Manali:-
স্কিইং, হাইকিং, পর্বতারোহণ, প্যারাগলাইডিং, রাফটিং, ট্রেকিং, কায়াকিং আর মাউন্টেন বাইকিং-এর মতো এডভেঞ্চার স্পোর্টস গুলোর জন্য manali বিখ্যাত। ইয়াক স্কিইং এখানকার এক অনবদ্য স্পোর্টস। উষ্ণ প্রস্রবণ ধর্মীয় কুঠি ও তিব্বতীয় বৌদ্ধ মনাস্ট্রি রয়েছে মানালিতে। দেব উপত্যকা 'মানালি' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ 'মনুর বাসভূমি'। পুরানো manali Village এ মনুর নামে একটি বহু প্রাচীন মন্দিরও রয়েছে। মানালি প্রশাসনিক ভাবে কুল্লু জেলার অন্তর্গত এবং ছোট শহরটা প্রাচীন লাদাক বানিজ্য পথের শুরুতে এবং সেখান থেকে কারাকোরাম গিরিপথের উপর দিয়ে তারিম বেসিন-এর ইয়ারকন্দ আর খোটান পর্যন্ত বিস্তৃত। মধুচন্দ্রিমা বা honeymoon এর জন্য বিগত কয়েক বছর ধরে manali জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫০ জন নবদম্পতি এখানে মধুরাত যাপনে আসেন এবং বছরের বাঁকি সময়ে দৈনিক গড়ে ৩৫০ টি নতুন জুটির আগমন ঘটে এখানে।Places to visit in Manali:-
Manu Temple:- নেহেরু পার্ক রেখে মানালসু নদী পার হয়ে পুরানো মানালির পাহাড়ি বাড়িঘর গুলির সুসজ্জিত প্রবেশপথ কাঠের ব্যালকনি ও পাথরের ছাঁদ দেওয়া শিল্পকর্ম দেখতে দেখতে, মালাসু নদী থেকে তিন কিলোমিটার দুরে কাঠের তৈরি Manu Mandir-টি ঘুরে আসা যায়।
Hadima Temple:- হিড়িম্বা রাক্ষস কে এখানেই বিবাহ করেছিলেন ভীম, তাই পাইন ও দেবদারুর পাহাড়ি অরণ্যে মহারাজা বাহাদুর সিং কাঠ দিয়ে ২৭ মিটার উঁচু এই Hadima Temple-টি তৈরি করেন। পাশাপাশি কাছে দুরে দেখে নেওয়া যায় আরোও কয়েকটি মন্দির এখানে, যেমন:- ঢুংরি মন্দির, চাম্বা উপত্যকায় ত্রিলোকনাথের মন্দির, ঘটোত্কচ মন্দির।
Club House:- বিপাশা পার হয়ে ইনডোর গেমের ব্যাবস্থাপনা নিয়ে তৈরি দেবদারুতে ছাওয়া সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠেছে Club House-টি। এখানে বিপাশার পাড়ে একটি পার্কও রয়েছে।
Tibetan Monasteries:- মডেল টাউনে সুন্দর প্রেয়ার ফ্লাগের বাহারে তিব্বতিয় মনাস্ট্রিটিতে তিব্বতিয় ছবির সংগ্রহ উল্লেখ্য। এখানে তিব্বতিয় হস্তশিল্প দেখে নেওয়া সহ কেনাও যায় হস্তশিল্পজাত পণ্য। পাশেই টেকছোকলিং গুম্ফা এবং মনাস্ট্রির প্রার্থনাসভাটি অনন্য সুষমামণ্ডিত। মাউন্টেরিয়ান ইনস্টিটিউটটিও ঘুরে দেখা যেতে পারে এখানে।
Rohtang:- বশিষ্ঠমুনির তপস্যাস্থল-মন্দির এবং সন্তান শোকে আত্মবিসর্জন দিতে চেয়েছিলেন বশিষ্ঠমুনি এখানে। উত্তর দিকে আরো তিন কিমি মতো গিয়ে কাষ্ঠ নির্মিত সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত বশিষ্ঠ আশ্রমটি দেখে নিতে পারেন। এখানে একটি গরম সালফার জলের কুণ্ড রয়েছে, রয়েছে রামমন্দিরও। কিছুটা দুরে রয়েছে ঘটোত্কচ মন্দির।
হামামে:- বশিষ্ঠ আশ্রমের গরম জলের কুণ্ড থেকে পাইপের সাহায্য জল এনে তৈরি আধুনিক বাথরুম। নারী পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা স্নানঘরের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এটির মাথার উপরে ভৃগুতঙ্গ পর্বতে অবস্থিত লেকটিতেও স্নান করে নেওয়া যায়। মনুমন্দির থেকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে গোশাল গ্রামে গৌতম মুনির বসবাস ছিল এবং এখান থেকে আরোও কিছুটা গেলে সোনাল এবং সোলাং উপত্যকা।
Nagar Durga:- পাথর, মার্বেল আর কাঠের সূক্ষ্ম কারুকার্যমণ্ডিত এই দুর্গটি পাল সাম্রাজ্যের স্মৃতি বহন করে এবং এটি হিমাচলের স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন।
Rahala Waterfalls :- মানালি থেকে রোতাং পাস যাবার ঠিক সামনে এবং মানালি থেকে ২৭ কিমি দূরে এই জলপ্রপাতের উচ্চতা ৪২১০ ফুট।
Solang Valley:- মানালি থেকে ১৩ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এটি 'স্নো পয়েন্ট' নামে পরিচিত।
Manikaran:- কুলু থেকে ৪৫ কিমি দুরে মানালি যাওয়ার রাস্তায় এই অঞ্চলটি বিখ্যাত পার্বতী নদীর কাছে উষ্ণ প্রস্রবনের জন্য।
Hotels in Manali:-
There ar some hotels of Manali and Manali Hotels contact numbers.
Hotel Beas, Phone:- 01902-252832. Orchard Huts, Phone:- 01902-253225. Hotel Rohtang Manalsu, Phone:- 01902-253723. Hotel Kunzum, Phone:- 01902-253198. Yatri Niwas, Phone:- 01902-253531.
Pujara Shiraj, Phone:- 033-22318019. Shiwalik, Phone:- 01902-254240. Aalfa, Phone:- 01902-252310. New Shiwalik, Phone:- 01902-254239. Poorva, Phone:- 033-22371993. Paramount, Phone:- 033-22101822. Aroma, Phone:- 01902-253159.
Sun Flower, Phone:- 01902-252419. Raj Palace, Phone:- 033-24542975. Bulbul, Phone:- 01902-252509.
Meadows, Phone:- 033-27510091. Smart, Phone:- 01902-252356. Adarsha, Phone:- 01902-252493. Grass Land, Phone:- 01902-252122. Conifer, Phone:- 01902-252434. Blue Heaven, Phone:- 01902-252802. Anupam, Phone:- 01902-252181
Simla Kalibari, Phone:- 0177-2652964।
Weather in Manali:-
Temperature of Manali শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এবং গ্রীষ্মে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
Perfect time to visit Manali:-
Perfect time to visit manali এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস, জুলাই-আগস্টের বর্ষার সময় বাদ দিয়ে। তবে সারা বছরই মানালি অনন্য রূপের ডালি সাজিয়ে অধির আগ্রহে পরদেশী প্রেমিকের আশায় দরজা খুলে রাখে। আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে আপনি আপনার প্রিয়তমা কে কোন রূপে এবং কীভাবে, কখন দেখতে চান? বরফের শুভ্রতায় সুন্দরীকে উপভোগ করতে চাইলে চলে যান, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যবর্তী সময়ে। এটিই ট্যুরিস্ট মরশুম। সব থেকে বেশি পর্যটকদের ভিড় থাকে এই সময়ে এবং লাদাখ যাত্রারও এটাই সেরা সময়। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারিতে গেলে স্নো-ফল দেখার অনবদ্য সুযোগের সদব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারীতে ঘুরে আসাটা সাশ্রয়ী এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ আনান্দ উপভোগ করা যায়ও। হোটেলে বসে থেকে মাঝেমধ্যে ভারী তুষারপাত দেখার মজাটাই আলাদা এই সময়ে।
জুনের শেষ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বর্ষার সময়ে গেলে কঠিন পাহাড়ের সাথে মেঘবালিকাদের প্রেমালাপ উপভোগ্য। পাইন অরণ্য, ক্রিস্টমাস ট্রীর রঙের বাহার উপভোগ করতে চাইলে, চলে যান সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী সময় থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। পরিস্কার আবহাওয়ায় বরফ না থাকায় ফলে, পাহাড় গুলো আসল রূপ ফিরে পায় এবং মোটামুটি ভ্রমণখরচ কম এই সময়ে। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে সহনীয় ঠাণ্ডায় আরামে ঘুরে বেড়ানো যায়। বরফ পড়তে শুরু করলেই রোথাংপাস যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় প্রসাশন। অবশ্য মার্চ/এপ্রিলের দিকে গেলে রোথাংপাসে যাওয়া যায়।
How to go Manali:-
সিমলা, যোগীন্দরনগর, পাঠানকোট, চণ্ডীগড় আম্বালা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিয়মিত বাস সংযোগ রয়েছে মানালির। দিল্লি থেকে HPTDC, ISBT ও HRTC-র বাস আসছে মানালিতে HRTC-র ফোন:- 01902-252323
Trip route Plan to Manali:-
হাওড়া থেকে ট্রেনে এক রাত কাটিয়ে নতুন দিল্লি পৌঁছে, নতুন দিল্লি থেকে ট্রেনে আম্বালা পৌঁছে টিফিন করে ভাড়ার গাড়িতে করে মানালির পথে রওনা দিন, পথে শতদ্রু নদী, পাণ্ডু ড্যাম, সুন্দরনগর লেক দেখতে দেখতে দুপুরের খাবার সেরে নিন এবং রাত্রিতে মানালি হোটেল পৌঁছে রাতের খাবার খেয়ে রাতের বিশ্রাম। পরের দিন মানালি থেকে সোলাং ভ্যালি ঘুরে দেখে মানালিতেই রাত্রিযাপন করুণ এবং চতুর্থ দিন মানালি থেকে বনবিহার, বশিষ্ঠ মন্দির, হিড়িম্বা মন্দির, ক্লাব হাউস দেখতে দেখতে কাসোল গিয়ে রাত্রিতে থাকুন। ৫ম দিন সকালে বেরিয়ে পার্বতী নদী-মনিকরণ-গুরুদুয়ার ঘুরে বিকেলে ফিরে কাসোল ঘুরে, কাসোলে রাত্রিযাপন করে পরের দিন কাসোলে সূর্যোদয় দেখে ব্রেকফাস্ট করে ভুনতা গিয়ে NH305 ধরে বনজরে ঢুকে তিরথান নদী দেখে বনজর বাজার রেখে হিমালয়ান ন্যাশানাল পার্ককে যান। সেখান থেকে বিকেলে ১ কিলোমিটার হাইক করে গাইধার ফলস দেখে তিরথান ভ্যালিতে রাত্রিযাপন করুণ। সপ্তমদিন সকালে তিরথান থেকে জিতিগ্রাম ঘুরে দেখে দুপুরে ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে সন্ধ্যার আগে আম্বালার উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করুণ। রাস্তায় রাতের খাবার খেয়ে সকালে আম্বালার থেকে নতুন দিল্লির ট্রেনে চেপে পড়ুন এবং নতুন দিল্লি থেকে সন্ধ্যায় হাওড়ার ট্রেন ধরুণ। নবম দিন বিকেলে একরাশ স্মৃতি নিয়ে হাওড়া স্টেশন থেকে ঘরে ফেরা...Howrah to New Delhi train booking link
আম্বালা থেকে কার রেন্টাল এজেন্সি:-
1) Ambala Taxi Service, Phone:- 08950039000.
2) Bindra Travels, Phone:- 09896400300.
3) Self drive car bike rental, Phone:- 07355883006.
Manali route Plan 2:- কলকাতা-কালকা-শিমলা-মানালি-দিল্লি-কলকাতা বা মানালি-দিল্লি-আগ্রা-কলকাতা।
কলকাতা থেকে কালকা পৌঁছে টয়ট্রেনে করে শিমলা গিয়ে রাত্রিযাপন। পরের দিন সকালে কুফরী/ফাগু ভ্যালি ঘুরে রাতের বাসে মানালি পৌঁছে হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে মানালিতে বনবিহার-ক্লাবহাউস-হিড়িম্বা মন্দির-তিব্বতিয় মনাস্ট্রি ঘুরে রাত্রিযাপন মানালিতে। পরের দিন সকালে উঠে গাড়ি ভাড়া করে সোলাং ভ্যালি হয়ে রোথাং পাস ঘুরে মানালিতে ফিরে রাত্রিযাপন। সকালে মানালির ম্যালরোড থেকে বাস ধরে দিল্লির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ুন। পরের দিন দিল্লি ঘুরে সন্ধ্যা আগ্রা বা দিল্লি থেকে কলকাতার ট্রেনে উঠে পড়ুন।
Manali route Plan 3:-
সন্ধ্যার কালকা মেলে হাওড়া থেকে কালকা গিয়ে কালকা থেকে ভোরবেলা টয়ট্রেনে সিমলা। সিমলা কালিবাড়ি তিনদিন থেকে মানালি যান মানালিতে ৩ দিন থেকে ওখান থেকে একদিন মণিকরণ যান। মানালি থেকে হিমাচল প্রদেশ ট্যুরিজমের বাস ধরে (বাসের টিকিট এর সঙ্গে রাত্রে ডিনার এবং সকালে ব্রেকফাস্ট যোগ করা আছে) সকাল দশটার বাসে গিয়ে সন্ধ্যেবেলা কেলং-এ স্টে করুণ। ওই দিন রাত্রের খাবার এবং সকালে ব্রেকফাস্ট দিয়ে বাস ছাড়ে এবং বিভিন্ন পাস অতিক্রম করে ঐদিন সন্ধ্যেবেলায় লে বাসস্ট্যান্ডে পৌছবে। লে তে দুই দিন থেকে ওখান থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে খারদুংলা পাস হয়ে হান্টার দুইদিন, ওখান থেকে একদিন তুরতুক তার পরদিন সকালবেলা গাড়ি নিয়ে প্যাংগং একদিন থেকে ওখান থেকে আবার লে। তার পরের দিন লে এয়ারপোর্ট থেকে দিল্লি এয়ারপোর্ট হোয়ে কলকাতা এয়ারপোর্টে ফিরুণ।
Manali route Plan 4 :-
ট্রেনে কালকা এবং কালকা থেকে টয়ট্রেনে সিমলা কালী বাড়ীতে থাকুন। সিমলা থেকে একটা অলট্রো বুক করে নিন ১২ দিনের জন্য ২০০০০ টাকা মতো পড়বে ৷ অলট্রো করে কুফরী-ফাগু হয়ে সারাহান গিয়ে সাহারান থেকে কল্পা। কল্পা থেকে সাংলা হোয়ে ছিঁটকুল গিয়ে ছিঁটকুল থেকে জিওলড়ী পাস হয়ে সুজা। সুজা থেকে কুলু হয়ে মানালি এবং মানালি সাইট সীন করে মাঝে মান্ডিতে নাইট ষ্টে করে চণ্ডীগড়।
Car rental Agencies for Manali to Shimla:-
1) Saini Tour & Travel, Phone:- 09464524622.
2) Mimachal Taxi tour, Phone:- 09805601230.
Costing for Manali tour:-
প্রথম দিন:- কলকাতা থেকে কালকা ট্রেন ভাড়া- ৭১০×২= ১৪২০ টাকা, রাতের খাবার - ২০০ টাকা, কালকা থেকে সিমলা টয়ট্রেন ভাড়া- ২৬০×২= ৫২০টাকা। টোটাল= ২১৪০টাকা।
দ্বিতীয় দিন:- সীমালা হোটেল ভাড়া- ১২০০টাকা এবং ঘোরাঘুরি ও খাওয়া খরচ - ৫০০ টাকা।
টোটাল= ১৭০০টাকা।
তৃতীয় দিন:- সিমলা ঘুরে দেখার গাড়ি ভাড়া- ১০০০ টাকা, সকালে টিফিন এবং দুপুরের খাবার- ৮০০টাকা, রাতে মানালি বাসের টিকিট ৬০০×২= ১২০০টাকা, রাতের খাবার- ৪০০ টাকা।
টোটাল = ৩৪০০টাকা
চতুর্থ দিন:- সকালে মানালি পৌঁছে হোটেল ভাড়া- ৮০০ টাকা, মনুমন্দির-ক্লাবহাউস ঘুরে দেখা এবং খাওয়া খরচ- ৮০০টাকা।
টোটাল = ১৬০০টাকা।
পঞ্চম দিন:- আগে থেকে ভাড়া করে রাখা গাড়িতে করে ভোরে রোতাংপাস ও সোলাং ভ্যালি ঘুরে সন্ধ্যায় দিল্লির বাসে দিল্লির উদ্দেশ্য রওনা। গাড়ি ভাড়া-৫০০০ টাকা, খাওয়া খরচ-৪০০টাকা, দিল্লির বাস ভাড়া ১৪০০×২= ২৮০০টাকা।
টোটাল = ৮২০০টাকা।
ষষ্ঠ দিন:- সকালে দিল্লি পৌঁছে একটি হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে দিল্লি ঘুরে দেখে, হোটেল ছেড়ে দিয়ে সন্ধ্যার আগে দিল্লি রেলস্টেশন এসে হাওড়ার ট্রেন ধরা।
হোটেল ভাড়া-১২০০টাকা, সারাদিন ঘোরাঘুরি ও খাওয়া- ১০০০টাকা এবং দিল্লি থেকে হাওড়ার ট্রেন ভাড়া-১৬৬৫×২ = ৩৩৩০টাকা।
টোটাল = ৫৫০০টাকা।
Total Manali trip cost= ২২৫৪০টাকা দুজনের জন্য।
মানালি ভ্রমণ খরচ আরোও কমে যাবে HPTDC-র প্যাকেজ ট্যুরে অংশগ্রহণ করলে, প্রতিদিন বাস যাচ্ছে এদের।
Contact:-
HPTDC Office
Tourist information center in Kolkata, West Bengal, Phone:- 033-22127470
2H, 2ND FLOOR, ELECTRONIC CENTRE, 1/1 A, BIPLABI ANUKUL CHANDRA ST. KOLKATA-700072, Phone:-
033-22126361, Fax:- 033- 22127470, Email:-
kolkata@hptdc.in
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন