Translate into your language

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০

Sandakaphu : Sandakaphu tour / সন্দকফু ভ্রমণ গাইড

এভারেস্টের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য সিঙ্গলীলা পর্বতের Sandakaphu র আবেদন অনস্বীকার্য। Sandakaphu র সূর্যোদয় অবর্ণনীয়।সোনালী সূর্য রঙবাহারি সাজে সজ্জিত করে হিমেল হিমালয়কে। সোনা রঙে কাঞ্চনজঙ্ঘা ঝিকমিকিয়ে ওঠে। পথ চলে গিয়েছে প্রাকৃতিক জ্যুলজিক্যাল ও বোটানিক্যাল গার্ডেনের মধ্যে দিয়ে। লোলি গুরাস, ম্যাগনোলিয়া, পাইন ও সিলভার ফারে ঘেরা এ রাস্তায় জানা-অজানা ৬০০রও বেশি প্রজাতির পাখির কাকলি ক্লান্তি ঘুচিয়ে দেয়। চড়াই-উতরাইয়ের সমাহারে, বন্ধুর এ পথ চলা মাঝে চমরী গাইয়ের দেখা পাওয়াও যায়। 
How to go Sandakaphu:- 
দার্জিলিং থেকে শেয়ার ট্যাক্সি বাসে গেটওয়ে অফ সন্দকফুর মানেভনজং পৌঁছাতে হবে। এখান থেকেই ট্রেক শুরু হয়। দার্জিলিং থেকে বাসে ঘুম-লেপচা জগৎ-সুখিয়াপোখরি হয়ে ২৭ কিমি দুরে ২১৩৪ মিটার উচুতে manevanjan। দার্জিলিং-রিম্বিক বাসও যাচ্ছে ঘুম-সুখিয়াপোখরি-manevanjan হোয়ে। সরাসরি যাত্রায় NJP থেকে ধোত্রে বা রিম্বিক যাওয়া যায় সুমো/মার্শাল/জিপে।
ল্যান্ডরোভার যাচ্ছে দার্জিলিং থেকে পাঁচ-সাড়ে পাঁচ ঘন্টায় Sandakaphu। আবার NJP থেকে মানেভনজং-এ গাড়ি বদল করে Sandakaphu ও falut যাচ্ছে ল্যান্ডরোভার।

How to go Sandakaphu :- 
Manevanjan:- পূর্বদেশের লোকেদের বাস  Manevanjan এ। Manevanjan দোকানপাট, বাড়িঘর, হোটেল-লজ-রেস্তোরা, চোর্তেন মন্দির নিয়ে গড়ে উঠেছে। Manevanjan-এর আকাশে অশুভ আত্মার পরিত্রাতা লংদার। মানেভনজং থেকে ট্যাক্সিতে সুখিয়া ও জোড়পোখরি ঘুরে নেওয়া যায়। মিরিকের পথ চলে গেছে সুখিয়া হয়ে। পরের দিন আট কিমি চড়াই ভেঙে ২৮৯৫ মিটার উচু নেপালি গ্রাম মেঘমা।

Meghma:- Meghma য় চায়ের দোকান, হোটেল লজ সহ প্রাচীন এক বৌদ্ধ মনাস্ট্রি আছে। রাত্রিতে থাকার জন্য ঘর পাওয়া যায় Meghma য়। Meghma থেকে গাড়ির পথ গিয়েছে ৩০৭০ মিটার উচু Tonglu তে।

Tonglu:- সারা দার্জিলিং পাহাড় সহ উত্তরের কাঞ্চনজঙ্ঘার শৃঙ্গরাজি সুন্দর দেখা যায় Tonglu থেকে। এখানে ট্রেকার্স হাট, ডি আই বাংলো, ইয়ুথ হোস্টেল রয়েছে। Tonglu র ৪ কিমি আগের ধোত্রে থেকেও কাঞ্চনজঙ্ঘা সুন্দর দেখা যায়। তবুও Tongluতে না গিয়ে Meghma থেকে বাম দিকের রাস্তা ধরে ২ কিমি দুরের Tumling হয়ে আরোও ৩ কিমি দুরের জৌবাড়িতে দুপুরের খাওয়া দাওয়া। রাতে থাকার ব্যবস্থাও আছে জৌবাড়ি, তুমলিং-এ। কিন্তু আরোও নিচে নেমে ২৬৮২ মিটার উচু গৈরিবাসে রাত্রিযাপন। 
কালপোখরি:-  গৌরিবাস থেকে তৃতীয় দিনে দুই কিমি চড়াই ভেঙে কৈয়াকাটায় চা-চক্র। তারপর আবার ৪ কিমি চড়াই পেরিয়ে ৩১৭০ মিটার উচ্চতায় কালপোখরি।

Kalipokhri :- স্থানীয়দের কাছে খুবই পবিত্র এই কালো জলের পুকুর। থাকাও যেতে পারে এই কালনাগের বাসস্থানে। রয়েছে বিভিন্ন হোটেল ও লজ এখানে। কালপোখরি থেকে ৪ কিমি দুরে বিকেভঞ্জন। বিকেভঞ্জনেও রয়েছে লজ। বিকেভঞ্জন থেকে সন্দকফু আরোও তিন কিমি দুরে। শেষ চার কিমিতে অজেয় চড়াই পার হতে হয়, সিলভার ফার, জায়েন্ট ব্যাম্বু, ট্রি ফার্ন, ম্যাপেল, ওক, বার্চ, রডোডেনড্রন, ম্যাগনোলিয়া সহ অর্কিডের ঘন অরণ্যের মধ্য দিয়ে। বিভিন্ন জানা-অজানা পাখপাখালি, রেডপান্ডা, ধূসর রঙা চিতা, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার সহ দেখা পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরণের বন্যদেরও।

ফেরার পথ:- কালপোখরি রাস্তায় ২ কিমি চড়াইয়ে উঠে পাকদণ্ডির রাস্তা ধরে উতরাইতে নেমে ১৬ কিমি দুরের রিম্বিক পৌঁছান। গাইড ছাড়া পথ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রিম্বিকে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু না থাকতে চাইলে আরো ২ কিমি উতরাইতে নেমে ২২৮৬ মিটার উচু রিম্বিক বাজারে থাকা যেতে পারে। গুম্বাদাড়া বাসস্ট্যান্ডেও বিভিন্ন হোটেল ও লজ রয়েছে।

রিম্বিক:- রিম্বিক থেকে দার্জিলিং শহর ও বরফ ঢাকা নওলেখ সুন্দর দেখা যায়। পাহাড় ঘেঁষে বাড়িঘর, জনপদ, সহ এলাচ, আদা, আলু, কুয়াস বাগান। রিম্বিক থেকে সমতলে ঝেপি হোয়ে ৭ কিমি ট্রেক করে অথবা জিপে শ্রী নদীর তীরে শিরিখোলা।

শিরিখোলা/শ্রীখোলা:- ১৯০০ মিটার উচ্চতায় সবুজ পাহাড় ভেঙে বয়ে চলেছে শ্রীখোলা নদী। ওক, বাচ, উতিশ, গাছের ডালে ডালে হাজার পাখির কলকাকলি ও শ্রীখোলার কলতানে নীলাকাশ মিলেমিশে মায়াবী পরিবেশ। রয়েছে থাকার জন্য বিভিন্ন হোটেল ও লজও। গুরদুম হয়ে সন্দকফুর দুরত্ব ১৩ কিমি শ্রীখোলা থেকে। ৪র্থ দিন দেড় কিমি উতরাই নেমে গুম্বাদারা থেকে বাসে বা শেয়ার জিপে দার্জিলিং পৌঁছান যায়। পরিস্থিতি অনুকূল না হলে মেঘমা/জৌবাড়ি/কালপোখরিতে রাতে থাকা যেতে পারে। দার্জিলিং থেকে বাসে লোধামা পৌঁছেও পায়ে হেঁটে গৈরীবাস হয়ে সন্দকফু যাওয়া যেতে পারে। রিম্বিক থেকে লোধামা হয়ে ১৭ কিমি দুরের ১৬২৪ মিটার উচু ঝেপি পৌঁছে রাতের বিশ্রাম নিয়ে আবার ৮ কিমি গিয়ে বিজনবাড়ি রাত কাটিয়ে আরো ৮ কিমি সিংথাম ফটক হয়ে দার্জিলিং পৌঁছানো যায় হেঁটে। বিজনবাড়ি থেকে ঘুম হয়ে দার্জিলিং-এর গাড়ি পাওয়া যায়। 

Sandakaphu to Phalut Trekking :- 
সন্দকফু থেকে ২৩ কিমি দুরে ৩৬০০ মিটার উচ্চতায় খোলা ছড়ানো নেড়া পাহাড় মানে ফালুট। এই পথে পড়ে ঘন সবুজ উপত্যকা সামানদেন। জিপ যাচ্ছে সন্দকফু থেকে ফালুট। সন্দকফু থেকে ঘন্টা পাঁচেকে মোলে পৌঁছে রাতের বিশ্রাম। ফালুট দেখে ঘন্টা ছয়েকে গোর্কে পৌঁছে রাতের বিশ্রাম। গোর্কে থেকে ১ ঘন্টা চড়াই বেয়ে ফালটু টপ বা সানরাইজ পয়েন্ট। সান রাইজ পয়েন্ট থেকে রিম্বিক পৌঁছান ঘন্টা সাতেকে পরের দিন। 

সিকিমের জোরথাং-রিবদি হয়ে বাস ও জিপ পাওয়া যায়। রিবদি থেকে ট্রেক করে ৮ কিমি দুরে গোর্কে, আরোও এক কিমি পাহাড় চড়ে সামানদেন হয়ে যাওয়া যায় ফালুট। চড়াই উতরাই পথে আট কিমি দুরে সিকিমের রিবদি পৌঁছে জিপে বা বাসে জোরথাং হোয়ে শিলিগুড়ি/গ্যাংটক/পেলিং যাওয়া যায়। সন্দকফু থেকে ৩ কিমি উতরাইয়ে সমতল পথ ধরে চলতে গিয়ে শেষ ৫ কিমিতে হালকা চড়াই চড়তেই ফালুট। 

ফালুট:- পচ্শিবঙ্গ-সিকিম-নেপালের মিলনস্থল ফালেলুং। হিমালয়ের হিমেল সৌন্দর্য উপভোগ করার আকর্ষণই ফালুটের মুখ্য উদ্দেশ্য। ফালুটের টপ থেকে ১৪৪ কিমি দুরের কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ রূপমাধুরী বিমোহিত করে। মেঘ মুক্ত দিনে ফালুট থেকে উত্তর-পচ্শিমের হিমালয় দৃষ্টি তৃপ্তি দেয়। 


মানেভনজং থেকে সন্দকফু ট্রেক প্লান ৪ রাত মানেভনজং-তুমলিং-কালপোখরি-সন্দকফু -সেপি।

Sandakaphu trek Plan 4 N 4 D

প্রথম দিন:-
1)গাইড প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১০০০টাকা।
2) পথের জন্য কিছু শুকনো খাবার খরচ- ২০০ থেকে ৩০০টাকা।
3) সিঙ্গলীলা ন্যাশনাল পার্কের এন্ট্রি টিকিট জন প্রতি ২০০টাকা।
4) ক্যামেরা খরচ একটি ১০০টাকা।
5) দেড় ঘন্টায় ২৫৫০ মিটার উচ্চতায় চিত্রাতে পৌঁছে চা বা কফি জনপ্রতি ২০টাকা।
6) সেখান থেকে লামেধুর পৌঁছে বিকালে চা বা কপি ১০ টাকা জনপ্রতি।
7) লামেধুর থেকে মেঘমা হোয়ে তুমলিং-এ প্রথম দিনের যাত্রা শেষে রাত্রিযাপনের ঘর ভাড়া ৬০০ থেকে ৮০০টাকা+ রাতের খাবার ৮০ থেকে ১০০টাকা+ শরীর গরম রাখতে তোংবা খেতে পারেন হাফ পট ৫০টাকা।
প্রথম দিনের মোটখরচ=
১০০০÷৪=২৫০+৩০০+২০০+১০০+২০+১০+৮০০÷৪=২০০+৮০+৫০= ১২১০ টাকা।

দ্বিতীয় দিন:-1) সকালের টিফিন ১০০ টাকা
2) ঝাউবাড়ি ঘন্টা খানেকে পৌঁছে আবার টিফিন ৫০টাকা।
3) ঝাউবাড়ি থেকে গৌরিবাস হয়ে কাইয়াকাটা পৌঁছে দুপুরের খাবার ৬০ থেকে ১০০টাকা।
4) ঝাউবাড়িতে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার পর ১১ কিমি দুরের কালাপোখরি পৌঁছে রাত্রিযাপন জন প্রতি ২৫০টাকা, চা ১৫টাকা, রাতের খাবার ২০০টাকা।

দ্বিতীয় দিনের খরচ: ১০০০÷৪= ২৫০+১০০+৫০+৬০+২৫০+১৫+২০০= ৯২৫ টাকা।

তৃতীয় দিন:- কালপোখরি থেকে সন্দকফু ৬ কিলোমিটার। সকালের চা ১৫ টাকায় খেয়ে রওনা। ১ ঘন্টা পর বিকেভঞ্জনে ৩২৮০ মিটার এসে সকালের ব্রেকফাস্ট ৮০ টাকা জনপ্রতি। মানেভনজং থেকে ২ ঘন্টায় সন্দকফু পৌঁছান দুপুরে পৌঁছে ঘুরে দেখুন অথবা বিশ্রাম নিন। দুপুরের খাবার ২০০টাকা। রাত্রিযাপন জনপ্রতি ২২০+খাওয়া ২০০+ গাইডের থাকা-খাওয়া ৪২০টাকা।

তৃতীয় দিনের খরচ:- ১০০০÷৪= ২৫০+ ১৫+৮০+২০০+২২০+২০০+৪২০= ১৩৮৫ টাকা।

চতুর্থ দিন:- সন্দকফু থেকে ১০ কিমি দুরে গুুুুরদুম। গুরদুমে লাঞ্চ কাম ব্রেকফাস্ট ১০০টাকা এবং গুরুদুম থেকে শ্রীখোলা। শ্রীখোলাতেই ট্রেক শেষ। শ্রীখোলা থেকে সেপিতে এসে চা ১০টাকা, রাতের খাবার ২০০টাকা, রাত্রিযাপন ২০০টাকা।
চতুর্থ দিনের খরচ:- ১০০০÷৪=২৫০+১০০+১০+২০০+২০০= ৭১০ টাকা

মানেভনজং থেকে সন্দকফু ট্রেক খরচ:- ১৩৮৫+৯২৫+১২১০+৭১০= ৪২৩০ টাকা + (ট্রেকিং সরঞ্জাম ভাাড় ১৬০০+ সেপি থেকে দার্জিলিং যাওয়া খরচ ৩০০টাকা+খাওয়া খরচ ২১০টাকা) 


* সেপি থেকে দার্জিলিং-এর শেয়ার জিপ জনপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৫০টাকা, চার ঘন্টায় দার্জিলিং-এ এসে ব্রেকফাস্ট ২১০টাকা। দার্জিলিং থেকে আড়াই ঘন্টায় শিলিগুড়ির শেয়ার জিপে ১৫০ টাকায়।

শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং শেয়ার জিপে ১৫০ টাকা। মানেভনজং-এ একরাত থাকতে হতে পারে থাকা-খাওয়া ৫০০টাকা। ট্রেকিং সরঞ্জাম মানেভনজং থেকে পাওয়া যায় ভাড়া প্রতিদিন ৪০০টাকা। চারদিনের সরঞ্জাম ভাড়া ১৬০০টাকা।

শিলিগুড়ি থেকে সন্দকফু ট্রেকিং খরচ:- ৪২৩০+৩০০+২১০+১৫০+১৫০+৫০০+১৬০০= ৭১৪০টাকা।

সন্দকফু কোথায় অবস্থিত?
সন্দকফু ভারতের পচ্শিবঙ্গ রাজ্যের, পচ্শিবঙ্গ-নেপাল সীমান্তে অবস্থিত।

সন্দকফুর উচ্চতা কত?
সন্দকফুর উচ্চতা ১১৯৩০ ফুট।

Sandakaphu tour by car :- 
মানেভনজং থেকে ল্যান্ডরোভারে বা দার্জিলিং থেকে ল্যান্ডরোভারে ঘন্টা পাঁচেকের সন্দকফু ভ্রমণ প্যাকেজ খরচ ৪০০০ থেকে ৪৫০০ টাকা এক রাত্রি অবস্থানে।

সন্দকফুতে থাকার হোটের ও লজ ব্যবস্থা:- 
তিনটি ট্রেকার্স হাট, যোগাযোগ পর্যটন দপ্তর, ফোন:- 0354-2255351. ইয়ুথ হোস্টেল, ফরেস্ট বাংলো, যোগাযোগ ডিভিশন ম্যানেজার, ডব্লিউ বি এফ ডি সি, দার্জিলিং। থাকার বিভিন্ন রকমের ঘর পাওয়া যায় ট্রাভেল কে আর থেকে, যোগাযোগ 9830132103. তবে পি ডব্লিউ ডি, ডি আই বাংলো সন্দকফুতে থাকার পক্ষে উপযুক্ত। যোগাযোগ ডেপুটি কমিশনার, দার্জিলিং ইমপ্রুভমেন্ট ফান্ড ডিপার্টমেন্ট, দার্জিলিং। এছাড়াও নানান প্রাইভেট লজ আজে সন্দকফুতে।

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০

Mirik : মিরিক ট্যুর / Mirik Tourist Spots

Mirik:- 
দার্জিলিং থেকে মিরিকের দুরত্ব ৪৯, ঘুম থেকে দুরত্ব ৪১, কার্সিয়াং থেকে ৪৬, বাগডোগরা থেকে ৫৫ এবং শিলিগুড়ি থেকে Mirik এর দুরত্ব ৫২ কিমি। মিরিকের আবহাওয়া মনোরম, দার্জিলিংয়ের মত হিমশীতল নয়। temperatures of Mirik গ্রীষ্মে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শীতে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৭৯তে দার্জিলিংয়ের ভিড় এড়িয়ে শৈল সৌন্দর্য উপভোগ করতে নতুন করে তৈরি হয় Mirik Hill Station।  দার্জিলিং-র দক্ষিণ-পচ্শিমে সিঙ্গলীলা পাহাড়ের বুকে ১৭৬৭ মিটার উচ্চতায় আগুনের শহর Mirik Valley। মিরিকের মূল আকর্ষণ পাহাড়ি ঝোরা, বর্ষার জলে পুষ্ট লেক। লেকের জলে প্রতিফলিত কাঞ্চনজঙ্ঘা। প্যাডল, রোয়িং, স্পিডবোটে বোটিং-এর ব্যবস্থাও আছে Mirik এ। লেকের জলে মাছেদের জলক্রীড়া, পাড়ে মনোরম বাগিচা। পচ্শিম পাড়ে সুউচ্চ পর্বতমালার ঢালে কমলা, এলাচ, অর্কিড সহ পাইনের ঘন সবুজ অরণ্য। সামেন্দু লেক রেখে পাহাড় চড়ে রামিতেদাঁড়া থেকে সোনালী-সাদা কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিষন সুন্দর দৃশ্যমান। সূর্যাস্ত-সূর্যোদয় এবং উপত্যকা উপভোগ করা যায় রামিতেদাঁড়া থেকে। মিরিকের পানীয় জল আসছে রাইধাপ থেকে। দার্জিলিং-এর কমলা লেবুর বেশির ভাগই মিরিকে উৎপাদিত হয়। বিখ্যাত চা বাগিচা খার্বোও এখান থেকে দুই কিলোমিটার দুরে। উল্টো দিকে দেবী সিংহলীলার মন্দির। বাসস্ট্যান্ডের বিপরীতে মিরিক গুম্ফা। Mirik থেকে ১১ কিমি দুরে নেপালের পশুপতি নগরে বিদেশী পণ্যের পসরা সাজিয়ে দোকানিরা। দার্জিলিং-ঘুম-মিরিকের রাস্তায় পচ্শিবঙ্গ-সিকিম-ভূটান সীমানায় ১০৫০০ ফুট উচ্চতায় জোড়পোখরি। কংক্রিটের পাঁচ-ফণার নাগরাজ কে ঘিরে পুকুরে রাজহাঁসের জলকেলি অনন্য। নেওড়া ভ্যালির সর্বোচ্চে মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির সঙ্গে বরফাবৃত হিমালয়ের রূপ বিমোহিত করে। সন্দকফুর যাত্রীরা যাচ্ছে ঘুম-জোড়পোখরি-সুকিয়াপোখরি-মানেভনজং হয়ে। দোকানপাট, থানা, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস নিয়ে জমজমাট সুখিয়াপোখরি। চাড়াই বেয়ে পথ উঠে গেছে সুখিয়া থেকে জোড়পোখরির। পথেই পড়ে লেপচা জগৎ। বামে সিকিম, সামনে দার্জিলিং, কাছেই সুখিয়া। রাতে দার্জিলিংয়ের আলোকসজ্জা পুলকিত করে। কাঞ্চনজঙ্ঘাও দেখা যায় লেপচায়। দলছুট মেঘেরে ভেসে বেড়ায়। মেঘ-বৃষ্টি-রোদ্দুর লুকোচুরি খেলে। পাখিদের কলতান মিলেমিশে যায় প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধে ভাসে মন।

ছোট্ট অবকাশযাপনের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ Mirik। দার্জিলিং বা শিলিগুড়ি থেকে এক দিনেই ঘুরে নেওয়া যায় Mirik। দার্জিলিং থেকে সকালে মিরিক ঘুরে শিলিগুড়ি ফিরে যাওয়া যায়।

How to go Mirik:-
শিলিগুড়ি তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস যাচ্ছে আড়াই ঘন্টায়। মিরিকের সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর বাগডোগরার দূরত্ব ৫২ কিমি এবং নিউ জলপাইগুড়ি-সবচেয়ে কাছের রেলওয়ে স্টেশন।
মিরিক থেকে অল্পসংখ্যক বাস শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং যাতায়াত করে। মিরিক থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত শেয়ার টাক্সি চালু আছে। দার্জিলিং মোটর স্টান্ড থেকে মিরিকের কৃষ্ণনগর(Mirik Lake এর ঠিক পাশেই) পর্যন্ত শেয়ার টাক্সি চালু আছে। এটি Mirik tour and Travels দ্বারা পরিচালিত। মিরিকের মধ্যেও ভ্রমণ করার জন্য শেয়ার টাক্সি চালু আছে। Mirik Lakeথেকে Mirik Bazar পর্যন্ত।
Places to visit in Mirik :- 
Sumendu Lake- এই লেকটির উপর দিয়ে একটি ৮০ ফুট দীর্ঘ সাঁকো রয়েছে। লেকের জলে বোটিং ছাড়াও টাট্টু ঘোড়ায় চেপে লেকের চারপাশ ঘুরে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।

Rameetay Dara :-  শহরের কাছে অবস্থিত এই ভিউ পয়েন্ট থেকে চারপাশের পাহাড় ও বিস্তর্ণ সমভূমি অঞ্চল সুন্দর ভাবে দেখা যায়।

Bokar Ngedon Chokhor Ling Monastery:-বৌদ্ধধর্ম চর্চার কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত বোকারো গুম্ফা রামিতেদারা যাওয়ার রাস্তায় পড়ে।

Raidāk :-  এটি একটি পিকনিক স্পট এবং সমগ্র মিরিকের পানযোগ্য জলের অন্যতম উৎস।

Debistan :- হিন্দু দেবীর মন্দিরটি সুমেন্দু লেকের পাশেই টিলার উপরে অবস্থিত।

Tingling View Point :-  ৩৬০ ডিগ্রী প্যানারমিক ভিউ পাওয়া যায় এখান থেকে চা-বাগিচাগুলির।

Mirik Busty Orange Garden, Mirik :- মিরিক বস্তি, মুরমা ও সৌরেনি বস্তি অঞ্চলে কমলালেবুর বাগান গুলো অবস্থিত এবং মিরিক উৎকৃষ্ঠ মানের কমলালেবু উৎপাদন করে।

Archid Garden Mirik :- আন্তর্জাতিক মানের সিমবিডিয়াম চাষের জন্য মিরিকের জলবায়ু খুবই উপযোগী এবং মিরিকের রাতো মেটে একটি সিমবিডিয়াম অর্কিডের বাগান রয়েছে যার নাম "দার্জিলিং গার্ডেন্স প্রাইভেট লিমিটেড"।

Jayanti Nagar- এই অঞ্চল ইকোট্যুরিজমের একটি জনপ্রিয় অঞ্চল এবং ইকোট্যুরিজম কে এই অঞ্চলে উৎসাহিত করা হয়।

Pasupati Nagar:- নেপালের সীমান্তবর্তী এই অঞ্চল  জামাকাপড়, ইলেকট্রনিক্স এবং ঘরোয়া সামগ্রীর  বাণিজ্যিক কেন্দ্র।


Swiss Cottage :- শহরের ভিড় থেকে দূরে মিরিকের সর্বোচ্চ উচ্চতায় তৈরি এটি একটি খুবই সুন্দর লজ।

Hotel & Lodge in Mirik:-

STD of Mirik- 0354.

1) Mirik Tourist Lodge, Call:- 2243371.

2) Tourist Hostel, Call:- 2255351/2254879.

3) Hotel Sadbhawana, Call:- 9126009163.

4) Hotel Mchlung, Call:- 2243300.

5) Elegant, Call:- 22107954.

6) Diamond, Call:- 22259639.

7) Ashirbad Lodge,  Call:- 2243272.

8) Parijai Lodge, Call:- 9932370915.


বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০

দার্জিলিং ভ্রমণ:- Darjeeling / Darjeeling tour plan

Darjeeling :-
কলকাতা থেকে ৬৬৩ আর শিলিগুড়ি থেকে ৮০ কিমি দুরে ৭১০০ ফুট উচ্চতায় বাঙালির প্রিয়তমা দার্জিলিংয়ের অবস্থান। রূপের রানির অপরূপ শোভাবর্ধনে আনচান করে মন। শুধুই মনে হয়, "কবে যাবো কবে পাবো ওগো তোমার নিমন্ত্রণ"। মেঘেরা এসে জানালায় প্রেমরাগে ফিসফিসায়, "কানে কানে বলি আমি শোনো বারবার, তোমার যে ভালোবাসি বলছি আবার"। সামনেই চির সবুজ পরিমণ্ডিত সুমহান কাঞ্চনজঙ্ঘা শুভ্র তুষারাচ্ছাদিত, সকালের সূর্য কিরণে উদ্ভাসিত সোনালী রশ্মিচ্ছটায়।

Perfect time to visits Darjeeling :- 
General weather of Darjeeling is..
এপ্রিল-মে মাসে বৃষ্টি হঠাত্ হঠাত্ বাধার সৃষ্টি করলেও ম্যাগনোলিয়া ও রডোডেনড্রন ফুলেরা প্রেমের বাসর সাজায়। জুন থেকে সেপ্টেম্বরে মেঘ, অতি বৃষ্টি সহ ধ্বস নামতে পারে পাহাড়ে, বন্ধ  হয়ে যেতে পারে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে বৃষ্টিতে মিষ্টি লাগে পরিবেশ, বনভূমি আর শৈলমালায় মেঘ জড়িয়ে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের প্রথম দিকে গগনবিহারী মেঘেদের আনাগোনা। অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পরিস্কার স্বচ্ছ আকাশ ও শীতের প্রকোপ থাকে এবং ডিসেম্বরে বরফ পড়তেই পারে দার্জিলিং-এ। perfect time for Darjeeling tour এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত। Temperatures of Darjeeling শীতে ১ ডিগ্রি থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও গ্রীষ্মে ৮ ডিগ্রি থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস Darjeeling Temperature ওঠানামা করে। 

 places to visit in Darjeeling :-

Lalkuthi:- ১৯ শে মে ১৯৮৯-এ Darjeeling Gorkha Hill Council-এর সদর দপ্তর তৈরি হয়েছে কোচবিহারের মহারাজার একসময়ের গ্রীষ্মাবাস Lalkuthi তে। কুঠিরে প্রবেশ অবারিত না হলেও সুন্দর সাজানো গোছানো Darjeeling এর Lalkuthi চত্বর ঘুরে দেখা যায়। চারিদিকে পাহাড়ি ঢাল জুড়ে বাড়িঘর, দূরে বহুদূরে পথ চলে গেছে এঁকেবেঁকে। গান্ধী রোডের শেষে, আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু রোড গিয়েছে Lalkuthiতে।


Nipponzan Myohoji Tenple:- লালকুঠির পথেই আরো কিছুটা গিয়ে শহর থেকে ৫ কিমি দুরে ১৯৭২-এ জাপানি বৌদ্ধদের তৈরি Nipponzan Temple থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা সুন্দরভাবে দেখা যায়। কিছুটা দুরে শান্তি স্তূপও হয়েছে। কার্ট রোড রেখে ম্যালের দিকের রাস্তায় মাউন্ট এভারেস্ট হোটেলের নিচে তেনজিং নোরগের বাড়িটিতে মিউজিয়াম তৈরি হয়েছে।

Ropeway:- চা বাগানের উপর দিয়ে রঙ্গিত নদী পার হোয়ে ৮ কিমি দীর্ঘ রঙ্গিত উপত্যকায় ভারতের প্রথম যাত্রী রোপওয়ে তৈরি হয় darjeeling-এ। ছয় যাত্রীর ১২ কেবিনের রোপওয়েটি বর্তমান ৫ কিমি দুরের TUK Bar-এর সাথে যোগাযোগ তৈরি করেছে Darjeeling এর। রোপওয়ে স্টেশন Singmari পর্যন্ত বাস যাচ্ছে শহরের বাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে। পথেই পড়ে স্নো লেপার্ড ব্রিডিং ফার্ম, ৯ থেকে ১১টা ও ২ টো থেকে ৪টের মধ্যে ফার্মটি দেখে নেওয়া যায়। আর পর্যটন মরশুমে সাদ নিয়ে নেওয়া উচিত হবে, Darjeeling-Ghum-Darjeeling Joy Ride-এর।

Tiger Hills:- উদিত সূর্যের ডোরাকাটা আলোক বিচ্ছুরণ থেকেই  Tiger Hill  নাম। Darjeeling Town থেকে ঘুম পার হয়ে, জোরবাংলো থেকে ১২ কিমি দুরে ২৫৯০ মিটার উচ্চতায় Tiger Hill। যাত্রীরা আসে দেশ বিদেশ থেকে হিমালয়ের এই রোমাঞ্চকর যাদুঘরে। যেখানে আলোকচিত্র শিল্পী সূর্য, প্রতিমুহূর্তে রঙ বদলিয়ে রঙিন ছবি এঁকেই চলে বিরামহীন ভাবে। মেঘহীন দিনে Mount Everest দৃশ্যপটে চলে আসে। এখান থেকে ৬৪ কিমি দুরের ৫ শিখরের Kanchanjangha -য় প্রতিফলিত হয় সূর্য। জিপ যাচ্ছে ঘন্টায় ঘন্টায় Darjeeling Town থেকে। যাত্রীর  খোঁজে হোটেল হোটেলে আসেন জিপের মালিকেরা।

Senchal Lake:- দার্জিলিং শহরে জলের যোগান দেয় ১০ কিমি দক্ষিণ-পূর্ব দিকের কৃত্রিম লেক Senchal। Ghum Rail Station থেকে ২ কিমি দুরের Senchal Lake কে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে ভার্জিন ফরেস্ট Senchal Wildlife Sanctuary, ১৯১৫ সালে। ওক, কাপাসি, কাটুস, কাওলার জঙ্গলে বার্কিং ডিয়ার, বন্য শূয়োর ও কালো ভাল্লুকের বসবাস  Senchal Wildlife Sanctuary তে। এখানেই বিশ্বের সর্বোচ্চে গলফ কোর্স তৈরি হয়েছে।

Batasia Loop:- Tiger Hill থেকে সূর্যোদয় দেখে ফেরার পথেই দেখে নেওয়া যায় Batasia Loop. ঘুম থেকে ৩ কিমি আর শহর থেকে ৫ কিমি আগে রেল পথ কে বিস্ময়কর ভাবে ঘুরিয়ে তোলা হয়েছে এই Loop এ। এই Loop থেকে শহর ও কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের, সাক্ষী হয়ে গেঁথে থাকে পর্যটকদের হৃদয়ে।

Ghum Monastery:- শহর থেকে ৮ কিমি দুরে, শিলিগুড়ি/ কালিম্পং/ দার্জিলিং রাস্তার ত্রিমোহিনীতে মেঘাচ্ছন্ন মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ঘুম রেল স্টেশনের নিচে বাজার ছাড়িয়ে ২৫৫০ মিটার উচ্চতায় গেলুগ-পা সম্প্রদায়ের তিব্বতীয় বুদ্ধিস্ট মনাস্ট্রিটি হল Ghum Monastery.

Mall Darjeeling:- অবজারভেটরি হিলের সামনে, চৌরাস্তায় শহরের কেন্দ্রস্থলে পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন পসরা সাজিয়ে তৈরি হয়েছে Mall। ঘোড়া চলছে যাত্রী নিয়ে। দুরে নিরবে দাঁড়িয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা প্রাচীরের মতো। চৌরাস্তার সামান্য দক্ষিণ দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম বিস্ময়কর কাঞ্চনজঙ্ঘা চলে আসে দৃষ্টিরেখাকে উল্লসিত করে Mall Darjeeling থেকে।

Observatory Hill:- ম্যালেরই কাছাকাছি Obseevatory Hill। এর আকর্ষণের প্রধান কারণ কাঞ্চনজঙ্ঘার শোভা দর্শন। পূবে দার্জিলিং শহর সহ রাতে কালিম্পং-এর আলোকসজ্জাও দেখা যায় observatory hill থেকে। অবজারভেটরি হিলের অন্য আর একটি আকর্ষণ মহাকাল গুহা। ভুটিয়া মনাস্ট্রি ১৯ শতকে ধ্বংস হওয়ার পর, শিব মন্দির তৈরি হয়েছে। কিছুটা দুরে ব্রিটিশদের তৈরি করা জিমখানা ক্লাবটি আজ জীর্ণ। এর নিচে ম্যাল থেকে মিনিট ৩ থেকে ৪এর দুরত্বে ন্যাচারাল হিস্টরি মিউজিয়াম। বৃহস্পতিবার ছাড়া ১০টা থেকে ৪ টে পর্যন্ত খোলা থাকে মিউজিয়াম। বুধবারে খোলা থাকে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। মথ, প্রজাপতি, সরীসৃপ, পাখি ছাড়াও চার হাজারেরও বেশি মৃত জীবের জীবন্ত রূপ দেখে নেওয়া যায় এখানে। চৌরাস্তা থেকে পথ নেমে গেছে তিব্বতীয় ভূটিয়া বস্তির।

Step Aside:- ভুটিয়া বস্তির রাস্তাতেই তিন মিনিটের দুরত্বে Step Aside। ১৬ই জুন ১৯২৫, মৃত্যু হয় Step Aside এ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের। ভাওয়ালের রাজা চক্রান্তের শিকার হয়ে বিষক্রিয়ায় জর্জরিত হয় এই বাড়িতে। আরও যেতে রয় ভিলা। ভগিনী নিবেদিতার জীবনাবসান ঘটে ১৩ই অক্টোবর ১৯১১তে রয় ভিলায়। রামকৃষ্ণ মিশন নিবেদিতা এডুকেশন অ্যান্ড কারচারাল সেন্টার গড়ে উঠেছে।

Tibetan Refugee Self-Help Centre:-  রয় ভিলারই পথে মিনিট ১৫ থেকে ২০র মিনিটে চীনের তিব্বত দখলের পর দলাইলামার সঙ্গে চলে আসা  উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন দিতে ১৯৫৯ সালে তৈরি হয় এই Tibetan Refugee Self-Help Centre। কার্পেট, পশমের পোশাক, উড কার্ভিং, থঙ্কাস, তিব্বতীয় মুদ্রা ছাড়াও নানান কিছু হাতের কাজ দেখার ও কেনার সুযোগ পাওয়া যায় এই Self-Help Centre-এ। 

Bhutia Monastery:- জলাপাহাড়ের রাস্তায় ইয়ুথ হোস্টেল রেখে ১৭৬৫তে তৈরি Bhutia Monastery। ১৮১৫য় নেপালিরা লুটপাটের সাথেসাথে ধ্বংস করে Monastery। ১৮৬১তে নতুন করে মনাস্ট্রি তৈরি হয় সেন্ট অ্যান্ড্রুজ চার্চের পাশে। সিকিমের ফোদং থেকে স্থানান্তর ঘটে ১৮৭৯তে Bygmapa Sect-র এই মনাস্ট্রি।

Tenzing Norgay Mountaineering Institute:-
১৯৫৪ সালে হিমালয়ান Himalayan Mountaineering Institute নাম বদল করে হয় Tenzing Norgay। পাহাড়ে চড়ার শিক্ষা ও সাজ সরঞ্জামের সাথে এভারেস্ট সহ বিভিন্ন শিখর অভিযান পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হয়েছে ইনস্টিটিউটের Everest Museum এ। উদ্ভিদ ও প্রাণীর সংগ্রহও উল্লেখ্য এই মিউজিয়ামে। নেপালের মহারাজা কে দেওয়া এডলফ হিটলারের উপহারিত টেলিস্কোপে চোখ রেখেও কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করা যায় Tenzing Norgay Mountaineering Institute এর Museumথেকে
তেনজিং নোরগে রকে শিখে নেওয়াও যায় পাহাড়ে চড়ার কলাকৌশল। মঙ্গলবার ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১টা ও বিকাল ২টো থেকে ৪টে ৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকে মিউজিয়াম।

Padmaja Naidu Himalayan Zoological Park:- মাউন্টেরিয়ানিং ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে Padmaja Naidu Himalayan Zoological Park. সাইবেরিয়ান টাইগার, তিব্বতীয় নেকড়ে, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, রেড পান্ডা, হরিণ, প্যান্থার, লেপার্ড রয়েছে এই Parkটিতে। খোলা থাকে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত।

Sightseeing of Darjeeling:-
লয়েড বটানিক্যাল গার্ডেন, ভিক্টোরিয়া ফলস, আভা আর্ট গ্যালারি, হ্যাপি ভ্যালি টি এস্টেস, ধীরধাম, রক গার্ডেনস,  চুন্ন সামার ফলস, গঙ্গা মায়া পার্ক, পশুপতি নগর, রেস কোর্স, অবজারভেটরি পয়েন্ট, ধীরধাম, ছত্তক পুর।।

Hotels in Darjeeling:- 
There some Information about Darjeeling Hotels and their contact number. You may contact these Darjeeling hotels for further Information what you need about Hotels of Darjeeling. 

STD of Darjeeling-0354.
দার্জিলিংয়ের হোটেল গুলো থাকা ও খাওয়া মিলিয় অথবা শুধু মাত্র থাকার জন্য রেট তৈরি করে। দিনের শুরু হয় দুপুর ১২টা থেকে দার্জিলিংয়ের হোটেল গুলিতে।
1) Reliable Travels, Call:- 25136161. 2) Hotel Prestige, Call:- 9932112372. 3) Mayfair, Call:- 2256376. 4) Hotel Capital, Call:- 2254160. 5) Hotel Spring Burn, Call:- 2252054. 6) Ramkrishna, Call:- 23509199. 7) Sunrise, Call:- 23541436. 8) Hotel Sunflower, Call:- 9832061545. 9) TTMI, Call:- 22845062. 10) Diamond, Call:- 22259639. 11) Elegant, Call:- 22107954. 12) Anwesa, Call:- 25123723. 13) Postal Re Club, Call:- 9433126902. 14) Canara Bank Staff Re Club, Call:- 22427170. 
ভারতীয় প্রথায় উপরের হোটেল গুলিতে এক দিনে এক জনের খরচ ৫০০ থেকে ২২০০টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
1) Hotel Sinclairs, Call:- 2256432. 2) Hotel Shikhar, Call:- 2253490. 3) Hotel Zodiac, Call:- 2256229. 4) Hotel Dekeling, Call:- 2254159. 5) Hotel Lunar, Call:- 2254194. 6) Hotel Bellevue, Call:- 2254178. 7) Dolphin, Call:- 25550702. 8) Main Olde Bellevue Hotel, Call:- 2254178. 9) Cedar Inn, Call:- 2254446. 10) Hotel Ascot, Call:- 2259514. 11) Apsara Hotel, Call:- 2252242. 12) Windamere Hotel, Call:- 2254211.
হোটেল গুলিতে পাশ্চাত্য প্রথায় থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। খরচ ১২০০ থেকে ৪০০০টাকা প্রতিদিন প্রতিজনের জন্য হতে পারে।

How to go Darjeeling:- 
কলকাতা শিয়ালদহ রেল স্টেশন থেকে রাত ১০টায় দার্জিলিং মেল। টিকিট নেবেন ট্যুরিস্টদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টার ফেয়ারলি প্যালেস থেকে। পরদিন সকাল ১০টায় নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন। এখান থেকে রিকশায় শিলিগুড়ি জিপ স্টেশন। কলকাতা থেকে বিকাল ৪টা বা সন্ধ্যা ৬/৭ টায় পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন ছেড়ে, সকালে পৌঁছায়। সেখান থেকে দার্জিলিংয়ে। NJP রেল স্টেশন বা শিলিগুড়ি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি, ল্যান্ডরোভারে দার্জিলিং যাওয়া যায়। HILL REGION MINI BUS OWNERS ASSOCIATION-এর বাস যাচ্ছে স্ট্যান্ড থেকে ৩০ মিনিট বাদেবাদে। উল্টো ডাঙার VIP টার্মিনাল থেকে NBSTC-র বাসের সরাসরি টিকিট কেটে শিলিগুড়ি থেকে লিঙ্ক বাসে যাওয়া যায় দার্জিলিং। ফেরার পথেও শিলিগুড়ি হোয়ে কলকাতার টিকিট পাওয়া যায়। NBSTC, 1st floor, Super Market দার্জিলিং থেকে। শিলিগুড়ি-দার্জিলিং সার্ভিস বাসও চলছে সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে। কলকাতা থেকে NH34, ডালখোলা থেকে NH31-এ বাগডোগরা হোয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছে NH55য় দার্জিলিং।

2 night 3 day Darjeeling tour Plan:-
প্রথম দিন:- সকালে শিলিগুড়ি থেকে টাটাসুমো, ট্যাক্সি, জিপ, টয়ট্রেন করে একক ভাবে বা দলবদ্ধ ভাবে ৩ ঘন্টার জার্নিতে দার্জিলিং পৌঁছান। দুপুরে হোটেলে প্রবেশ করে খাওয়া দাওয়া সেরে রেস্ট নিয়ে বিকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত দার্জিলিং শহর ঘুরে দেখা হাটি হাটি পায়ে পায়ে। রাত্রিতে হোটেলে ফিরে রাতের খাওয়া এবং রাত্রি যাপন।

দ্বিতীয় দিন:- সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে বেরিয়ে পড়া। দার্জিলিংয়ের রক গার্ডেন, জ্যুলজিক্যাল পার্ক, তেনজিং নোরগে রক, টি গার্ডেন, রোপওয়ে, জাপানি টেম্পল, পিস প্যাগোডা ঘুরে হোটেলে ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে রেস্ট নিয়ে সন্ধ্যা থেকে শহর ঘুরে দেখা এবং রাত্রিতে হোটেলে ফিরে খাওয়া দাওয়া শেষে রাত্রিতে রেস্ট।

তৃতীয় দিন:- ভোরের আগে বেরিয়ি পড়া টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয় দেখতে টাটা সুমো বা জিপে করে। সূর্যোদয় দেখে ফেরার পথে ঘুম মনাস্ট্রি, বাতাসিয়া লুপ ঘুরে হোটেলে ফিরে খাওয়া দাওয়া শেষে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্য বেরিয়ে পড়া।

Costing for Darjeeling tour:- দার্জিলিং ভ্রমণ খরচ।

কলকাতা-শিলিগুড়ি ট্রেন বা বাস টিকিট= কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি ট্রেন ভাড়া ৩৬০ টাকার মধ্যে। কলকাতা শিলিগুড়ি বাস ভাড়া ১৩০ টাকা থেকে ৯৫০ টাকার মধ্যে।

শিলিগুড়ি-দার্জিলিং ট্রান্সপোর্ট ভাড়া= বাস ভাড়া ১৩০ থেকে ৯৫০ এর মধ্যে। জিপ, টাটাসুমো ট্যাক্সি শেয়ার ৩০০ টাকার মধ্যে, টয়ট্রেন ৭০০ টাকার মধ্যে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে খরচ। 

হোটেল খরচ= প্রতিদিন হোটেলে থাকা খরচ ৭০০ থেকে ৯০০টাকা, দুইদিন= ১৮০০ টাকা।

খাবার খরচ= টিফিন ৬০+ দুপুরের খাবার=২০০+রাতের খাবার= ২০০ মোট= ২০০+২০০+৬০×২= ৯২০টাকা।

দার্জিলিং-এর উল্লেখযোগ্য জায়গায় গুলো ভ্রমণ খরচ:- ৫০০ টাকা।

টোটাল কলকাতা-শিলিগুড়ি-দার্জিলিং, যাওয়া  আসা খরচ:- ১৩২০ টাকা।

এক জনের মোট কলকাতা থেকে দার্জিলিং ভ্রমন খরচ = ১৩২০+৫০০+৯২০+১৮০০= ৪৫৪০টাকা।

প্যাকেজ ট্যুর ও দার্জিলিং সহ দার্জিলিং থেকে অন্যান্য জায়গায় ভ্রমণের গাড়ি ভাড়ার জন্য অবশ্যই যোগাযোগ করবেন, Tourist Bureau, GTA Tourism, 1 Nehru Road, Chowrasta, Darjeeling- 734101, ফোন:- 2254214. 
প্যাকেজ ট্যুরে GTA, দার্জিলিং/মিরিক-পশুপতি নগর/টাইগার হিল ঘুরিয়ে আনে।

দার্জিলিং থেকে কাঠমান্ডু/পোখরা যাওয়ার সরাসরি টিকিট না পাওয়া গেলেও সিট পাওয়া যায় অগ্রিম বুকিং-এ। বুকিং করছে বিভিন্ন সংস্থা দার্জিলিং থেকে কাঠমান্ডুর। নিজিস্ব বাস না থাকলেও আংশিক ভাড়া নিয়ে সিটের নিচ্শয়তা দেয় এরা। যাত্রীদের পৌঁছাতে হয় একক ভাবে দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি হোয়ে বাসে ভারতের পানিট্যাঙ্কি, পানিট্যাঙ্কি থেকে রিকশায় নেপালের কাঁকারভিটা। কাঁকারভিটা থেকে বাস যাচ্ছে কাঠমান্ডু ও পোখরার। কাঁকারভিটা থেকে বিভিন্ন বাস ৪ টে থেকে ৫টার মধ্যে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৯টা থেকে ১১টায় কাঠমান্ডু যাচ্ছে।



সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

Digha / Digha Tourist Spots / দিঘা ট্যুর

New Digha:
Digha সমুদ্র সৈকত আজ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সাপ্তাহিক ছুটি কাটানোর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ হিসেবে dighabeach পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পরে বালিয়াড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে গড়ে ওঠে আজকের দীঘা বা New Digha। অতীতে দীঘার অবস্থান ছিলো সমুদ্র সৈকত থেকে ৮ কিমি জঙ্গলের ভিতরে। আজ অতীতের সেই দীঘাকে ফেলে রেখে এসে যাত্রী চাহিদা মেটাতে নতুন করে সুসজ্জিত করা হয়েছে ওড়িশা সীমান্তের দিকে ৩ কিমি জুড়ে New Digha
যদিও এর শান্তশিষ্ট রূপটি ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এগিয়ে আসছে সুমুদ্র লোকালয়ে, গ্রাস করছে নাগরিক সভ্যতা। বড়ো বড়ো পাথরে আটকানোর চেষ্টা চলেছে seabeach এর ধ্বংস লীলা। বর্তমানে ঢাকা দেওয়া হয়েছে কংক্রিটের চাদরেও। বাজারের নিচ দিয়ে মাইলখানেক জায়গা জুড়ে চলে সমুদ্র স্নান, ঢেউয়ের সাথে হেলে দুলে। বিস্তৃত এই নিউ দীঘার বালুকাবেলায়, সূর্যাস্তের রক্তিম বিচ্ছুরিত রশ্মিচ্ছটায় আকাশের সাথে সমুদ্র নীল মিলেমিশে একাকার হয়ে সৃষ্টি করে এক স্বর্গীয় পরিবেশ। সন্ধ্যাবেলা বিজলী বাতির আলোক বিচ্ছুরণ অথবা জ্যোৎস্নার রাত্রিবেলা; বালুকাবেলা ও সমুদ্র মিলে যে অনবদ্য মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি করে Digha-তে তা অবর্ণনীয়।




Places to visits in Digha:-

Amarabati:- অসীম নীলাকাশ আর সীমাহীন সমুদ্রের পাড়ে লেক তৈরি হয়েছে কানন গড়ে। সীমান্ত পথে নাগরিক সভ্যতার আস্ফালনে অবহেলিত অমরাবতীতে বোটিং-এর ব্যাবস্থাও আছে। আছে এই কাজলা দিঘিতে সর্পোদ্যানও। সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকে উদ্যানটি।

মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম:- নতুন আর পুরাতন দীঘার মাঝখানে হাসপাতালের উল্টো দিকে এশিয়ার সর্ববৃহত্ মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম তৈরি হয়েছে। ২৩ টি বিশাল কেসে সামুদ্রিক প্রাণী ও জীবজন্তুর সম্ভার দেখে নেওয়া সম্ভব সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৩টে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে।

দীঘা বিজ্ঞান কেন্দ্র:- বিভিন্ন মডেলের সাহায্যে শিক্ষা মূলক বিজ্ঞান কে মজাদার ও সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে। Fun Glass-এ মিলিয়ে নিন উচ্চতা, কঙ্কালের সাথে সাইকেল রেস, ইগলুর মত ঘরে বসে তারামণ্ডল দেখা সহ বিভিন্ন কিছু। জুরাসিক পার্কও হয়েছে এই চত্বরে। হোলি ও কালীপূজা ছাড়া, সারা বছর খোলা সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। দীঘাকে ঘিরে বিদেশি পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে দ্রুতই রূপ পেতে চলেছে, এয়ারট্রিপ, রোপওয়ে, জলক্রীড়ার ব্যবস্থা সহ ফাইভস্টার হোটেল ও বিলাসবহুল রিসোর্টও।

Shankar pur :- কেয়া ও ঝাউয়ে ছাওয়া সবুজ জঙ্গলের মাইলের পর মাইল শুধু ঝাউ আর ঝাউ। রূপোলি রঙের বালিচরে পরিত্যক্ত জাহাজ ছুঁয়ে ধুধু করছে চারিদিকে বালি আর বালি। বঙ্গোপসাগরে বুকে নীলকাশের নীল ঝরে পড়া অসীম সমুদ্র অনন্ত, অন্তহীন ঢেউ গুলোর ভেঙে ভেঙে পড়া সাগরতটে। নির্জন সাগরবেলায় ভারতের বৃহত্তম জেটিতে মৎস প্রকল্পে টলার ও জেলে নৌকার কর্মকাণ্ড চলছে। চওড়া বীচের শক্ত মাটিতে ঘন ঝাউবনের শোঁ শোঁ ও উঁচু উঁচু বালিয়াড়ি। একাকী সন্যাসী কাঁকড়ার সঙ্গিনীর খোঁজে ঘুরে বেড়ানো।
দীঘা থেকে শঙ্কর পুরের দুরত্ব ১৩ কিমি। দীঘা থেকে ট্যাক্সি ও বাসে ঘুরে নেওয়া যায় শঙ্কর পুর।

Chandaneswar:- চন্দনেশ্বর শিব মন্দির বেড়িয়ে আসতে পারেন Digha থেকে ওড়িশা গিয়ে। দূরদূরান্ত থেকে যাত্রীরা আসেন এই শিব মন্দিরে, চৈত্রে মেলাও বসে এখানে। দীঘা থেকে বাসে করে ৩ ঘন্টায় কিয়াগেড়িয়া গিয়ে সেখান থেকে ভ্যান রিকশা, অটো, ট্যাক্সি করে বা দীঘা থেকে ট্যাক্সি করে কাজু বনের ভিতর দিয়ে। হাওড়া-চন্দনেশ্বর, হাওড়া-বালাসোর, দীঘা-বারিপাদা রুটের বাস চন্দনেশ্বর হোয়ে যাচ্ছে। চন্দনেশ্বর থেকে ওড়িশার বিভিন্ন দিকের বাস পাওয়া যায় তাই চন্দনেশ্বর ঘুরে chadipur থেকেও বেড়িয়ে ফিরতে পারেন। কাছের রেল স্টেশন এই পথের জলেশ্বর।

Talshari:- নির্জনতা খুঁজে নিজেকে একা উপভোগ করতে অথবা দুজন মিলে একলা হতে চন্দনেশ্বর থেকে ৪ কিমি দুরে সাগর সৈকত তালশারি ঘুরে আসতে পারেন। স্বচ্ছ নীল জলের পাড় ঘিরে শাল-পিয়াল-ঝাউবনে মোড়া সাগরবেলা। ১২ কিমি দুরে সুবর্ণ রেখার সাগর সঙ্গমে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত মন ছুঁয়ে যায়। নৌকা চড়ে সূর্যাস্ত দেখার সুযোগও ব্যবহার করতে পারেন এখানে। ঝিনুকের কারুকার্যমণ্ডিত বালুকাবেলায় সন্যাসী কাঁকড়াদের ঘুরেফেরা সহ মাঝেমধ্যে জেলে নৌকার যাওয়া আসা। সবুজে সবুজে মোড়া সোনাঝোরা seabeach টিও অনন্য, পিপাসু মন বারেবারে মেতে ওঠে।

Udaypur:- ওড়িশা ও পচ্শিবঙ্গ সীমান্তের দক্ষিণ দিকে তালশারি থেকে ফেরার পথে দেড় কিমি দুরে আরও এক Seabeach। নির্জনে ঝাউয়ে সবুজে নীলাকাশের নীল মিলেমিশে একাকার। জেলে নৌকার আসা যাওয়ার মাঝে, লাল কাঁকড়াদের লুকোচুরি। মনে ধরায় রঙিন বর্ণালী সূর্যাস্ত ও উদয়ের সকাল-সাঁজে। বারেবারে ফিরে যেতে চাইবে মন, এই মায়াবী প্রকৃতির প্রেমের ছোঁয়ার মাঝে। 




Mandarmoni:- মাঝেমধ্যেই সমুদ্রের গর্জন নিস্তব্ধতা ভেঙে দেয়। সৈকত জুড়ে সাদাসাদা আঁকিবুকি। চন্দ্রালোকিত জ্যোৎস্নায় চিকচিক করে বালি, কোথা নাই কাদা। ছোট্ট অবকাশ যাপনের আদর্শ স্থান MandarmoniDigha থেকে ১৬ কিমি দুরে চাউলখোলা গিয়ে দক্ষিণ দিকে ৭ কিমি গেলে বেঙ্গল সল্ট ফ্যাক্টরি। এখানে লবন তৈরি হচ্ছে স্বাধীনতার আগে থেকে। প্রাচীন অথচ বহুল প্রচলিত প্রথার এই লবণ তৈরির কারখানা দেখে নেওয়া যায়। চাউলখোলা থেকে ১০ কিমি গ্রাম্য প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশের বুক চিরে কালিন্দী, দাদন পাত্রবাড় হয়ে পৌঁছাতে পারেন সাগর সৈকতে। 

Tazpur:- ঝাউ, কেয়া আর সমুদ্রের নিবিড় প্রেম উপলব্ধিই তেজপুরের আকর্ষণ। উইকএন্ডে বিভিন্ন ধরণের ওয়াটার স্পোর্টসের আয়োজন হচ্ছে সাগর বেলাটিতে। ডিয়ার পার্কটি প্রস্তাবিত। রামনগর থেকে ৪ কিমি গিয়ে বালিসাই-এর আলম পুর মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে সাড়ে তিন কিমি দুরে পচ্শিমবঙ্গের নতুন পর্যটন কেন্দ্র Tazpur।

Junput:- New Digha সৃষ্টি হওয়ার আগে পচ্শিমবঙ্গের সৈকত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দীঘার প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে অনেকেরই পছন্দ ছিলো Junput। ভাটার সময় জল না থাকার কারণে সেই পরিকল্পনা সরে যায় New Digha। ধীরে ধীরে সামুদ্রিক মাছের উপনিবেশ তৈরি হয়েছে Junput, মৎস গবেষণা কেন্দ্র ও শুঁটকি মাছের আড়ৎ তৈরি হয়েছে এখানে। সবুজ ঝাউয়ে ছাওয়া বিশাল বেলাভূমি, বিস্তৃত হয় আরোও ভাটার সময়ে। লাল কাঁকড়ার মিছিল বৈচিত্র বাড়ায় কর্দমাক্ত জুনপুটে। ঝাউবনে ট্রি হাউস, চিলড্রেন পার্ক, লেক, পাখিরালয়, প্লে গ্রাউন্ড রয়েছে এখানে। দীঘা থেকে ৩২ কিমি দুরে কন্টাই বাস যাচ্ছে। সেখান থেকে আরোও ৯ কিমি দুরে  বাস, মিনিবাস, অটোরিকশায় যাওয়া যায় জুনপুটে। দীঘা থেকে ট্যাক্সিতে ঘুরে নেওয়া যায়ও junput। জুনপুটে গিয়ে ঘুরে নিতে পারেন দরিয়াপুরের লাইট হাউসের কাছে কপালকুণ্ডলা মন্দির, দরিয়াপুর থেকে খেয়া পেরিয়ে হিজলি। কন্টাই থেকে বাস বা ট্রেকারে অতীতের বন্দর নগরী ও সমুদ্র সৈকত খেজুরি। দীঘা থেকে কাঁথি হোয়ে কলিনগর মোড় থেকে বাম দিকে ৬ কিমি গিয়ে বাগদা নদীর তীরে পাঁউশী গ্রামে ১১ বিঘা পুকুর, ফল-ফুল-সবজি বাগান। ছাড়াও তাম্রলিপ্ত বা তমলুক এবং তমলুক থেকে ১৬ কিমি দুরে পরিখায় ঘেরা দ্বীপ অতীতের ময়নাগড় দীঘা ভ্রমণের দ্রষ্টব্য।


Hotels in Digha:- STD OF Digha- 03220.

1) Hotel Sea Hawk, Call:- 266246/266235/ or 033-25222834/ 25227500. 2) Hotel Artland, Call:- 266060. 3) Hotel Dolphin, Call:- 266248. 4) Hotel Sea Gull, Call:- 9331936900. 6) Hotel Tulip, 266325. 7) Diamond, Call:- 22259639. 8) Sagar Kanya, 8900693940. 9) Hotel Kanishka, Call:- 266349. 10) Ananda Sadan Holiday Inn, Call:- 9831724881. 11) Hotel Sea Coast, Call:- 266305. 12) Pratag Samudra Villa, Call:- 9874783462. 13) Ajanta, Call:- 266214. 14) Hotel  Duke, Call:- 266296. 15) Hotel Pushpak, Call:- 266479. 16) Sanjay Palace, Call:- 266567. 17) Suryaman Lodge, Call:- 266347. 18) Hotel Golden Touch, Call:- 266898. 19)Bina Lodge, Call:-  9433424249. 20) Hotel Lokanjali, Call:- 9831649804. 21) Swapnapuri, Call:- 9903235410. 22) Rupasi Bangla, Call:- 266105. 23) Anjali Nibas, Call:- 266772. 24) Hotel Satabdi, Call:- 267337. 26 Blue View, Call:- 266219.
These all are Cheapest hotels of Digha,  contact with these Digha hotels by Phone number.

How to go Digha:- 

প্রাইভেট বাসে হাওড়া থেকে ভোর ৪টে ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত  যাওয়া যায় দীঘা।
কলকাতার শহীদ মিনার থেকে, উল্টোডাঙা থেকে, দমদম থেকে, ডানলপ থেকে, গড়িয়া থেকে এসপ্ল্যানেড হয়ে CSTC-র বাস যাচ্ছে। ভূতল পরিবহন নিগম শিয়ালদহ হয়ে দীঘা যাচ্ছে। SBSTC-র বাস যাচ্ছে উল্টোডাঙা থেকে, বেলঘরিয়া ডিপো থেকে হাওড়া হোয়ে দীঘায়। 

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

ভারতের পর্যটন কেন্দ্র:- Tourist Spots of India.

রাজ্য পচ্শিবঙ্গ:- কলকাতা, শান্তিনিকেতন, দীঘা, সুন্দরবন, বিষ্ণুপুর, অযোধ্যা পাহাড়, বকখালি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, মিরিক, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলদাপাড়া, বক্সা।

রাজ্য আন্দামান ও নিকোবর:- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পোর্ট ব্লেয়ার।

রাজ্য সিকিম:- গ্যাংটক, ইয়ুমথাং, পেলিং।

রাজ্য মেঘালয়:- শিলং, চেরাপুঞ্জি।

রাজ্য মণিপুর:- ইম্ফল।

রাজ্য অসম:- গুয়াহাটি, কাজিরাঙ্গা, হাফলং, মানস।

রাজ্য ওড়িশা:- ভুবনেশ্বর, কোণারক, পুরি, গোপালপুর-অন-সী, চাঁদিপুর, সিমিলিপাল, কেওনঝড়।

রাজ্য ঝাড়খণ্ড:- রাঁচি, নেতারহাট, পালামৌ, হাজারীবাগ।

রাজ্য বিহার:- পাটনা, গয়া, বুদ্ধগয়া, নালন্দা, রাজগীর।

রাজ্য উত্তরাঞ্চল:- হরিদ্বার, মূসৌরী, যমুনোত্রী, গঙ্গোত্রী, কেদার, বদরী, হৃষীকেশ, নৈনীতাল, কৌশানী, রানীক্ষেত, আলমোড়া, বিনসার, মায়াবতী, চৌকোরি, করবেট।

রাজ্য উত্তর প্রদেশ:- লক্ষ্নৌ, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, বারাণসী, আগ্রা, বৃন্দাবন।

রাজ্য হিমাচল প্রদেশ:- সিমলা, কিন্নর-স্পিতি, মানালী, কুলু, ডালহৌসী, কাংড়া ভ্যালি।

রাজ্য হরিয়ানা:- চণ্ডীগড়, কুরুক্ষেত্র।

রাজ্য পঞ্জাব:- অমৃতসর, পাতিয়ালা।

রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীর:- বৈষ্ণোদেবী, শ্রীনগর, পহেলগাঁও, গুলমার্গ, লে।

রাজ্য দিল্লী:- নিউ দিল্লী, পুরনো দিল্লী। 

রাজ্য ছত্তিশগড়/মধ্য প্রদেশ:- খাজুরাহো, চিত্রকোট, অমরকন্টক, বান্ধবগড়, কানহা, জব্বলপুর, পাঁচমাড়ি, ভূপাল, সাঁচী, ইন্দোর, মাণ্ডু, উজ্জয়িনী, গোয়ালিয়র, শিবপুরি। 

রাজ্য রাজস্থান:- বিকানীর, যোধপুর, আবু পাহাড়, উদয়পুর, চিতোর, আজমের, জয়পুর, ভরতপুর, শেখাবতী। 

রাজ্য গুজরাট:- আমেদাবাদ, জুনাগড়, গীর, সোমনাথ, পোরবন্দর, দ্বারকা।

রাজ্য গোয়া:- পানাজি।

রাজ্য মহারাষ্ট্র:- অজন্তা, ইলোরা, পূনে, মহাবালেশ্বর, মুম্বাই।

রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ:- হায়দ্রাবাদ, তিরুপতি, আর্কুভ্যালি, অমরাবতী।

রাজ্য কর্ণাটক:- মহীশূর, ব্যাঙ্গালোর, বেলুড়, হ্যালোবিদ, শ্রবণবেলাগোলা, বিজাপুর, বাদামী-পাট্টাডাকাল-আইহোল, যোগ, হাম্পী।

রাজ্য কেরল:- তিরুভন্তপুরম, কোভলম, পোনমুড়ী, পেরিয়ার, কোচি।

রাজ্য পুডুচেরি:- পুডুচেরি, অরোভিল।

রাজ্য তামিলনাড়ু:- চেন্নাই, মহাবলীপুরম, তাঞ্জাভুর, ত্রিচি, ইয়ারকাদ, কোদাইকানাল, মাদুরাই, রামেশ্বরম, তিরুচেন্দুর, কন্যাকুমারী, উতকামণ্ড, মুধুমালাই।

এছাড়া লাক্ষাদ্বীপ, দমন ও দিউ ভারতের পর্যটন কেন্দ্র।


শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০

Silchar, Asam : Silchar Tour / শিলচর ভ্রমণ

Shilchar :- 
রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষে আসামের বাংলাভাষী জেলায় বাংলা ভাষার অস্তিত্ব রক্ষার গণতান্ত্রিক দাবিতে(১৯ মে ১৯৬১ ), শান্তিপূর্ণ  আন্দোলনে  গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় ১১ জন বাঙালিকে। 
নিহতদের মধ্যে ছিল ষোল বছরের কিশোরী কমলা ভট্টাচার্য, যে মেট্রিক পরীক্ষা শেষে বাংলা ভাষার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। ১৮৭৪ সালে নবগঠিত আসাম রাজ্যের রাজস্ব ঘাটতি পূরণের তাগিদে, সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ বাংলার তিনটি কৃষি, বনজ এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ বাংলাভাষী জেলা গোয়ালপাড়া, সিলেট ও কাছাড়কে বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে, নবগঠিত আসামের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়। নবগঠিত আসামের রাজস্বের সিংহভাগ মেটাতো, বাংলার নিজস্ব ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে, আসামের সঙ্গে যুক্ত করা এই তিন বাংলাভাষী জেলা। ১৯৪৭-এর ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত কংগ্রেস ছিল ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠনের পক্ষে। ১৯১৭ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেস দলের অধিবেশনে, ভাষার ভিত্তিতে স্বতন্ত্র  অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য গঠনের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়। বাংলার নিজস্ব ভূখন্ড বাংলাভাষী সিলেট, কাছাড় সাম্রাজ্যবাদী ষড়যন্ত্রে বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও, ওই সব বাংলাভাষী অঞ্চলকে আবার বাংলায় ফিরিয়ে আনা হবে, এই লক্ষ্যে ১৯৪৭ পর্যন্ত তা ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির অন্তর্ভুক্ত।

ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী শাসনে বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে, আসামের সঙ্গে যুক্ত করা বাংলাভাষী অঞ্চলের বৃহৎ অংশ জুলাই ১৯৪৭-এ অনুষ্ঠিত  গণভোটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। অন্য ক্ষেত্রের মতো, ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠনের ক্ষেত্রেও, ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পর পাল্টে যায় কংগ্রেস দলের মত ও পথ। যার পরিণতিতে আলাদা অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য গঠনের জন্য ১৯৫২-র ডিসেম্বরে, স্বাধীনতা সংগ্রামী গান্ধিভক্ত পট্টি শ্রীরামুলুকে অনশনে প্রাণ দিতে হয়। রামুলুর মৃত্যুর তিন দিন পর, প্রধানমন্ত্রী নেহরু তেলুগুভাষীদের জন্য আলাদা অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য গঠনের কথা ঘোষণা করতে কার্যত বাধ্য হন।

এই সূত্রে উল্লেখ করা যায়, ১৯৬১-র ১৯ মে, শিলচরে অনুষ্ঠিত আসাম রাইফেলস্-এর গণহত্যার দিন, আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু। তিনি গুলি চালনার নিন্দা না করে, বলেছিলেন বাঙালিরা বাড়াবাড়ি করছে।
বাঙালি অধ্যুষিত কাছাড় জেলার সদর দপ্তর বরাক উপত্যকার শিলচর। শহরের পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে চলেছে বরাক নদী। পাহাড়ের পিছন থেকে প্রভাতের প্রথম সূর্য কিরণ রঙ বদলায় ক্ষনে ক্ষনে মনোরমা প্রকৃতির মাঝে। নতুন তৈরি হওয়া মেডিক্যাল কলেজ, লেকের পাড়ে গান্ধীবাগে ১১ টি স্তম্ভ হয়েছে ১১ শহীদের স্মরণে। এর কিছুটা দুরে কাছাড় ক্লাব, হরি সভা ও লক্ষ্মীদবীর মন্দির। শিলচর থেকে ১৭ কিমি দুরে উধারবন্ধে শ্রীশ্রী কাঁচাকান্তি দেবীর মন্দির। ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত নরবলির প্রথা ছিলো এই মন্দিরে। অতীতের মন্দিরটি যদিও আজ নেই নতুন মন্দির হয়েছে। প্রতি রবিবার পুজা হয় এই মন্দিরে। আরও ২ কিমি এগিয়ে ব্রজমোহন আশ্রম। সেখানে দুপুরে খাওয়ার মেলে ভক্তদের। ১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে কাছাড় রাজাদের রাজধানীর ধ্বংসাবশেষ দেখতে। আজও উৎসাহী ভিড় জমে আশ্রম থেকে ৩ কিমি দুরে খাসপুরে। প্রতিটি প্রবেশ তোরণ হাতির ঢঙের। যদিও মুল প্রাসাদটি ধ্বংস হয়েছে তবুও সিংহদ্বার, সূর্যদ্বার ও দেবালয় রয়েছে। সিটিবাসে শাল গঙ্গায় নেমে বা অটো, ট্যাক্সি করে ঘুরে নেওয়া যায়। শিলচর থেকে ৫০ কিমি দুরে ভুবন পাহাড়ে ভুবনেশ্বরী মন্দির। দেবতা এখানে হর-পার্বতী। মন্দির থেকে আরো ৫ কিমি দুরে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ ব্যাবহারকৃত মণিহরম সুড়ঙ্গ। সুড়ঙ্গের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ত্রিবেণী নদী। মন্দিরে রাম, লক্ষণ, গড়ুর, হনুমানের পূজা হয়। দোল পূর্ণিমা, বারুণী ও শিবরাত্রিতে মেলা বসে।

How to go Silchar:- 
ট্রেন যাচ্ছে কলকাতা থেকে গুয়াহাটি-লামডিং হয়ে শিলচরে। বিমান যাচ্ছে প্রতিদিন কলকাতা থেকে শিলচরে এবং ফেরেও। ২৫ কিমি দুরের কুম্ভীরগ্রাম এয়ারপোর্ট থেকে বাস, ট্যাক্সি যাচ্ছে শিলচর শহরে। শিলং/জোয়াই হয়ে গুয়াহাটি থেকে শিলচর যাওয়া যায়। মেঘালয় রাষ্ট্রীয় পরিবহনের (MTC) বাস যাচ্ছে শিলং থেকে শিলচরে। ত্রিপুরা সঙ্গে রেল ও সড়ক সংযোগ আছে ধর্মনগর/কুমারঘাট/মানু হয়ে শিলচরের। রেল ও সড়ক সংযোগ রয়েছে মণিপুরের সঙ্গে শিলচরের। মিজোরামের প্রবেশ পথও শিলচর।

Hotels in Silchar :-
Ellora, Call:-03843-247412/09401238194. Siddhartha, Call:- 03842-260383. Kaniska, Call:- 03843-260316. Prashaanti Tourist Lodge, Call:- 03842-232376. এছাড়াও হোটেল আছে বহু শিলচরে।

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০

kashmir : kashmir tour / কাশ্মীর ট্যুর গাইড

Kasmir :-
Jammu & Kashmir Tour এর সমস্ত পরিকল্পনা রাজ্যের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী Srinagar কে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়ে থাকে। যানবাহন, প্যাকেজ ট্যুর, হোটেল, হাউসবোট, সব কিছুর ব্যবস্থা রাজ্য পর্যটন থেকে পাওয়া যায়। এছাড়া নিজে থেকেও সমস্ত প্লান তৈরি করা সম্ভব নিজের মত করে kasmir tour এর। এই সম্পর্কিত সমস্ত তথ্যই উল্লেখ করা হলো। যাতে নিজে থেকে ট্যুরের পরিকল্পনা তৈরি করতে সুবিধা হবে এবং চাইলে রাজ্য পর্যটন অথবা ট্যুরিস্ট এজেন্সি গুলির সহযোগিতা নিয়ে Jammu & Kashmir সফর করা সম্ভব হয়, একাএকা, পরিবার সহ অথবা বন্ধুরা মিলে গ্রুপ তৈরি করে। স্বাভাবিকভাবেই কিছু তথ্য লাগে আনুমানিক খরচ হিসেব করতে এবং places to Visits সম্পর্কে। তাই দেখে নেওয়া যাক  kasmir সম্পর্কে সমস্ত তথ্য গুলো।

Places to visit in Kashmir :-
¤ Jammu:- বাহু দূর্গ, রামনগর দূর্গ, ডোগরা আর্ট মিউজিয়াম, অমরমহল প্রাসাদ, রঘুনাথ মন্দির, রামবীরেশ্বর মন্দির, বাসোলী।
¤ বৈষ্ণোদেবী
¤ ভেরিনাগ
¤ Srinagar:- ডাল লেক, নেহরু পার্ক, চারমিনার, কবুতরখানা, হরি পর্বত, হরওয়ান, চশমাশাহী, পরীমহল, নিশাত বাগ, শালিমার বাগ, নাসিম বাগ, হজরতবাল মসজিদ, মিউজিয়াম, শাহ হামদান মসজিদ, জুম্মা মসজিদ, বাদশাহ, শঙ্করাচার্য মন্দির।
¤ Gulmarg:- খিলেনমার্গ, আলপাথার লেক, নিঙ্গেল নালা, লিয়েন মার্গ, ফিরোজপুর, কন্টার নাগ, তোষ ময়দান, বাবারেষি।
¤ আহারবল
¤ Pahalgam:- পামপুর, সংগ্রামা, অবন্তী পুর, খানাবল, অনন্তনাগ, আচ্ছাবল, কোকরনাগ, ডাকসুম, ভাবন, মার্তণ্ড মন্দির, মমলেশ্বর শিবমন্দির, বৈশরণ, তুলিয়ান লেক, কোলাহাই হিমবাহ, আরু, লিডারওয়াট, তারসর লেক, মারসর লেক, শোনমার্গ।
¤ অমরনাথ।
¤ Ular:- পাট্টান, মানসবল লেক, ক্ষীরভবানী, গান্ধারবল, গঙ্গাবল।
¤ Sonamarg:- খাজিয়ার হিমবাহ, নীলাগ্রাড, বিসনসর লেক, কৃষ্ণসর লেক, দহিগাঁও ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি।
¤ যুসমার্গ:- চারার-ই-শরিফ।
¤ লাদাখ
¤ লে
¤ কারগিল 


How to go Kasmir:-

Kolkata to Jammu by Train:-
কলকাতা থেকে Jammu যাওয়ার তিনটি ট্রেন আছে। হিমগিরি এক্সপ্রেস, হামসফর এক্সপ্রেস আর শিয়ালদহ-জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস।
হিমগিরি এক্সপ্রেস সপ্তাহে তিন দিন (মঙ্গল, শুক্র, শনি) রাত ১১.৫০ এ হাওড়া ছেড়ে পরের দিন ১২.৩০ মিনিটে জম্মু পৌঁছাচ্ছে। এই ট্রেনে ৪টি ক্লাসের টিকেট আছে- SL, Rs- ৭৫০. 3A, Rs-১৯৮০. 2A, Rs-২৮৫০.1A, Rs-৪৯৯৫ 
হামসফার এক্সপ্রেস সপ্তাহে এক দিন (সোমবার) দুপুর ১.১০ এ শিয়ালদহ স্টেশন থেকে জম্মুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সময় লাগে ৩৪ ঘন্টা ২০ মিনিট। এই ট্রেনে ১টি ক্লাসের টিকেট আছে- 3A, Rs- ১৯৩৫
শিয়ালদহ-জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ১১.৪০-এ শিয়ালদহ স্টেশন থেকে জম্মুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে পরের দিন সকাল ৮.৩০-এ জম্মু পৌঁছাচ্ছে। ৩টি ক্লাসের টিকেট আছে- SL, Rs- ৭১৫. 3A, Rs-১৯২০.  2A, Rs- ২৮৩০.
রেল স্টেশন থেকে সরাসরি বাস ও শেয়ারে ট্যাক্সি পাওয়া যায় Srinagar-এর। জম্মু রেল স্টেশনের ১০ কিমি দুরে বীরমার্গের ট্যুরিস্ট ডাকবাংলো লাগোয়া ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার থেকে J & K state Road Transport corporation-এর বাসও যাচ্ছে Srinagar। দুরত্ব ২৯৩ কিমি এবং সময় লাগে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা। 
আরেকটি উপায় হল জম্মু থেকে বানিহাল যাওয়া। দূরত্ব ১৬০ কিমি, গাড়িতে সময় লাগবে ৫ ঘন্টা। বানিহাল থেকে ট্রেন করে শ্রীনগর যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা আর দূরত্ব ১১০ কিমি। এ ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ৫৫০ টাকা প্রতিজনে। তবে যদি পাহাড়ি ধ্বস নামে সমস্যা হবে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হবে। তাই Jammu থেকে Srinagar প্লেনে যাওয়া উচিত।
জম্মু থেকে যাত্রী নিয়ে সরকারি বাস পৌঁছায় Srinagar Tourist Reception Centre আর প্রাইভেট বাস পৌঁছায় লালচকে। ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার ২৪ ঘন্টা যাত্রীদের সেবায় রত। এরা যাত্রীদের চাহিদা মতো সরকার নির্ধারিত দামে  হোটেল/হাউসবোট বুক করিয়ে দেয়। তবে যোগাযোগ এদের সীমিত, মনে হয় কমিশন প্রথার জালে জড়িয়ে ব্যস্ততার অজুহাতে বেশি অধৈর্য প্রকাশ। সরাসরি যোগাযোগে অনেক সময় বেশি সুবিধা পাওয়া যায় রিসেপশন সেন্টারের মাধ্যমে না গিয়ে। যদিও  একাধিক মোটর বাস কোম্পানির কাউন্টার, এয়ার লাইনস, রাজ্য পর্যটন দপ্তর, কাশ্মীর ট্যুরিস্ট বাস, সাইট সিইং সহ সমস্ত টিকিট পাওয়া যাবে এই রিসেপশন সেন্টার থেকেই। Tourist Reception Centre, Srinagar, Phone:- 0194-2452690.


Hotels in Kashmir :- 
 
▪︎Cheapest hotel & Lodge in Jammu Rs- 500 to 1200 Day.
 1) Nagina, Call:- 09858170000.
2) Khazan, Call:- 09086505639.
3) Golden Lodge, Call:- 09596950815.
4) New Diamond, Call:- 2561858.
5) Touchwood, Call:- 09419182974.
6) Gold Star, Call:- 09419149167.
7) New Krishna Palace, Call:- 09419773970.
8) Prakash Regency, Call:- 09419195007. 

Rs- 1200 to 3000
1) Jammu Residency, Call:- 2579554
2) Surya Exelency, Call:- 09419141619.
3) Sitara, 2565296.
4) Mansur, Call:- 2543030.
5) India Pride, Call:- 2560924.
6) Karan, Call:- 2586924.
7) Rajdhani, Call:- 2579073

Hotels in Srinagar :-
Rs- 700 to 1300
1) Maharaj, Call:- 09906735759.
2) Aroma,Call:- 09622431007
3) Rooma, Call:- 09906470539.
4) Queen Palace, Call:- 2482743.
5) Standard, Call:- 2455285.
6) New York, Call:- 2473580.
7) Kashmir Residency, Call:- 2457930.

Rs- 1400 to 3000
1) Al Mumzah, Call:- 09906602291
2) Dal Rim, Call:- 09419013339.
3) Diamond, Call:- 22259639.
4) Taj, Call:- 2479556.
5) Ruby, Call:- 2474724.
6) Grand, Call:- 2459000

 Kasmir Tourist Office:-
1) JKTDC, 12 Jawharlal Nehru Road, Kolkata-13, Phone:- 033-22285791.

2) Delhi, H Janpath, Front Wing, Room No-14 & 15, phone:- 011-23744948, Fax-23844946.

3) Srinagar, Phone:- 91-191-2452690, Fax- 2479648.

4) Jammu, Phone:- 91-191-2520409, Fax- 2548352.

লালচক থেকে প্রাইভেট কোম্পানি গুলো প্যাকেজ ট্যুরে উপত্যকা দেখাতে নিয়ে যাচ্ছে। তবে ITDC-এর টিকিট কেটে রিসেপশন সেন্টার থেকে ITDC-এর ট্যুর প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে উপত্যকা উপভোগ করে নেওয়া লাভজনক। এছাড়া প্রাইভেট সার্ভিস বাস যাচ্ছে উপত্যকার দিগ্বিদিক লালচক থেকে। Bhatmalu Bus Stand থেকে বাস যাচ্ছে পহেলগাঁও, শোনমার্গে। Estern Bus Stand থেকে মোগল গার্ডেন যাচ্ছে বাস, Western Bus Stand থেকে গুলমার্গ, টাংমার্গ, উলার যাচ্ছে বাস। রিসেপশন সেন্টার থেকে ট্যুরিস্ট মরশুমে লে যাচ্ছে বাস।

▪︎প্রতিদিন সকাল ৯ টায় বাস গুলমার্গ যাচ্ছে খিলেনমার্গ ও গুলমার্গের যাত্রী নিয়ে।
▪︎অবন্তীপুর পহেলগাঁও-এ বাস যাচ্ছে প্রতিদিন ৮.৩০ মিনিটে।
▪︎প্রতিদিন সকাল ৮ টায় ও বিকাল ২.৩০ মিনিটে বাস যাচ্ছে চশমাশাহী-হরওয়ান-শালিমার-হজরতবাল মসজিদ-নাগিন, জুম্মা মসজিদ, নিশাত বাগ।
▪︎ সোম, বুধ, শুক্রবার সকাল ৯ টায় যাচ্ছে পাত্তান, ওয়াটলব, বন্দীপুর, মানসবল, ক্ষীর ভবানী, গান্ধারবল, উলার লেক।
▪︎সোম থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন বাস যাচ্ছে সকাল ৮.৩০ মিনিটে আচ্ছাবল, কোকরনাগ, ডাকসুম। 
▪︎মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সকাল ৮ টায় বাস যাচ্ছে শোনমার্গ।
▪︎ভেরিনাগ যাচ্ছে রবিবার ও বুধবার সকাল ৯টায়।
▪︎মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার বাস যাচ্ছে যুসমার্গ। 
তবুও একক ভাবে বা যৌথভাবে কোয়ালিশ, ট্যাক্সি, অটো সহ বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া করে উপত্যকার কোনে কোনে ঘুরে নেওয়া যায়। ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টারের ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি ভাড়া করা যায়। টাটা ইন্ডিকার এক দিনের ভাড়া ১৮০০ টাকা, চার জন প্যাসেঞ্জার মিলে টাটা ইন্ডিয়া নিয়ে ঘোরা যেতেই পারে। টয়োটা ভাড়া ২০০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা চার থেকে ছয়জন মিলে ভাড়া করা যেতে পারে। মহেন্দ্র ২৩০০ টাকা দিয়ে ভাড়া করা যেতে পারে এক দিনের জন্য ছয়জন মিলে। অথবা ট্রাভেলার ৩৩০০টাকা দিয়ে ভাড়া করা যেতে পারে ১৩ জন মিলে এক দিনের জন্য।

Cheapest Car rental Agencies in Kashmir :-

Apharawat Tour and Travels, Call:- 7006289916/9419015833.
Trip More, Call:- 7051909192/962222987.
Shruti Travels, Call:- 935788823/9357888323.

Make your Indipend Package For kasmir :- 

* Srinagar কে কেন্দ্র করে kasmir tour।
* পাহেলগামের কাছে অমরনাথ গুহা কে কেন্দ্র করে অমরনাথ তীর্থ যাত্রা।
* কার্গিল থেকে সাংকো–রংদুম–দুম হয়ে জাঁস্কার ভ্যালি ট্যুর
শুধুমাত্র শীতকালে জানুয়ারী মাসে জাঁস্কার নদীর জল জমে বরফ হয়ে গেলে তার উপর দিয়ে হেটে চাদর ট্রেক। 
* কার্গিল থেকে শুরু করে লে শহর ও তার আশেপাশের দ্রষ্ট্রব্য–নুব্রা ভ্যালি–প্যাংগং লেক -হানলে–সোমোরিরি–সকার লেক  হয়ে সারচু– বারালাচা পাস পেরিয়ে–রোটাং পাস পর্যন্ত  লে – লাদাখ ট্যুর ।

Costing for kasmir tour Package:-

যাওয়া:- কলকাতা থেকে জম্মু হোয়ে শ্রীনগর non A/C Slipper- এ ১২০০ থেকে ১৫০০টাকা প্রতিজনে।
কলকাতা থেকে দিল্লি হোয়ে জম্মু পৌঁছে সেখান থেকে শ্রীনগর থ্রিটিয়ার এসি ৬০০০ থেকে ৭০০০ প্রতিজনে।

থাকা:- 3Star Hotel খরচ ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। Luxurious 3Star Hotel খরচ ৩০০০ থেকে ১৫০০০টাকা। সাধারণ মানের হোটেল খরচ ৬০০টাকা। রাজ্য ট্যুরিজমের ডর্মিটরি খরচ ৪০০ টাকা প্রতিদিন।

খাওয়া:- ব্রেকফাস্ট সকালে রুটি, কলা ইত্যাদি ৫০ টাকা প্রতিজন। সাধারণ ভারতীয় থালি জাতিয় খাবার ১০০ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড মিল ২০০টাকা। ভালো মানের রেস্টুরেন্টে খাওয়া প্রতিবেলা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।  নামি রেস্তরাঁয় ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা প্রতিবেলা প্রতি জনে খরচ।
এছাড়া সকালে ব্রেকফাস্ট ও রাত্রিতে ডিনার প্রভাইড করবে এরাকম হোটেল চুজ করাও উচিত হবে।

3 night 4 day tour Package for kasmir :- 


প্রথম দিন জম্মু থেকে শ্রীনগর গিয়ে রেস্ট নিয়ে জলবিহার বুলেভার্ড থেকে সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ১১টা ডিনার প্যাকেজে। ডাল লেকের জলে তিনঘন্টা আহার বিহার, রিসেপশন সেন্টার থেকে বুকিং বা নেহেরু পার্ক থেকে বুকিং করে। দ্বিতীয় দিন শ্রীনগরের লোকাল স্পট গুলো দেখে নেওয়া। তৃতীয় দিন শ্রীনগর থেকে গুলমার্গ গিয়ে গুলমার্গ ঘুরে আবার শ্রীনগর ফেরা এবং চতুর্থ দিন শ্রীনগর ছেড়ে জম্মু থেকে ট্রেন ধরা কলকাতার।

হাউস বোট:- ৮০ থেকে ১২৫ ফূট লম্বা জলজ আবাস তথা ভাসমান হোটেল। এই হাউসবোট শ্রীনগরের একান্তই নিজস্ব ঐতিহ্য। কার্পেটে মোড়া বাথ সংলগ্ন ঘর, লিভিং রুম, ডাইনিং রুম, চারপাশে বারান্দা। ছাঁদে বাগান, চেয়ার টেবিল পাতা সবে মিলে সুব্যবস্থা। যদিও স্বাচ্ছন্দ্যের তারতম্যে, এর শ্রেণী বিন্যাস আছে। যেমন ডিলাক্স, এ, বি, সি আর ডি। তারকা হোটেলের মত বিলাসবহুলও আছে। হাউস বোট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে, Kashmir House Boat Owners Association, opp Tourist Reception Centre, Srinagar, J & K- 190001, Call:- 0194-2450326 কে। 

টোটাল খরচ:- যাওয়া ১২০০+ তিনদিন থাকা = ৩×৬০০=১৮০০+ খাওয়া তিন দিন = ৩০০×৩=৯০০+ভ্রমণের গাড়ি ভাড়া তিনদিন = ৩×৫০০ =১৫০০ = ৫৪০০+ফেরা১২০০ = ৬৬০০÷৪ = ১৬৫০টাকা একদিনে একজনের জম্মু ও কাশ্মীর ভ্রমণ খরচ। 

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...