Translate into your language

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

Vellor : Vellor tour & treatment / ভেলোর ভ্রমণ ও চিকিত্সা

Vellore:-
তামিলনাড়ুর Vellore District একটি শহর ও জেলা সদরদপ্তর। এটি চেন্নাই সেট্রাল থেকে ১৩০ কিলোমিটার ও ব্যাঙ্গালোর শহর থেকে ২১১ কিলোমিটার দূরে। Vellore town এর আয়তন ৮৭.৯১৫ বর্গ কিলোমাটার। এটি রাজ্যের নবম বৃহত্তম শহর এবং fort City বা দূর্গের শহর হিসাবে পরিচিত। এছাড়া শহরটি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বিখ্যাত। Vellore Townটি ১২.৫৫ উত্তর ও ৭৯.০৮ পূর্বে অববস্থিত। সমুদ্রতল থেকে শহরটির উচ্চতা ২২০ মিটার। ভেলোর পূর্বঘাট পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন পালার নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। শহরটি রাজ্যের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ব্রিটিশ ভারতের প্রথম সিপাই বিদ্রোহের ঘটনাস্থল ছিল Vellore। ভেলোর শহরে চর্ম শিল্প ও চর্মজাত দ্রবের জন্য নানান শিল্প গড়ে উঠেছে এবং এখান থেকে চর্মজাত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। তাই এই vellore town দেশের চর্ম শিল্পেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Tourist places in vellore:-

Vellor Fort:- ১৬ শতকে সবুজ গ্রানাইট পাথরে বিজয়নগর রাজাদের তৈরি এই দূর্গটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি বিজড়িত এই vellore fort, দুটি প্রাচীর ও গভীর পরিখার দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। ১৫৬৬ সালে তৈরি Jalakandeswarar Temple  বিজয়নগরীও স্থাপত্যের একটি অনন্য নিদর্শন Vellore fort টি।
Jalakandeswarar মানে শিব। জলের মধ্যে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেই পুজো চালু হয়েছিল। সেই জন্যই শিব jalakandeswar নামে পূজিত হয় এখানে। কারুকার্যমণ্ডিত মন্দিরটির ঘাড় উঁচু করে চুড়ো দেখতে হয়। দুর্গে ঢোকার সময় ডান দিকে রয়েছে চার্চ আর সিপাহী বিদ্রোহে মৃত ব্রিটিশ সৈনদের সমাধি। ভেলোর বিদ্রোহে শহীদ টিপুর সুলতানের  দ্বিতীয় পুত্রের স্মৃতিতে তৈরি পার্ল প্যালেস, শহর থেকে ১ কিলোমিটার উত্তরে। মেইন বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে গভর্নমেন্ট মিউজিয়ায়।

Vellor C M C:-

১৯০০ সালে আমেরিকান মিশনারি Ida Schudder-এর তৈরি Vellor C M Cর চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য vellor পৃৃথিবী বিখ্যাত। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে রোগীরা আসেন Vellor C M C তে দুরারোগ্য রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে। একটি ছোট্ট ঘরের ডিসপেনসারি দিয়ে vellore c m c এর যাত্রা শুরু হলেও, বর্তমানে হাজার-হাজার ডাক্তার, নার্স, ছাত্র, বেড আর বিল্ডিং তৈরি হয়েছে আধুনিক ও উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে  vellore c m c -তে।

Temple at vellore:-

Mahalaxmi Temple:-
ভোলোরের আর একটি আকর্ষণ শ্রীপুরমের এই মহালক্ষী মন্দির। ভেলোর দুর্গের জলাকণ্টেশ্বরের মন্দির রাস্তা থেকে কিছুটা নীচের দিকে এটিই golden temple at vellore। ভেলোর থেকে অটোতে গিয়ে Mahalaxmi temple 
 ঘুরে দেখা যায়। ঘুরে দেখতে পয়সা লাগে না, আবার স্পেশ্যাল ভিজিটও করা যায় টিকিট কেটে mahalaxmi temple। ১০০ একর জায়গা জুড়ে তৈরি mahalaxmi temple-এর পুরোটা ঘুরে দেখতে ঘণ্টা দু'য়েক মত সময় লাগে।

Lord Karthikeya Hill Top Temple:-

১৪ শতকে তৈরি প্রাচীন lord karhikeya hill top temple টি ভেলোরের ১২ কিমি দুরে রত্নগিরিতে অবস্থিত। বাসে ও অটোতে যাওয়া যায় Lord karthikeya দর্শনে। তবেে বাসে গেলে প্রচুর সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হয়। সুতরাং সিঁড়ি ভাঙতে না চাইলে বাসের থেকে অটোতে যাওয়াই শ্রেয়। দর্শনের জন্য দিনে দু’বার খুলে দেওয়া হয় মন্দিরটি। এই মন্দিরটির গায়ের কারুকাজ এবং বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা দেখে মুগ্ধ হতেই হয়। তামিলদের বিশ্বাস যেখানেই পাহাড়, সেখানেই murugan বা কার্ত্তিক আর দেবসেনাপতি মানেই সুরক্ষা।

Sri Murugan Temple :-

শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে বাসে ভেন্নামালাই গিয়ে শিবের পুত্র কার্তিকের Morgan temple টি দেখে নেওয়া যায়। একটি পাথর কেটে তৈরি হওয়া Morgan temple -এ মনোবাসনা পূরণের জন্য অনেকেই ঢিল বাঁধেনও। 


Yelagiri:-

ভেলোরের কাছেই ১০০০ মিটার উচ্চতায় পূর্বঘাটে অবস্থিত, এই yelagiri town টির সুন্দর প্রাকৃতিক শোভা এবং জলবায়ু পর্যটকদের আকর্ষণ করেই। yelagiri তে ৫৭ বর্গকিলোমিটার জুড়ে কৃত্রিম লেক পুঙ্গানুরের মধ্যে ১৫ ফুট উচু ফোয়ারার রাতের আলোকসজ্জা রোমাঞ্চকর। লেকের পাড়ে মিনি চিড়িয়াখানা এবং চিলড্রেন পার্ক রয়েছে। পাহাড়ি আত্তারু নদী জলপ্রপাতের মত ঝাঁপিয়ে পড়েছে yelagiri তে ৩০ কিলোমিটার নীচে। 

Ho to go Vellore:-

চেন্নাই সেন্ট্রাল থেকে চেন্নাই-ব্যাঙ্গালোর ব্রডগেজ রেল পথে কাটপানি স্টেশন। চেন্নাই ও ব্যাঙ্গালোর থেকে যথাক্রমে ২ ঘন্টা এবং ৪ ঘন্টায় কাটপানি যাচ্ছে এক্সপ্রেস ট্রেন- গুয়াহাটি/হাওড়া-ব্যাঙ্গালোর/কোচি/তিরুভনন্তপুরম এক্সপ্রেস। এ ছাড়াও সেন্ট্রাল থেকে বিভিন্ন ট্রেন আসছে-যাচ্ছে কাটপানি হয়ে মুম্বাই/মাদুরাই/তিরুপতি/কোচি/ব্যাঙ্গালোর/কন্যাকুমারী/তিরুভনন্তপুরমে। কাটপানি থেকে অটো/বাস/ট্যাক্সি যাচ্ছে ভেলোর শহরে। চেন্নাই ব্রডওয়ে বাসস্ট্যান্ড থেকে ১০২ রুটের বাস ৩০ মিনিট অন্তর কাঞ্চি হয়ে ভেলোর যাচ্ছে। এছাড়াও ভেলোরে বাস-যাচ্ছে আসছে তাঞ্জোর, মহাবলী, ভিল্লুপুরম, উটি, পন্ডিচেরি, তিরুপতি, ত্রিচি, মাদুরাই থেকেও।

Kolkata to Vellore Train:-
ভেলোরের কাছের স্টেশনটি হলো Katpadi Station.
Katpadi স্টেশনের উদ্যেশে কলকাতা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন গুলো হলো- HWH YPR AC EXPRESS ট্রেনটি সোমবার ছাড়া প্রতিদিন, MAQ VIVEX EXPRESS ট্রেনটি বৃহস্পতিবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH MYS EXPRESS ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH YPR EXPRESS ট্রেনটি প্রতিদিন যাতায়াত করে, GURUDEV EXPRESS  ও ANGA EXPRESS ট্রেন দুটো বুধবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH PDY EXPRESS ট্রেনটি রবিবার ছাড়া প্রতিদিন যাতায়াত করে।

Hotel in vellore:- STD of Vellor- 0416

Hotels at vellore near cmc - VDM Lodge, Phone:- 22240008. Srinivasa Lodge, Phone:- 2226389. Mohan Mansion, Phone:- 2227083. Hotel Mouni Paradise, Phone:- 2228631. Hotel River View, Phone:- 2225251. Hotel Surabi International, Phone:- 2216399. Baby Residency, Phone:- 22266484. Darling Residency, Phone:- 22845062.

Vellor C M C treatment Information:-

Vellor C M C-তে চিকিৎসা করাতে চাইলে আপনি কোন ডিপার্টমেন্টে ডাক্তার দেখাবেন সেটা আগে ঠিক করে অফলাইন বা অফলাইনে এপোয়েন্টমেন্ট নেবেন, সেই ডিপার্টমেন্টের ডাক্তারদের। এই এপোয়েন্টমেন্ট আবার দুই ধরণের হয়। জুনিয়র ডাক্তারদের দেখানোর জন্য জেনারেল এপোয়েন্টমেন্ট এবং সিনিয়র ডাক্তারদের দেখানোর জন্য প্রাইভেট এপোয়েন্টমেন্ট। সাধারণত বাইরে থেকে যাঁরা যাবেন। তারা প্রাইভেট এপোয়েন্টমেন্ট নিতেই চাইবেন কিন্তু অনলাইনে এই এপোয়েন্টমেন্ট পেতে পনেরো দিন থেকে তিন মাস সময় লেগে যেতে পারে। তাই ভালো হবে ভেলোর গিয়েই অফলাইনে এপোয়েন্টমেন্ট নেওয়া। সেক্ষেত্রে আপনাকে হসপিটালে ঢুকেই " সিলভার গেট ফর নিউ এপোয়েন্টমেন্ট"- এ যোগাযোগ করতে হবে এবং এপোয়েন্টমেন্ট পেতে, সময় লাগবে দু'দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত।

তিন থেকে চারটি বিল্ডিং আছে CMC-তে এর মধ্যে OPD Building এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে সমস্ত প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা গুলো হয়। ডাক্তার বাবু টেস্ট লেখার পর। আপনি ওপিডি বিল্ডিং-এর ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে পরীক্ষার জন্য টাকা জমা দেবেন এবং যে পেমেন্ট Slip পাবেন। সেটার উপরেই লেখা থাকবে আপনার কত নম্বর রুমে পরীক্ষা করাতে বা করতে যেতে হবে। এই বিল্ডিং এর ফাস্ট ফ্লোর থেকে বিভিন্ন ফ্লোরে বিভিন্ন ডাক্তার বাবুরা বসেন। আপনার এপোয়েন্টমেন্ট Slip-এ লেখা থাকবে কোন ফ্লোরে কত নম্বর রুমে, আপনার ডাক্তার বাবু বসবেন এবং কখন আপনাকে উপস্থিত থাকতে হবে।

ISSCC  Building:- এখানেও ডাক্তার বাবুরা বসেন তবে নিউ এপোয়েন্টমেন্ট, রিপিট এপোয়েন্টমেন্ট, ক্রিস কার্ড, ফার্মাসি এবং ক্যাশ পেমেন্ট-এর কাজ হয় এখানে।
Criss Card:- ATM কাডের মত একটি কাড যেখানে ট্রিটমেন্ট সংক্রান্ত টাকা অগ্রিম জমা করে রাখা হয়। পেশেন্ট আইডি দেখিয়ে এই বিল্ডিং-এর ৪০২ নম্বর ঘর থেকে এই কাড সম্পর্কিত সমস্ত কাজ করে নেওয়া যায়। ATM দিয়েও পেমেন্ট সংক্রান্ত কাজ করা যায় কিন্তু লাইনে দাড়ানোর ঝামেলা থাকে।

PMRO Building:- ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে এই বিল্ডিং-এ যেতে হবে এবং যোগাযোগ করতে হবে।
Ward Building:- রোগী ভর্তি ও সার্জারি সংক্রান্ত কার্যক্রমে এখানে যেতে হয়।
Alpha Clinic:- সমস্ত প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা গুলো OPD বিল্ডিং-হলেও। USG সহ বেশ কিছু পরীক্ষায় OPD বিল্ডিং-এ দেরী হতে পারে। সে কারণে ডাক্তার বাবুকে বলে, লিখিয়ে নিয়ে Alpha Clinic- এ গেলে এক দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
ইমার্জেন্সি পরীক্ষার রিপোর্ট ডাক্তার বাবুর কাছে সরাসরি চলে যায়। তাই রিপোর্ট হাতে পাবেন না এবং পেতে হলে অবশ্যই আবেদন করবেন পরবর্তীতে।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...