Translate into your language

শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২১

Manali : Manali Tourism/মানালি ভ্রমণ

Manali:-
স্কিইং, হাইকিং, পর্বতারোহণ, প্যারাগলাইডিং, রাফটিং, ট্রেকিং, কায়াকিং আর মাউন্টেন বাইকিং-এর মতো এডভেঞ্চার স্পোর্টস গুলোর জন্য manali বিখ্যাত। ইয়াক স্কিইং এখানকার এক অনবদ্য স্পোর্টস। উষ্ণ প্রস্রবণ ধর্মীয় কুঠি ও তিব্বতীয় বৌদ্ধ মনাস্ট্রি রয়েছে মানালিতে। দেব উপত্যকা 'মানালি' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ 'মনুর বাসভূমি'। পুরানো manali Village এ মনুর নামে একটি বহু প্রাচীন মন্দিরও রয়েছে। মানালি প্রশাসনিক ভাবে কুল্লু জেলার অন্তর্গত এবং ছোট শহরটা প্রাচীন লাদাক বানিজ্য পথের শুরুতে এবং সেখান থেকে কারাকোরাম গিরিপথের উপর দিয়ে তারিম বেসিন-এর ইয়ারকন্দ আর খোটান পর্যন্ত বিস্তৃত। মধুচন্দ্রিমা বা honeymoon এর জন্য বিগত কয়েক বছর ধরে manali জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫০ জন নবদম্পতি এখানে মধুরাত যাপনে আসেন এবং বছরের বাঁকি সময়ে দৈনিক গড়ে ৩৫০ টি নতুন জুটির আগমন ঘটে এখানে।

Places to visit in Manali:- 

Manu Temple:- নেহেরু পার্ক রেখে মানালসু নদী পার হয়ে পুরানো মানালির পাহাড়ি বাড়িঘর গুলির সুসজ্জিত প্রবেশপথ কাঠের ব্যালকনি ও পাথরের ছাঁদ দেওয়া শিল্পকর্ম দেখতে দেখতে, মালাসু নদী থেকে তিন কিলোমিটার দুরে কাঠের তৈরি Manu Mandir-টি ঘুরে আসা যায়।

Hadima Temple:- হিড়িম্বা রাক্ষস কে এখানেই বিবাহ করেছিলেন ভীম, তাই পাইন ও দেবদারুর পাহাড়ি অরণ্যে মহারাজা বাহাদুর সিং কাঠ দিয়ে ২৭ মিটার উঁচু এই Hadima Temple-টি তৈরি করেন। পাশাপাশি কাছে দুরে দেখে নেওয়া যায় আরোও কয়েকটি মন্দির এখানে, যেমন:- ঢুংরি মন্দির, চাম্বা উপত্যকায় ত্রিলোকনাথের মন্দির, ঘটোত্কচ মন্দির।

Club House:- বিপাশা পার হয়ে ইনডোর গেমের ব্যাবস্থাপনা নিয়ে তৈরি দেবদারুতে ছাওয়া সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠেছে Club House-টি। এখানে বিপাশার পাড়ে একটি পার্কও রয়েছে। 

Tibetan Monasteries:- মডেল টাউনে সুন্দর প্রেয়ার ফ্লাগের বাহারে তিব্বতিয় মনাস্ট্রিটিতে তিব্বতিয় ছবির সংগ্রহ উল্লেখ্য। এখানে তিব্বতিয় হস্তশিল্প দেখে নেওয়া সহ কেনাও যায় হস্তশিল্পজাত পণ্য। পাশেই টেকছোকলিং গুম্ফা এবং মনাস্ট্রির প্রার্থনাসভাটি অনন্য সুষমামণ্ডিত। মাউন্টেরিয়ান ইনস্টিটিউটটিও ঘুরে দেখা যেতে পারে এখানে।

Rohtang:- বশিষ্ঠমুনির তপস্যাস্থল-মন্দির এবং সন্তান শোকে আত্মবিসর্জন দিতে চেয়েছিলেন বশিষ্ঠমুনি এখানে। উত্তর দিকে আরো তিন কিমি মতো গিয়ে কাষ্ঠ নির্মিত সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত বশিষ্ঠ আশ্রমটি দেখে নিতে পারেন। এখানে একটি গরম সালফার জলের কুণ্ড রয়েছে, রয়েছে রামমন্দিরও। কিছুটা দুরে রয়েছে ঘটোত্কচ মন্দির।

হামামে:- বশিষ্ঠ আশ্রমের গরম জলের কুণ্ড থেকে পাইপের সাহায্য জল এনে তৈরি আধুনিক বাথরুম। নারী পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা স্নানঘরের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এটির মাথার উপরে ভৃগুতঙ্গ পর্বতে অবস্থিত লেকটিতেও স্নান করে নেওয়া যায়। মনুমন্দির থেকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে গোশাল গ্রামে গৌতম মুনির বসবাস ছিল এবং এখান থেকে আরোও কিছুটা গেলে সোনাল এবং সোলাং উপত্যকা।

Nagar Durga:- পাথর, মার্বেল আর কাঠের সূক্ষ্ম কারুকার্যমণ্ডিত এই দুর্গটি পাল সাম্রাজ্যের স্মৃতি বহন করে এবং এটি হিমাচলের স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন।

Rahala Waterfalls :- মানালি থেকে রোতাং পাস যাবার ঠিক সামনে এবং মানালি থেকে ২৭ কিমি দূরে এই জলপ্রপাতের উচ্চতা ৪২১০ ফুট।

Solang Valley:- মানালি থেকে ১৩ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এটি 'স্নো পয়েন্ট' নামে পরিচিত।

Manikaran:- কুলু থেকে ৪৫ কিমি দুরে মানালি যাওয়ার রাস্তায় এই অঞ্চলটি বিখ্যাত পার্বতী নদীর কাছে উষ্ণ প্রস্রবনের জন্য।

Hotels in Manali:- 
There ar some hotels of Manali and Manali Hotels contact numbers.

Hotel Beas, Phone:- 01902-252832. Orchard Huts, Phone:- 01902-253225. Hotel Rohtang Manalsu, Phone:- 01902-253723. Hotel Kunzum, Phone:- 01902-253198. Yatri Niwas, Phone:- 01902-253531.
Pujara Shiraj, Phone:- 033-22318019. Shiwalik, Phone:- 01902-254240. Aalfa, Phone:- 01902-252310. New Shiwalik, Phone:- 01902-254239. Poorva, Phone:- 033-22371993. Paramount, Phone:- 033-22101822. Aroma, Phone:- 01902-253159.
Sun Flower, Phone:- 01902-252419. Raj Palace,  Phone:- 033-24542975. Bulbul, Phone:- 01902-252509. 
Meadows, Phone:- 033-27510091. Smart, Phone:- 01902-252356. Adarsha, Phone:- 01902-252493. Grass Land, Phone:- 01902-252122. Conifer, Phone:- 01902-252434. Blue Heaven, Phone:- 01902-252802. Anupam, Phone:- 01902-252181
Simla Kalibari, Phone:- 0177-2652964।

Weather in Manali:-
Temperature of Manali শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এবং গ্রীষ্মে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Perfect time to visit Manali:-
Perfect time to visit manali এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস, জুলাই-আগস্টের বর্ষার সময় বাদ দিয়ে। তবে সারা বছরই মানালি অনন্য রূপের ডালি সাজিয়ে অধির আগ্রহে পরদেশী প্রেমিকের আশায় দরজা খুলে রাখে। আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে আপনি আপনার প্রিয়তমা কে কোন রূপে এবং কীভাবে, কখন দেখতে চান? বরফের শুভ্রতায় সুন্দরীকে উপভোগ করতে চাইলে চলে যান, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যবর্তী সময়ে। এটিই ট্যুরিস্ট মরশুম। সব থেকে বেশি পর্যটকদের ভিড় থাকে এই সময়ে এবং লাদাখ যাত্রারও এটাই সেরা সময়। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারিতে গেলে স্নো-ফল দেখার অনবদ্য সুযোগের সদব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারীতে ঘুরে আসাটা সাশ্রয়ী এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ আনান্দ উপভোগ করা যায়ও। হোটেলে বসে থেকে মাঝেমধ্যে ভারী তুষারপাত দেখার মজাটাই আলাদা এই সময়ে।
জুনের শেষ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বর্ষার সময়ে গেলে কঠিন পাহাড়ের সাথে মেঘবালিকাদের প্রেমালাপ উপভোগ্য। পাইন অরণ্য, ক্রিস্টমাস ট্রীর রঙের বাহার উপভোগ করতে চাইলে, চলে যান সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী সময় থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। পরিস্কার আবহাওয়ায় বরফ না থাকায় ফলে, পাহাড় গুলো আসল রূপ ফিরে পায় এবং মোটামুটি ভ্রমণখরচ কম এই সময়ে। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে সহনীয় ঠাণ্ডায় আরামে ঘুরে বেড়ানো যায়। বরফ পড়তে শুরু করলেই রোথাংপাস যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় প্রসাশন। অবশ্য  মার্চ/এপ্রিলের দিকে গেলে রোথাংপাসে যাওয়া যায়।

How to go Manali:-
সিমলা, যোগীন্দরনগর, পাঠানকোট, চণ্ডীগড় আম্বালা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিয়মিত বাস সংযোগ রয়েছে মানালির। দিল্লি থেকে HPTDC, ISBT ও HRTC-র বাস আসছে মানালিতে HRTC-র ফোন:- 01902-252323

Trip route Plan to Manali:-
হাওড়া থেকে ট্রেনে এক রাত কাটিয়ে নতুন দিল্লি পৌঁছে, নতুন দিল্লি থেকে ট্রেনে আম্বালা পৌঁছে টিফিন করে ভাড়ার গাড়িতে করে মানালির পথে রওনা দিন, পথে শতদ্রু নদী, পাণ্ডু ড্যাম, সুন্দরনগর লেক দেখতে দেখতে দুপুরের খাবার সেরে নিন এবং রাত্রিতে মানালি হোটেল পৌঁছে রাতের খাবার খেয়ে রাতের বিশ্রাম। পরের দিন মানালি থেকে সোলাং ভ্যালি ঘুরে দেখে মানালিতেই রাত্রিযাপন করুণ এবং চতুর্থ দিন মানালি থেকে বনবিহার, বশিষ্ঠ মন্দির, হিড়িম্বা মন্দির, ক্লাব হাউস দেখতে দেখতে কাসোল গিয়ে রাত্রিতে থাকুন। ৫ম দিন সকালে বেরিয়ে পার্বতী নদী-মনিকরণ-গুরুদুয়ার ঘুরে বিকেলে ফিরে কাসোল ঘুরে, কাসোলে রাত্রিযাপন করে পরের দিন কাসোলে সূর্যোদয় দেখে ব্রেকফাস্ট করে ভুনতা গিয়ে NH305 ধরে বনজরে ঢুকে তিরথান নদী দেখে বনজর বাজার রেখে হিমালয়ান ন্যাশানাল পার্ককে যান। সেখান থেকে বিকেলে ১ কিলোমিটার হাইক করে গাইধার ফলস দেখে তিরথান ভ্যালিতে রাত্রিযাপন করুণ। সপ্তমদিন সকালে তিরথান থেকে জিতিগ্রাম ঘুরে দেখে দুপুরে ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে সন্ধ্যার আগে আম্বালার উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করুণ। রাস্তায় রাতের খাবার খেয়ে সকালে আম্বালার থেকে নতুন দিল্লির ট্রেনে চেপে পড়ুন এবং নতুন দিল্লি থেকে সন্ধ্যায় হাওড়ার ট্রেন ধরুণ। নবম দিন বিকেলে একরাশ স্মৃতি নিয়ে হাওড়া স্টেশন থেকে ঘরে ফেরা...Howrah to New Delhi train booking link
আম্বালা থেকে কার রেন্টাল এজেন্সি:-
1) Ambala Taxi Service, Phone:- 08950039000.
2) Bindra Travels, Phone:- 09896400300.
3) Self drive car bike rental, Phone:- 07355883006.
Manali route Plan 2:- কলকাতা-কালকা-শিমলা-মানালি-দিল্লি-কলকাতা বা মানালি-দিল্লি-আগ্রা-কলকাতা।
কলকাতা থেকে কালকা পৌঁছে টয়ট্রেনে করে শিমলা গিয়ে রাত্রিযাপন। পরের দিন সকালে কুফরী/ফাগু ভ্যালি ঘুরে রাতের বাসে মানালি পৌঁছে হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে মানালিতে বনবিহার-ক্লাবহাউস-হিড়িম্বা মন্দির-তিব্বতিয় মনাস্ট্রি ঘুরে রাত্রিযাপন মানালিতে। পরের দিন সকালে উঠে গাড়ি ভাড়া করে সোলাং ভ্যালি হয়ে রোথাং পাস ঘুরে মানালিতে ফিরে রাত্রিযাপন। সকালে মানালির ম্যালরোড থেকে বাস ধরে দিল্লির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ুন। পরের দিন দিল্লি ঘুরে সন্ধ্যা আগ্রা বা দিল্লি থেকে কলকাতার ট্রেনে উঠে পড়ুন।
Manali route Plan 3:-
সন্ধ্যার কালকা মেলে হাওড়া থেকে কালকা গিয়ে কালকা থেকে ভোরবেলা টয়ট্রেনে সিমলা। সিমলা কালিবাড়ি তিনদিন থেকে মানালি যান মানালিতে ৩ দিন থেকে ওখান থেকে একদিন মণিকরণ যান। মানালি থেকে হিমাচল প্রদেশ ট্যুরিজমের বাস ধরে (বাসের টিকিট এর সঙ্গে রাত্রে ডিনার এবং সকালে ব্রেকফাস্ট যোগ করা আছে) সকাল দশটার বাসে গিয়ে সন্ধ্যেবেলা কেলং-এ স্টে করুণ। ওই দিন রাত্রের খাবার এবং  সকালে ব্রেকফাস্ট দিয়ে বাস ছাড়ে এবং বিভিন্ন পাস অতিক্রম করে ঐদিন সন্ধ্যেবেলায় লে বাসস্ট্যান্ডে পৌছবে। লে তে দুই দিন থেকে ওখান থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে খারদুংলা পাস হয়ে হান্টার দুইদিন, ওখান থেকে একদিন তুরতুক তার পরদিন সকালবেলা গাড়ি নিয়ে প্যাংগং একদিন থেকে ওখান থেকে আবার লে। তার পরের দিন লে এয়ারপোর্ট থেকে দিল্লি এয়ারপোর্ট হোয়ে কলকাতা এয়ারপোর্টে ফিরুণ।
Manali route Plan 4 :- 
ট্রেনে কালকা এবং  কালকা থেকে টয়ট্রেনে সিমলা কালী বাড়ীতে থাকুন। সিমলা থেকে একটা অলট্রো বুক করে নিন ১২ দিনের জন্য ২০০০০ টাকা মতো পড়বে ৷ অলট্রো করে কুফরী-ফাগু হয়ে সারাহান গিয়ে সাহারান থেকে কল্পা। কল্পা থেকে সাংলা হোয়ে ছিঁটকুল গিয়ে ছিঁটকুল থেকে জিওলড়ী পাস হয়ে সুজা। সুজা থেকে কুলু হয়ে মানালি এবং মানালি সাইট সীন করে মাঝে মান্ডিতে নাইট ষ্টে করে চণ্ডীগড়।
Car rental Agencies for Manali to Shimla:-
1) Saini Tour & Travel, Phone:- 09464524622.
2) Mimachal Taxi tour, Phone:- 09805601230.

Costing for Manali tour:-
প্রথম দিন:- কলকাতা থেকে কালকা ট্রেন ভাড়া- ৭১০×২= ১৪২০ টাকা, রাতের খাবার - ২০০ টাকা, কালকা থেকে সিমলা টয়ট্রেন ভাড়া- ২৬০×২= ৫২০টাকা। টোটাল= ২১৪০টাকা।
দ্বিতীয় দিন:-  সীমালা হোটেল ভাড়া- ১২০০টাকা এবং ঘোরাঘুরি ও খাওয়া খরচ - ৫০০ টাকা।
টোটাল= ১৭০০টাকা।
তৃতীয় দিন:- সিমলা ঘুরে দেখার গাড়ি ভাড়া- ১০০০ টাকা, সকালে টিফিন এবং দুপুরের খাবার- ৮০০টাকা, রাতে মানালি বাসের টিকিট ৬০০×২= ১২০০টাকা, রাতের খাবার- ৪০০ টাকা।
টোটাল = ৩৪০০টাকা
চতুর্থ দিন:- সকালে মানালি পৌঁছে হোটেল ভাড়া- ৮০০ টাকা, মনুমন্দির-ক্লাবহাউস ঘুরে দেখা এবং  খাওয়া খরচ- ৮০০টাকা।
টোটাল = ১৬০০টাকা।
পঞ্চম দিন:- আগে থেকে ভাড়া করে রাখা গাড়িতে করে ভোরে রোতাংপাস ও সোলাং ভ্যালি ঘুরে সন্ধ্যায় দিল্লির বাসে দিল্লির উদ্দেশ্য রওনা। গাড়ি ভাড়া-৫০০০ টাকা, খাওয়া খরচ-৪০০টাকা, দিল্লির বাস ভাড়া ১৪০০×২= ২৮০০টাকা।
টোটাল = ৮২০০টাকা।
ষষ্ঠ দিন:- সকালে দিল্লি পৌঁছে একটি হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে দিল্লি ঘুরে দেখে, হোটেল ছেড়ে দিয়ে সন্ধ্যার আগে দিল্লি রেলস্টেশন এসে হাওড়ার ট্রেন ধরা।
হোটেল ভাড়া-১২০০টাকা, সারাদিন ঘোরাঘুরি ও খাওয়া- ১০০০টাকা এবং দিল্লি থেকে হাওড়ার ট্রেন ভাড়া-১৬৬৫×২ = ৩৩৩০টাকা।
টোটাল = ৫৫০০টাকা।
Total Manali trip cost= ২২৫৪০টাকা দুজনের জন্য।
মানালি ভ্রমণ খরচ আরোও কমে যাবে HPTDC-র প্যাকেজ ট্যুরে অংশগ্রহণ করলে, প্রতিদিন বাস যাচ্ছে এদের।
Contact:-
 HPTDC Office
Tourist information center in Kolkata, West Bengal, Phone:- 033-22127470
2H, 2ND FLOOR, ELECTRONIC CENTRE, 1/1 A, BIPLABI ANUKUL CHANDRA ST. KOLKATA-700072, Phone:- 
033-22126361, Fax:- 033- 22127470, Email:-
kolkata@hptdc.in

সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

Badrinath / Badrinath yatra / বদ্রীনাথ ভ্রমণ


Badrinath temple:-

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় অলকানন্দা নদীর তীরে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০,২৭৯ ফুট উচ্চতায় হিন্দু  মন্দির Badrinath খ্রিস্টপূর্ব ১৭০০-৫০০ অব্দে তৈরি হয়েছিল এবং এই মন্দিরটি খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত একটি বৌদ্ধবিহার ছিল। আদি শঙ্করাচার্য নবম শতাব্দীতে এটিকে হিন্দু মন্দির রূপে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীতে, বিশেষ করে প্রবেশদ্বারটি বৌদ্ধবিহারের সাক্ষ্যবহন করে বলে অনেকেই মনে করেন। নবম শতাব্দীতে আদি শঙ্করাচার্য বদ্রীনাথের মূর্তিটি অলকানন্দা থেকে উদ্ধার করে তপ্তকুণ্ডের উষ্ণ প্রস্রবণের পাশে মন্দির তৈরি কোরে প্রতিষ্ঠা করেন বলে দ্বিতীয় আর একটি মত রয়েছে। ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী বদ্রীকাশ্রমে শ্রীবিষ্ণু নর ও নারায়ণ ঋষি রূপে আবির্ভূত হয়ে ছিলেন। এছাড়া স্কন্দপুরাণ ও মহাভারতের মতো প্রাচীন গ্রন্থেও বদ্রীনাথ মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়। স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী “স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতালে যত পবিত্র তীর্থ আছে তারমধ্যে Badrinath  এর মতো পবিত্র তীর্থস্থান কোথাও নেই। মহাভারতের মতে অন্য সকল তীর্থে মোক্ষলাভ করতে হলে ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয় কিন্তু badrinath এলেই প্রতিটি জীবন মোক্ষ লাভ করতে পারে। ছোট চারধামের এই মন্দির গুলো শৈব ও বৈষ্ণব তীর্থ হলেও, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবশ্রেণীর পুণ্যার্থীরা চারধাম মন্দিরগুলিতে পুণ্যার্জনে আসেন। badrinath temple টি উত্তরাখন্ডে অবস্থিত কিন্তু মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রাওয়ালরা দক্ষিণ ভারতের কেরলের নাম্বুদিরি ব্রাহ্মণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে নিয়োজিত হয়ে থাকে। badrinarayan এর ৩.৩ ফুট উচু শালগ্রাম শিলায় নির্মিত মুর্তিটি সোনার চাঁদোয়ার নিচে রাখা আছে। দুই হাত উপরে তোলা শঙ্খ ও চক্র ধরা অবস্থায় এবং নিচের দুটি হাত পদ্মাসনে উপবিষ্ট মূর্তির কোলের উপরে। গর্ভগৃহে  badrinarayan ছাড়াও রয়েছে কুবের, নারদ, উদ্ধব সহ নর ও নারায়ণ ঋষির মূর্তি। মন্দিরের চারিদিকে মিলিয়ে আরোও ১৫টি মতো দেবদেবী মূর্তি রয়েছে। যার মধ্যে দেবী লক্ষ্মী গরুড় ও নবদুর্গার মুর্তি উল্লেখ্য। মন্দিটিতে লক্ষ্মীনৃসিংহ ও আদি শঙ্কর বেদান্ত দেশিকা সহ রামানুজের মন্দিরও রয়েছে। Badrinath temple এর সকল মূর্তি শালগ্রাম শিলায় তৈরি।

Temperature of Badrinath:-

Yearly temperature of Badrinath ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে। শীতে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে এবং গ্রীষ্মে ৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বদ্রীনাথের তাপমাত্রা ওঠানামা করে।

Badrinath yatra:-
 Perfect time to visits Badrinath মে থেকে জুন এবং অক্টোবর। মে থেকে নভেম্বরেও যাওয়া যেতে পারে জুলাই থেকে আগস্টের বৃষ্টির মৌসম বাদ দিয়ে। মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে মন্দিরে থাকেন বদ্রীনাথ এবং অন্যান্য সময়ে যোশীমঠের শীতাবাসে বদ্রীনাথ দর্শন করা যায়। 

 Badrinath Travel root:-
১) কলকাতা-হরিদ্বার-ঋষিকেশ-দেবপ্রয়াগ-কীর্তিনগর-শ্রীনগর-রুদ্রপ্রয়াগ-গৌচর-কর্ণপ্রয়াগ-নন্দপ্রয়াগ-চামোলী-বিরহী-পিপালকোটি-গুরুগঙ্গা-হেলাং-জোশিনাথ-বিষ্ণুপ্রয়াগ-গোবিন্দঘাট-পাণ্ডুকেশ্বর-হনুমানচটি-শ্রীবদ্রীনাথ।

২) কলকাতা-হরিদ্বার-বারকোট-যমুনেত্রী-উত্তরকাশী-গঙ্গোত্রী-গুপ্তকাশী-কেদারনাথ-পিপালকোটি-বদ্রীনাথ-শ্রীনগর-হরিদ্বার-কলকাতা।

Kolkata to Kedarnat Yatra:-
১) কলকাতা থেকে ট্রেনে হরিদ্বার বা দেরাদুন গিয়ে এক রাত্রি থেকে Tax ভাড়া করে ভোর না হতেই পরের দিন ঋষীকেশ ঘুরে সন্ধ্যায় জোশিমঠ পৌঁছে রাত্রিযাপন করে, পরের দিন ভোরে বদ্রীনাথ দর্শন করে তিব্বতিয় সীমান্ত মানাগ্রাম ঘুরে জোশিমঠে ফিরে আর এক রাত্রিযাপন করে, পরের দিন গুপ্তকাশীর উদ্দেশ্য বেরিয়ে পড়ুন চোপতা হয়ে এবং গুপ্তকাশী এক রাত্রি অতিবাহিত করে পরের দিন ঋষীকেশ বা হরিদ্বারে পৌঁছে এক রাত্রি থেকে কলকাতা ফিরে আসুন। বা গুপ্তকাশী থেকে শোনপ্রয়াগ হয়ে কেদারনাথেও যেতে পারেন।

২) কলকাতা থেকে হরিদ্বার গিয়ে এক রাত্রি থেকে হরিদ্বার থেকে বারকোট গিয়ে দুই রাত্র। বারকোট থেকে উত্তরকাশী দুই রাত্রি থেকে গুপ্তকাশীও দুই রাত্রি থাকতে হবে। গুপ্তকাশী থেকে কেদারনাথে এক রাত থেকে গোবিন্দঘাটে আরও একরাত্রি কাটিয়ে হরিদ্বার পৌঁছে এক রাত থেকে কলকাতা ফিরে আসা।
Badrinath visiting places:-
Tapta kund badrinath :- মন্দিরের ঠিক নিচে গন্ধকের ঔষধিগুণ সম্পূর্ণ একটি উষ্ণ প্রস্রবন রয়েছে। পুণ্যার্থীরা বদ্রীনাথ দর্শনে যাওয়ার আগে, এই কুণ্ডে স্নান করা অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করে। এই উষ্ণ প্রস্রবনের গড় তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মন্দিরের দুটি পুকুরের নাম নারদ কুণ্ড ও সূর্যকুণ্ড

Vasudhara Falls :- বশিষ্ঠ মুনিকে পাপমুক্ত করতে বসুর আট ছেলে অষ্টবসু তপস্যা করেছিলেন এখানে। গঙ্গাদেবীও সন্তুষ্ট হয়ে আটটি ধারায় নেমে এসেছেন। রামধনুর সাত রঙের জলরাশি নামছে বদরী থেকে আট কিলোমিটার দুরে ধর্মশিলায়। ঘোড়ায়-জিপে বা গাড়িতে করে মানার ভোটিয়া গ্রাম পর্যন্ত গিয়ে ১০০০ ফুট উচ্চতার বসুধারাতে যাওয়া যায়, পাহাড় কেটে তৈরী পায়ে চলা সঙ্কীর্ণ পথে।

Mana Village :- এখানের ইন্দো-মোঙ্গোলিয়ান সম্প্রদায় এক সময়ে মানা পাশ ধরে ভারত থেকে তিব্বতে বাণিজ্য করতো এবং এটাই তিব্বতের রাস্তায় শেষ ভারতীয় গ্রাম। এখানের ব্যাসগুহায় মহামুনি ব্যাস বেদ কে চারটি খণ্ডে বিভক্ত করেছিলেন। ব্যাসদেবের মুর্তি, গণেশ গুহা, ঘন্টেশ্বরী মন্দির, পাথরের ভীম পুল এবং কেশবপ্রয়াগ একে একে দেখে নেওয়া যায় বদরী থেকে ৩ কিমি দুরে মানাগ্রামে এসে।

স্বর্গের পথ:- দুর্গমতার কারণে দ্রোপদী মানাগ্রামে, সহদেব লক্ষ্মীবনে, নকুল সহস্রধারায়, অর্জুন চক্রতীর্থে ও সতোপন্থে ভীমের মহাপ্রস্থান ঘটে। এই স্বর্গের পথ যাত্রায় বসুধারা কে দক্ষিণে রেখে নীলকন্ঠের কাছ দিয়ে চামতোলী উপত্যকায় গিয়ে লক্ষ্মীবন হয়ে আরো ১৩ কিমি গিয়ে ১৩০০০ ফুট উচ্চতার বাণধারে প্রথম রাত্রিযাপন। এরপর চক্রাকার উপত্যকা বাণধার থেকে ৮ কিমি গিয়ে চক্রতীর্থে দ্বিতীয় রাত্রিযাপন। আরো ৫ কিমি গিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্গমতা মাড়িয়ে ১৬০০০ ফুট উচ্চতায় সতোপন্থ তাল। এই ত্রিকোন তালের তিন কোণে ত্রিদেব ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বাস করেন।

Sightseeing in Badrinath:-
লক্ষ্মীবদরী, পঞ্চশীলা, পঞ্চধারা, বিষ্ণুর চরণ পাদুকা, শেষনাগের নয়ন, ব্রহ্মকপালে পিণ্ডদান এছাড়াও বামনি গ্রামে অপ্সরা-উর্বশীর মন্দির।

How to go Badrinath:-
হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুন এক্সপ্রেস এবং কুম্ভ এক্সপ্রেস মঙ্গল বার ও বৃহস্পতিবার ছাড়াও উপাসনা এক্সপ্রেস হরিদ্বার যাওয়া আসা করছে। এছাড়াও হাওড়া-অমৃতসর/জম্মু রেল লাইনের লক্সারে নেমে লোকাল ট্রেনে বা বাসে ৩০ মিনিটে ১৮ কিমি দুরের হরিদ্বার পৌঁছাতে পারেন।  বদরীনাথে নিয়মিত বাস যাচ্ছে হরিদ্বার, ঋষীকেশ, কোটদ্বার ও কর্ণপ্রয়াগ থেকে। এছাড়াও বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া করে এই সমস্ত জায়গার থেকে বদ্রীনাথ যাওয়া যায়-Haridwar Taxi Union, Phone:- 09410192179/ Sree Krishna Taxi Service, Phone:- 07947437859/Haridwar Taxi Car Rental, Phone:- 09760375417.

Hotels at Badrinath:-
Hotel Patliputra, Phone:- 09411390340. Hotel Devlok, Phone:- 01381-222212.
Yatri Niwas, Phone:- 01381-222338.হরিদ্বার হোটেলস- BLT International, Phone:- 09759091133. Brij Lodge, Phone:- 01334-226872. Ganga Darshan, Phone:- 01334-224076. Shankar Niwas, Phone:- 01334-227849. Mayur, Phone:- 01334-227586. Mansaravar, Phone:- 01334-226501.
Gyan Niketan, Phone:- 01334-22845062
কেদারনাথ হোটেলস-Dev Dham (Rampur) Phone:- 09759290329.
Raj Palace ( Guptakashi), Phone:- 09557041862.
Himalayan Tourist Lodge (Sitapur), Phone:- 01364 262106.
GMVN (Guptakashi), Phone:- 01364 267221.
Bharat Sebasram Sanga (Ukhimoth), Phone:- 01364264274.
GMVN (Ukhimoth), Phone:- 01364284236.
Devriya (Mastura, Chopta), Phone:- 09456772744.
GMVN (Gopeshwar), Phone:- 01372252468/09568006658
Tapaban Resort( Birohi, Kalpeshwar), Phone:- 01372-260465
উত্তরকাশী হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01374-222271/22. Akash Ganga Hotel, Phone:- 222666. TTMI, Phone:- 22845062.
গঙ্গোত্রীতে হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01377-222221. Tourist reast House, Phone:- 23708004. Diamond,  Phone:- 22259639.
বারকোটে হোটেলস- Yatri Niwas, Phone:- 01375-224236 these all are hotels of Badrinath and Badrinath hotels contact number. Contact by Phone with Badrinath hotels and get further information about Badrinath hotels.

Badrinath tour Package form Kolkata:-

Or Contact:-
 Tourist Bureau, Lattarao Bridge, Haridwar, Phone:- 01334-224240
Yatra Office, GMVN, Muni-ki-Reti, Rishikesh, Phone:- 0135-2430799/2431793.
Garhwal Mandal Vikash Nigam Ltd, Phone:- 0135-2431783 or 033-22315554          

রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

Char dham Yatra :- ছোট চারধাম ভ্রমণ


Haridwar-Gangotri-Yamunotri-Kedarnath-Badrinath, Chardhamyatra Guide.
Chardham:-
পৌরাণিক গল্প, প্রাকৃতিক নয়ন লোভন সৌন্দর্য, অনন্য সুন্দর ঝর্ণাধারা এবং দুর্গমতা কে জয় করার প্রবল আগ্রহে অভিযাত্রী প্রকৃতি প্রেমী আর পুণ্যার্থীরা ছুটে চলে অপার আকর্ষণে Chardham দর্শনে। ভগীরথের নদী পরিকল্পনায় তেজস্বিনী  গঙ্গা নেমে আসলেন অনুর্বর পৃথিবীকে উর্বরতার রূপ-রস-গন্ধে ভরিয়ে দিতে ১২টি ধারায়। এই ১২ ধারার মধ্যে অলকানন্দার তীরে বদরীবিশালে নারায়ণ মন্দির এবং মন্দাকিনীর তীরে কেদারনাথে শিবের মন্দির। এছাড়াও দুই দেবী- গঙ্গোত্রী মানে গঙ্গা যেখানে প্রথম নেমে আসেন, সেখানে দেবী গঙ্গা ও যমুনার উৎস মুখে সূর্যকন্যা যমুনার মন্দির যুমুনোত্রিতে। এই চারটি জায়গার প্রতিটিই অবস্থিত উত্তরাখন্ডের ৩০০০ মিটার উচ্চতায় গাড়োয়াল পাহাড়ে। হরিদ্বার ও ঋষীকেশ থেকে এই চারটি স্থানে যাওয়া-আসার যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে এবং এই চারটি জায়গা কে এক সঙ্গে ছোট Chardham বলে হিন্দু বা সনাতন রীতেতে।

 Chardhayatra প্রথম পরিকল্পনা:- ৬ রাত্রি ৭ দিন
১ম:- কলকাতা থেকে Haridwar গিয়ে হরিদ্বারে রাত্রিযাপন।
২য়:- হরিদ্বার থেকে দেরাদুন/মুসৌরী হয়ে বারকোট-জানকিচাট্টি পৌঁছে যমুনেত্রী দর্শন এবং বারকোটে রাত্রিযাপন।
৩য়:- বারকোট থেকে উত্তরকাশী হয়ে গঙ্গোত্রী গিয়ে গঙ্গোত্রী দর্শন করে উত্তরকাশী ফিরে এসে রাত্রিযাপন।
৪র্থ:-  উত্তরকাশী থেকে গুপ্তকাশী হয়ে গৌরীকুণ্ড পৌঁছে Kedarnath দর্শন করে গুপ্তকাশী ফিরে রাত্রিযাপন।
৫ম:- গুপ্তকাশী থেকে Badrinath দর্শন এবং বদ্রীনাথে রাত্রিযাপন।
৬ষ্ট:- বদ্রীনাথ থেকে রুদ্রপ্রয়াগ হোয়ে হরিদ্বার এসে রাত্রিযাপন।
Chardhamyatra-র
দ্বিতীয় পরিকল্পনা:-১১ রাত্রি ১২ দিন।

Haridwar থেকে যমুনেত্রী গিয়ে রাত্রিযাপন এবং যমুনেত্রী থেকে গঙ্গোত্রী দর্শন ও রাত্রিযাপন।
গঙ্গোত্রী থেকে গুপ্তকাশী গিয়ে রাত্রিযাপন এবং গুপ্তকাশী থেকে Kedarnath গিয়ে রাত্রিযাপন। কেদারনাথ থেকে গুপ্তকাশী ফিরে রাত্রিযাপন এবং গুপ্তকাশী থেকে চোপতা গিয়ে ভুঙ্গনাথ দেখে রাত্রিযাপন। চোপতা থেকে বদ্রীনাথ গিয়ে দুই-রাত্রিযাপন এবং বদ্রীনাথ থেকে আউলি গিয়ে রুদ্রপ্রয়াগে এসে রাত্রিযাপন। এছাড়া রুদ্রপ্রয়াগ থেকে খিরসু গিয়েও এক রাত থাকা যেতে পারে। রুদ্রপ্রয়াগ বা খিরসু থেকে হরিদ্বারে এসে আর এক রাত্রিযাপন।
মে-জুন মাসে Chardhamyatra না করাই ভালো।
কারণ...........
ক) রাস্তাঘাটে প্রচণ্ড যানজট থাকে।
খ) গাড়ী ভাড়া ও হোটেল ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।
গ ) পেট্রল পাম্পে বিশেষ করে পাহাড়ে তেল পাওয়া কষ্টকর।
ঘ) যাত্রী নিরাপত্তার কারণে রাত্রিতে পাহাড়ে গাড়ী চলতে দেয় না উত্তরাখন্ড প্রশাসন।


Hotels for Chardhamyatra:-
হরিদ্বার হোটেলস- BLT International, Phone:- 09759091133. Brij Lodge, Phone:- 01334-226872.
Ganga Darshan, Phone:- 01334-224076. Shankar Niwas, Phone:- 01334-227849. Mayur, Phone:- 01334-227586. Mansaravar, Phone:- 01334-226501.
Gyan Niketan, Phone:- 01334-22845062
কেদারনাথ হোটেলস-Dev Dham (Rampur) Phone:- 09759290329.
Raj Palace ( Guptakashi), Phone:- 09557041862.
Himalayan Tourist Lodge (Sitapur), Phone:- 01364 262106.
GMVN (Guptakashi), Phone:- 01364 267221.
Bharat Sebasram Sanga (Ukhimoth), Phone:- 01364264274.
GMVN (Ukhimoth), Phone:- 01364284236.
Devriya (Mastura, Chopta), Phone:- 09456772744.
GMVN (Gopeshwar), Phone:- 01372252468/09568006658
Tapaban Resort( Birohi, Kalpeshwar), Phone:- 01372-260465
উত্তরকাশী হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01374-222271/22. Akash Ganga Hotel, Phone:- 222666. TTMI, Phone:- 22845062.
গঙ্গোত্রীতে হোটেলস- Tourist RH, Phone:- 01377-222221. Tourist reast House, Phone:- 23708004. Diamond,  Phone:- 22259639.
বারকোটে হোটেলস- Yatri Niwas, Phone:- 01375-224236. (এদের উত্তরাখন্ডের সমস্ত স্পটে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে) হনুমানচটি/জানকীচটি/যমুনেত্রী সহ।


Some Information about Uttarakhand:-
১) Chardhamyatra -র জন্য কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে ৭ দিনেও Chardhamyatra সম্পূর্ণ করা যায় কিন্তু কষ্টকর যাত্রা হয়। 
২) তিনধাম ভ্রমণের জন্য কমপক্ষে ৮ দিন সময় লাগে। ৬ দিনেও সমাপ্ত করা যায় কষ্টকর যাত্রায়।
৩) দুইধাম ভ্রমণের জন্য কমপক্ষে ৬ দিন সময় লাগে যদিও অনেকে ৪ দিনেই শেষ করেন।
৫) বদরীনাথ ও গঙ্গোত্রী ভ্রমণ করতে কমপক্ষে ৪ দিন সময় লাগে কিন্তু অনেকেই ২ দিনে সমাপ্তও করেন।
৬) দেরাদুন ও মুসৌরী ভ্রমণের জন্য এক থেকে তিনদিন সময় লাগে এবং যদি দেরাদুন মুসৌরীর সাথে ধনৌন্তি, দেবপ্রয়াগ, খিরসু যেতে চান তাহলে ৫ দিন সময় লাগবে।
Chardhamyatra Biometric:-
১) Haridwar Railway station ( Office Hours)
২) Rahi Hotel ( GMVN GUEST HOUSE,  HARIDWAR)
৩) Phata Chatti.
৪) Guptakashi GMVN
৫) Soneproyag
৬) Barkot Bend 
৭) Uttarkashi,  Gangotri Road near Bharwari
৮) Pandukeswar

Places to visits Gangotri:-  গঙ্গা মন্দির, লক্ষ্মী মন্দির, সরস্বতী মন্দির, যমুনা মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, ভগীরথ মন্দির, শঙ্করাচার্য মন্দির, গৌরীকুণ্ড, সীতাকুণ্ড, ব্রহ্মানন্দ তীর্থ, পাণ্ডবগুহা, গঙ্গোত্রী বাজার, গঙ্গা দাসজীর কুটির, কেদার তাল এবং সাততাল।
গঙ্গোত্রী থেকে উত্তরকাশী/ হনুমান চটি/ যমুনোত্রী বাস যাচ্ছে। উত্তরকাশী থেকে বাস না পেলে ধরাসু হয়েও হনুমানচটি যাওয়া যায়। ঋষীকেশ/ধরাসু হয়ে হনুমানচটির দুটো বাস যাচ্ছে সকাল সাতটার মধ্যে। ধরাসু থেকে ঋষীকেশ ও গঙ্গোত্রী যাওয়া যায়ও। উত্তরকাশী থেকে বারাকোট এবং বারাকোট থেকে হনুমানচটি।

Places to visits in Yomunotri :-  স্যানাচটি, হনুমানচটি, খারসিলের সোমেশ্বর মন্দির, ডোডিতাল, যমুনোত্রীতে দেবী দর্শন, নারদচটি, ফুলচটি, জানকীচটি, সূর্যকুণ্ড, দিব্যশিলা, যমুনা মন্দির, তিনকুণ্ড, তপ্তকুণ্ড, চম্পাসার গ্লেসিয়ার, খারসিলিতে কাঠের মন্দির।
যমুনেত্রী থেকে বাসে বারকোট-উত্তরকাশী-ধরাসু-লঙ্কা হয়ে গঙ্গোত্রী যাওয়া যায়।

Places to visit in Kedarnath :-
শঙ্করাচার্য সমাধি, গান্ধী সরোবর, বাসুকি তাল, ভৈরো ঝম্প, ত্রি-যুগের নারায়ণ, মদমমহেশ্বর, গুপ্তকাশী, কালীমঠ, লেখ, রাশু, যোগাসূ,  বুঢ়া মদমহেশ্বর, কেদারনাথ অভয়ারণ্য, মদমহেশ্বর তাল, ভুঙ্গনাথ, উখীমঠ, দেওড়িতাল, চোপতা, চন্দ্রশীলা, দোগোলভিটা, রুদ্রনাথ, গোপেশ্বর, কল্পেশ্বর, চামোলী, হেলাং, উর্গম ও বিরহী।
গুপ্তকাশী থেকে চামোলী হয়ে বদরী বাস যাচ্ছে  এবং রুদ্রপ্রয়াগ, শ্রীনগর, ঋষীকেশ, বদরী থেকে গুপ্তকাশী/উখীমঠে বাস যাওয়া আসা করছে।

Places to visit in Badrinath :-
বদরীনারায়ণ, লক্ষ্মী বদরী, পঞ্চশীলা, পঞ্চধারা, পঞ্চতীর্থ, বিষ্ণুর চরণ পাদুকা, ব্রহ্মকপালে পিণ্ডদান, অপ্সরা-উর্বশী মন্দির, বসুধারা জলপ্রপাত, মানা গ্রাম, ব্যাসগুহা, ঘন্টেশ্বরী মন্দির, ভীমপুল, কেশবপ্রয়াগ, সতোপন্থ তাল, বাণধারা, লক্ষ্মীবন ও চক্রতীর্থ। 
 বদরী যাওয়ার বাস পাবেন নিয়মিত হরিদ্বার, ঋষীকেশ, কোটদ্বার, কর্ণপ্রয়াগ থেকে।

Places to Visit in Hrisikesh :- ত্রিবেণী ঘাট, রঘুনাথ মন্দির, ঋষীকুণ্ড, ভরত মন্দির, চন্দ্রেশ্বর মহাদেব মন্দির, লক্ষণঝোলা, লক্ষণ মন্দির, রাধাকৃষ্ণর, শিব, সত্য সাঁই আশ্রম, কৈলাসানন্দ মিশন, সমাধি মন্দির, রামেশ্বর মন্দির, লক্ষীনারায়ন, গীতা ভবন, স্বর্গাশ্রম, মহেশ যোগীর আশ্রম, বেদ নিকেতন, সাইবাবার আশ্রম, তপোবন, শঙ্করাচার্য নগর, শিবানন্দ আশ্রম, নীলকন্ঠ পাহাড় ও নীলকন্ঠ মহাদেব।
হরিদ্বার থেকে ট্রেন, শেয়ার ট্যাক্সি, অটো, বাস যাচ্ছে ঋষীকেশে।

Places to Visit in Haridwar :- 
হরি-কি-পাউরি ঘাট, গঙ্গারতি, ব্রহ্মাকুণ্ড, মনসাদেবী মন্দির, চণ্ডী মন্দির, কনখলে দুর্গা মন্দির-দক্ষপ্রজাপতি মন্দিরে দশ অবতার মুর্তি-সতীকুণ্ড-শ্রীজগৎগুরু আশ্রমে কালী-রাধামাধব-রাজরাজেশ্বরী-মৃত্যুঞ্জয় মন্দিরে শিব-অর্ধনারীশ্বর এবং আনান্দমার আশ্রম। পবনধাম, ভারতমাতা মন্দির, বানপ্রস্থ আশ্রম, ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস, ভীমগোদা ক্যানাল, ভীমগোদা ট্যাঙ্ক, বিড়লা টাওয়ার, মানসিং ছত্তিশ, গুরুকুল কাংড়ী বিশ্ববিদ্যালয়, বেদ মন্দির মিউজিয়াম, রামকৃষ্ণ মিশন, সপ্তঋষি আশ্রম, রাজাজী পার্ক, চিল্লা স্যাংচুয়ারি ও বিদ্ধেবাসিনী।

How to go Haridwar:-
হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুন এক্সপ্রেস এবং কুম্ভ এক্সপ্রেস মঙ্গল বার ও বৃহস্পতিবার ছাড়াও উপাসনা এক্সপ্রেস হরিদ্বার যাওয়া আসা করছে। এছাড়াও হাওড়া-অমৃতসর/জম্মু রেল লাইনের লক্সারে নেমে লোকাল ট্রেনে বা বাসে ৩০ মিনিটে ১৮ কিমি দুরের হরিদ্বার পৌঁছাতে পারেন।
কম খরছে চারধাম যাত্রার Taxi ভাড়া পাওয়া যায় Haridwar Taxi Union, Phone:- 09410192179/ Sree Krishna Taxi Service, Phone:- 07947437859/Haridwar Taxi Car Rental, Phone:- 09760375417.

Car rental cost for Chardhamyatra:-
Flexi-Non Ac-Per Day basis 
Indigo/Swift (4 Seater):- Rs.3100/-
Sumo/Bolero (9 Seater):- Rs.3400/-
Xylo :- Rs.4200/-
INNOVA :- Rs.4500/- 
Tempo Traveller(14 Seater):- Rs.5500/- Tempo Traveller (12 Seater):- Rs.6000/-

Char dham yatra Package:-
Tourist Bureau, Lattarao Bridge, Haridwar-র থেকে প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে, Phone:- 01334-224240
Yatra Office, GMVN, Muni-ki-Reti, Rishikesh, Phone:- 0135-2430799/2431793.
Garhwal Mandal Vikash Nigam Ltd, Phone:- 0135-2431783 or 033-22315554

শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০

Haridwar Tour Guide / হরিদ্বার ভ্রমণ।

Haridwar:-
হরিদ্বার ভারতের সংস্কৃতি ও উন্নয়নশীলতার একটি রঙিন ছবি উপস্থাপন করে থাকে। বিভিন্ন সনাতন ধর্মীয় বইপত্রে এই জায়গাটির নাম কপিলস্থান, গঙ্গাদ্বার, মায়াপুরী, মোক্ষপুরি ও তপোবন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ-ছাড়াও বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রি নামে হিন্দুদের চার ধাম ভ্রমণের Haridwar-ঐ প্রধান সংযোগকারী স্থান। শৈবরা মানে শিব বা হরের উপাসকরা একে হরদ্বার এবং বৈষ্ণবরা বা বিষ্ণুর উপাসকরা Haridwar বলে ডাকে। হরিদ্বার বা হরদ্বার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সাতটি পবিত্রতম জায়গার মধ্যে একটি এবং হিন্দুরা একে সপ্তপুরী বলেও আখ্যায়িত করে। পাহাড় থেকে গঙ্গা নেমে এসেছে হরিদ্বারের Har-ki-pauri ঘাটে, Har-ki-pauri মানে হরি বা বিষ্ণুর পদচিহ্ন। Har-ki-pauri সংলগ্ন তিন কিমি জুড়ে পুণ্যার্থীরা স্নান করছেন লৌহ শিকল ধরে। এখানে গঙ্গাদেবীর মুর্তি সহ রয়েছে হাজার দেবদেবী মুর্তি। বৈশাখ মাসের ১৩ তারিখে কুম্ভের অমৃত পড়ে হরি-কি-পাউরির ব্রহ্মাকুণ্ডে, তাই ওই দিনে পুণ্যস্নান করে পুণ্যার্থীরা মোক্ষলাভের আশায়। ১২ বছর অন্তর কুম্ভ এবং ৬ বছর অন্তর অর্ধকুম্ভ মেলা হয় Haridwar-এ। চণ্ডী পাহাড় ও মনসা পাহাড়ের মধ্যবর্তী হর-কি-পাউরি কে কেন্দ্র করে গঙ্গার পশ্চিমে শহর তৈরি হয়েছে।

Haridwar Weather:-
এপ্রিল থেকে জুলাই এবং অক্টোবর মাস সহ আগস্ট/সেপ্টেম্বর মাসেও হরিদ্বার ভ্রমণে যাওয়া যায়। তবে perfect time to Haridwar tour  অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে temperature of Haridwar প্রায় ১৬ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠা নামা করে এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের জন্য নদীগুলো ফুলে ফেঁপে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করার জন্য পুণ্যস্নানে বাধার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে হরিদ্বারে রাত্রিতে ঠান্ডা আবহাওয়া সহ এক স্বর্গীয় বাতাবরণ সৃষ্টি হয় পর্যটকদের জন্য এবং তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠা নামা করে। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময় Haridwar tour এর উপযুক্ত নয়।

Visiting places of Haridwar:-

Manash Temple:- বিল্ব পর্বতের শুভ্র শিখরে একটি টিলার মতো তৈরি মনসা মন্দিরটি রয়েছে। ঘর থেকে বের হোয়ে আকাশের দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। শক্তিরূপিণী দেবী দূর্গারই প্রতিমূর্তি সহ Manasa Temple থেকে গঙ্গার সৌৌন্দর্যও উপভোগ্য। মনসা পাহাড় থেকে রোপওয়ে চড়ে চণ্ডি পাহাড়ে chandi temple এবং মনসা মন্দিরটি এক সঙ্গে দেখে নেওয়া যায়। তাছাড়া আপার রোড থেকে রোপওয়ে চড়ে ১৭৫ মিটার উচ্চতায় manasa temple পৌঁছে যাওয়া যায়। 

Chandi Temple:-
স্থানীয়দের নীলধারার উল্টো পার থেকে ৬ কিমি দুরের নীল পাহাড়ের চূড়ায় chandi temple এবং এখান থেকে লালদিওয়ালা ড্যামের সৌন্দর্য উপভোগ্য। নীলধারা পাখিরালয়ে শীতে হাজারো পরিযায়ী পাখির মেলা বসে। পায়ে হেঁটে পাহাড়ে চড়ে অথবা গোলচক থেকে শেয়ার অটো করে রোপওয়ে স্টেশনে গিয়ে রোপওয়ে চড়ে দেখে নিতে পারেন chandi temple ।

Konkhol:-
এখানে পৌঁছে একে একে দেখে নিন। আনন্দময়ী আশ্রম, অর্ধনারীশ্বর, মৃত্যুঞ্জয় মন্দির, শ্রীজগৎ গুরু আশ্রম, দূর্গা মন্দির, দক্ষপ্রজাপতি মন্দির। হরিদ্বার থেকে বাস/অটো/টেম্পো/রিকশাতে করে ৫ কিমি দক্ষিণে কনখোলে পৌঁছান যায়।

Paban Dham:-
ঋষীকেশের দিকে আশ্রম মার্গ থেকে ৫ কিমি দুরে ভূমা নিকেতনে পৌরাণিক ও রামায়ন-মহাভারতের গল্প বর্ণিত হয়েছে সজীব ও নির্জীব মুর্তিতে। পাশেই আটতলা থেকে হিন্দু পুরাণের বর্ণনা এবং মুণি-ঋষিদের মাহাত্ম্য দেখতে-দেখতে নিচে নেমে আসুন ভারত মাতা মন্দির থেকে।

Chilla Tourist Complex:-
চিল্লা বাঁধ, chills Sanctuary ও চিল্লা জলবিদ্যুত্ প্রকল্প নিয়ে তৈরি Chilla Tourist Complex টির গুরুত্ব পর্যটকদের কাছে যথেষ্টই। চিল্লার ২৯৪ কিলোমিটার বিস্তৃত জঙ্গলটিতে গোরাল, হরিণ, চিতা, নীলগাই, হাতি, শম্বর, প্যান্থার সহ শতাধিক প্রজাতির বন্যদের বন্ধুত্বে বিমোহিত হতেই হয়। পর্ণমোচী বৃক্ষের জঙ্গলে শতাধিক প্রজাতি পাখি, ময়ূরদের কলকাকলি এবং রঙবাহারি পাখনা মেলা দেখার অন্যান্য সুন্দর অনুভূতি রয়েছে।
হরিদ্বার থেকে ৯ কিমি দুরে চিল্লা রেঞ্জে পৌঁছাতে পারেন চণ্ডিঘাট থেকে জিপে বা অটো সহ অন্যান্য গাড়িতে করে। 

Rajaji National Park:-
ধনেশ, থ্রাশ, ফ্লাইক্যাচার, লম্বা লেজ টিয়া, ব্লু ম্যাগপাই, মিনিভেট হর্নবিল ছাড়াও প্রায় ১৮০ প্রজাতির পাখিদের বসবাস এবং তাদের কলকাকলিতে মনোময় করে তোলে পরিবেশ। বাঘ, হাতি, শম্বর, ভাল্লুক, নীলগাই, হরিণ ছাড়াও লাঙ্গুরদের দেখাও যায় rajaji national park এসে। প্রকৃতি প্রেমিদের স্বর্গরাজ্য এই স্তন্যপায়ী ও তৃণভোজিদের বাসভূমিটি শিবালিক পাহাড়ের পাদদেশে পাইন অরণ্যে মোড়া এবং এটি করবেটের অংশবিশেষ।
দিল্লি-হরিদ্বার ট্রেন লাইনটি এই জাতীয় উদ্যানের মধ্যে দিয়ে ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে বিস্তৃত। অটো ও জিপ যাচ্ছে এই জঙ্গল সফরে। হরিদ্বার বাজার থেকে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের অনুমতি নিয়ে ১৫ই নভেম্বর থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত সময়ে রাজাজী ঘুরে দেখে নেওয়া যায়।

Sightseeing of Haridwar:- 
সপ্তঋষি আশ্রম, বেদ মন্দির মিউজিয়াম, রাজা মানসিং ছত্তিশ, গুরুকুল কাংড়ী বিশ্ববিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন, ভীমগোদা ক্যানাল, ভীমগোদা ট্যাঙ্ক, ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস, বানপ্রস্থ আশ্রম, বিদ্ধেবাসিনী, পরমার্থ মন্দির, বৈষ্ণদেবী মন্দির। 
পুরো হরিদ্বার অটো/জিপে/বাসে/রিকশা/রোপওয়েতে ঘুরে নেওয়া যায়।

How to go Haridwar:-
হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুন এক্সপ্রেস এবং কুম্ভ এক্সপ্রেস মঙ্গল বার ও বৃহস্পতিবার ছাড়াও উপাসনা এক্সপ্রেস হরিদ্বার যাওয়া আসা করছে। এছাড়াও হাওড়া-অমৃতসর/জম্মু রেল লাইনের লক্সারে নেমে লোকাল ট্রেনে বা বাসে ৩০ মিনিটে ১৮ কিমি দুরের হরিদ্বার পৌঁছাতে পারেন।

Hotels of Haridwar:-
Hotel Teerth, Phone:- 01334-225211. Himalchura, Phone:- 01334-23708004. Ramkrisna,  Phone:- 01334-23509199.
Sun Shine, Phone:- 01334-222464.
BLT International, Phone:- 09759091133. Brij Lodge, Phone:- 01334-226872.
Ganga Darshan, Phone:- 01334-224076. Shankar Niwas, Phone:- 01334-227849. Mayur, Phone:- 01334-227586. Mansaravar, Phone:- 01334-226501.
Gyan Niketan, Phone:- 01334-22845062.
(এগুলো হরি-কি-পউরি সংলগ্ন হোটেল ও লজ)
বিষ্ণু ঘাটে- Alpana, Phone:- 01334-224567. Abuja, Phone:- 01334-227847.
Raj, Phone:- 01334-221775.
Ganga Kiran, Phone:- 01334-221736.
City Heart, Phone:- 01334-229952.
Ganga Lahari, Phone:- 01334-225348. Sona, Phone:- 01334-226340.
Bharat Sevashram Sangha Haridwar, Phone:- 07060290072.
Kalikamali, Phone:- 09359943969.
Sri Sri Loknath Dharamsala, Saptarisi marg, Haridwar, যোগাযোগ তেঘরিয়া, Phone:- 25707462

Tour Package for Haridwar:- 
Haridwar থেকে ৪, ৬, ১০ দিনের সেমি-ডিলাক্স বাসে, ডর্মিটরি প্রথায় থাকার ব্যবস্থা সহ package tour এ নিয়ে যায় Garhwal Motor Owners Union Ltd, Haridwar, Phone:- 01334-226886. বুকিং-এর ডিপোজিট ব্যাঙ্ক ড্রাফটে পাঠাতে হয়।
এছাড়া প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে, গাড়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগম লিমিটেডে, যোগাযোগ, 0135-2747898/2431783 অথবা 011-23350481 অথবা GMVN Room-244, 2nd Floor, Marshall House, 33/I N S Road, Kolkata-1, Phone:- 033-22315554. এদের Package ৪ থেকে ১৫ দিনের হোয়ে থাকে।


বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০

Kedarnath Tour Plan / কেদারনাথ ভ্রমণ/ Kedarnath

Kedarnath temple:-
দুই নদী অলকানন্দা ও মন্দাকিনীর মধ্যবর্তী বিস্তৃত এলাকার নাম কেদারাখন্ড। উত্তরাখণ্ড রাজ্যের গাড়োয়াল হিমালয় পর্বতশ্রেণীর Kedarnath town এর মন্দাকিনী নদীর তীরে তৈরি শিব মন্দিরটি Kedarnath temple। এই মন্দিরটি কেদারনাথ পাহাড়ের ৬৯৪০ মিটার উচ্চতায় প্রথম তৈরি করেছিলেন পাণ্ডবেরা। কুরুক্ষেত্র রণাঙ্গনে আত্মীয়-স্বজন নিধনের পাপ থেকে মুক্তি পেতে, দেবাদিদেব দর্শনে হিমালয়ে গেলেন বেদব্যাসের সুপরামর্শে পঞ্চপাণ্ডব কিন্তু পঞ্চপাণ্ডবদের দেখা দিতে নারাজ মহাদেব। মহিষের রূপ ধরে, পৃথিবীর দিকে ফিরে আসার সময়ে ভীম ঝাপটে ধরেণ এবং মহিষরূপি শিবের শরীর খন্ড-বিখন্ড হয়ে ছিটকে ভুঙ্গনাথে বাহু, নাভি মদমহেশ্বরে, মুখমণ্ডল রুদ্রনাথে, জটা কল্পনাথে এবং পিছনের অংশ পড়ে কেদারনাথে। সেই পাঁচটি জায়গায় পাঁচটি মন্দিরও তৈরি করেন পঞ্চপাণ্ডব এবং এই পাঁচ জায়গাকে pancha kedar ও বলা হয় সেই সময় থেকে। বর্তমান kedarnath temple টি অষ্টম শতকে আদি শঙ্করাচার্য শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশে তৈরি করেন। জ্যোতির্লিঙ্গ গুলোর মধ্যে দ্বিতীয়, এই কেদারনাথের শিবলিঙ্গটি কষ্টিপাথরে পিরামিডের মত করে মহিষের পিছনের অংশের আকৃতিতে তৈরি। কালো গ্রানাইট পাথরের মন্দিরটির দরজায় গণপতি এবং বাইরে নন্দীর কালো মুর্তি রয়েছে। স্বতন্ত্র গঠন বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত অনন্য সুন্দর স্বর্গীয় পরিবেশে আড়াই কিমি বিস্তৃত উপত্যকায় বিরাজমান কেদারাখণ্ডের অধিপতি kedarnath। সারা বছর বরফে ঢাকা মন্দিরটির দরজা দীপাবলিতে বন্ধ হয়ে আবার খোলে অক্ষয় তৃতীয়াতে। প্রবল শীতের সময় দেবতা থাকেন উখীমঠে শীতাবাসে।

Weather in kedarnath :-
গ্রীষ্মে ১৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫.৬ এবং শীতে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস temperature of Kedarnath। perfect time to visit kedarnath মে থেকে জুন পর্যন্ত এবং সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাস। মে থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে মনোরম আবহওয়ার কারণে যথেষ্ট ভিড় থাকে এবং খরচখরচাও যথেষ্ট বেশি হয়। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাতের কারণে খারাপ আবহওয়া ও ভূমি ধ্বসের সংশয় থাকায় ভিঁড় কমে যায়।

Kolkata to Kedarnath:-
কলকাতা থেকে ট্রেনে Lucknow পৌঁছে বাসে Haldwani গিয়ে, ক্যাবে কেদারনাথ যেতে সময় লাগবে প্রায় পঞ্চাশ ঘন্টা মতো।
কলকাতা থেকে বিমানে চৌধুরী চরণ সিং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছে সেখান থেকে Haldwani গিয়ে ক্যাবে কেদারনাথ পৌঁছাতে সময় লাগবে ৩৪ ঘন্টা মতো। কোলকাতা থেকে ট্রেনে হরিদ্বার/ঋষিকেশ/নাজিবাবাদ গিয়ে সড়কে রুদ্রপ্রয়াগ বা শোনপ্রয়াগ হয়ে গৌরিকুণ্ড।
দুন এক্সপ্রেস, কুম্ভ এক্সপ্রেস, উপাসনা এক্সপ্রেসে হরিদ্বারে গিয়ে, হরিদ্বার থেকে গাড়ি নিয়ে সীতাপুর গিয়ে রাত্রিতে থেকে পরের দিন শোনপ্রয়াগ পৌঁছন৷ এরপর ৪ কিলোমিটার দূরে গৌরীকুণ্ডর যাত্রা শুরু করুণ হেঁটে বা সরকারি শেয়ার জিপে৷ গৌরীকুণ্ড থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে ভীমবলি৷ এখানে মন্দাকিনীর উপরের ব্রিজ পার হয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার দুরে লিঞ্চোলি এবং  লিঞ্চোলি থেকে কেদারনাথ ৫ কিলোমিটার দূরে৷ হরিদ্বার থেকে কেদারনাথে বাসেও যাওয়া যায়। বিমানে হরিদ্বারের কাছে জলিগ্রাণ্ট এয়ারপোর্টে নেমে সড়কে ৩০ মিনিটে ঋষিকেশ পৌঁছে, যোশিমঠ৷ ট্রেন বুকিং ক্লিক....  আবার, হাওড়া থেকে ট্রেনে হরিদ্বারের উদ্দেশ্য রওনা হওয়ার পর দিন, হরিদ্বারে হোটেলে রাত্রি থেকে সন্ধ্যা আরতি "হার কী পরি" দেখে নিন। তৃতীয় দিন হরিদ্বার থেকে মসৈরী হয়ে জানকিচাট্টিত পৌঁছে চতুর্থদিন জানকিচাট্টিতে থেকে ৬ কিমি গিয়ে যমুনেত্রী দেখে হোটেলে ফিরে আসুন। পঞ্চম দিনে জানকিচাট্টি থেকে উত্তরকাশী হোটেল পৌঁছান এবং ষষ্ঠ দিনে হোটেল থেকে গঙ্গোত্রী দর্শন করে, সপ্তম দিনে uttarkashi হোটেল থেকে guptakashi বা sonprayag হোটেল চলে যান। অষ্টম দিনে হোটেল থেকে ১৮ কিমি পায়ে হেঁটে পাহাড়ে উঠে কেদারনাথে রাত্রিযাপন ও কেদারনাথ দর্শন করুণ। নবমতম দিনে কেদারনাথ থেকে নিচে নেমে guptakashi অথবা সোনপ্রয়াগ হোটেলে রাত্রিতে থাকুন এবং দশম দিনে গুপ্তকাশী অথবা sonprayag থেকে বদ্রীনাথ পৌছে বদ্রীনাথ দর্শন করে হোটেলে রাত্রিতে থেকে, এগারোতম দিনে বদ্রীনাথ থেকে পঞ্চপ্রয়াগ দেখে হরিদ্বারে ফিরে হোটেলে রাত্রিতে থাকুন এবং দ্বাদশতম দিনে হরিদ্বার থেকে হাওড়ার ট্রেন ধরে ১৩তম দিনে হাওড়া পৌঁছে যান।

Kedarnath place 

Adi Shankaracharya Samadhi:-
বৈদিক মতাদর্শ কে নতুন রূপরেখা প্রদান করার 
পর ৩২ বছর বয়সে এখানেই দেহ রাখেন আদি sankaracharya। মন্দিরের পিছনে শঙ্করাচার্যের সমাধি রয়েছে। দক্ষিণে সরস্বতী নদী পার হয়ে হংসকুণ্ডের পাশে ফলহারী বাবার সমাধি এবং কেদারে রয়েছে চারটি কুুণ্ড সহ ভৈরব মন্দির।

Chorabari Tal :- গান্ধীজীর চিতাভস্ম এই chorabali tal এ ভাসানো হয়েছিল তাই নাম পরিবর্তন হয়ে, হয়েছে গান্ধী সরোবর। কেদারনাথের ৪ কিমি উত্তরে স্বর্গীয় সৌন্দর্যের লীলাভূমি শুভ্র সুন্দর বরফ সরোবর chorabali।

Vasuki Tal:-
স্রোতস্বিনী মন্দাকিনী পার হয়ে বোল্ডার ঢিঙিয়ে দুর্গম এ-পথে যুধিষ্ঠির স্বর্গে পাড়ি দিয়েছিলেন বলে শোনা যায়। যাইহোক স্বর্গের এই সিঁড়ি ছেড়ে কেদার নাথ থেকে গিরিপথে গিরিশিরার উপরে উঠে পানপাতিয়া কল পার হয়ে বদরী যাওয়া যায়। এছাড়া বদরী যাত্ররীরা শোনপ্রয়াগ থেকে গোপেশ্বর হয়ে বদরী অথবা রুদ্রপ্রয়াগ হয়ে বদরী বা গঙ্গোত্রী যেতে পারেন।

Sonprayag:-
বাসুকি এবং মন্দাকিনীর মিলনস্থল এই শোনপ্রয়াগের হোটেল থেকে বের হয়ে। চড়াই উতরাই পথে চলে যান পাঁঁচ কিলোমিটার দুরে ত্রিযুগের নারায়ণ দেখতে। নারায়ণ কে সাক্ষী রেখে হর-পার্বতী বিবাহ করেছিলেন এখানে। সেই অগ্নিকুুণ্ড তিনযুুগ পরে এখন জ্বলছে এবং তিনযুগ ধরে নারায়ণও এখানে অবস্থান করছেন তাই নাম ত্রিযুুগের নারায়ণ। সীতাপুর থেকে পাঁচ কিলোমিটার গিয়ে ত্রিযুুগের নারায়ণ দেখেও শোনপ্রয়াগ যাওয়া যায়।

Guptkashi:-
পঞ্চপাণ্ডবদের দেখা না দিতে চেয়ে মহাদেব  এখানে লুকিয়ে তপস্যা করেছিলেন বলে নাম হয়েছে gupkashi। এক সময়ে ১৩১৯ মিটার উচু পাহাড়ে ঘেরা guptkashi থেকে পায়ে হেঁটে পুণ্যার্থীরা কেদারনাথ যেতেন। গুপ্তকাশীতে লক্ষ্মী-নারায়ণ, অর্ধনারীশ্বর, বিশ্বনাথ সহ অনেকগুলো মন্দির রয়েছে। এছাড়া মণিকর্ণিকা নামে গঙ্গা যমুনার মিলনে একটি কুণ্ড রয়েছে। এখান থেকে কেদারনাথ সহ চৌখাম্বা, মদমহেশ্বর গিরিশিখর সুুুন্দর ভাবে দেখাও যায়। বাস আসছে  গুপ্তকাশীতে ও উখীমঠে, শ্রীনগর ঋষীকেশ, বদরীও থেকে।

Madhyamaheshwar Mandir:-
চলার পথে মনোরম শোভামণ্ডিত বাহারি রডোডেনড্রণ ক্লান্তি মুছিয়ে দিয়ে স্বর্গীয় অনুভূতিতে শিহরিত করে দেহমন। সবুজের সমারোহে তিন দিকে ঘেরা রূপোলি পাহাড়, কাছেই শান্ত চৌখাম্বা শিখর, কেদারনাথ ও নীলকণ্ঠ গিরিশিখর দৃৃশ্যসুখে। ভগবান এখানে অষ্টধাতুর এবং রূপোর পাতে মোড়া ইষৎ হেলানো শিবলিঙ্গ। মুল মন্দিরটির পিছনে কষ্টিপাথরের হর-পার্বতীর যুুগোল মুর্তি এবং শুধু  পার্বতী মুর্তির আরো দুুুটি মন্দির রয়েছে।

Ukhimath:- মন্দির রয়েছে এখানে চিত্রলেখা, উষা-অনিরুদ্ধ, ভোলেশ্বর, মান্ধাতা, নবদূর্গা এবং গঙ্গার। দীপাবলী থেকে অক্ষয় তৃতীয়া পর্যন্ত এই শিবমন্দিরে কেদারনাথ ও মদমহেশ্বর থেকে দেবতারা এসে অধিষ্ঠিত হন।
গুপ্তকাশী থেকে কুণ্ড হয়ে ukhimath-এর শেয়ারে জিপ ও ট্যক্সি পাওয়া যায়। মদমহেশ্বর থেকে লেক হয়ে উতরাইয়ে নেমে ukhimath। নালা থেকে ৫ কিমি ট্রেক করে অথবা কুণ্ড হয়ে জিপে/বাসে উখীমঠ পৌঁছান যায়।

Kalimath:- উখীমঠ থেকে হাঁটাপথে বা বাসে/জিপে কালীমঠে যাওয়া যায়। আবার নালা বা জুরাণী থেকে হেঁটে মন্দাকিনী পার হয়ে kalimath এ যাওয়া যায়। মহাকালী, মহালক্ষী, মহাসরস্বতী, ভৈরবনাথ শিব সহ চারবাহু শিব এবং দ্বিবাহুর পার্বতীর যুগল মুর্তি রয়েছে এই মহাপীঠ, যোনিপীঠে।

Sight seeing Kedarnath place:- 
বূঢ়া মদমহেশ্বর, কেদারনাথ মাস্ক ডিয়ার স্যাংচুয়ারি, কেদারনাথ অভয়ারণ্য, মদমহেশ্বর তাল, তুঙ্গনাথ, চোপতা, দেওরিয়াতাল, চন্দ্রোশিলা, দোগলভিটা, রুদ্রনাথ, মণ্ডল গ্রাম, গোপেশ্বর, অনসূূয়া মন্দির, কল্পেশ্বর, চামোলী, হেলাং, উর্গম ও বিরহী।


Hotels  in Kedarnath:- 
Punjab Sindhu Awas (Main Market), Phone:- 09412915221.
Kedar River Retreat (Sitapur), Phone:- 09650413216.
BEHL Asharam ( Kedarnath), Phone:- 09650413216.
New Basera (Sitapur), Phone:- 07827720186.
Himachal House (Gouri Kundu), Phone:- 09412356025.
Hotel Ajay ( Rudra Prayag), Phone:- 01243986371.
J P J Place (Sitapur), Phone:- 09412364789.
Nautical Sadan (Sirshi), Phone:- 09639359320.
Hotel Nimantran (Phata), Phone:- 09720400800.
New Devlok (Rampur), Phone:- 01364262119.
Villa Asdhya (Khumera), Phone:- 088592 19332.
Dev Dham (Rampur) Phone:- 09759290329.
Raj Palace ( Guptakashi), Phone:- 09557041862.
Himalayan Tourist Lodge (Sitapur), Phone:- 01364 262106.
GMVN (Guptakashi), Phone:- 01364 267221.
Bharat Sebasram Sanga (Ukhimoth), Phone:- 01364264274.
GMVN (Ukhimoth), Phone:- 01364284236.
Devriya (Mastura, Chopta), Phone:- 09456772744.
GMVN (Gopeshwar), Phone:- 01372252468/09568006658
Tapaban Resort( Birohi, Kalpeshwar), Phone:- 01372-260465

These all are Cheapest Hotels of Kedarnath, contact them with phone number if you need to contact with Kedarnath hotels. 


Tour Package for Kedarnath:- 
Haridwar থেকে ৪, ৬, ১০ দিনের সেমি-ডিলাক্স বাসে, টর্মিটরি প্রথায় থাকার ব্যবস্থা নিয়ে  Package tour নিয়ে যায় Garhwal Motor Owners Union Ltd, Haridwar, Phone:- 01334-226886 থেকে। বুকিং ডিপোজিট ব্যাঙ্ক ড্রাফটে পাঠাতে হয়।
এছাড়া প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে, গাড়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগম লিমিটেডে, যোগাযোগ, 0135-2747898/2431783 অথবা 011-23350481 অথবা GMVN, Room-244, 2nd Floor, Marshall House, 33/I N S Road, Kolkata-01, Phone:- 033-22315554. এদের প্যাকেজ ৪ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত।



মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

Vellor : Vellor tour & treatment / ভেলোর ভ্রমণ ও চিকিত্সা

Vellore:-
তামিলনাড়ুর Vellore District একটি শহর ও জেলা সদরদপ্তর। এটি চেন্নাই সেট্রাল থেকে ১৩০ কিলোমিটার ও ব্যাঙ্গালোর শহর থেকে ২১১ কিলোমিটার দূরে। Vellore town এর আয়তন ৮৭.৯১৫ বর্গ কিলোমাটার। এটি রাজ্যের নবম বৃহত্তম শহর এবং fort City বা দূর্গের শহর হিসাবে পরিচিত। এছাড়া শহরটি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বিখ্যাত। Vellore Townটি ১২.৫৫ উত্তর ও ৭৯.০৮ পূর্বে অববস্থিত। সমুদ্রতল থেকে শহরটির উচ্চতা ২২০ মিটার। ভেলোর পূর্বঘাট পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন পালার নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। শহরটি রাজ্যের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ব্রিটিশ ভারতের প্রথম সিপাই বিদ্রোহের ঘটনাস্থল ছিল Vellore। ভেলোর শহরে চর্ম শিল্প ও চর্মজাত দ্রবের জন্য নানান শিল্প গড়ে উঠেছে এবং এখান থেকে চর্মজাত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। তাই এই vellore town দেশের চর্ম শিল্পেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Tourist places in vellore:-

Vellor Fort:- ১৬ শতকে সবুজ গ্রানাইট পাথরে বিজয়নগর রাজাদের তৈরি এই দূর্গটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি বিজড়িত এই vellore fort, দুটি প্রাচীর ও গভীর পরিখার দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। ১৫৬৬ সালে তৈরি Jalakandeswarar Temple  বিজয়নগরীও স্থাপত্যের একটি অনন্য নিদর্শন Vellore fort টি।
Jalakandeswarar মানে শিব। জলের মধ্যে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেই পুজো চালু হয়েছিল। সেই জন্যই শিব jalakandeswar নামে পূজিত হয় এখানে। কারুকার্যমণ্ডিত মন্দিরটির ঘাড় উঁচু করে চুড়ো দেখতে হয়। দুর্গে ঢোকার সময় ডান দিকে রয়েছে চার্চ আর সিপাহী বিদ্রোহে মৃত ব্রিটিশ সৈনদের সমাধি। ভেলোর বিদ্রোহে শহীদ টিপুর সুলতানের  দ্বিতীয় পুত্রের স্মৃতিতে তৈরি পার্ল প্যালেস, শহর থেকে ১ কিলোমিটার উত্তরে। মেইন বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে গভর্নমেন্ট মিউজিয়ায়।

Vellor C M C:-

১৯০০ সালে আমেরিকান মিশনারি Ida Schudder-এর তৈরি Vellor C M Cর চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য vellor পৃৃথিবী বিখ্যাত। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে রোগীরা আসেন Vellor C M C তে দুরারোগ্য রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে। একটি ছোট্ট ঘরের ডিসপেনসারি দিয়ে vellore c m c এর যাত্রা শুরু হলেও, বর্তমানে হাজার-হাজার ডাক্তার, নার্স, ছাত্র, বেড আর বিল্ডিং তৈরি হয়েছে আধুনিক ও উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে  vellore c m c -তে।

Temple at vellore:-

Mahalaxmi Temple:-
ভোলোরের আর একটি আকর্ষণ শ্রীপুরমের এই মহালক্ষী মন্দির। ভেলোর দুর্গের জলাকণ্টেশ্বরের মন্দির রাস্তা থেকে কিছুটা নীচের দিকে এটিই golden temple at vellore। ভেলোর থেকে অটোতে গিয়ে Mahalaxmi temple 
 ঘুরে দেখা যায়। ঘুরে দেখতে পয়সা লাগে না, আবার স্পেশ্যাল ভিজিটও করা যায় টিকিট কেটে mahalaxmi temple। ১০০ একর জায়গা জুড়ে তৈরি mahalaxmi temple-এর পুরোটা ঘুরে দেখতে ঘণ্টা দু'য়েক মত সময় লাগে।

Lord Karthikeya Hill Top Temple:-

১৪ শতকে তৈরি প্রাচীন lord karhikeya hill top temple টি ভেলোরের ১২ কিমি দুরে রত্নগিরিতে অবস্থিত। বাসে ও অটোতে যাওয়া যায় Lord karthikeya দর্শনে। তবেে বাসে গেলে প্রচুর সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হয়। সুতরাং সিঁড়ি ভাঙতে না চাইলে বাসের থেকে অটোতে যাওয়াই শ্রেয়। দর্শনের জন্য দিনে দু’বার খুলে দেওয়া হয় মন্দিরটি। এই মন্দিরটির গায়ের কারুকাজ এবং বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা দেখে মুগ্ধ হতেই হয়। তামিলদের বিশ্বাস যেখানেই পাহাড়, সেখানেই murugan বা কার্ত্তিক আর দেবসেনাপতি মানেই সুরক্ষা।

Sri Murugan Temple :-

শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে বাসে ভেন্নামালাই গিয়ে শিবের পুত্র কার্তিকের Morgan temple টি দেখে নেওয়া যায়। একটি পাথর কেটে তৈরি হওয়া Morgan temple -এ মনোবাসনা পূরণের জন্য অনেকেই ঢিল বাঁধেনও। 


Yelagiri:-

ভেলোরের কাছেই ১০০০ মিটার উচ্চতায় পূর্বঘাটে অবস্থিত, এই yelagiri town টির সুন্দর প্রাকৃতিক শোভা এবং জলবায়ু পর্যটকদের আকর্ষণ করেই। yelagiri তে ৫৭ বর্গকিলোমিটার জুড়ে কৃত্রিম লেক পুঙ্গানুরের মধ্যে ১৫ ফুট উচু ফোয়ারার রাতের আলোকসজ্জা রোমাঞ্চকর। লেকের পাড়ে মিনি চিড়িয়াখানা এবং চিলড্রেন পার্ক রয়েছে। পাহাড়ি আত্তারু নদী জলপ্রপাতের মত ঝাঁপিয়ে পড়েছে yelagiri তে ৩০ কিলোমিটার নীচে। 

Ho to go Vellore:-

চেন্নাই সেন্ট্রাল থেকে চেন্নাই-ব্যাঙ্গালোর ব্রডগেজ রেল পথে কাটপানি স্টেশন। চেন্নাই ও ব্যাঙ্গালোর থেকে যথাক্রমে ২ ঘন্টা এবং ৪ ঘন্টায় কাটপানি যাচ্ছে এক্সপ্রেস ট্রেন- গুয়াহাটি/হাওড়া-ব্যাঙ্গালোর/কোচি/তিরুভনন্তপুরম এক্সপ্রেস। এ ছাড়াও সেন্ট্রাল থেকে বিভিন্ন ট্রেন আসছে-যাচ্ছে কাটপানি হয়ে মুম্বাই/মাদুরাই/তিরুপতি/কোচি/ব্যাঙ্গালোর/কন্যাকুমারী/তিরুভনন্তপুরমে। কাটপানি থেকে অটো/বাস/ট্যাক্সি যাচ্ছে ভেলোর শহরে। চেন্নাই ব্রডওয়ে বাসস্ট্যান্ড থেকে ১০২ রুটের বাস ৩০ মিনিট অন্তর কাঞ্চি হয়ে ভেলোর যাচ্ছে। এছাড়াও ভেলোরে বাস-যাচ্ছে আসছে তাঞ্জোর, মহাবলী, ভিল্লুপুরম, উটি, পন্ডিচেরি, তিরুপতি, ত্রিচি, মাদুরাই থেকেও।

Kolkata to Vellore Train:-
ভেলোরের কাছের স্টেশনটি হলো Katpadi Station.
Katpadi স্টেশনের উদ্যেশে কলকাতা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন গুলো হলো- HWH YPR AC EXPRESS ট্রেনটি সোমবার ছাড়া প্রতিদিন, MAQ VIVEX EXPRESS ট্রেনটি বৃহস্পতিবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH MYS EXPRESS ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH YPR EXPRESS ট্রেনটি প্রতিদিন যাতায়াত করে, GURUDEV EXPRESS  ও ANGA EXPRESS ট্রেন দুটো বুধবার ছাড়া প্রতিদিন, HWH PDY EXPRESS ট্রেনটি রবিবার ছাড়া প্রতিদিন যাতায়াত করে।

Hotel in vellore:- STD of Vellor- 0416

Hotels at vellore near cmc - VDM Lodge, Phone:- 22240008. Srinivasa Lodge, Phone:- 2226389. Mohan Mansion, Phone:- 2227083. Hotel Mouni Paradise, Phone:- 2228631. Hotel River View, Phone:- 2225251. Hotel Surabi International, Phone:- 2216399. Baby Residency, Phone:- 22266484. Darling Residency, Phone:- 22845062.

Vellor C M C treatment Information:-

Vellor C M C-তে চিকিৎসা করাতে চাইলে আপনি কোন ডিপার্টমেন্টে ডাক্তার দেখাবেন সেটা আগে ঠিক করে অফলাইন বা অফলাইনে এপোয়েন্টমেন্ট নেবেন, সেই ডিপার্টমেন্টের ডাক্তারদের। এই এপোয়েন্টমেন্ট আবার দুই ধরণের হয়। জুনিয়র ডাক্তারদের দেখানোর জন্য জেনারেল এপোয়েন্টমেন্ট এবং সিনিয়র ডাক্তারদের দেখানোর জন্য প্রাইভেট এপোয়েন্টমেন্ট। সাধারণত বাইরে থেকে যাঁরা যাবেন। তারা প্রাইভেট এপোয়েন্টমেন্ট নিতেই চাইবেন কিন্তু অনলাইনে এই এপোয়েন্টমেন্ট পেতে পনেরো দিন থেকে তিন মাস সময় লেগে যেতে পারে। তাই ভালো হবে ভেলোর গিয়েই অফলাইনে এপোয়েন্টমেন্ট নেওয়া। সেক্ষেত্রে আপনাকে হসপিটালে ঢুকেই " সিলভার গেট ফর নিউ এপোয়েন্টমেন্ট"- এ যোগাযোগ করতে হবে এবং এপোয়েন্টমেন্ট পেতে, সময় লাগবে দু'দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত।

তিন থেকে চারটি বিল্ডিং আছে CMC-তে এর মধ্যে OPD Building এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে সমস্ত প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা গুলো হয়। ডাক্তার বাবু টেস্ট লেখার পর। আপনি ওপিডি বিল্ডিং-এর ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে পরীক্ষার জন্য টাকা জমা দেবেন এবং যে পেমেন্ট Slip পাবেন। সেটার উপরেই লেখা থাকবে আপনার কত নম্বর রুমে পরীক্ষা করাতে বা করতে যেতে হবে। এই বিল্ডিং এর ফাস্ট ফ্লোর থেকে বিভিন্ন ফ্লোরে বিভিন্ন ডাক্তার বাবুরা বসেন। আপনার এপোয়েন্টমেন্ট Slip-এ লেখা থাকবে কোন ফ্লোরে কত নম্বর রুমে, আপনার ডাক্তার বাবু বসবেন এবং কখন আপনাকে উপস্থিত থাকতে হবে।

ISSCC  Building:- এখানেও ডাক্তার বাবুরা বসেন তবে নিউ এপোয়েন্টমেন্ট, রিপিট এপোয়েন্টমেন্ট, ক্রিস কার্ড, ফার্মাসি এবং ক্যাশ পেমেন্ট-এর কাজ হয় এখানে।
Criss Card:- ATM কাডের মত একটি কাড যেখানে ট্রিটমেন্ট সংক্রান্ত টাকা অগ্রিম জমা করে রাখা হয়। পেশেন্ট আইডি দেখিয়ে এই বিল্ডিং-এর ৪০২ নম্বর ঘর থেকে এই কাড সম্পর্কিত সমস্ত কাজ করে নেওয়া যায়। ATM দিয়েও পেমেন্ট সংক্রান্ত কাজ করা যায় কিন্তু লাইনে দাড়ানোর ঝামেলা থাকে।

PMRO Building:- ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে এই বিল্ডিং-এ যেতে হবে এবং যোগাযোগ করতে হবে।
Ward Building:- রোগী ভর্তি ও সার্জারি সংক্রান্ত কার্যক্রমে এখানে যেতে হয়।
Alpha Clinic:- সমস্ত প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা গুলো OPD বিল্ডিং-হলেও। USG সহ বেশ কিছু পরীক্ষায় OPD বিল্ডিং-এ দেরী হতে পারে। সে কারণে ডাক্তার বাবুকে বলে, লিখিয়ে নিয়ে Alpha Clinic- এ গেলে এক দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
ইমার্জেন্সি পরীক্ষার রিপোর্ট ডাক্তার বাবুর কাছে সরাসরি চলে যায়। তাই রিপোর্ট হাতে পাবেন না এবং পেতে হলে অবশ্যই আবেদন করবেন পরবর্তীতে।


শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

Kanyakumari / Kanyakumari Tourist places /কন্যাকুমারী।

Kanyakumari:-

Kanyakumari নামটি হিন্দু দেবী কুমারী আম্মানের নাম থেকে এসেছে। যেখানে আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর এসে মিলিত হয়েছে সেখানেই দেবী কন্যাকুমারীর বা স্থানীয় নাম কুমারী আম্মানের মন্দিরটি রয়েছে। অতীতে কন্যাকুমারী ছিল তামিলাকাম বা প্রাচীন তামিলনাড়ুর দক্ষিণতম সীমান্তরেখা। কন্যাকুমারী শহরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত। অন্তরীপ টি ভারতের পশ্চিম উপকূল ধরে বিস্তীর্ণ পশ্চিমঘাট পর্বতমালার Cardamom Hills-র দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত এবং এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের Kanyakumari জেলার একটি শহর।

Kanyakumari places to visit:-

Tiger Reserve:- বাঘ, সিংহ, টেইলড ম্যাকাক, বনেট ম্যাকাক, নীলগিরি লাঙুর, নীলগিরি থর, শম্বর, গউর, লেপার্ড ও বিভিন্ন প্রজাতির হরিণের বসবাস করে Tiger Reserve-টিতে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে যাওয়া যেতে পারে এই পাহাড়ি জঙ্গলে বা স্যাংচুয়ারিতে। তামিলনাড়ুর একমাত্র ব্যাঘ্রপ্রকল্প টি মুনডনথুরাই এবং কালাক্কাডূ মিলে তৈরি হয়েছে।

Triveni Sangamam:- বাঁয়ে বঙ্গোপসাগর, ডাইনে আরব সাগর আর সামনে ভারত মহাসাগরের মিলনস্থল Kanyakumari-এর Triveni Sangamam. মহীশূর থেকে এসে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা সমুদ্রে ডুবেছে Triveni Sangamam-এ। সকাল সন্ধ্যায় মন্দিরের আঙিনা থেকে জলের রঙিন বাহার এবং সাত রঙা বালির সমাহারে বিমোহত হতেই হয় Triveni-এসে। তাইতো কেপ কমোরিন বা কন্যাকুমারীর পর্যটক আকর্ষণ অদ্বিতীয় পর্যটন মানচিত্রে।

kanyakumari temple :-
শিবের সঙ্গে বিয়ের লগ্ন ভঙ্গ হওয়ার কারণে লগ্নভ্রষ্টা দেবী আজও কুমারী। গ্রানাইট পাথরের তৈরি পদ্মের উপরে দাড়িয়ে পরমাসুন্দরী Devi Kumari Kanya. তিন দিকে তিন মহাসমুদ্র আঁচল জড়িয়ে অসীমের অপেক্ষায় অপেক্ষমান। দিনের শুরুতে পরা কুমারী কন্যার সাজ ছেড়ে, আজও গোধূলিতে দেবী সাজে নববধূর সাজে। তবুও শঙ্কর আসে না যে আর আসে না, মন লাগে না কাজে। মন্দিরের চারটি স্তম্ভ কে ধাক্কা দিলে, সঙ্গীতের সপ্তস্বর ধ্বনিত হয়, মৃদঙ্গ, বেণু ও বীণা সহ। পূর্ণিমা তিথিতে একই সঙ্গে সূর্যাস্ত ও চন্দ্রোদয় দেখা যায় কন্যাকুমারীর আকাশে। Kanyakumari Temple-এ দেবীর নাকের পরশুরামের কাটা হীরের নথটি গভীর সমুদ্র থেকে দেখা যায়। ডান হাতে জপের মালা, বাম হাতটি উরুর উপরে রাখা।
দেবীর ৪-৩০ মিনিটে "বিশ্বরূপ", ৫-০০টায় "অভিষেক", ৬-১৫ মিনিটে "দীপ আরতি", ১০-টায় "অভিষেক", ১১-৩০ "দীপ আরতি", সন্ধ্যা  ৪-৩০ মিনিটে "অলঙ্করণ", ৬-৩০মিনিটে "সান্ধ্য দীপ আরতি", ৮-৩০ মিনিটে "অর্ধযাম পূজা" এবং ৮-৪৫ মিনিটে "দীপ আরতি পূজা" হয়। 

Vivekananda Rock Memorial:- এক সময়ের পিটরু এবং মঠরু শিলাখণ্ডের বর্তমান নাম Vivekananda Rock. ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে বিবেকানন্দ জ্ঞান আহরণে বের হয়ে ধ্যানে বসেন এই শিলাখন্ডে। সেই থেকে শিলাখন্ডের নাম পরিবর্তন হয়ে Vivekananda Rock হয়েছে। ১৯৬৪ সালে বিবেকানন্দের জন্মশতবার্ষিকীতে চোল, পাণ্ড্য, পহ্লব এবং আর্য স্থাপত্য শৈলীর সংমিশ্রণে মন্দির তৈরি করে ৮ ফুট উচু স্বামীজির ব্রোঞ্জ মুর্তি রাখা হয়েছে। নিচে আছে কাঁচের পাত্রে দেবী কন্যাকুমারীর পায়ের ছাপ এবং মেডিটেশন হল। এক সময়ে এই শিলাখন্ডে পরশুরামের তৈরি  শ্রীপাদ মণ্ডপম নামে দেবীর মন্দির ছিল। সময়ের ও সমুদ্রের গ্রাসে সেই মন্দির হারিয়ে যাওয়া পর মূল ভূখণ্ডে মন্দির তৈরি হয় কুমারী দেবীর। 

Sree Thanumalayan Temple:-  সপ্তম শতাব্দী থেকে অষ্টম শতাব্দীতে দ্রাবিড়ীয় শৈলীতে তৈরি এই Thanumalayan Mandir-টি। মন্দিরে নবব শতাব্দীর শিব লিঙ্গ সহ বিষ্ণু রয়েছেন। এক সময়ে নাম ছিলো এর জ্ঞানারণ্য, Thanumalayan Temple-দেবরাজ ইন্দ্র অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্য শিবের তপস্যা করে এবং শিব কতৃক শুচিশুদ্ধ হন। একটি পাথর কেটে দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত মন্দিরটিতে সাতটি মিউজিক্যাল পিলারে আঘাতে সরগম অনুরণিত হয়। নবগ্রহ মুর্তি সহ দেবতারা রয়েছেন গণেশ, কার্তিক সহ অন্যান্যরা। এর চুড়ার একদিকে রামায়ণ এবং অন্যদিকে মহাভারতের কাহিনী খোদাই করা রয়েছে এছাড়াও একটি সুন্দর ১০৩৫ পিলারের নৃত্যশিল্পীদের জন্য ঘর রয়েছে। ঋষি অত্রির স্ত্রী অনসূয়ার সতীত্ব পরীক্ষা করতে আসেন Stanumalayan-এ ত্রিদেব ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। প্রতিদিন ভোর ৪ টা থেকে ১১-৪৫ পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৫টা থেকে ৮টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকে। কন্যাকুমারী থেকে বাস ও ট্রেনে সহ প্রাইভেটে জিপ ও ট্যাক্সি ভাড়া করে ঘুরে নেওয়া যায় Temple-টি।

Nagraj Temple:- নাগরাজা মন্দিরটির জন্য Nagercoil সুবিখ্যাত।
Nagraj Mandir-এ রয়েছে পাঁচমুখের কেউটের প্রহরায় রুপোর সিংহাসনে Nagraj-সহ শিব এবং বিষ্ণু। চীনা প্যাগোডা শৈলীতে প্রবেশ পথ এবং জৈন তীর্থংকর পার্শ্বনাথ স্বামী ও মহাবীর আঁকা রয়েছে Nagraj Temple-এর স্তম্ভে।

tourism places in kanyakumari:-

লাইট হাউস, সীতারাম দাস ওঙ্কারনাথ আশ্রম, ১৬ শতকের রোমান ক্যাথলিক চার্চ, চক্রতীর্থে কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির, পাতাল গঙ্গা, গন্ধমাদনের ছিটকে পড়া টুকরো, ১৮ শতকের ভাট্টাকোট্টাই, ভাট্টা, থিরুপারাপ্পুতে জলপ্রপাত এবং শিব মন্দির, উদয়গিরি দুর্গ এবং পদ্মনাভপুরম।

How to go Kanyakumari:-

হাওড়া থেকে সোমবার বিকাল ৪-১০ মিনিটে কন্যাকুমারী-এগমোর-হাওড়া এক্সপ্রেস। চেন্নাই-এগমোর-কন্যাকুমারী এক্সপ্রেস, রবিবার, নাগেরকয়েল যাচ্ছে, মঙ্গলবার যাচ্ছে তিরুভনন্তপুরম। চেন্নাই সেন্ট্রাল ছেড়ে চেন্নাই-তিরুভনন্তপুরম মেলে তিরুভনন্তপুরম সেন্ট্রাল গিয়ে ট্রেনে, বাসে ট্যাক্সিতে করে কন্যাকুমারী। হাওড়া থেকে কন্যাকুমারী ট্রেন লিস্ট এবং টাইমটেবল লিঙ্ক

Hotels in kanyakumari:-
There are some kanyakumari hotels contact number. If you need further information you may contact by the kanyakumari hotels Phone numbers.

Hote Tamildu-Kanyakumari, Phone:- 246257.
Kerala House, Phone:- 246229.
Hotel Sen Rock, Phone:- 246167.
Hotel Shivas Residency,  Phone:- 246150/246929.
Hotel Sea View, Phone:- 247841.
Hotel Jas, Phone:- 246446.
Hotel Samudra, Phone:- 246162-63/65.
Hotel Melodi park, Phone:- 247667.
Hotel New Cape, Phone:- 247561
Hotel Maadhini, Phone:- 246787.
Hotel Sea Face, Phone:- 246353.
 Gopi Niwas Lodge, Phone:- 246355/246262
Bhagavati Lodge, Phone:- 246298.


Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...