদের প্রসাদ পাওয়া যায়।শোনা যায় আজও কান পেতে রয়েছেন হনুমান, প্রলয়ঙ্কর সমুদ্রের গতিবিধি খেয়াল রাখতে। 

Puri Math:- আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত ৭৮৮ থেকে ৮২০ গোবর্ধন মঠ, নানক মঠ, কবীর মঠ, শঙ্করাচার্য মঠ, কারার আশ্রম, আনন্দময়ী মায়ের আশ্রম, শ্রী অরবিন্দ আশ্রম, শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন, শ্রীঅনুকূল ঠাকুরের আশ্রম, গৌড়ীয়মঠ, নীলাচল আশ্রম, যতিরাজ মঠ, টোটা গোপীনাথ সহ দেড় শতাধিক মঠ পুরীতে।

Puri Jagannath Temple:- সত্যযুগে অবন্তীরাজ ইন্দ্রদ্যুম্ন বিষ্ণু সন্ধানে পাঠান বিদ্যাপতিকে ওড্র রাজ্যে। শবরের ঘরে নীলমাধব রূপে বিষ্ণুর দর্শন পান বিদ্যাপতি। ইন্দ্রদ্যুম্নও ওন্ড্রে বিষ্ণুর দর্শনে এসে বিফল হয়ে অশ্বমেধ যজ্ঞ করেন। নারদ সান্ত্বনা দেন শিলারূপে নয় দারুতে দর্শন পাবে সে বিষ্ণুর। পরমব্রহ্ম কৃষ্ণের নাভি ব্রহ্মদারু রূপে দ্বারকা থেকে ভেসে আসে পুরীর সমুদ্রে। স্বপ্নাদেশ সেই দারুও পাওয়া যায় চক্রতীর্থে। ইন্দ্রদ্যুম্ন সেই দারুই প্রতিষ্ঠা করেন দেবতারূপে মহাবেদিতে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রাজা ১০০০ কিউবিক উঁচু মন্দির তৈরি করেন শিল্প-শাস্ত্রের আদি প্রবর্তক বিশ্বকর্মা কে দিয়ে রাজা। জগন্নাথদেব ছুতোর বেশে বিগ্রহ তৈরি করতে আসেন। বন্ধ দরজার ঘরে ২৲ দিনে সম্পূর্ণ হবার কথা বিগ্রহ। দরজা না খুললে কেউ প্রবেশ করবেন না এই শর্তে রাজা রাজী হতে সুত্রধর বিগ্রহ তৈরি শুরু করেন। শর্ত ভেঙে ১২তম দিনে দরজা খোলেন রানী। ঘরে ঢুকে দেখেন সুত্রধর উধাও এবং দেববিগ্রহ অসম্পূর্ণ। প্রতিষ্ঠিত করেন রাজা সেই অসম্পূর বিগ্রহ(বলভদ্র, সুভদ্রা, jagannath, সুদর্শন)
পৌরাণিক সেই মন্দির ধ্বংস হওয়ার পর রাজা যযাতি মন্দির তৈরি করেন নতুন করে। আর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে উদ্ধার হতে রাজা অনঙ্গভীমদেব ১১৯৮-এ ৫ লক্ষ তোলা সোনা খরচ করে, তৈরি করেন বর্তমান মন্দিরটি। তারপরে গজপতি রাজাদের অর্থে এর শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। ওড়িশার প্রতিটি মন্দির বিমান, নাটমণ্ডপ, ভোগমণ্ডপ, জগমোহন এই চার ভাগে তৈরি। ৬৭০×৬৪০ ফুট বিস্তারের jagannath temple মেঘনাদ প্রাচীরে ঘেরা। মন্দিরের চারিদিকে চারটি প্রবেশপথ সিংহদরজা, হস্তীদরজা, অশ্বদরজা ও খাঞ্জাদরজা। পূর্বদিকের প্রধান প্রবেশ পথ সিংহ দরজার সামনে ১৮ শতকের খুরদা-র রাজাদের কোণারক থেকে আনা ৩৪ ফূট উচু ক্লোরাইট পাথরের সূর্যের সারথি অরুণ স্তম্ভ, মাথায় গরুড়। পাথরের দুই সিংহ সিকিউরিটি। দক্ষিণ, পচ্শিম আর উত্তর দরজায় ঘোড়া, বাঘ ও হাতি রয়েছে। ২২ ধাপ উঠে মন্দির প্রাঙ্গণ এবং মন্দির প্রাঙ্গণ ২২ফুট উচু। ৪২৪×৩৲৫ ফুটের কুরুমবেধা প্রাচীর রয়েছে সুরক্ষার জন্য। পুর্ব দিকে ৫৮×৫৬ ফুটের ভোগমণ্ডপ। তোরণে নবগ্রহের মুর্তি। ১৬ স্তম্ভে ভর করে নাটমন্দির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ৮০ফুট। পশ্চিম দিকে জগমোহন ৮০×১২০ ফুটের। তার পিছনে বিমান বা বড়ো দেউল যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ৮০×৮০, উচ্চতা ১৯২ ফুট। দ্বিতীয় প্রাচীর পার হতেই হিন্দু দেব-দেবিদের সমাবেশ। নাটমন্দিরের শেষে স্তম্ভাংশ। যেখানে শ্রীচৈতন্য হাত রেখে বিভোর হতেন জগন্নাথে। যেখানে হাত রেখে ভক্তরা আজও শ্রীচৈতন্যদেবের পরশ অনুভব করেন। বিভিন্ন ভঙ্গিতে নরনারীর শৃঙ্গার মুর্তিও আঁকা রয়েছে মন্দিরের গায়ে। মন্দিরের ভিতরের দেওয়ালে পৌরাণিক আখ্যান সমৃদ্ধ পটচিত্র ও স্তম্ভের ব্যাস রিলিফের খোদাই বৈচিত্রে অভিনবত্ব পাওয়া যায়। বিষয় ভাবনা ও রঙের ধারণা অনন্য। গর্ভগৃহের উল্টোদিকে অর্ধেক দেওয়াল জুড়ে দশাবতারের ছবিতেও বৈচিত্র পরিলিক্ষত হয়। বুদ্বর অনুপস্থিততে ৯ম অবতার স্বয়ং জগন্নাথ উপস্থিতি।
মূল মন্দিরের রত্নবেদিতে রয়েছেন সাত মুর্তি, সাদা রঙের মুখমণ্ডলের বলরাম, কালো রঙের মুখে  jagannath দুজনের মাঝে পীতমুখী বোন সুভদ্রা। পাশে সুদর্শন চক্র, বামদিকে সোনার লক্ষ্মী, ডাইনে রূপোর সরস্বতী, পিছনে নীলমাধব। যে বছরে আষাঢ় মাসে দুটো অমাবস্যা পড়ে সেই বছর দেবতার মুর্তি নতুন করে তৈরি হয়। নাম তার নবকলেবর। ২০১৫-এ জাঁকজমকের সাথে নবকলেবর উসব উদযাপিত হয়। মন্দিরের উত্তরে প্রাচীরের বাইরে বৈকুন্ঠ ধামে দেবতার নবকলেবরের পরে পুরাতন বিগ্রহ সমাধিস্থ হয়। তিথি অনুযায়ী ২৲টি বেশে সজ্জিত হন জগন্নাথ। দিনের বিভিন্ন সময়ে ৭ বারেরও বেশি পোষাক বদল হয়। ২২টা ৫০ পয়সা থেকে ১৩২০০০টাকায় পুজোর প্রথা যাকে আটকিয়া বলে। অন্নদান পুজা এর কমেও হয়। ৬০০০ হাজার ব্রাহ্মণ এবং ২০০০০ হাজার কর্মীর জীবিকা নির্বাহ করেন মন্দিরের কাজকর্মে। ৯৬ ধরণের শ্রণীর বংশগত বিন্যাস এদের মধ্যে। ছত্তিশা-নিয়োগা প্রথায় দেব-সেবা থেকে শুরু করে সবার কর্ম বিভাজিত।
বিশ্বের বৃহত্তম রান্নাঘরটিও হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে। ৪০০র বেশি রাঁধুনি ২০০র বেশি উনুনে কাঠের আগুনে ১০০ ধরণের মহাপ্রসাদ রান্না করেন। কমপক্ষে ৫৬ ভোগ পরিবেশন প্রথা। এছাড়া হচ্ছে প্রতিদিন  দশ হাজার ভক্তের জন্য ৭০ কুইন্টাল চালের অন্ন। তবে উৎসবের সময়ে আড়াই লক্ষ যাত্রীর মহাপ্রসাদ তৈরি হয়। মন্দিরের আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ কিনতেও পাওয়া যায়।  ৫টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকলেও সকাল বিকাল বিশেষ ব্যাবস্থায় গর্ভগৃহে দেবদর্শন পাওয়া যায়। জ্যেষ্ঠ পূর্ণিমা থেকে আষাঢ়ী অমাবস্যায় দেবতার জ্বর হয়, দেব দর্শন তাই নিষেধ।  জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমায় স্নান যাত্রায় jagannath -বলরাম-সুভদ্রার স্নানবেদিতে ১০৮ ঘড়া জলে স্নান করেন। স্নানের শেষে গজবেশ ধারণ করেন দেবতা। জলে বিগ্রহের রং ধুয়ে যাওয়ায় নতুন করে রঙের সাজসজ্জার কারণে রথযাত্রার আগে বিগ্রহ লোকচক্ষুর আড়ালে রাখা হয়।
৮ মিটার উঁচু টাওয়ারের মাথায় অষ্টধাতুর বিষ্ণুচক্র ও পতাকা দূরদূরান্ত থেকে দেখা যায়। 

Shree Gundichabari, puri- এটি আসলে একটি বাগানবাড়ি এবং এটি জগন্নাথ দেবের জন্মস্থান। Gundicha হলেন অবন্তী রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের স্ত্রী। সংলগ্ন মাসির বাড়ি প্রাচীরে ঘেরা। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে জগন্নাথদেব বোন সুভদ্রা এবং দাদা বলরাম কে সঙ্গে করে মাসির বাড়ি আসেন। ৯ দিন থেকে ফিরে জান আবার শ্রী মন্দিরে। দেবতা আসেন ১৩.৫ মিটার উচু ১০ মিটার বর্গাকা, ২.১ মিটারের ১৬ চাকার তিনটি রথে জাঁকজমকপূর্ণ মিছিল করে শ্রীমন্দির থেকে আড়াই কিমি দীর্ঘ বড় দণ্ড বা গ্রান্ড রোড পার হয় নাম তার রথযাত্রা বা পহণ্ডি। আগে যায় বলরাম মাঝে সুভদ্রা এবং শেষে জগন্নাথ। একিদশীতে ফিরে আসেন তারা এভাবেই মিছিল করে তার নাম উল্টোরথ বা বহুড়া। সিংহ দরজায় দেবতা ফিরে স্বর্ণবেশে রাতে অবস্থান করে পরদিন রত্নবেদিতে অধিষ্ঠান। দেশ-বিদেশ থেকে পুণ্যার্থীরা এবং পর্যটকরা আসেন রথ যাত্রায় সামিল হতে। বংশ-পরস্পরায় পুরীর রাজার সোনার ঝাড়ুতে ঝাড় দেওয়া পথে হাজার হাজার লোকের টানে রথ চলে গড়গড়িয়ে। রথ তৈরি প্রতিবছর অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু হয়। ১০৭২ টি গাছের গুঁড়ি থেকে ২১৮৮ টি কাঠের টুকরোয় তৈরি হয় গরুরধ্বজা ১৩.৫ মিটার, তালধ্বজা ১২ মিটার। প্রতি রথেই প্রধান দেবতা ছাড়াও ৯ জন পার্শ্ব দেব-দেবী, ২জন দ্বারপাল, ১ জন সারথি, ১জন ধ্বজা দেবতা বা শীর্ষদেবতা থাকেন। ১৬০০ মিটার উজ্জ্বল রঙের কাপড়ে সুসজ্জিত করা হয় রথত্রয়ীকে। এছাড়াও ৬২ ধরণের উৎসব চলে বছরের পর বছর ধরে Jagannath Temple-এ।

Sightseeing in Puri:- 

 বকুল বৃক্ষ:- অর্থাত্ যবন হরিদাসের সাধনপীঠ বকুল গাছটি দেখে গম্ভীরা বা কাশী মিশ্রের ভবনে পৌঁছান। এই ভবনে নিমাই ১৫১৫ থেকে ১৫৩৩র ২৯শে জুন পর্যন্ত ১৮  বছর ছিলেন। আজও কাঁথা কমণ্ডলু ও পাদুকা পূজিত হয় শ্রী নিমাইয়ের। ব্রহ্মপুরাণে পাওয়া যায় শ্রীমন্দিরের উত্তরে শ্বেতগঙ্গায় স্নানে পুণ্যার্জন হয়। শ্রীমন্দিরের কাছেই আছে যশেশ্বর।

নরেন্দ্র সরোবর:- অক্ষয় তৃতীয়ায় নরেন্দ্র সরোবরে ২১ দিনের চন্দন যাত্রাও একটি খ্যাতনামা উৎসব। প্রতিদিন শোভাযাত্রা সহ রেপ্লিকারূপী দেবতারা(রাম-কৃষ্ণ-মদনমোহন-লক্ষ্মী-সরস্বতী-পঞ্চ শিব) আসেন শীতল হতে নরেন্দ্র সরোবরে। ২টি সুসজ্জিত বোটে জলবিহার করেন দেবতারা। বাসুদেব সার্বোভৌমের বাড়ি দেখে নিয়ে মার্কণ্ডেয়েশ্বর মন্দির ও সরোবরটিও দেখা উচিত। সরোবরের দক্ষিণে মন্দির, কথিত আছে বিষ্ণু নিমগাছ হয়ে বাস করতেন সরোবর তীরে।

লোকনাথ মন্দির:- শ্রী মন্দির থেকে ৩ কিমি দুরে লোকনাথ বা শিব মন্দির। সংলগ্ন সরোবর-দেবতা প্রায়ই জলে থাকেন। রায় রামানন্দের বাড়ি, চন্দন সরোবর দর্শন করে ১৩১৮তে তৈরি বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর সামাধি মন্দির দর্শন। উল্টো দিকে তাদের শিষ্য কুলকানন্দ ব্রহ্মচারীর সমাধি-১৩৪৫এ নির্মিত শ্রীমন্দির। নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে আঠারো নালা ও লক্ষ্মীজলা। মুটিয়া নদীর উপরে আঠারোনালা সেতুটি তৈরি হয়েছে ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে। আঠারোনালা ছিল শ্রীক্ষেত্রের প্রবেশ পথ। সে সময়ে শ্রীক্ষেত্রের শুরুও ছিল এই আঠারোনালা থেকে। সে সময়ের শিল্প-নৈপুণ্যের অপূর্ব নিদর্শন ল্যাটেরাইট ও বেলে পাথরের এই সেতু। জনশ্রুতি রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন নিজের ১৮টি ছেলেখে দেশের কল্যাণে  উৎসর্গ করেন এখানে। সেই থেকে আঠারোটি ফোকড়ও হয়েছে পাথরের সেতুটিতে।

Indradyumna Sarobar:-
Jagannath Temple-এর উত্তর-পচ্শিমে Indradyumna Sarobar-টি আর একটি তীর্থ। রাজার অশ্বমেধ যজ্ঞে দান করা সহস্র গাভীর পায়ের খুরে তৈরি হয় Sarobar-টি। Indradyumna-এর জলে স্নান ও তর্পণে পুণ্যার্জন হয় এছাড়া কচ্ছপ দেখা যায় সরোবরটিতে।

Chakratirtha:- Chakratirha-এ আছে সোনার গৌরঙ্গ দেবতা বংশীধারী কৃষ্ণের পাশে গোপাল মূর্তি। গোপাল বেশে শ্রীগৌরাঙ্গ সাধক রামানন্দ কে দেখা দেওয়ার স্মারকরূপে মন্দির। পাশেই সঙ্কটমোচন বামে গিয়ে নদীয়া গৌরাঙ্গ। উল্টোদিকে জগন্নাথ দেবের শ্বশুরবাড়ি বা দেবী লক্ষ্মীর বাবার বাড়ি, বালির চরে বড়ঠাকুর বা শনিও Chakratirtha-এ।

Saksi Gopal Temple:- সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত সাক্ষীগোপাল বা Satyabadi-এর Mandir. ভক্তের সাধনায় তুষ্ট হয়ে শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন থেকে শর্তাধীনে কলিঙ্গে এসেছিলেন সাক্ষ্য দিতে। শর্ত লঙ্ঘনে লীন হয়ে রূপ নিলেন শ্রীকৃষ্ণ মূর্তিতে। পুরী থেকে NH-203এ ১৭ কিমি উত্তরে পুরী-ভুবনেশ্বর বাসে দেখে নেওয়া যায় Saksi Gopal. পুরী-খুরদা রোডে লোকাল ট্রেন যাচ্ছে সাক্ষীগোপাল হয়ে। 

Beach Festival:- ১৯৯৩এ শুরু হয়ে প্রতি ডিসেম্বর মাসে স্বর্গদ্বার সংলগ্ন বীচে নাচ-গান-বাজনার সাথে বিভিন্ন কিছু মিলেমিশে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে Beach Festival.

Raghuram Pur:- পুরী-ভুবনেশ্বর হাইওয়ে ধরে নয় কিমি গিয়ে চন্দনপুরের কাছে ডাইনে দেড় কিমি গিয়ে রেল ক্রসিং পার হয়ে ভার্গবী নদীর তীর থেকে ডান দিকে নারকেল বাগানের ছায়পথে আরোও দেড় কিমি গিয়ে Raghuram Pur.  বিখ্যাত ওড়িশার ভাইরোলজিক্যাল পটচিত্রের জন্য। দেবতারা বলরাম-সুভদ্রা-জগন্নাথ কাপড়ের ক্যানভাসে পটচিত্রে। স্বাধীনতার আগে মুমূর্ষু পটশিল্প শিল্পরসিক হালিনা জিলির প্রেরণায় নবোদ্যামে বিশেষ ধারায় অনাসরা, পৌরাণিক তালপত্র, তসর, নারকেলের উপল আঁকছেন শিল্পীরা। ১৯৫৯এ তৈরি পটশিল্পী ডক্টর জগন্নাথ মহাপাত্ররের গুরুকুল আশ্রম বা ১৯৬৫তে সরকারি তত্ত্বাবধানে গড়া ক্রাফট কলেজ বা শিল্পীদের বাড়ি ঘর Raghuram Pur-এ। কাঠ ও পাথরের বিভিন্ন মুর্তিও তৈরি করছেন রঘুরাজপুরের শিল্পীরা।

Hotels in Puri:-
There are some hotels of Pur Information and Puri Hotels contact numbers.

পুরীর STD-06752.
Sri Sri Balananda Tirthasharam, Phone:- 228727.
Hotel Sadhana, phone: 09437625492. Hotel Pushpa, Phone:- 233144/09556609676. Hotel Vishal, Phone:- 229897/09438620567. They Benfish Tourist Lodge, Phone:- 211312. Shakuntala, Phone:- 221347. Hotel Basu, Phone:- 228586. Hotel Greenery, Phone:- 232199. Hotel Kamala Residency, Phone:- 232745. Deep Resort, Phone:- 220848. Park Beach Resort, Phone:- 226466. Hotel Park, Phone:- 224698. Puri Hotel, Phone:- 222114/223809. Pravanil Guest House, Phone:- 09861189824. Swapan Puri, Phone:- 223855. Hotel Victoria Club, Phone:- 222005/222929. Tourist Corner, Phone:- 9830258931. Hotel Sea View, Phone:- 223417. Sagarika Hotel, Phone:- 224063. Hotel Purbasha, Phone:- 254387.Hotel Sonali, Phone:- 223545. Hotel Sea Gull, Phone:- 223618. These all are cheapest hotels in puri


Holiday Home in Puri:- 
Sukriti tour & Travels, Phone:- 9433411166.
Kol District Co-Op, Phone:- 22108071/2248001.
Kol Reserve Bank Emp Co-OP Ce Society, Phone:- 22104808.
Shipping Corpn. Co-OP Cr Society, Phone:- 22543400.
Syndicate Bank Staff Re Club, Phone:- 9038424154.
Bank of Baroda Emp Asson, Phone:- 22306076-78

How to go Puri :- 
সরাসরি ট্রেন যাচ্ছে কলকাতা থেকে পুরী, শ্রীজগন্নাথ এক্সপ্রেস, পুরী এক্সপ্রেস, গরিবরথ এক্সপ্রেস, ধৌলী এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরী-শতাব্দী এক্সপ্রেস,  পুরী-দীঘা এক্সপ্রেস, হাওড়া-ভুবনেশ্বর এক্সপ্রেস, জনশতাব্দী এক্সপ্রেস সহ দেশের বিভিন্ন জংশন রেল স্টেশন থেকে ট্রেন যাচ্ছে পুরী ভুবনেশ্বর।
বাস:- কলকাতার শহীদমিনার থেকে ORTর বাস, তালতলা থেকে হিজলী কো-অপারেটিভের বাস যাচ্ছে Puri। 

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...