Translate into your language

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Meghalaya / Meghalaya Tourism Spots/মেঘালয় ভ্রমণ

খাসি, জয়ন্তিয়া আর গাড়ো পাহাড় নিয়ে তৈরি রাজ্য Meghalaya কে মেঘেদের স্বর্গরাজ্য বলা হয়। হাজারো প্রজাতি, মথ, অর্কিড, উদ্ভিদ ও প্রাণী সম্পদের এক অনবদ্য বাসভূমি Meghalaya. দুটি ন্যাশনাল পার্ক ও দুটি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারিও হয়েছে মেঘালয়ে। পাহাড়-অরণ্য-তৃনভূমিতে মোড়া মেঘালয়ের রূপমাধুরী সম্মোহিত করে পর্যটকদের। Meghalaya -এ বসবাস করে খাসি, জয়ন্তিয়া ও গারো সম্প্রদায়ের মানুষজন। বিচিত্র সংস্কৃতি ও সমাজ জীবন তাদের। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় বাড়ির দায়িত্ব মেয়েদের হাতে এবং মেয়েদের পদবীতেই পরিচয়। ছোট মেয়েই পরিবারের কর্তৃ। নাচগানের সাথে গিটার বাজানো যথেষ্ট প্রিয় এদের।

 How to go Meghalaya:- 

কোলকাতার যাত্রীরা হাওড়া কিম্বা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ট্রেনে করে গুয়াহাটি গিয়ে সড়ক পথে শিলং পৌঁছাতে পারেন। গুয়াহাটি রেল স্টেশনের উল্টো দিকের বাসস্ট্যান্ড থেকে মেঘালয় ও অসম রাজ্য পরিবহনের বাস NH40 ধরে প্রতি ঘন্টায় শিলং যাচ্ছে। গুয়াহাটির স্টেশন সংলগ্ন A T Road থেকে ট্যাক্সিও যাচ্ছে শিলং-এ। এছাড়া বিভিন্ন ট্রাভেলস এজেন্সির ডিলাক্স কোচ গুয়াহাটি থেকে শিলং যাচ্ছে। আর শিলং থেকে MTC এর বাস সহ বিভিন্ন বাস ফিরছে গুয়াহাটি, শিলিগুড়ি, আগরতলা, শিলচর সহ বিভিন্ন দিকে সারাদিন। অসমের গুয়াহাটির সঙ্গে বিমান সংযোগ রয়েছে বাগডোগরা ও দিল্লির। এছাড়া কলকাতা থেকে বিমান, শিলং থেকে ৩২ কিমি দুরের উমরয় যাচ্ছে। মেঘালয় পর্যটনের ডিলাক্স বাস বিমানবন্দর থেকে যাত্রীদের নিয়ে শহরে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে ফোন করুণ Meghalaya Helicopter Service, MTC Buss Stand, Shillong, Call:- 0364-2223129.
৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹

 places to visit in Meghalaya:-

১) Shillong : শিলংয়ের প্রাকৃৃৃতিক দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। শীতে বরফ পড়ে না গ্রীষ্মে নেই অত্যাধিক গরমও। তাই বসন্তের আমেজ শীত-গ্রীষ্ম জুড়ে। বর্ষার দিনগুলোতে মেঘ বালিকার প্রেমালাপ পাইনের কানে কানে বাতাসে ফিসফিসিয়ে। বর্ষায় ঝর্ণা সুন্দরীদের যৌবনে রঙ লাগে। ঘুরে দেখার উপযুক্ত সময় মার্চ থেকে জুন ও অক্টোবর থেকে নভেম্বর। যদিও সারা বছর যাওয়া যায় Shillong- বেড়াতে। রবীন্দ্রনাথ ও ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের নানান স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে Shillongপাহাড়ে। স্বাধীনতার সময়ে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা বাঙালিদের বিশেষ ভূমিকা আছে শিলংয়ের নগর জীবনে। বাংলা ভাষা সহজে বোঝে Shillong পাহাড়ের দোকানপাট, হাটেবাজারে। শহরের দোকানে খাসি সম্প্রদায়ের মেয়েরাই দোকানি, গোলাপি মুখে মুক্তঝরা হাসির রেখা এঁকে। 

 places to visit in Sillong:- 
গলফ ক্লাব:- শহরের ভিতরে নীচের ধাপে পাইন ঘেরা গলফ ক্লাব। তৈরির সময় ৯ হোল থেকে ১৯২৪-এ ১৮ হোলে রূপান্তরিত হয়। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই Gleneagle of the East. পাশেই রেস কোর্স ও পোলো গ্রাউন্ড। কার্নিভ্যালধর্মী তিরন্দাজ প্রতিযোগিতার আসর বসে পোলো গ্রাউন্ডে, বাজিও ধরা হয় নিশানার উপরে। পোলো গ্রাউন্ডের নিচের ঢালে বাঙালি কালী মন্দির, বৌদ্ধ মন্দির।

Ward Lake:- Sri William Ward তৈরি করেছিলেন বাগান সহ Ward Lake। কৃত্তিম এই লেকের মাঝখানে দ্বীপ, সেতুতে যাওয়া আসা করতে হয়। লেকের বুকের উপর দিয়ে রাজপথ, বটানিক্যাল মিউজিয়াম, মুখ্যমন্ত্রীর বাংলো, রাজভবন গুরুত্ব  বাড়িয়েছে Ward Lake-এর। বোটিং-এর ব্যাবস্থা আছে লেকে।

Butterfly Museum:-বিভিন্ন রঙের, নানান ধরনের হাজারও প্রজাপতি সহ মথ, ফড়িং, মাকড়সারা বিদেশেও পাড়ি দিচ্ছে এই
Butterfly Museum, Meghalaya থেকে। রবিবার ও ছুটির দিনগুলি ছাড়া ১১ থেকে ৪ টে পর্যন্ত খোলা থাকে Butterfly Museum-টি। 

State Musium:- মেঘালয়ের সংস্কৃতি ও সমাজ জীবনের প্রদর্শনালয় উইলিয়মসন সাংমা স্টেট মিউজিয়াম। এখানেই রয়েছে মেঘালয় কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ ও সেন্ট্রাল লাইব্রেরি। সংস্কৃতি, প্রাণী ও উদ্ভিদের সাথে, পুরাতত্ত্বের বিপুল সম্ভার প্রদর্শিত হয়েছে Meghalaya- এ।

Barobazar & Police Bazar:-
লাল সাদা ডোরাকাটা মিজোশাল, মধু , বাঁশের তৈরি হস্তশিল্পের হরেক জিনিসের দোকান সাজিয়ে বসে খাসিয়া মেয়েরা Barobazar-এ। সাপ্তাহিক হাট বসেও Police Bazar ও বড়োবাজারে। গভর্মেন্ট এম্পোরিয়াম আছে পুলিশ বাজারের পাশে।

Sillong Peak:- পাইন ফার বার্চে ছাওয়া, মেঘালয়ের উচ্চতম চুড়া Sillong Peak. শহর থেকে দশ কিমি দুরে এয়ারফোর্সের ক্যান্টনমেন্ট হয়ে দশ কিমি দুরের Sillong Peak থেকে মেঘমুক্ত দিনে হিমালয়ের শিখর গুলো সুন্দর ভাবে দেখা যায় এবং Sillong Town-কেও অপরূপা লাগে দেখতে। পায়ে হেঁটে বা বাস ও ট্যাক্সিতে ঘুরে নেওয়া যায় Sillong Peak. জোয়াই-শিলচর রাস্তাটিও গিয়েছে Upper Sillong থেকে Peak-এর পাশ ধরে।

Elephant Falls:-
১৭৭ ধাপ সিঁড়ি বেয়ে নেমেছে অনন্য সুন্দর প্রকৃতির মাঝে। উল্টো দিকে দুই পাহাড়ের মাঝখানে সেতুর নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে পাহাড়ি ঝর্ণা মিষ্টি সুরে গান গেয়ে। আর আছে কভু নাহি চেনা, কভু নাহি দেখা পাখির কাকলি। শহরের শেষে হেলিপ্যাড রেখে শিলং-চেরাপুঞ্জির রাস্তায় বারো কিমি মতো গিয়ে দক্ষিণে Elephant Falls.

Bosco Cathedral:-
তৈলচিত্রে যিশুখ্রিস্টের জীবন কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে Bosco Cathedral-এ। রঙিন কাঁচে আলোক বিচ্ছুরণে চমক সৃষ্টি করে Bosco.

Bidon and Bishop Falls:- পাহাড় বেয়ে জলের ধারা নেমে আসছে বামে Bidon ও ডাইনে Bishop-এ। ৬ কিমি দুরের গানার্স ফলস, কয়েকশো ফূট উচু থেকে পড়ে মিশেছে Bishop-এর সাথে। 

Umiam Lake:- এই জলাধার থেকে Umiam River-এর জন্ম। বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুত্ উৎপাদন হচ্ছে Umiam-থেকে। Umiam-এর আর এক নাম বড়াপানি। খাসি ভাষায় উমিয়ম মানে চোখের জল। উমিয়মের চারপাশ পাহাড় ঘেরা, নীল জলে সোনালি চর ও পাখির কলতানে মুখরিত Umiam. ভারতের প্রথম Water Sports Complex হয়েছে Umiam-এ। একোরিয়াম ও মিউজিক্যাল ফাউন্টেনও আছে Umiam-এ। মৎস শিকারিরা অনুমতি নিয়ে ছিপ ফেলে বসে জেতে পারেন। Flooting Restaurant Umiam-এর আর এক উপভোগ্য বিষয়।
 থাকার ব্যবস্থা:- Orchid Lake Resort, Call:- 0364-2570296/58. 

Hotels in Shillong:-
শিলং-এর STD:- 0364
1) Hotel Lotus, Call:- 2227182.
2) Blue Pine, Call:- 2229824.
3) Rainbow, Call:- 2225910.
4) Highway Lodge:- 2504886/2223681.
5) Magnam, Call:- 2227797.
6) Panways, Call:- 22174374.
7) Sastik, Call:- 2222869.
8) Rajtilak, Call:- 2229581.
9) City Viwe Inn, Call:- 2211511.
10) Gress, Call:- 2506353.
11) Dimond, Call:- 22259639.
12) The Bullevard, Call:- 09863324587/2229823.
13) Hill Star Call:- 2223553.
14) Shillong, Call:- 2225497.
15) Pinewood, Call:- 2223116/146/263.
==================================
2) Cherrapunjee /সোহরা:- পৃথিবীর সব চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় চেরাপুঞ্জিতে। খাসি সাহিত্য সংস্কৃতির পীঠস্থান Cherrapunjee বিখ্যাত চুনাপাথরের গুহা, কয়লা, মধু এবং কমলা লেবুর বাগানের জন্য। শিলং থেকে দক্ষিনে খাসিয়াদের সোহরা বা সোংরাপুঞ্জি বা চেরাপুঞ্জি।
বড়োবাজার থেকে MTC বা প্রাইভেট বাস ধরে দুই ঘন্টা দুরে চেরাপুঞ্জি পৌঁছানো যায়। সবুজ পাইনের মধ্য দিয়ে মাওজং, মাওপেং, নিমপো, সাইসোপেন মাওফ্লাঙ কে পাশ কাটিয়ে পথ চলা। সকালে গিয়ে বিকেলে শিলং ফেরা যায়, Cherrapunjee থেকে। থাকতে চাইলে Coniferous Resort, Call:- 03637-235537/09436178164.
Shore Plaza Home Stay, Call:- 09774970826/09436308007.
==================================
Mawsynram :- 
চেরাপুঞ্জির কাছে খাসি পাহাড়ের দক্ষিণ ঢালে Mawsynram. Mawsynram -এর রহস্যময় প্রাচীন গুহায় স্ট্যালাগটাইট পাথরের শিবলিঙ্গ মৌসিনরামের বিস্ময়। যার মাথায় সারা বছর প্রাকৃতিক ভাবে জল ঝরে পড়ে গরুর বাঁটের মত ঝুলন্ত চুনাপাথরের দন্ড থেকে। জঙ্গলের পরিবেশে এই গুহাটির জন্মের ইতিহাস অজানা কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই গড়ে ওঠা গুহাটির ৪.৫ কিমি দৈর্ঘ্য আবিষ্কার হলেও বাঁকি দৈর্ঘ্য ও গভীরতা অজানা। লোকশ্রুতি, গারো পাহাড়ের সিজুগুহার সাথে সংযোক রয়েছে এই গুহার। শরীর ও মাথা বাঁচিয়ে পাথর চুঁইয়ে পড়া জল মাড়িয়ে ভিতরে যাওয়া যায়।

মৌসমাই:- সার্কিট হাউস থেকে দক্ষিণে ২ কিমি দুরে পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম জলপ্রপাত মৌসমাই ফলস। হাজার দুই ফূট উচ্চতা থেকে জলের ধারা নামছে। বর্ষায় ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপ ধারণ করে Mawsmai Falls. ডাইনে বাংলাদেশের সিলেট দেখা যায়।

Nohkalikai falls:- - মৌসমাই-এর থেকেও আকর্ষণীয় কিংবদন্তিতে ঘেরা Nohkalikai falls. দ্বিতীয় স্বামীর হাতে মেয়ের মৃত্যু শোকে মা লিকাই ঝাঁপিয়ে পড়েন পাহাড় থেকে। সেই থেকে Nohkalikai falls এর জন্ম। বিভিন্ন রকমের অর্কিড ও প্রজাপতি রয়েছে এখানে। এছাড়া চেরাপুঞ্জি থেকে ঘুরে নিতে পারেন কেইনরেম ফলস।
==================================
3)  dawki:- খাসি পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগের সাথে সাথেই ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত  dawki শহর ঘুরে আসা যায় এক দিনে। শিলং থেকে ৮০ কিমি দুরে dawki. শিলংয়ের বড়োবাজার-চেরাপুঞ্জি বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতি ঘন্টায় মিনিবাস যাচ্ছে ডাওকি। এর দশ কিমি দুরের সিনডাই গুহা ও মওলিনং সহ থাইলং নদীর উপরে লিভিংরুট ব্রিজটি ঘুরেে নিতে পারেন dawki ভ্রমণে গিয়ে।

4) Jaintia Hills:- শিলং থেকে ৬৫ কিমি দুরে  Jaintia এবং জয়ন্তিয়ার জেলা সদর জোয়াই। জয়ন্তিয়াদের বিশ্বাস মোঙ্গোলিয়ানদের বংশধর তারা। মিনিবাস ট্যাক্সি আসছে যাচ্ছে শিলং থেকে জোয়াই। শিলং-শিলচর বাস যাচ্ছে জোয়াই হয়ে। 
==================================
Thadlaskein Lake :- থাডলাসকেন বিখ্যাত ঐতিহাসিক লেকের জন্য। নিজের বংশের ২৯০ জন অনুগামীর তীর দিয়ে লেক খনন করান বোড়ো বংশীয় প্রধান। অন্যায়ের প্রতিবাদ কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য। জুলাই মাসে জয়ন্তিয়ারা ভালো ফসলের আশায় ৪ দিনের উৎসবে পালন করার সময়ে নাচ গানে বিভোর হয়ে থাকে। নানান লৌকিক প্রথা উদযাপনের সাথে সাথে খেলায় মেতে ওঠে জয়ন্তিয়া পাহাড় এবং এটি একটি ভালো পিকনিক স্থলও। Thadlaskein Lake -এ থাকার ব্যবস্থা আছে Orchid Inn, Call:- 09856003662 or 09863600077.

Nartiang:Nartiang Monoliths এক সময়ে জয়ন্তিয়া রাজাদের রাজধানী এবং হিন্দু ধর্মের পীঠস্থান Nartiang প্রাসাদের পাশেই জয়ন্তেশ্বরী মন্দিরে নরবলির প্রথা চালু ছিলো পুরানো দিনে। পাথর খুঁড়ে দুটি মনোলিথ পিলার তৈরি করা রয়েছে, যার একটি আট মিটার উঁচু ও আঠার ইঞ্চি প্রস্থ এবং অন্যটি দু-মিটার প্রস্থের। শিলং থেকে ৬৫ আর জোয়াই থেকে ২৪ কিমি উত্তরে Nartiang। জোয়াই থেকে বাসে বা ট্যাক্সিতে ঘুরে নেওয়া যায় এই স্থান সহ গরম পানিও। তবে এক রাত্রি উমরাঙসোয়া বা জোয়াই থাকার ব্যবস্থা করে ঘুরলে সুবিধা হয়। Nartiang- এ থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

Umrongso :- নারটিয়াঙ থেকে ৬ কিমি দুরে অসমের  Umrongso - য় দেখে নিতে পারেন বৃহত্তম হাইডেল প্রজেক্ট। ১৯ কিমি জুড়ে কাজকারবার চলছে KHEPA-র। বাঁধ পোড়ে কপিলি নদীতে NEEPCO প্রকল্পে জলবিদ্যুত্ উৎপাদন হচ্ছে। এখানেও থাকর ব্যবস্থা আছে।
==================================
4) Garo Hills :-
Garo Hills-এর মুল কেন্দ্র তুরায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পাহাড় চূড়া এবং তার ধাপে ধাপে বাড়িঘর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই Garo Hills পর্যটকদের টেনে নিয়ে যায়। ৫ কিমি ট্রেক করে তুরা পিক থেকে সূর্যাস্ত দেখা রোমাঞ্চকর অধ্যায়। শ্বাপদ সঙ্কুল সরু জঙ্গলের  রাস্তায় জয় করে নেওয়া যায়,গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ Nokrek শৃঙ্গ। দুই কিমি দুরে Biosphere Reserve-এ, "মেমাংনারাং" নামে কমলা লেবুর এক বিরল প্রজাতি জন্মায়। তেমনি পৃথিবীর প্রাচীনতম জিনের বিচিত্রধর্মি পতঙ্গ সাসাটেগার স্যাংচুয়ারি, রিশপ হেয়ার রিজার্ভ, সিঙ্কনা বাগান দেখে নেওয়া উচিত Garo Hills- এর তুরা পিকে।

Hotels in Garo Hills :- 
সার্কিট হাউজ এবং ডাকবাংলো। এছাড়া Arai Mile, Call:- 09862202772. Tourist Complex, Call:- 03651-242394. Richman, Call:- 03651-220744-45.
Sundar, Call:- 03651-224610.
কোলকাতার যাত্রীদের সুবিধা হবে নিউ বঙ্গাইগাঁও পৌঁছে ব্রহ্মপুত্র পার হয়ে গোয়ালপাড়া-ফুলবাড়ি হয়ে তুরায় যাওয়া। সকালে শিলংয়ের জেল রোড ছেড়ে গুয়াহাটি পৌঁছে ৩২৩ কিমি দুরের তুরায় যাচ্ছে MTC-এর বাস। দ্বিতীয় বাসটি যাচ্ছে সন্ধ্যায়। গুয়াহাটি থেকেও আসছে MTCএর বাস তুরায় সকালে। গোয়ালপাড়া থেকেও সকালে প্রাইভেট বাস যাচ্ছে তুরায়। শিলিগুড়ি দিল্লি হোটেলের পাশে ব্লু হিলস থেকেও তুরায় যাচ্ছে বাস।

5) Baghmara :-  সকালে তুরা থেকে বাঘমারা গিয়ে সন্ধ্যায় তুরায় ফেরা যায় সুমো বা জিপে করে। বা তুরা থেকে বাসেবাসে ঘুরে নেওয়া যায় বাঘমারা/সিজু/বালফাক্রাম। তবে এক রাত থাকার ব্যবস্থা নিয়ে সুমো বা জিপে Baghmara ডিসট্রিকের এই স্পট গুলো ঘুরে নেওয়াই শ্রেয়। শহর থেকে ৪ কিমি দুরে ৪৪ বর্গকিলোমিটার জুড়ে লঙ্গুর, হাতি ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির নিজভূমি Baghmara reserve forest ও পর্যটনকেন্দ্র। ৫০ কিমি দুরে সিজু গুহা এবং অভয়ারণ্যের রাস্তাও গিয়েছে Baghmara থেকে। রাস্তার একদিকে ২০০ ফুট উঁচু খাড়া পাহাড় অন্যদিকে সবুজ অরণ্যে ছাওয়া খাদ। খাদ দিয়ে বয়ে চলেছে সিমসাং নদী। পথেই দেখা যায় পিচার প্ল্যান্ট বা পতঙ্গভূক গাছ। কিছুটা দুরে মৎস শিকারিদের পছন্দের জায়গা নাপাক লেক। বাঘ মারা থেকে শিলং-এর দিকে যেতে আরোও ৪০ কিমি গিয়ে ৫ কিমি পায়ে হেঁটে বালফাক্রাম সংরিক্ষত বনাঞ্চল। নাপাক লেকের খাঁড়িতে সিমসাং নদীর তীরে  baghmara থেকে ত্রিশ কিমি দুরে সিজু গুহা। এখানেও থাকার ব্যবস্থা আছে।  Baghmara tourist Lodge - এর ঠিকানায় যোগাযোগ করেই থাকার ব্যবস্থা করে নিতে হবে। বাঘমারায় ট্যুরিস্ট লজ, ফোন:- 03651-232394 or 03639-222141. Forest Banglo, Call:- 09436712294/09436116897. এছাড়াও সাধারণ হোটেল আছে।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...