Translate into your language

সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

Digha / Digha Tourist Spots / দিঘা ট্যুর

New Digha:
Digha সমুদ্র সৈকত আজ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সাপ্তাহিক ছুটি কাটানোর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ হিসেবে dighabeach পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পরে বালিয়াড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে গড়ে ওঠে আজকের দীঘা বা New Digha। অতীতে দীঘার অবস্থান ছিলো সমুদ্র সৈকত থেকে ৮ কিমি জঙ্গলের ভিতরে। আজ অতীতের সেই দীঘাকে ফেলে রেখে এসে যাত্রী চাহিদা মেটাতে নতুন করে সুসজ্জিত করা হয়েছে ওড়িশা সীমান্তের দিকে ৩ কিমি জুড়ে New Digha
যদিও এর শান্তশিষ্ট রূপটি ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এগিয়ে আসছে সুমুদ্র লোকালয়ে, গ্রাস করছে নাগরিক সভ্যতা। বড়ো বড়ো পাথরে আটকানোর চেষ্টা চলেছে seabeach এর ধ্বংস লীলা। বর্তমানে ঢাকা দেওয়া হয়েছে কংক্রিটের চাদরেও। বাজারের নিচ দিয়ে মাইলখানেক জায়গা জুড়ে চলে সমুদ্র স্নান, ঢেউয়ের সাথে হেলে দুলে। বিস্তৃত এই নিউ দীঘার বালুকাবেলায়, সূর্যাস্তের রক্তিম বিচ্ছুরিত রশ্মিচ্ছটায় আকাশের সাথে সমুদ্র নীল মিলেমিশে একাকার হয়ে সৃষ্টি করে এক স্বর্গীয় পরিবেশ। সন্ধ্যাবেলা বিজলী বাতির আলোক বিচ্ছুরণ অথবা জ্যোৎস্নার রাত্রিবেলা; বালুকাবেলা ও সমুদ্র মিলে যে অনবদ্য মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি করে Digha-তে তা অবর্ণনীয়।




Places to visits in Digha:-

Amarabati:- অসীম নীলাকাশ আর সীমাহীন সমুদ্রের পাড়ে লেক তৈরি হয়েছে কানন গড়ে। সীমান্ত পথে নাগরিক সভ্যতার আস্ফালনে অবহেলিত অমরাবতীতে বোটিং-এর ব্যাবস্থাও আছে। আছে এই কাজলা দিঘিতে সর্পোদ্যানও। সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকে উদ্যানটি।

মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম:- নতুন আর পুরাতন দীঘার মাঝখানে হাসপাতালের উল্টো দিকে এশিয়ার সর্ববৃহত্ মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম তৈরি হয়েছে। ২৩ টি বিশাল কেসে সামুদ্রিক প্রাণী ও জীবজন্তুর সম্ভার দেখে নেওয়া সম্ভব সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৩টে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে।

দীঘা বিজ্ঞান কেন্দ্র:- বিভিন্ন মডেলের সাহায্যে শিক্ষা মূলক বিজ্ঞান কে মজাদার ও সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে। Fun Glass-এ মিলিয়ে নিন উচ্চতা, কঙ্কালের সাথে সাইকেল রেস, ইগলুর মত ঘরে বসে তারামণ্ডল দেখা সহ বিভিন্ন কিছু। জুরাসিক পার্কও হয়েছে এই চত্বরে। হোলি ও কালীপূজা ছাড়া, সারা বছর খোলা সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। দীঘাকে ঘিরে বিদেশি পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে দ্রুতই রূপ পেতে চলেছে, এয়ারট্রিপ, রোপওয়ে, জলক্রীড়ার ব্যবস্থা সহ ফাইভস্টার হোটেল ও বিলাসবহুল রিসোর্টও।

Shankar pur :- কেয়া ও ঝাউয়ে ছাওয়া সবুজ জঙ্গলের মাইলের পর মাইল শুধু ঝাউ আর ঝাউ। রূপোলি রঙের বালিচরে পরিত্যক্ত জাহাজ ছুঁয়ে ধুধু করছে চারিদিকে বালি আর বালি। বঙ্গোপসাগরে বুকে নীলকাশের নীল ঝরে পড়া অসীম সমুদ্র অনন্ত, অন্তহীন ঢেউ গুলোর ভেঙে ভেঙে পড়া সাগরতটে। নির্জন সাগরবেলায় ভারতের বৃহত্তম জেটিতে মৎস প্রকল্পে টলার ও জেলে নৌকার কর্মকাণ্ড চলছে। চওড়া বীচের শক্ত মাটিতে ঘন ঝাউবনের শোঁ শোঁ ও উঁচু উঁচু বালিয়াড়ি। একাকী সন্যাসী কাঁকড়ার সঙ্গিনীর খোঁজে ঘুরে বেড়ানো।
দীঘা থেকে শঙ্কর পুরের দুরত্ব ১৩ কিমি। দীঘা থেকে ট্যাক্সি ও বাসে ঘুরে নেওয়া যায় শঙ্কর পুর।

Chandaneswar:- চন্দনেশ্বর শিব মন্দির বেড়িয়ে আসতে পারেন Digha থেকে ওড়িশা গিয়ে। দূরদূরান্ত থেকে যাত্রীরা আসেন এই শিব মন্দিরে, চৈত্রে মেলাও বসে এখানে। দীঘা থেকে বাসে করে ৩ ঘন্টায় কিয়াগেড়িয়া গিয়ে সেখান থেকে ভ্যান রিকশা, অটো, ট্যাক্সি করে বা দীঘা থেকে ট্যাক্সি করে কাজু বনের ভিতর দিয়ে। হাওড়া-চন্দনেশ্বর, হাওড়া-বালাসোর, দীঘা-বারিপাদা রুটের বাস চন্দনেশ্বর হোয়ে যাচ্ছে। চন্দনেশ্বর থেকে ওড়িশার বিভিন্ন দিকের বাস পাওয়া যায় তাই চন্দনেশ্বর ঘুরে chadipur থেকেও বেড়িয়ে ফিরতে পারেন। কাছের রেল স্টেশন এই পথের জলেশ্বর।

Talshari:- নির্জনতা খুঁজে নিজেকে একা উপভোগ করতে অথবা দুজন মিলে একলা হতে চন্দনেশ্বর থেকে ৪ কিমি দুরে সাগর সৈকত তালশারি ঘুরে আসতে পারেন। স্বচ্ছ নীল জলের পাড় ঘিরে শাল-পিয়াল-ঝাউবনে মোড়া সাগরবেলা। ১২ কিমি দুরে সুবর্ণ রেখার সাগর সঙ্গমে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত মন ছুঁয়ে যায়। নৌকা চড়ে সূর্যাস্ত দেখার সুযোগও ব্যবহার করতে পারেন এখানে। ঝিনুকের কারুকার্যমণ্ডিত বালুকাবেলায় সন্যাসী কাঁকড়াদের ঘুরেফেরা সহ মাঝেমধ্যে জেলে নৌকার যাওয়া আসা। সবুজে সবুজে মোড়া সোনাঝোরা seabeach টিও অনন্য, পিপাসু মন বারেবারে মেতে ওঠে।

Udaypur:- ওড়িশা ও পচ্শিবঙ্গ সীমান্তের দক্ষিণ দিকে তালশারি থেকে ফেরার পথে দেড় কিমি দুরে আরও এক Seabeach। নির্জনে ঝাউয়ে সবুজে নীলাকাশের নীল মিলেমিশে একাকার। জেলে নৌকার আসা যাওয়ার মাঝে, লাল কাঁকড়াদের লুকোচুরি। মনে ধরায় রঙিন বর্ণালী সূর্যাস্ত ও উদয়ের সকাল-সাঁজে। বারেবারে ফিরে যেতে চাইবে মন, এই মায়াবী প্রকৃতির প্রেমের ছোঁয়ার মাঝে। 




Mandarmoni:- মাঝেমধ্যেই সমুদ্রের গর্জন নিস্তব্ধতা ভেঙে দেয়। সৈকত জুড়ে সাদাসাদা আঁকিবুকি। চন্দ্রালোকিত জ্যোৎস্নায় চিকচিক করে বালি, কোথা নাই কাদা। ছোট্ট অবকাশ যাপনের আদর্শ স্থান MandarmoniDigha থেকে ১৬ কিমি দুরে চাউলখোলা গিয়ে দক্ষিণ দিকে ৭ কিমি গেলে বেঙ্গল সল্ট ফ্যাক্টরি। এখানে লবন তৈরি হচ্ছে স্বাধীনতার আগে থেকে। প্রাচীন অথচ বহুল প্রচলিত প্রথার এই লবণ তৈরির কারখানা দেখে নেওয়া যায়। চাউলখোলা থেকে ১০ কিমি গ্রাম্য প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশের বুক চিরে কালিন্দী, দাদন পাত্রবাড় হয়ে পৌঁছাতে পারেন সাগর সৈকতে। 

Tazpur:- ঝাউ, কেয়া আর সমুদ্রের নিবিড় প্রেম উপলব্ধিই তেজপুরের আকর্ষণ। উইকএন্ডে বিভিন্ন ধরণের ওয়াটার স্পোর্টসের আয়োজন হচ্ছে সাগর বেলাটিতে। ডিয়ার পার্কটি প্রস্তাবিত। রামনগর থেকে ৪ কিমি গিয়ে বালিসাই-এর আলম পুর মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে সাড়ে তিন কিমি দুরে পচ্শিমবঙ্গের নতুন পর্যটন কেন্দ্র Tazpur।

Junput:- New Digha সৃষ্টি হওয়ার আগে পচ্শিমবঙ্গের সৈকত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দীঘার প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে অনেকেরই পছন্দ ছিলো Junput। ভাটার সময় জল না থাকার কারণে সেই পরিকল্পনা সরে যায় New Digha। ধীরে ধীরে সামুদ্রিক মাছের উপনিবেশ তৈরি হয়েছে Junput, মৎস গবেষণা কেন্দ্র ও শুঁটকি মাছের আড়ৎ তৈরি হয়েছে এখানে। সবুজ ঝাউয়ে ছাওয়া বিশাল বেলাভূমি, বিস্তৃত হয় আরোও ভাটার সময়ে। লাল কাঁকড়ার মিছিল বৈচিত্র বাড়ায় কর্দমাক্ত জুনপুটে। ঝাউবনে ট্রি হাউস, চিলড্রেন পার্ক, লেক, পাখিরালয়, প্লে গ্রাউন্ড রয়েছে এখানে। দীঘা থেকে ৩২ কিমি দুরে কন্টাই বাস যাচ্ছে। সেখান থেকে আরোও ৯ কিমি দুরে  বাস, মিনিবাস, অটোরিকশায় যাওয়া যায় জুনপুটে। দীঘা থেকে ট্যাক্সিতে ঘুরে নেওয়া যায়ও junput। জুনপুটে গিয়ে ঘুরে নিতে পারেন দরিয়াপুরের লাইট হাউসের কাছে কপালকুণ্ডলা মন্দির, দরিয়াপুর থেকে খেয়া পেরিয়ে হিজলি। কন্টাই থেকে বাস বা ট্রেকারে অতীতের বন্দর নগরী ও সমুদ্র সৈকত খেজুরি। দীঘা থেকে কাঁথি হোয়ে কলিনগর মোড় থেকে বাম দিকে ৬ কিমি গিয়ে বাগদা নদীর তীরে পাঁউশী গ্রামে ১১ বিঘা পুকুর, ফল-ফুল-সবজি বাগান। ছাড়াও তাম্রলিপ্ত বা তমলুক এবং তমলুক থেকে ১৬ কিমি দুরে পরিখায় ঘেরা দ্বীপ অতীতের ময়নাগড় দীঘা ভ্রমণের দ্রষ্টব্য।


Hotels in Digha:- STD OF Digha- 03220.

1) Hotel Sea Hawk, Call:- 266246/266235/ or 033-25222834/ 25227500. 2) Hotel Artland, Call:- 266060. 3) Hotel Dolphin, Call:- 266248. 4) Hotel Sea Gull, Call:- 9331936900. 6) Hotel Tulip, 266325. 7) Diamond, Call:- 22259639. 8) Sagar Kanya, 8900693940. 9) Hotel Kanishka, Call:- 266349. 10) Ananda Sadan Holiday Inn, Call:- 9831724881. 11) Hotel Sea Coast, Call:- 266305. 12) Pratag Samudra Villa, Call:- 9874783462. 13) Ajanta, Call:- 266214. 14) Hotel  Duke, Call:- 266296. 15) Hotel Pushpak, Call:- 266479. 16) Sanjay Palace, Call:- 266567. 17) Suryaman Lodge, Call:- 266347. 18) Hotel Golden Touch, Call:- 266898. 19)Bina Lodge, Call:-  9433424249. 20) Hotel Lokanjali, Call:- 9831649804. 21) Swapnapuri, Call:- 9903235410. 22) Rupasi Bangla, Call:- 266105. 23) Anjali Nibas, Call:- 266772. 24) Hotel Satabdi, Call:- 267337. 26 Blue View, Call:- 266219.
These all are Cheapest hotels of Digha,  contact with these Digha hotels by Phone number.

How to go Digha:- 

প্রাইভেট বাসে হাওড়া থেকে ভোর ৪টে ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত  যাওয়া যায় দীঘা।
কলকাতার শহীদ মিনার থেকে, উল্টোডাঙা থেকে, দমদম থেকে, ডানলপ থেকে, গড়িয়া থেকে এসপ্ল্যানেড হয়ে CSTC-র বাস যাচ্ছে। ভূতল পরিবহন নিগম শিয়ালদহ হয়ে দীঘা যাচ্ছে। SBSTC-র বাস যাচ্ছে উল্টোডাঙা থেকে, বেলঘরিয়া ডিপো থেকে হাওড়া হোয়ে দীঘায়। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...