Translate into your language

বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

Puri Tourist Spots /Puri tour guide / পুরী ভ্রমণ

তীর্থযাত্রী ও ভ্রমণাথীর্দের অপার আকর্ষণ puri কে ঘিরে। ভারতের চারধাম বন্দ্রীনাথ, দ্বারকা, রামেশ্বরম এবং পুরীর মধ্যে বঙ্গোপসাগরের তীরে puri র আকর্ষণ অদ্বিতীয়। পুরাণে পাওয়া যায় Sree Jagannath বদ্রীতে স্নান করে, দ্বারকায় পোষাক পরিচ্ছদ পরে, পুরীতে খাওয়া-দাওয়া সেরে রামেশ্বরমে বিশ্রাম নিতেন। এখানে যেমন রয়েছে তীর্থযাত্রীদের জন্য জগন্নাথদেবের বিখ্যাত মন্দির তেমনি রয়েছে পর্যটকদের জন্য ৭ কিমি দীর্ঘ সুবিশাল সুন্দর puri beach. ১৯৩৬ সালে কটকে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে পুরীই ছিল ওড়িশার রাজধানী। puri-র বিভিন্ন নাম নীলাচল, নীলগিরি, নীলাদ্রি, পুরুষোত্তমক্ষেত্র, শঙ্খক্ষেত্র, শ্রীক্ষেত্র ও জগন্নাথক্ষেত্র।

Tourist places in Puri:-

Puri Beach:- ভারতীয় সামুদ্রিক শহর গুলোর মধ্যে পুরী একটি। যেমন উত্তাল তেমনই দূর্দমনীয় Puri Seabeach. বারেবারে ভয়ঙ্কর গর্জে উঠে আছড়ে পড়ছে অর্ধচন্দ্রাকার বঙ্গোপসাগর। নীল জল আর ছোট্ট ছোট্ট ঢেউ এসে ছুয়ে যাচ্ছে বালুকাবেলা এবং সাদা ফেনা রেখে মহুর্তে বিলীন হচ্ছে সমুদ্রে। অগভীর এই সমুদ্রে, সমুদ্র স্নান শুরু হয়ে যায় সকাল থেকেই ভ্রমণাথীর্দের সাগরে গর্জনের সাথে পাল্লাদেয় জনকোলাহল। সাঁতার না জানা থাকলে Nulia বা তিন কোনা টুপি বা রবারের টিউব নিয়ে নেওয়াই ভালো। ভয়াবহতার শিকার হবার সম্ভাবনা থাকে অসতর্ক ও বেপরোয়াদের। পুরীর সমুদ্র স্নান স্বর্গদ্বার দিয়েই শুরু করার প্রথা। শ্রীচৈতন্যদেবও প্রথম স্নান করেন স্বর্গদ্বারে। আর মহাদধি বা স্বর্গদ্বারের পাশ্ববর্তী সমুদ্রে স্নানে তীর্থযাত্রীদের অতীত পাপ নাশ হয় বলে বিশ্বাস। এই স্বর্গদ্বারের পাশেই মহাশ্মশান, পুরীধামে মৃত্যু হলে মোক্ষলাভ হয় বলে তীর্থযাত্রীদের ধারণা।

সুদামাপুরী/বিদূর পুরী/মহোদধি/কানপাতা হনুমান:- স্বর্গদ্বার সংলগ্ন সুদামাপুরীতে পাতগঙ্গা এবং গুপ্ততীর্থের অবস্থান। বিভিন্ন নারায়ণ শিলা রয়েছে বিদূর পুরীতে। বিদূরের স্মৃতিমাখা গলিপথে বিদূরপুরীতে শাক ও খুদের প্রসাদ পাওয়া যায়।শোনা যায় আজও কান পেতে রয়েছেন হনুমান, প্রলয়ঙ্কর সমুদ্রের গতিবিধি খেয়াল রাখতে। 

Puri Math:- আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত ৭৮৮ থেকে ৮২০ গোবর্ধন মঠ, নানক মঠ, কবীর মঠ, শঙ্করাচার্য মঠ, কারার আশ্রম, আনন্দময়ী মায়ের আশ্রম, শ্রী অরবিন্দ আশ্রম, শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন, শ্রীঅনুকূল ঠাকুরের আশ্রম, গৌড়ীয়মঠ, নীলাচল আশ্রম, যতিরাজ মঠ, টোটা গোপীনাথ সহ দেড় শতাধিক মঠ পুরীতে।

Puri Jagannath Temple:- সত্যযুগে অবন্তীরাজ ইন্দ্রদ্যুম্ন বিষ্ণু সন্ধানে পাঠান বিদ্যাপতিকে ওড্র রাজ্যে। শবরের ঘরে নীলমাধব রূপে বিষ্ণুর দর্শন পান বিদ্যাপতি। ইন্দ্রদ্যুম্নও ওন্ড্রে বিষ্ণুর দর্শনে এসে বিফল হয়ে অশ্বমেধ যজ্ঞ করেন। নারদ সান্ত্বনা দেন শিলারূপে নয় দারুতে দর্শন পাবে সে বিষ্ণুর। পরমব্রহ্ম কৃষ্ণের নাভি ব্রহ্মদারু রূপে দ্বারকা থেকে ভেসে আসে পুরীর সমুদ্রে। স্বপ্নাদেশ সেই দারুও পাওয়া যায় চক্রতীর্থে। ইন্দ্রদ্যুম্ন সেই দারুই প্রতিষ্ঠা করেন দেবতারূপে মহাবেদিতে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রাজা ১০০০ কিউবিক উঁচু মন্দির তৈরি করেন শিল্প-শাস্ত্রের আদি প্রবর্তক বিশ্বকর্মা কে দিয়ে রাজা। জগন্নাথদেব ছুতোর বেশে বিগ্রহ তৈরি করতে আসেন। বন্ধ দরজার ঘরে ২৲ দিনে সম্পূর্ণ হবার কথা বিগ্রহ। দরজা না খুললে কেউ প্রবেশ করবেন না এই শর্তে রাজা রাজী হতে সুত্রধর বিগ্রহ তৈরি শুরু করেন। শর্ত ভেঙে ১২তম দিনে দরজা খোলেন রানী। ঘরে ঢুকে দেখেন সুত্রধর উধাও এবং দেববিগ্রহ অসম্পূর্ণ। প্রতিষ্ঠিত করেন রাজা সেই অসম্পূর বিগ্রহ(বলভদ্র, সুভদ্রা, jagannath, সুদর্শন)
পৌরাণিক সেই মন্দির ধ্বংস হওয়ার পর রাজা যযাতি মন্দির তৈরি করেন নতুন করে। আর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে উদ্ধার হতে রাজা অনঙ্গভীমদেব ১১৯৮-এ ৫ লক্ষ তোলা সোনা খরচ করে, তৈরি করেন বর্তমান মন্দিরটি। তারপরে গজপতি রাজাদের অর্থে এর শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। ওড়িশার প্রতিটি মন্দির বিমান, নাটমণ্ডপ, ভোগমণ্ডপ, জগমোহন এই চার ভাগে তৈরি। ৬৭০×৬৪০ ফুট বিস্তারের jagannath temple মেঘনাদ প্রাচীরে ঘেরা। মন্দিরের চারিদিকে চারটি প্রবেশপথ সিংহদরজা, হস্তীদরজা, অশ্বদরজা ও খাঞ্জাদরজা। পূর্বদিকের প্রধান প্রবেশ পথ সিংহ দরজার সামনে ১৮ শতকের খুরদা-র রাজাদের কোণারক থেকে আনা ৩৪ ফূট উচু ক্লোরাইট পাথরের সূর্যের সারথি অরুণ স্তম্ভ, মাথায় গরুড়। পাথরের দুই সিংহ সিকিউরিটি। দক্ষিণ, পচ্শিম আর উত্তর দরজায় ঘোড়া, বাঘ ও হাতি রয়েছে। ২২ ধাপ উঠে মন্দির প্রাঙ্গণ এবং মন্দির প্রাঙ্গণ ২২ফুট উচু। ৪২৪×৩৲৫ ফুটের কুরুমবেধা প্রাচীর রয়েছে সুরক্ষার জন্য। পুর্ব দিকে ৫৮×৫৬ ফুটের ভোগমণ্ডপ। তোরণে নবগ্রহের মুর্তি। ১৬ স্তম্ভে ভর করে নাটমন্দির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ৮০ফুট। পশ্চিম দিকে জগমোহন ৮০×১২০ ফুটের। তার পিছনে বিমান বা বড়ো দেউল যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ৮০×৮০, উচ্চতা ১৯২ ফুট। দ্বিতীয় প্রাচীর পার হতেই হিন্দু দেব-দেবিদের সমাবেশ। নাটমন্দিরের শেষে স্তম্ভাংশ। যেখানে শ্রীচৈতন্য হাত রেখে বিভোর হতেন জগন্নাথে। যেখানে হাত রেখে ভক্তরা আজও শ্রীচৈতন্যদেবের পরশ অনুভব করেন। বিভিন্ন ভঙ্গিতে নরনারীর শৃঙ্গার মুর্তিও আঁকা রয়েছে মন্দিরের গায়ে। মন্দিরের ভিতরের দেওয়ালে পৌরাণিক আখ্যান সমৃদ্ধ পটচিত্র ও স্তম্ভের ব্যাস রিলিফের খোদাই বৈচিত্রে অভিনবত্ব পাওয়া যায়। বিষয় ভাবনা ও রঙের ধারণা অনন্য। গর্ভগৃহের উল্টোদিকে অর্ধেক দেওয়াল জুড়ে দশাবতারের ছবিতেও বৈচিত্র পরিলিক্ষত হয়। বুদ্বর অনুপস্থিততে ৯ম অবতার স্বয়ং জগন্নাথ উপস্থিতি।
মূল মন্দিরের রত্নবেদিতে রয়েছেন সাত মুর্তি, সাদা রঙের মুখমণ্ডলের বলরাম, কালো রঙের মুখে  jagannath দুজনের মাঝে পীতমুখী বোন সুভদ্রা। পাশে সুদর্শন চক্র, বামদিকে সোনার লক্ষ্মী, ডাইনে রূপোর সরস্বতী, পিছনে নীলমাধব। যে বছরে আষাঢ় মাসে দুটো অমাবস্যা পড়ে সেই বছর দেবতার মুর্তি নতুন করে তৈরি হয়। নাম তার নবকলেবর। ২০১৫-এ জাঁকজমকের সাথে নবকলেবর উসব উদযাপিত হয়। মন্দিরের উত্তরে প্রাচীরের বাইরে বৈকুন্ঠ ধামে দেবতার নবকলেবরের পরে পুরাতন বিগ্রহ সমাধিস্থ হয়। তিথি অনুযায়ী ২৲টি বেশে সজ্জিত হন জগন্নাথ। দিনের বিভিন্ন সময়ে ৭ বারেরও বেশি পোষাক বদল হয়। ২২টা ৫০ পয়সা থেকে ১৩২০০০টাকায় পুজোর প্রথা যাকে আটকিয়া বলে। অন্নদান পুজা এর কমেও হয়। ৬০০০ হাজার ব্রাহ্মণ এবং ২০০০০ হাজার কর্মীর জীবিকা নির্বাহ করেন মন্দিরের কাজকর্মে। ৯৬ ধরণের শ্রণীর বংশগত বিন্যাস এদের মধ্যে। ছত্তিশা-নিয়োগা প্রথায় দেব-সেবা থেকে শুরু করে সবার কর্ম বিভাজিত।
বিশ্বের বৃহত্তম রান্নাঘরটিও হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে। ৪০০র বেশি রাঁধুনি ২০০র বেশি উনুনে কাঠের আগুনে ১০০ ধরণের মহাপ্রসাদ রান্না করেন। কমপক্ষে ৫৬ ভোগ পরিবেশন প্রথা। এছাড়া হচ্ছে প্রতিদিন  দশ হাজার ভক্তের জন্য ৭০ কুইন্টাল চালের অন্ন। তবে উৎসবের সময়ে আড়াই লক্ষ যাত্রীর মহাপ্রসাদ তৈরি হয়। মন্দিরের আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ কিনতেও পাওয়া যায়।  ৫টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকলেও সকাল বিকাল বিশেষ ব্যাবস্থায় গর্ভগৃহে দেবদর্শন পাওয়া যায়। জ্যেষ্ঠ পূর্ণিমা থেকে আষাঢ়ী অমাবস্যায় দেবতার জ্বর হয়, দেব দর্শন তাই নিষেধ।  জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমায় স্নান যাত্রায় jagannath -বলরাম-সুভদ্রার স্নানবেদিতে ১০৮ ঘড়া জলে স্নান করেন। স্নানের শেষে গজবেশ ধারণ করেন দেবতা। জলে বিগ্রহের রং ধুয়ে যাওয়ায় নতুন করে রঙের সাজসজ্জার কারণে রথযাত্রার আগে বিগ্রহ লোকচক্ষুর আড়ালে রাখা হয়।
৮ মিটার উঁচু টাওয়ারের মাথায় অষ্টধাতুর বিষ্ণুচক্র ও পতাকা দূরদূরান্ত থেকে দেখা যায়। 

Shree Gundichabari, puri- এটি আসলে একটি বাগানবাড়ি এবং এটি জগন্নাথ দেবের জন্মস্থান। Gundicha হলেন অবন্তী রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের স্ত্রী। সংলগ্ন মাসির বাড়ি প্রাচীরে ঘেরা। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে জগন্নাথদেব বোন সুভদ্রা এবং দাদা বলরাম কে সঙ্গে করে মাসির বাড়ি আসেন। ৯ দিন থেকে ফিরে জান আবার শ্রী মন্দিরে। দেবতা আসেন ১৩.৫ মিটার উচু ১০ মিটার বর্গাকা, ২.১ মিটারের ১৬ চাকার তিনটি রথে জাঁকজমকপূর্ণ মিছিল করে শ্রীমন্দির থেকে আড়াই কিমি দীর্ঘ বড় দণ্ড বা গ্রান্ড রোড পার হয় নাম তার রথযাত্রা বা পহণ্ডি। আগে যায় বলরাম মাঝে সুভদ্রা এবং শেষে জগন্নাথ। একিদশীতে ফিরে আসেন তারা এভাবেই মিছিল করে তার নাম উল্টোরথ বা বহুড়া। সিংহ দরজায় দেবতা ফিরে স্বর্ণবেশে রাতে অবস্থান করে পরদিন রত্নবেদিতে অধিষ্ঠান। দেশ-বিদেশ থেকে পুণ্যার্থীরা এবং পর্যটকরা আসেন রথ যাত্রায় সামিল হতে। বংশ-পরস্পরায় পুরীর রাজার সোনার ঝাড়ুতে ঝাড় দেওয়া পথে হাজার হাজার লোকের টানে রথ চলে গড়গড়িয়ে। রথ তৈরি প্রতিবছর অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু হয়। ১০৭২ টি গাছের গুঁড়ি থেকে ২১৮৮ টি কাঠের টুকরোয় তৈরি হয় গরুরধ্বজা ১৩.৫ মিটার, তালধ্বজা ১২ মিটার। প্রতি রথেই প্রধান দেবতা ছাড়াও ৯ জন পার্শ্ব দেব-দেবী, ২জন দ্বারপাল, ১ জন সারথি, ১জন ধ্বজা দেবতা বা শীর্ষদেবতা থাকেন। ১৬০০ মিটার উজ্জ্বল রঙের কাপড়ে সুসজ্জিত করা হয় রথত্রয়ীকে। এছাড়াও ৬২ ধরণের উৎসব চলে বছরের পর বছর ধরে Jagannath Temple-এ।

Sightseeing in Puri:- 

 বকুল বৃক্ষ:- অর্থাত্ যবন হরিদাসের সাধনপীঠ বকুল গাছটি দেখে গম্ভীরা বা কাশী মিশ্রের ভবনে পৌঁছান। এই ভবনে নিমাই ১৫১৫ থেকে ১৫৩৩র ২৯শে জুন পর্যন্ত ১৮  বছর ছিলেন। আজও কাঁথা কমণ্ডলু ও পাদুকা পূজিত হয় শ্রী নিমাইয়ের। ব্রহ্মপুরাণে পাওয়া যায় শ্রীমন্দিরের উত্তরে শ্বেতগঙ্গায় স্নানে পুণ্যার্জন হয়। শ্রীমন্দিরের কাছেই আছে যশেশ্বর।

নরেন্দ্র সরোবর:- অক্ষয় তৃতীয়ায় নরেন্দ্র সরোবরে ২১ দিনের চন্দন যাত্রাও একটি খ্যাতনামা উৎসব। প্রতিদিন শোভাযাত্রা সহ রেপ্লিকারূপী দেবতারা(রাম-কৃষ্ণ-মদনমোহন-লক্ষ্মী-সরস্বতী-পঞ্চ শিব) আসেন শীতল হতে নরেন্দ্র সরোবরে। ২টি সুসজ্জিত বোটে জলবিহার করেন দেবতারা। বাসুদেব সার্বোভৌমের বাড়ি দেখে নিয়ে মার্কণ্ডেয়েশ্বর মন্দির ও সরোবরটিও দেখা উচিত। সরোবরের দক্ষিণে মন্দির, কথিত আছে বিষ্ণু নিমগাছ হয়ে বাস করতেন সরোবর তীরে।

লোকনাথ মন্দির:- শ্রী মন্দির থেকে ৩ কিমি দুরে লোকনাথ বা শিব মন্দির। সংলগ্ন সরোবর-দেবতা প্রায়ই জলে থাকেন। রায় রামানন্দের বাড়ি, চন্দন সরোবর দর্শন করে ১৩১৮তে তৈরি বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর সামাধি মন্দির দর্শন। উল্টো দিকে তাদের শিষ্য কুলকানন্দ ব্রহ্মচারীর সমাধি-১৩৪৫এ নির্মিত শ্রীমন্দির। নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে আঠারো নালা ও লক্ষ্মীজলা। মুটিয়া নদীর উপরে আঠারোনালা সেতুটি তৈরি হয়েছে ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে। আঠারোনালা ছিল শ্রীক্ষেত্রের প্রবেশ পথ। সে সময়ে শ্রীক্ষেত্রের শুরুও ছিল এই আঠারোনালা থেকে। সে সময়ের শিল্প-নৈপুণ্যের অপূর্ব নিদর্শন ল্যাটেরাইট ও বেলে পাথরের এই সেতু। জনশ্রুতি রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন নিজের ১৮টি ছেলেখে দেশের কল্যাণে  উৎসর্গ করেন এখানে। সেই থেকে আঠারোটি ফোকড়ও হয়েছে পাথরের সেতুটিতে।

Indradyumna Sarobar:-
Jagannath Temple-এর উত্তর-পচ্শিমে Indradyumna Sarobar-টি আর একটি তীর্থ। রাজার অশ্বমেধ যজ্ঞে দান করা সহস্র গাভীর পায়ের খুরে তৈরি হয় Sarobar-টি। Indradyumna-এর জলে স্নান ও তর্পণে পুণ্যার্জন হয় এছাড়া কচ্ছপ দেখা যায় সরোবরটিতে।

Chakratirtha:- Chakratirha-এ আছে সোনার গৌরঙ্গ দেবতা বংশীধারী কৃষ্ণের পাশে গোপাল মূর্তি। গোপাল বেশে শ্রীগৌরাঙ্গ সাধক রামানন্দ কে দেখা দেওয়ার স্মারকরূপে মন্দির। পাশেই সঙ্কটমোচন বামে গিয়ে নদীয়া গৌরাঙ্গ। উল্টোদিকে জগন্নাথ দেবের শ্বশুরবাড়ি বা দেবী লক্ষ্মীর বাবার বাড়ি, বালির চরে বড়ঠাকুর বা শনিও Chakratirtha-এ।

Saksi Gopal Temple:- সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত সাক্ষীগোপাল বা Satyabadi-এর Mandir. ভক্তের সাধনায় তুষ্ট হয়ে শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন থেকে শর্তাধীনে কলিঙ্গে এসেছিলেন সাক্ষ্য দিতে। শর্ত লঙ্ঘনে লীন হয়ে রূপ নিলেন শ্রীকৃষ্ণ মূর্তিতে। পুরী থেকে NH-203এ ১৭ কিমি উত্তরে পুরী-ভুবনেশ্বর বাসে দেখে নেওয়া যায় Saksi Gopal. পুরী-খুরদা রোডে লোকাল ট্রেন যাচ্ছে সাক্ষীগোপাল হয়ে। 

Beach Festival:- ১৯৯৩এ শুরু হয়ে প্রতি ডিসেম্বর মাসে স্বর্গদ্বার সংলগ্ন বীচে নাচ-গান-বাজনার সাথে বিভিন্ন কিছু মিলেমিশে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে Beach Festival.

Raghuram Pur:- পুরী-ভুবনেশ্বর হাইওয়ে ধরে নয় কিমি গিয়ে চন্দনপুরের কাছে ডাইনে দেড় কিমি গিয়ে রেল ক্রসিং পার হয়ে ভার্গবী নদীর তীর থেকে ডান দিকে নারকেল বাগানের ছায়পথে আরোও দেড় কিমি গিয়ে Raghuram Pur.  বিখ্যাত ওড়িশার ভাইরোলজিক্যাল পটচিত্রের জন্য। দেবতারা বলরাম-সুভদ্রা-জগন্নাথ কাপড়ের ক্যানভাসে পটচিত্রে। স্বাধীনতার আগে মুমূর্ষু পটশিল্প শিল্পরসিক হালিনা জিলির প্রেরণায় নবোদ্যামে বিশেষ ধারায় অনাসরা, পৌরাণিক তালপত্র, তসর, নারকেলের উপল আঁকছেন শিল্পীরা। ১৯৫৯এ তৈরি পটশিল্পী ডক্টর জগন্নাথ মহাপাত্ররের গুরুকুল আশ্রম বা ১৯৬৫তে সরকারি তত্ত্বাবধানে গড়া ক্রাফট কলেজ বা শিল্পীদের বাড়ি ঘর Raghuram Pur-এ। কাঠ ও পাথরের বিভিন্ন মুর্তিও তৈরি করছেন রঘুরাজপুরের শিল্পীরা।

Hotels in Puri:-
There are some hotels of Pur Information and Puri Hotels contact numbers.

পুরীর STD-06752.
Sri Sri Balananda Tirthasharam, Phone:- 228727.
Hotel Sadhana, phone: 09437625492. Hotel Pushpa, Phone:- 233144/09556609676. Hotel Vishal, Phone:- 229897/09438620567. They Benfish Tourist Lodge, Phone:- 211312. Shakuntala, Phone:- 221347. Hotel Basu, Phone:- 228586. Hotel Greenery, Phone:- 232199. Hotel Kamala Residency, Phone:- 232745. Deep Resort, Phone:- 220848. Park Beach Resort, Phone:- 226466. Hotel Park, Phone:- 224698. Puri Hotel, Phone:- 222114/223809. Pravanil Guest House, Phone:- 09861189824. Swapan Puri, Phone:- 223855. Hotel Victoria Club, Phone:- 222005/222929. Tourist Corner, Phone:- 9830258931. Hotel Sea View, Phone:- 223417. Sagarika Hotel, Phone:- 224063. Hotel Purbasha, Phone:- 254387.Hotel Sonali, Phone:- 223545. Hotel Sea Gull, Phone:- 223618. These all are cheapest hotels in puri


Holiday Home in Puri:- 
Sukriti tour & Travels, Phone:- 9433411166.
Kol District Co-Op, Phone:- 22108071/2248001.
Kol Reserve Bank Emp Co-OP Ce Society, Phone:- 22104808.
Shipping Corpn. Co-OP Cr Society, Phone:- 22543400.
Syndicate Bank Staff Re Club, Phone:- 9038424154.
Bank of Baroda Emp Asson, Phone:- 22306076-78

How to go Puri :- 
সরাসরি ট্রেন যাচ্ছে কলকাতা থেকে পুরী, শ্রীজগন্নাথ এক্সপ্রেস, পুরী এক্সপ্রেস, গরিবরথ এক্সপ্রেস, ধৌলী এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরী-শতাব্দী এক্সপ্রেস,  পুরী-দীঘা এক্সপ্রেস, হাওড়া-ভুবনেশ্বর এক্সপ্রেস, জনশতাব্দী এক্সপ্রেস সহ দেশের বিভিন্ন জংশন রেল স্টেশন থেকে ট্রেন যাচ্ছে পুরী ভুবনেশ্বর।
বাস:- কলকাতার শহীদমিনার থেকে ORTর বাস, তালতলা থেকে হিজলী কো-অপারেটিভের বাস যাচ্ছে Puri। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...