Translate into your language

বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২১

Purulia :- Purulia Tour Plan / পুরুলিয়া ভ্রমণ গাইড

শীত গ্রীষ্ম বর্ষা পুরুলিয়াই পর্যটকদের ভরসা।
কংক্রিট শহরের দূষণ কোলাহল থেকে মুক্তির স্বাধ পেতে, একটু দূরে প্রকৃতির কোলে দূষণহীন বাতাসে ২ থেকে ৩ দিনের অবসরে ঘুরে আসুন স্বপরিবারে অথবা বন্ধুদের সাথে purulia। Purulia ঘুরতে যাওয়ার আগে অবশ্যই পুরুলিয়া সম্পর্কে একটু জেনে রাখা ভালো। Purulia tourism এর জনপ্রিয়  জায়গা গুলোকে দুটি ভাগে ভাগকরে নিতে হবে। যার একটি অংশ হবে Garpanchakot-Baranti সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চল এবং আর একটি হচ্ছে Ajodhya-Baghmundi সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চল। একটি একটি অংশ করে ঘুরে নিতে পারেন এবং এক একটি অংশ ঘুরতে ২ থেকে তিন দিন করে সময় লাগবে। আবার যদি পুরোটা একসঙ্গে  ঘুরতে চান তাহলে ৩ থেকে ৫ দিনে সম্পূর্ণ করা যেতে পারে Purulia Tour।

Purulia Tour Plan :- 
২ রাত ৩ দিন
১ম দিন:-
পায়ে পায়ে baranti ঘুরে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে চলে যান biharinath Hill ও Temple দেখতে। সূর্যাস্তের আগেই ফিরে এসে বড়ন্তিতে সূর্যাস্ত দেখা এবং বড়ন্তিতে রাত্রিযাপন।

২য় দিন:-
সকালে খাবার খেয়ে চলে যান জয় Jaychandi Hill/ Ajodhya Pahar Hilltop/Mayur Pahar, marble Lake, Upper Dam, Lower Dam, Bamni Falls, Turga Falls, Charida Village, P Hills সহ সাইটসিন করে রাতে ফিরে বড়ন্তি রাত্রিযাপন।

৩য় দিন:-
সকালের খাবার খেয়ে হোটেল  থেকে চেক আউট করে চল যান Garpanchkot, Panchet Dam, DVC Park, Maithon Dam, Kalyaneswari Temple ঘুরে কলকাতার উদ্দ্যেশ্যে রওনা।

অথবা
২ রাত্রি ৩ দিনের পুরুলিয়ার

প্রথম দিন
বরাভূম-বাঘমুন্ডি-অযোধ্যা হিলটপ-হিলটপ সাইটিং।

দ্বিতীয় দিন
ঝালদা রেঞ্জ-মাঠা-মুরগুমা-খয়রাবেড়া-চড়িদা।

অথবা 

প্রথম দিন
আদ্রা-জয়চণ্ডী-বড়ন্তি-লোকাল।

দ্বিতীয় দিন
পাঞ্চেত-গড় পঞ্চকোট-মাইথন।

তৃতীয় দিন 
বিহারীনাথ-শুশুনিয়া দেখে ঘরে ফেরা

Places to visit in Purulia :- 

Garh Panchkot :-
প্রাকৃতিক প্রাচুর্য এবং ইতিহাস একসঙ্গে সংসার করে Purulia District-এর Garpanchakat-এ। পাঞ্চেত পাহাড়ের পাদদেশে সবুজ গালিচা পাতা ভালোবেসে আবেশে। দূর ওই দিগন্ত রেখা পর্যন্ত পাহাড় আর ঘন সবুজ অরণ্যের বুক চিরে কালো পিচের রাস্তা চলে গিয়েছে দুরে বহু দুরে। দিনের বেলা সবুজ অরণ্যে পাখিদের সুমধুর তান আর রাতে অপার নিস্তব্ধতায় মোড়া জ্যোৎস্নাতে পাহাড় এবং জঙ্গলের মধুর মিলন।
গ্রীষ্মের অসহ্য গরম এড়িয়ে যে কোনো ঋতুতেই যাওয়া যায় Purulia। বর্ষায়, সবুজ পাহাড়ের বুক থেকে জলধারা নেমে আসাটা যেনো ছান্দিক কবিতা। বসন্তে, গড়পঞ্চকোটের রূপসজ্জায় নতুন মাত্রা। গড়পঞ্চকোটে বহু প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসস্তূপও রয়েছে। Bisnupur-এর জোড়বাংলা মন্দিরের অনুরূপ পাথর দিয়ে তৈরি হওয়া Pancharatna temple টি গড়পঞ্চকোটের অন্যতম দ্রষ্টব্য।

Jay chandi Pahar :-
আদ্রা ও রঘুনাথপুর শহরের মাঝখানে রয়েছে জয়চণ্ডী পাহাড়। পুরুলিয়া জেলার Jay chandi Pahar -এর টানেই প্রতি বছর এখানে আসেন বহু মানুষজন। শীতের সময়ে অভিযাত্রীরা ভিড় জমান পাহাড়ের পাদদেশে। এখানের ক্যাম্পে চলে পর্বতারোহন প্রশিক্ষণ। পাহাড়ের উপরে আছে Chandi Mandir সহ ভেষজ উপাদানে পরিপূর্ণ Jay chandi Pahar ঘুরে আসা যেতেই পারে। ঋতুবদলে বদলেও যায় প্রকৃতিও রূপ-রস-গন্ধ। নিজেই রাঙায় নিজেকে বহুরঙে রঙ্গিলা। পুণ্যার্থীরাও আসেন ৭০০ কোটি বছর আগে তৈরি হওয়া এই আগ্নেয় শিলার দেশে। প্রাচীন Chandi Temple সহ বর্গী হামলার কারণে সেই সময়ে তৈরি ‘ওয়াচ টাওয়ার’ দাঁড়িয়ে এখনও। সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশের অনেক গুলো দৃশ্যের শ্যুটিং হয়েছিল এই Jaychandi Pahar -এ।

Barhanti :- 
জয়চণ্ডী পাহাড় থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে শান্তসবুজ বড়ন্তি নামের এই ছোট্ট গ্রামটির পাশ দিয়ে কুলকুল রবে বয়ে চলেছে Baranti River। লাল মাটিতে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে শাল, সেগুন, শিশু, মহুয়া, পলাশেরা চারিদিকে। সবুজে মোড়া Baranti Forest-এ খরগোশ, হরিণ, শিয়ালের খুনসুটিতে ভরা। এই আরণ্যক পরিবেশ অনবদ্য অনুভূতি সঞ্চারিত করে শিরা উপশিরায়। সকালে ঘুম ভাঙাবে পাখিরা গানে গানে এখানে। বর্ষায় ঘন সবুজে ছাওয়া পরিবেশ আর বসন্তে পলাশের লালে লাল নববধূর সাজে Baranti প্রিয়তমায়, মনমজে যায় প্রেমউষ্ণতায়। রামচন্দ্রপুর জলাধারে সাঁঝবেলায় অথবা জ্যোৎস্নায় বিচ্ছুরিত হওয়া রুপোলি আভার সঙ্গে দুষ্টু সমীরণ, কেড়ে নেবে প্রানমন Baranti Pahar-এ। রোমান্টিক-নিরালা পরিবেশই Baranti এর অতিরিক্ত পাওয়া।

Jojohatu:- দ্বিতীয় অংশের জজহাতুতে প্রবেশ করতে হয় ঝালদা থেকে ইচাক মোড় হয়ে। নরোহারা কুকী, পাদরি ও ল্যাকড়াকুঁদি ড্যাম নিয়ে Jojohatu. শুধু পলাশের সময় নয় পুরুলিয়ার এই Jojohati সারা বছরই সুন্দর।

 Kuki Dam :-
কুকী ড্যামের পথের দু-ধারে সবুজ ধানক্ষেত ও অনুচ্চ টিলা গুলো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে যাত্রাপথকে বর্ণময় করে তোলে। Kiki Dam এর উপর থেকে আবার আলাদা দৃশ্যসুখ। একপাশে জলাধার এবং আরেক পাশে সবুজের সাথে পাথরময় রুক্ষমূর্তির ল্যান্ডস্কেপের বুক চিরে বয়ে চলেছে খরস্রোতা নদী। এক অদ্ভুত অনুভূতির জন্মদেয় এবং অবশ্যই সেই অনুভূতির ভাগ দেওয়া যায় না।

Padre Dam:- 

পাদড়ী ড্যামে একদিকে চেংটি পাহাড় অন্য দিকে ফ্যান্টমস টেবিল মধ্যে দিয়ে পথ চলার স্বর্গীয় অনুভব অনন্য। Padre Dam আসার আগে দেখা হয় রূপাই নদীর সঙ্গে। Padre Dam থেকে জিলিংসেরেং হয়ে অযোধ্যায় ওঠার রাস্তা গজাবুরুর সান্নিধ্য ছেড়ে জঙ্গলের বুক চিরে উঠে গেছে অযোধ্যায়। দূর থেকে নীল পাহাড়ের ঢালে ঢালে চোখে পড়ে ধুসর মেঘেদের আনাগোনা। লাল মাটির ধারে ধারে শাল সেগুনের বনভূমি। ল্যাকড়াকুঁদি এবং জজহাতু ড্যাম পায়ে হেঁটে দেখে নেওয়া যায়। ল্যাকড়াকুঁদি ড্যামে প্রবেশের পথটা ভারি সুন্দর। অল্প হাইকিং-এর পরেই ড্যামের ধারে চারদিকে অবিন্যস্ত পাহাড়ি ঢেউয়ের বুক দিয়ে লাল রঙের রাস্তা। ড্যামে জল থাকে না একমাত্র বৃষ্টি হলে পাহাড় থেকে নেমে আসা জল এই ড্যামে জমে কিন্তু ল্যান্ডস্কেপ অনন্য। ভাগ্য ভালো হলে এই অঞ্চলের পথে ময়ুরের দেখাও পাওয়া যেতে পারে‌। নরোহারা ড্যাম আর চাতমঘুটু সহ জঙ্গলের ভিতর দিয়ে চলার সময় কানে আসে হরিণ ও ময়ুরের ডাক। ছোট্ট জলাধারের পাশ দিয়ে মাথা উঁচু করে পাহাড়। দূর থেকেও দেখা যায় চেংটি পাহাড় যেনো  মনে হয় আফ্রিকার কোন জঙ্গলে দাঁড়িয়ে। সন্ধ্যের আগে ছেড়ে যাওয়াই ভালো এই অঞ্চল কারণ হাতি-নেকড়েদের বাসভুমি।

 Ajodhya Hills
অযোধ্যা পাহাড় পুরুলিয়া থেকে ৪২ কিমি, কলকাতা থেকে ৩৩২ কিমি, দুর্গাপুর থেকে ১৬৫ কিমি, বাঁকুড়া থেকে ১২২ কিমি দুরে অবস্থিত। এটি ছোটোনাগপুর মালভূমির পূর্বদিকে পুরুলিয়া জেলার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। জঙ্গলবেষ্ঠিত একটি সবুজ শান্ত, অসাধারণ ছবির মতো বেড়ানোর যায়গা এই Ajodhya Pahar। অযোধ্যা পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল চামতাবুড়ু ৭১২ মিটার। এর কাছাকাছি জনপদ Baghmundi। Ajodhya Pahar এর পশ্চিমে রয়েছে সুবর্ণরেখা, উত্তরে কংসাবতী নদী ও কুমারী নদী। Ajodhya Paharযেতে তিনটি পথ ব্যবহার করা হয় শিরকাবাদ ঝালদা ও বাগমুন্ডি হয়ে। অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণের বিস্তৃত অংশ

Weather in Purulia:- 
চরমভাবাপন্ন জলবায়ু অঞ্চল পুরুলিয়া। Temperature of Purulia গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং শীতকালে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি থেকে ২৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পরিলিক্ষত হয়। গ্রীষ্মে অধিক উষ্ণতার সঙ্গে কম আপেক্ষিক আর্দ্রতা দেখা যায়। বর্ষায় আপেক্ষিক আর্দ্রতা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও শীতকালে তা কমে যায়। এই
জেলার বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০৫০-১৪২০ মিলিমিটার। গ্রীষ্মকালে বৃষ্টি স্বল্পতার জন্য খরা দেখা দেয়। জুন থেকে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে জেলার বেশিরভাগ বৃষ্টিপাত হয়। this is General weather of Purulia district.

How to go Purulia :- 
হাওড়া বা সাঁতরাগাছি স্টেশন থেকে পুরুলিয়া জাংশন। ট্রেনে হাওড়া থেকে পুরুলিয়া যাওয়ার দুটি আলাদা রুট আছে, খড়্গপুর-আদ্রা বা  খড়্গপুর-টাটানগর হয়ে। ট্রেন বুকিং লিঙ্ক
 কলকাতার ধর্মতলা থেকে দিন-রাতে সব ধরণের বাসে পুরুলিয়া যাওয়া যায়। বাস বুকিং লিঙ্ক

Car rental in Purulia:-

Maa Babar Ashirbad, Phone:- 9679831513
SBPS, Car Rental, Phone:- 07003940634
New Bharat Travel, Phone:- 07001630659
ArNik Cabs, Phone:- 08597444899.  If you want to rent a car for Purulia Travel. You may contact with these Car rental of Purulia.

Hotels in Purulia :-
Hotel Akash, Phone:- 03252228231.
Hotel Akash Sarovar, Phone:- 08001901901.
Sagar Raj Resort, Phone:- 07076844469.
Purulia Inn, Phone:- 09733255355
Tree Hotel & Resorts, Phone:- 03262306000.
Rupasi Bangla, Phone:- 09434006515.
Hotel Genius, Phone:- 08768502212.
Zaika Resort, Phone:- 08507035005.
Hotel Sagar Ratan, Phone:- 03252226851.
Hotel Pinaki Sadan, Phone:- 09434854845.
If you need Purulia Hotels, contact with these Purulia hotels and get further Information about hotels of Purulia.

Sightseeing at Purulia:-
পাখি পাহাড়, পারডি গ্রাম, পারডি ড্যাম, মাঠা পাহাড়, চড়িদা গ্রাম, তুর্গা ফলস্, তুর্গা ড্যাম, লহরিয়া শিব মন্দির, আপার ড্যাম, লোয়ার ড্যাম, বামনি ফলস্, ময়ূর পাহাড়, সীতাকুণ্ড, মার্বেল লেক, মুরগুমা পাহাড়, বড়ন্তি, গড়পঞ্চকোট, জয়চন্ডী পাহাড়, দেউলঘাটা ইত্যাদি।

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১

Dooars :- Dooars Tourist Spots / ডুয়ার্স ভ্রমণ

Dooars :- 
৪৭৫০ বর্গ কিমি বিস্তৃত থ্রি টি মানে টি, টিম্বার ও ট্যুরিস্টের অনন্য ঠিকানা dooars। সবুজে ঘেরা রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা এর পথ চলা। ১২৫০ কিমি বনভূমি ১৫২ টি চা-বাগান ভরে থাকে অজস্র পাখীর কূজনে। অর্কিড, ছোট নদী, বড়ো নদী মিলে অপরূপ সাজসজ্জা তার। পশ্চিমে তিস্তা পূর্বে সঙ্কোশ নদী সহ বয়ে চলেছে তিস্তা, রায়ডাক, তোর্সা, জলঢাকা, কালজানি, ডায়না, মূর্তি ও জয়ন্তীর মতো পাহাড়ি কন্যারা।

Places to visit in Dooars :- 
বক্সা টাইগার রিজার্ভের দুটো রেঞ্জে মানুষ যেতে এবং থাকতে পছন্দ করে, এক বক্সা ও দুই জয়ন্তী।

Raja Bhat Khawa:- ২১ মাইলের বসতিতে চা বাগানের  কাছে জঙ্গলের কোলে রয়েছে 'NEST ' 

Jayanti:- এখানের প্রধান  আকর্ষণ রিভার বেড। রিভার বেডেও NEST রয়েছে।

Santalabari-  যারা পাহাড়ের উপর থাকতে চান তাদের জন্য এই জায়গাটা বেশ মনোরম এবং এখানেও রয়েছে NEST.
Lepchakha/ Buxa Fort:-  যারা ঘণ্টা দুয়েকের ট্রেক করে বক্সা পাহাড়ের একদম উপরে থাকতে চান। তাদের জন্য রয়েছে এই দুই জায়গাতেই NEST.
Jaldapara National Park:- এখানেও পর্যটকরা দুটো রেঞ্জ যেতে এবং থাকতে পছন্দ করে চিলাপাতা ও মাদারিহাট। 

Chilapata Forest :- জলদাপাড়া ডিভিশনের সব থেকে ভার্জিন আর সুন্দর জঙ্গল। এখানে থাকার জন্য রয়েছে 'নেস্ট'। চিলাপাতা জঙ্গলের একদম কর্নারে থাকার ব্যবস্থা সহ ওয়াচ টাওয়ার রয়েছ। 'রাভা বস্তির' আদিবাসী সংস্কৃতির মডেলে তৈরি এই হোমস্টে।
Mendabari :-  দক্ষিণ মেন্ডা বাড়ি রেঞ্জের এই জঙ্গল খুব ঘন। মানুষ জঙ্গলের মাঝে রাভা গ্রামে থাকার মতো অনুভূতি পাবেন এইখানে। এখানে রয়েছে ' নেস্ট জঙ্গলক্যাম্প। একটু অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী মানুষজনেদের বেশি ভালো লাগবে।
Madarihat :-  যারা প্রপার জলদা পাড়াতে থাকতে চান তারা এখানে থাকতে পারেন। 
Sisamara :- সিসা মারা নদীর ধারে নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত। যারা বারান্দায় বসে জঙ্গলের অনুভূতি পেতে চান তাদের জন্য উপযুক্ত। রয়েছে NEST- এর accomodation.

Gorumara National Park:- সব থেকে জনপ্রিয় তাই এখানে তৈরি হয়েছে প্রচুর রিসোর্ট এবং হোটেল। হোমস্টে নাম হলেত হোটেলের মতই পরিষেবা। যদিও পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে বেশ কয়েকটা অফ বিট প্লেসে নেস্ট ব্যবস্থা রেখেছে হোমস্টের, মূর্তি লাটাগুড়ি বাদদিয়ে।

 Chisang :-  চলসার খুনিয়া মোড় থেকে ৩৫ কিমি পাহাড়ের উপর বিন্দু বারেজ পার হয়ে ভুটান সীমান্তে ছোট্ট গ্রাম। ঘর থেকে দেখতে পাওয়া যায় বরফে ঢাকা ডোকালাম রেঞ্জ। ফ্যামিলি হোমস্টে NEST রয়েছে এখানে।

Suntalekhola :- নদী পাহাড় আর জঙ্গলের মধ্যে ছোট্ট গ্রাম। বেশ পরিচিত পর্যটকদের কাছে। নেস্ট এখানেও হোস্টেলের ব্যবস্থা রেখেছে। এখানে নেপালি রান্নার স্বাদ পরখ করা যাবে। 

Murti :- লাটাগুড়িতে অত্যধিক চাপের জন্য। অনেক বড়ো বাগান লন নিয়ে রয়েছে এখানের হোমস্টে।

তিনটে ন্যাশনাল পার্ক নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ জায়গার নাম Dooars। পূর্ব থেকে পশ্চিমে buxa tiger reserve, Jaldapara ও gorumara national park। এই তিনটে পার্কের মধ্যে গরুমারা রকি ল্যান্ড জঙ্গলের ঘনত্ব কম এবং এটি একটি সৃজিত বন। আর জলদাপাড়া রেঞ্জের মাদারিহাট রেঞ্জটা ওয়েট ল্যান্ড আর গ্রাসল্যান্ড, অন্যদিকে buxa - jayanti - chilapataটা অনেক গভীর এবং স্বাভাবিক জঙ্গল। বক্সার জঙ্গল এলাকা অনেক কম হলেও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বেশি। তাই দেখতে পাওয়ার সুযোগও বেশি এবং বন্যপ্রাণীদের অসুবিধা না করার জন্য  সাফারি গাড়ির সংখ্যা কম, মাত্র দুটি। 

পর্যটকরা অনেকেই মনে করেন Dooars মানে Gorumara। এর কারণ হলো NJP-র কাছাকাছি অনেক থাকার ব্যাবস্থা আছে কিন্তু সুন্দর আর রহস্যময় জঙ্গল বক্সা-জয়ন্তী-চিলাপাতা। 

তাই শুধু buxa tour Plan করলে buxa-jayanti-chilapata ঘুরে কমপ্লিট করে নেওয়াই ভালো। যে কোনো সময় দার্জিলিং বা সিকিম উঠলে নামার সময় একদিন লাটাগুড়িতে থেকে পরের দিন ৭ পয়েন্টস ঘুরলে কভার হয়ে যাবে গরুমারাটাও। এই দিকটা হলো পিছনের দিকে এবং একবারে আবার পুরোটা ঘোরা যাবে না। তাই আগে পিছনটা ঘুরে নিলে সামনেরটা পরবর্তী সময়ে ঘোরা যাবে। 


Trip plan for Dooars :- 

৫ রাত্রি ৬ দিন 

প্রথম দিন:- ভোরের ট্রেনে নিউ আলিপুরদুয়ার পৌঁছে আগে থেকে বুক করা গাড়িতে স্টেশন থেকে ফ্রেশ হয়ে সোজা রওনা বক্সা টাইগার রিজার্ভের দিকে। পথে পড়বে দমণপুর। এখানে ধাবার ধোঁয়া ওঠা চা হাতে নিয়ে, মাঝেরদাবি চা বাগান, পাশে বয়ে চলা নোনাই নদীটা ভোরের নরম আলোয় দেখে নেওয়া যেতে পারে। তারপর সোজা কোর এলাকায় ঢোকার আগের গ্রাম রাজাভাতখাওয়া। যখন কুচবিহারের রাজার সাথে ভুটানের রাজার যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের শেষে এই নদীর পাশে বনভোজন করে মৌ স্বাক্ষর করেন তারা। সেই কারণে জায়গাটার নাম রাজাভাতখাওয়া। এই নদীর পাশাপাশি একটা জঙ্গল ঘেরা কাঠের হোমস্টেতে চেক ইন করে সকালের খাবার। এবং ঘরটা একটু গুছিয়ে জায়গাটাকে এক্সপ্লোর করতে বেরিয়ে পড়া। ভাতখাওয়া নদীর পাড় ধরে হাঁটতে থাকলে একটা জঙ্গল ট্রেল পাবেন। ব্রিজ পার হয়ে সোজা ওটা দিয়ে এগিয়ে গেলেই ঘন জঙ্গলের ভিতর রাজাভাতখাওয়া মিউজিয়াম। এক্সটিনক্ট বন্যপ্রাণীর তথ্যের সাথে স্টাফড স্যাম্পল দেখতে পাবেন। পাশেই রয়েছে শকুন উদ্ধার কেন্দ্র। সব শেষে জঙ্গল ট্রেল। মিউজিয়ামের উল্টো দিকেই আছে তিনটে গভীর জঙ্গল ট্রেল বার্ড ট্রেল, বাটারফ্লাই ট্রেল এবং ফিসফিসানি। দেখা শেষ করে হোম স্টেতে ফেরা। এগুলো পেইন্ট না, ন্যাচারাল তাই সময় দিন ভালো লাগবে। অপেক্ষা করলে রং বেরঙের পাখি আর প্রজাপতির রঙিন পাখায় নিশ্চিত ভেসে যাবেন।
হোমস্টেতে ফিরে এসে লাঞ্চ করে কিছুটা রেস্ট নিয়ে বিকেল তিনটেতে সাফারি জিপে করে (৬ জন একটি জিপ) buxa tiger reserve এর কোর সাফারি। ঘণ্টা ২-এর এই সাফারি ভীষণ রোমাঞ্চকর। সব থেকে ঘন আর ছোটো জঙ্গল হওয়ার কারণে বন্যপ্রাণী দেখতে পাওয়ার সুযোগ বেশি। সাফারি শেষ করে সন্ধ্যা ৭টায় হোমস্টেতে ফিরে দোতলার বারান্দায় বসে আড্ডা সাথে স্ন্যাকস, রাতে খাবার সেরে লম্বা ঘুম । 

দ্বিতীয় দিন:-  
সকালের বক্সার পরিবেশটা খুব সুন্দর হাঁটতে হাঁটতে জঙ্গল ট্রেলে ময়ূর হরিণ দেখা পেতে পারেন বক্সা ঝোরার টিকটায় একটু সকাল সকাল উঠে। ফিরে এসে সকালের টিফিন করে বেরিয়ে পড়ুন  buxa fort/lepchakha treak। মেঘ পিওনের গ্রাম, বেড়িয়ে আশে পাশে দেখতে দেখতে সোজা সাঁওতালবাড়ি। সেখান থেকে zero point এ গাড়ির গন্তব্য শেষ। এবার ট্রেক রুট প্রায় ৩ কিমি। খুব কষ্টকর না হলেও পরিশ্রম আছে। হেঁটে হেঁটে একের পর এক, ঝর্না, কাঠের ক্যানোপি পার হয়ে সদরবাজার। তারপর বক্সা দুয়ার গ্রাম। এখানে হল্টে লাঞ্চ করার পর কোনো একটা হোম স্টেতে বক্সা ফোর্ট, মিউজিয়াম, ভিউ, আর বো বারাক দেখে সোজা lepchakha trek। লেপচা সম্প্রদায়ের ছোট্ট গ্রাম, একটা মনাস্ট্রী আছে পাশে বাগিচার মত লম্বা বাগান। শেষ পয়েন্টে দাড়ালে একদিকে গোটা buxa-Jayanti উল্টো দিকে ভুটান পাহাড় দেখতে পাওয়া যায়। সবুজ মাঠে বসে আড্ডা এবং মোমো কফি খেতে ভালোই লাগবে। বিকেলে নামা শুরু করুণ ব্যাক টু হোমস্টে। ফিরে স্ন্যাকস নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে রাত্রিযাপন। যারা ট্রেক করতে পারবেন না তারা এই দিন কুচবিহার, ভুটান - ফুন্টসেলিংটা ঘুরে নিন। 

তৃতীয় দিন:-  
সকালে চা খেয়ে জিনিসপত্র গুছিয়ে রাজাভাতখাওয়াকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে পড়ুন জয়ন্তীর উদ্দ্যেশে। রাস্তায় বালানদীর চরে খানিকটা সময় কাটিয়ে jayanti river bed। রিভার বেডে বেশ কয়েকটা হোটেল, সরকারি বাংলো আর হোমস্টে আছে। কোনো একটা ভালো হোমস্টেতে চেক ইন করে সকালের খাবার খেয়ে বিশ্রাম।
দুপুরে স্নানটা জয়ন্তী নদীতে করতে পারেন। তারপর দুপুরের খাবার খেয়ে গাড়ি নিয়ে নদী পার হয়ে চলে যান jayanti Safariতে। চুনিয়া ঝরা ওয়াচ টাওয়ার এবং  ভুটিয়া বস্তিতে লেকের পাশে ওয়াচ টাওয়ার। সন্ধ্যেবেলা জলপান করতে আসা বন্যপ্রাণী দেখতে পাওয়ার সুযোগ প্রবল। এই দুটো ওয়াচ টাওয়ার থেকে ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে যাবে।
ফিরে এসে ফ্রেশ হয়ে রিভার বেডের উপরে পড়ে থাকা শুকনো কাঠের গুঁড়িতে বসে  আড্ডার সাথে স্ন্যাকস। পাশ দিয়ে খরস্রোতা jayanti বয়ে চলেছে। পরিষ্কার আকাশের প্রত্যেকটা তারা গোনা যাবে এবং নদীর ওপারে গভীর জঙ্গল। সব মিলিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভূতি। রাতে হোমস্টেতে খাবার সেরে ঘুম । 

চতুর্থ দিন:- ভোর বেলা Jayanti বরাবর হাঁটা মুক্তির স্বাদ আনে। হাজার রকমের পাখির আনাগোনা অনন্য অনুভূতি এনে দেয়। ফিরে এসে সকালের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়ুন। মহাকাল নদীর উপরে বেশ কয়েকবার কাঠের বাঁশের ব্রিজ পার হয়ে সুন্দর স্বর্গীয় রাস্তা ধোরে পৌঁছে যান Mohakal Temple। ছোটো মহাকাল পার হয়ে বড়ো মহাকালে যেতে হয় সেটা ভূটানের সীমান্তে পড়ে। যারা পারবেন ২ ঘন্টা ট্রেক করে বড়ো মহাকাল যাবেন। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মনে থাকবে এই রুদ্ধশ্বাস ট্রেক। মহাকাল থেকে ফিরে লাঞ্চ করে বিশ্রাম নিয়ে বেরিয়ে যান পূখরি লেকের দিকে। নদী থেকে বেশ খানিকটা উপরে ঘন জঙ্গলে ঘেরা স্যাক্রেড লেক। কিছুটা হাঁটা পথ কিন্তু পথটা ভীষণ সুন্দর। বিরাট এই লেকটি কচ্ছপ আর ক্যাট ফিশে ভর্তি। এটা দেখার পর সোজা টাশি গাঁও ওয়াচ টাওয়ার ঘুরে ব্যাক টু হোম স্টে। জয়ন্তীর শেষ রাত্রির সেলিব্রেশন টা আজকেই ক্যাম্প ফায়ারে নিন সেরে।  

পঞ্চম দিন:-  
ভোরবেলা জয়ন্তী থেকে চেক আউট করে সোজা Chilapata অথবা মেন্দাবাড়ী। যাকে বলে আনএক্সপ্লোরেড ভার্জিন জঙ্গল। রাস্তায় বেশ কয়েকটা নদী পড়বে দেখতে দেখতে আসা উচিত। এখানের বেশিরভাগ হোমস্টে গুলো এই জঙ্গলের ভিতরে ক্যাম্পের মত। একটা ভালো জঙ্গল ক্যাম্পে চেক ইন করে সকালের টিফিন সেরে নিন। তারপর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন খয়েরবাড়ি রেসকিউ ক্যাম্প। এই পথ চলটা ভীষণ সুন্দর। চা বাগান এবং জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে। সৌন্দর্য পান করতে করতে পৌঁছে যাবেন নামে টাইগার রিজার্ভ হলেও বাঘ একটিও নেই। তাই দুধের স্বাদটা এখানে ঘোলে মিটাতে পাশের জঙ্গল ট্রেল গুলো দেখা যেতে পারে। সব দেখার পর দুপুরে ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে জিপ সাফারি। এখানে চিলা পাতা থেকে চিলা পাতা সাফারি হয় জিপে। আর মেন্ডাবাড়ি থেকে জিপ আর হাতি দুটো সাফারিই হয়। ফিরে রাতের জঙ্গল অনুভব করতে করতে ব্যাগ প্যাক করে নেবার পালা কাল বেরোতে হবে। 
 
ষষ্ঠ দিন:-
ভোরেই চা খেয়ে চেক আউট করে বেরিয়ে পড়ুন। যাবার আগে আজ ঘুরে আসা Amazon of Dooars শিকিয়া ঝোরা, কুচবিহার যাবার রাস্তায় পড়বে। ঘন জঙ্গলের বুক চিরে একটা ছোটো নদী চলে গেছে বোট সাফারি হয় এখানে। সাফারি শেষ করে সময় থাকলে কুচবিহার রাজ বাড়ি দেখে ট্রেন। না হলে সাফারি করার পর নিউ আলিপুরদুয়ার থেকে ট্রেন ধরে কংক্রিটের শহরে ফেরা।
যারা পাহাড় এ যেতে চান শেষ দিন তারা লাভা- রিষপের দিকে যেতে পারেন অথবা চিসং বলে একটা হ্যামলেট আছে ওখানেও যেতে পারেন। 
যারা এর সাথে গরুমারা ঘুরতে চান। তারা শেষ দিনের পর ওখান থেকে বেরিয়ে সোজা চালসা, সিসামারা, ঝালঙ্, মূর্তি, লাটাগুড়ির মধ্যে কোনো একটায় গিয়ে হোমস্টে / রিসোর্টে উঠে ৭ পইন্টস দেখে পরের দিন নিউ মাল জংশন থেকে ট্রেন ধরে ফিরতে পারেন ।


Resort in Dooars :- 
জঙ্গল সংলগ্ন থাকতে হলে আপনাকে হোমস্টে বেছে নিতে হবে। হোটেল সেরকম নেই। dooars এর সব জায়গাতেই ' NEST ' এর হোমস্টে আছে। NEST সরকারের ' ব্লু হোম স্টে ' প্রকল্পের হোমস্টে গুলো নিয়ে তৈরি একটা প্রজেক্ট। কম খরচে থাকা খাওয়ার সুবিধা পাওয়া যায়। এদেরকে বলে সাফারি স্লট বুক করার সুবিধা রয়েছে। সবকটা হোমস্টে এবং গাড়ি একটা নম্বর থেকেই বুক করা যায়। নম্বর :- +91 6294924252
নেচার রিসর্ট, ফোন- 22370060/22258549.
মালবাজার ট্যুরিস্ট লজ, ফোন- 03562-255183/9733008793. উদীচী, ফোন-03562-257452. সাবিত্রী, ফোন:- 9733239977. নিউ শান্তি লজ, ফোন- 9932982062. সবুজের কোলে, ফোন- 9434600515. উত্তরা লজ, ফোন- 23541436. কস্তুরী হোটেল, ফোন:- 9830270097.
জঙ্গল নীড়, ফোন- 9433395517. অরণ্য গরুমারা জঙ্গল রিসর্ট, ফোন- 03561-266346/9733005454. লেক ভিউ রিসর্ট, ফোন-9434118043. সিলভার রিজ রিসর্ট, ফোন-9932904028. তপোবন ফরেস্ট রিসর্ট, ফোন-9932897205. রিসর্ট ফ্লোরেট, ফোন- 9641113088. মধুবন রিসর্ট, ফোন- 9831790080. রিসর্ট ময়ূর, ফোন- 9434808436. রাইনো জঙ্গল রিসর্ট, ফোন- 9830456112. গরুমারা ইকো রিসর্ট, ফোন- 9434319829. হাতিহানা দ্যা গ্রেট ক্যাসেল, ফোন- 8670553278.
These all are Cheapest hotels and resorts in Dooars. Contact them by Phone numbers and get further Information about Dooars Hotel and resorts.

শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১

Bishnupur tour / Bishnupur tourist spots :- বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া ভ্রমণ

Bisnupur:-
চোখ জুড়ানো টেরাকোটার মন্দিরের শহর বাঁকুড়া জেলার Bisnupur। মল্লভুম মানে বাঁকুড়া বর্ধমান, মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ আর বিহারের ছোটো নাগপুরের কিছু অংশ নিয়ে অতীতে মল্ল রাজাদের রাজধানী ছিল Bisnupur। ষোড়শ থেকে অষ্টাদশ শতকে মল্লরাজাদের সময়েই তৈরি হয় বিষ্ণুপুরের এই বিখ্যাত মন্দির গুলি। বিষ্ণুর উপাসক মল্লরাজাদের পৃষ্ঠ পোষকতায় স্থাপত্যের উন্নতির সাথে সাথে সঙ্গীত চর্চা ( বিষ্ণুপুর ঘরানা), বয়ন শিল্প ( যার পরবর্তী ফলস্বরূপ বাংলার বিখ্যাত বালুচরী শাড়ি, স্বর্ণচরী শাড়ি ) মৃৎশিল্প ইত্যাদির উন্নতি ঘটেছিল। অসাধারণ নক্সা ও কারুকার্য করা দশ অবতার তাস আর পোড়ামাটির ঘোড়া, পোড়ামাটির বিভিন্ন সামগ্রী আর শাঁখাও বিখ্যাত Bisnupur-এর। ১৯৯৮ সালে বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা মন্দিরগুলি ইউনেস্কো ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোরেছে Bisnupur কে।

বিষ্ণুপুরের মন্দিরগুলি দুটি ঘরানায় তৈরি। 
এর মধ্যে মদনগোপাল, নন্দলাল, রাধা গোবিন্দ, রাধা মাধব, লালজী মন্দিরগুলি ল্যাটেরাইট পাথরে তৈরি আর মদনমোহন, মুরলী মোহন, জোড় বাংলা, শ্যামরাই ইটের তৈরি। 

বিষ্ণুপুরের প্রথম দর্শনীয় স্থান Rasmancha, যা ঝামা পাথরের তৈরি, উচ্চতা ৩৫ ফুট, চওড়ায় ৮০ ফুট, দেখতে পিরামিডাকৃতি। অনেক গুলো চওড়া খিলান যুক্ত বারান্দা সৌন্দর্য বাড়িয়েছে রাসমঞ্চের। একটি বড়ো বেদীর উপর Rasmancha টি রয়েছে। বাসস্ট্যান্ডের কাছে Bisnupur College এ যাওয়ার পথে পড়বে। কোনো মন্দির নয়, এতে কোনো মূর্তি নেই, সে সময়ে এখানে মহাসমারোহে রাস হতো। রাস উৎসবের সময় Bisnupur Town এর সমস্ত রাধাকৃষ্ণের মুর্তি এখানে নিয়ে আসা হতো। ১৬০০ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত এখানে রাস উৎসব হতো। এখান থেকেই ক্রমে রাসযাত্রা বাঁকুড়া, মেদিনীপুরে ছড়িয়ে পড়ে। মল্লরাজা বীর হাম্বীর আনুমানিক ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মঞ্চটি তৈরি করেন।
রাস মঞ্চের কাছেই দলমাদল কামান। ২৯৬×৪০ কেজি ওজনের ১২ ফুট লম্বা এই মাকড়া পাথর গলানো লোহার তৈরি কামানটিতে এত বছরেও রোদ, জল বৃষ্টিতেও মরচে পড়েনি। শোনা যায় যে, শত্রুদের হাত থেকে Bisnupur কে রক্ষা করার জন্য মল্ল রাজাদের কুলদেবতা মদনমোহন নিজেই শত্রুদের উপর কামান দেগেছিলেন। এর পাশেই রয়েছে ছিন্নমস্তার মন্দির।
আর তারপরই আছে যোগেশচন্দ্র পুরাকীর্তি ভবন। এই সংগ্রশালাটিও যথেষ্ঠ আকর্ষণীয়। পাল, সেন, মল্ল, মুঘল যুগের নানান পুরাকীর্তি, পুঁথি, নক্সা, মূর্তির নিদর্শন দেখতে পাবেন।
এরপর Bisnupur College ছাড়িয়ে চলে আসুন লাল ইটের স্তূপ, এক সময়ের গুম ঘরে। যার বেশির ভাগ অংশ এখন জঙ্গলে ভরে উঠেছে। একটু এগিয়ে গেলে দেখতে পাবেন পাঁচ চূড়া বিশিষ্ঠ শ্যামরাই মন্দির। সমস্ত মন্দির জুড়ে রয়েছে রামায়ণ, মহাভারত আর তৎকালীন সমাজ জীবনের পোড়ামাটির অপরূপ কারুকার্যমণ্ডিত কাহিনী। ১৬৮৩ সালে মল্লরাজ রঘুনাথ সিংহ এই মন্দিরটি তৈরি করেন।
শ্যাম রাইয়ের কাছেই রয়েছে রাধা শ্যাম মন্দির। এই মন্দিরে আজও পুজো হয়। মন্দিরে রয়েছে রাধে শ্যাম, গৌর নিতাই আর জগন্নাথের মূর্তি। মন্দিরের সামনে সুন্দর নহবৎখানা, এক সময় নিত্য নাচগানের আসর বসতো। মন্দিরের চতুষ্কোণ ছাদের চূড়া গম্বুজের মতো। মন্দিরের অন্দর মহলে রয়েছে তুলসিমঞ্চ, নাট মঞ্চ আর রান্নাঘর।
রাধা শ্যাম মন্দিরের পরেই রয়েছে মল্লরাজ দেব সিংহের জোড় বাংলা মন্দির। মন্দিরটি পরস্পর সংযুক্ত দুটি দোচালা কুটিরের সমন্বয়ে গঠিত। সংযুক্ত অংশের মধ্যস্থলে একটি চারচালা শিখর রয়েছে। তাই একে জোড় বাংলা বলা হয়। মন্দিরের দেওয়ালে রামায়ণ ও মহাভারতের কাহিনী, সামাজিক জীবনযাত্রা ও শিকারের দৃশ্য অপূর্ব টেরাকোটার কারুকার্যে চিত্রিত। এই মন্দির কৃষ্ণরায় মন্দির বলেও পরিচিত।
রাধা শ্যাম মন্দিরের বিপরীতে রয়েছে বিষ্ণুপুরের প্রাচীন মন্দির, ৯৯৭ সালে 
মল্লরাজা জগৎমল্লের তৈরী মন্দির, মৃন্ময়ী মায়ের  মন্দির। এই মন্দিরে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন দুর্গাপূজাটি হয়।
এই মন্দিরের পিছনে মল্লরাজাদের রাজবাড়ীর ধ্বংসাবশেষ বর্তমান।
এই মন্দিরের উত্তর -পূর্ব কোণে রয়েছে লাল জিউর মন্দির। মন্দির ছাড়িয়ে একটু গেলে পড়বে দূর্গের তোরণ দ্বারের মতো মাকড়া পাথরের বড়ো পাথর দরজা আর ছোটো পাথর দরজা।
বড়ো দরজা ছাড়িয়ে কিছুটা দূরে পড়বে মদনমোহন মন্দির। ১৬৯৪ সালে, মল্লরাজা দুর্জন সিংহ এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরটির ছাদ চৌকো ও বাঁকানো, কিনারা বাঁকযুক্ত ও মধ্যে গম্বুজাকৃতি শীর্ষ বর্তমান। মন্দিরের দেওয়ালে পোড়ামাটির কৃষ্ণলীলা, দশাবতার ও অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনীর বিভিন্ন দৃশ্য ভাস্কর্যের মাধ্যমে রূপায়িত।এই মন্দিরেও পুজো হয় রাধা কৃষ্ণের।
এরপর দেখে নেবেন, বিষ্ণুপুরের একমাত্র শিব মন্দির মল্লেশ্বর। তারপর  কালাচাঁদ আর জোড় শ্রেণীর মন্দির। 
এই জোড় শ্রেণীর মন্দিরের প্রাঙ্গণে প্রতি শনিবার পোড়ামাটির হাট বসে। এলাকার শিল্পীরা পোড়ামাটির বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রী, বিভিন্ন হস্ত শিল্প, বালুচরী শাড়ি ইত্যাদির পসরা নিয়ে বসেন। এছাড়াও এখানে বিষ্ণুপুর ঘরানার সঙ্গীত, কীর্তন, নৃত্যেরও আসর বসে।
এছাড়াও মন্দিরের শহরে আরও অনেক প্রাচীন মন্দির দেখতে পাবেন। মন্দির ছাড়াও মল্ল রাজাদের মহান কীর্তি এখানকার বড়ো বড়ো দিঘি, লাল বাঁধ, কৃষ্ণ বাঁধ, যমুনা বাঁধ, কালিন্দী বাঁধ, পোকা বাঁধ, শ্যাম বাঁধ দেখে নিতে পারেন।

মন্দির দর্শন শেষ হলে, চলে আসুন বড়ো কালিতলায়, পাটরা পাড়ায়। এখানে তৈরী হয় বিখ্যাত বালুচরি শাড়ি। তবে, মল্লভূম সিল্ক সেন্টার থেকে শাড়ি কেনাই ভালো। 

Bisnupur গেলে অবশ্যই কিনতে ভুলবেন না এখানকার দশবতার তাস, এই তাসের খেলা মল্ল রাজারা খেলতেন এক সময়। কাপড় শুকিয়ে জোড়া দিয়ে গোলাকৃতি এই তাস গুলোয় আঁকা হয় বিষ্ণুর দশবতারের বর্ণময় অপরূপ চিত্র। ১২০ সেটের এই তাস সংঙ্গে করে আনতে পারেন স্মৃতি হিসেবে। বাঁকুড়ার পাঁচ মুড়ায় তৈরী বিষ্ণুপুরের অন্য আর এক স্মৃতি বিখ্যাত টেরাকোটার ঘোড়াও কিনবেন মনে করে। এছাড়া, পুরাণের কাহিনীর সূক্ষ্ম কারুকার্য করা শাঁখ আর শাঁখা কিনলে কিনতেও পারেন।

ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে এখানে একটি মেলা হয়। শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলার মত এটিও খুব বিখ্যাত মেলা। তবে এই মেলা দেখতে হলে, আগে থেকে বিষ্ণুপুরের হোটেল বুকিং করে নেওয়া ভালো, না হলে থাকার জায়গা পেতে খুব মুশকিল হবে। ওই সময় হোটেল পাওয়া যায়না বললেই চলে। Bisnupur থেকে কাছাকাছি ঘুরে নেওয়া যায়  কংসাবতী নদীর উপর ড্যাম মুকুটমনিপুর, ঝিলিমিলি, মা সারদার জন্মস্থান জয়রামবাটি, শ্রী রামকৃষ্ণের জন্মস্থান কামারপুকুর।

Weather Bishnupur :- 
Temperature of Bisnupur 
গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত পরিলিক্ষত হয় এবং  শীতকালে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। মার্চ মাস থেকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে ও মে মাসে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হয়। অপরদিকে শরৎকালে থেকে তাপমাত্রা কমতে কমতে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এই জেলা সর্বাধিক শীতল হয়। গ্রীষ্মে মাঝে মাঝে লু ও শীতে শৈত্যপ্রবাহ দেখা যায়। this is General weather of Bisnupur. 

Hotels in Bishnupur :- 

Annapurna, Phone:- 07407504000
Meghmallar Lodge, Phone:- 01246201616
Monalisha Lodge,  Phone:- 09434115177
Hotel Laxmi Park, Phone:- 03244256353
Udayan Lodge,  Phone:- 03244252243
OYO Holiday Resort, Phone:- 01246201327
Bisnupur Tourist Lodge, Phone:- 09732100950
Shin Kali Lodge, Phone:- 01246201616
Mallabhum Lodge, Phone:- 09434224896
Heritage Hotel, Phone:- 01246201182. These all are Cheapest hotels of Bisnupur, Bankur. If you plan Bisnupur tour and want to know about Bisnupur Hotels contact with them by Phone number. What are mentioned here by the title of Bisnupur Hotels.

How to go Bisnupur, Bankura:-

হাওড়া থেকে খড়গপুর হয়ে বাঁকুড়ার পথে বিষ্ণুপুর। দূরত্ব ২০০ কিমি, সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা।  কলকাতা থেকে বাঁকুড়ার ট্রেনগুলি যায় বিষ্ণুপুর। আরামবাগ স্টেশনে নেমে কামারপুকুর, জয়রাম বাটি দর্শন করেও বাসে বা ট্রেকারে যাওয়া যায় বিষ্ণুপুর। কলকাতা থেকে সড়কপথে ধর্মতলা থেকে সরকারি, বেসরকারি বাস যায় বিষ্ণুপুর, সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। বিষ্ণুপুর পৌঁছে রিক্সা/অটো/টোটো ভাড়া করে দেখে নেওয়া যায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুরের দর্শনীয় স্থানগুলো। ট্রেন এ বিষ্ণুপুর / আরামবাগ পর্যন্ত আসা যায়। যারা নিজেদের গাড়ি নিয়ে আসবেন না তারা আসুন বাসে। ধর্মতলা / করুণাময়ী থেকে বাস এসি / নন এসি বাস ছাড়ে আরামবাগ/ বিষ্ণুপুর পর্যন্ত।

Route plan to Bisnupur, Bankur tour:-
১ রাত্রি ২ দিন:-
কলকাতা-আরামবাগ-জয়পুর (রাত্রি অবস্থান)-জয়পুর লোকাল-বিকেলে বিষ্ণুপুর-পরের দিন শহরে ফেরা। (রাস্তায় সময় পেলে জয়রামবাটি-কামারপুকুরটাও ঘুরে নেওয়া যেতে পারে) 

২ রাত্রি ৩ দিন:- 
কলকাতা-আরামবাগ-জয়পুর (রাত্রিবাস)-জয়পুর লোকাল-জয়রামবাটি-কামারপুকুর-জয়পুর।
বিষ্ণুপুর-টেরাকোটা ভিলেজ (পাঁচমুড়া)-শুশুনিয়া / গাংদুয়া ড্যাম-কোরো পাহাড়-জয়পুর ( রাত্রি বাস)
পরের দিন শহরে ফেরা।

Bisnupur car rental :- 
Cab Express, Phone:- 07947324289
Nag Enterprise, Phone:- 07947437450
Quick Drop, Phone:- 09474049796
Sadan Chand, Phone:- 07947126567
Papai Travels, Phone:- 07947127172
If you Plan a tour for Bisnupur and want to know about car rental of Bisnupur. You may contact these Car Rental of Bisnupur.

Shimla : Shimla tourist spots :- শিমলা ভ্রমণ

Shimla:-
সুন্দরী Shimla-র আকর্ষণ পর্যটকদের কাছে অদ্বিতীয়। শান্ত-স্নিগ্ধ সুমধুর সমীরণে অভিভূত মায়াবী পরিবেশন হিমাচল প্রদেশের রাজধানী ২২১৩ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ভারতের সর্ববৃহত্ পাহাড়ি শহর Shimla-র। ধৌলাধার পর্বতমালার আধা চাঁদের আকৃতি বিশিষ্ট হিমাচলের উত্তর-পশ্চিমে ১২ কিমি বিস্তৃত শৈলশিরায় স্বর্গীয় প্রাকৃতিক পরিবেশের শিমলা ঊনবিংশ শতাব্দীতে নেপালের মহারাজার অধীনস্থ ছিল। ১৮২২ সালে Shimla -য় প্রথম বাড়িটি তৈরি করেন শিমলা পাহাড়ের মেজর কেনেডি। ১৮১৪ সালে ব্রিটিশদের কাছে নেপালের পরাজয়ে সহযোগিতার উপহার হিসেবে Shimla দখলে যায় পাতিয়ালার মহারাজার। ১৮২৮ সালে ব্রিটিশদের হাতে শহর তৈরি শুরু হয় শিমলায় এবং নিজ দেশের আবহাওয়া খুঁজে পেয়ে ইংল্যান্ডের অনুকরণে সাজিয়ে তোলেন Shimla Hill কে ব্রিটিশরা। ১৮৬৪ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন রাজধানী ছিল ব্রিটিশদের তৈরি ৮০ টি হিল স্টেশনের মধ্যে অন্যতম Simla।

Weather in Shimla:-
Temperature of Shimala- 
গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ১১ থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শীতে ০ ডিগ্রির নিচে নেমে যায় কখনো কখনো। শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিলিক্ষত হয় শিমলাতে।
It's General weather in Shimla.

Perfect time to visits Shimla:-
Here is a detailed of perfect time to visits Shimla.
জুলাই আগস্টের বর্ষার সময় বাদ দিয়ে এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস এবং নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। মূলত শিমলা ভ্রমণের সঠিক সময় এপ্রিল থেকে অক্টোবর হলেও পিক সিজন সিমলা পাহাড়ের মে থেকে জুলাই এবং পিক সিজনে ভ্রমণ খরচও বেড়ে যায়। This are the perfect time to visits Shimla.


Places to visit in simla:- 
Mall:- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে ভারতীয়দের প্রবেশাধিকার ছিল না ব্রিটিশদের তৈরি ম্যালে। গাড়ি চলাচল ছিলো না সেদিন, আজও নেই আপার শহরে বা Mall-এ। বাজারহাট, দোকানপাট, ট্যুরিস্ট অফিস, রেলের বুকিং, হোটেল-রেস্টুরেন্ট নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা জমজমাট, শৈলশহরের হৃদয় এই অভিজাত ব্রিটিশ Mall টি বর্তমান।

Crist Church:- উত্তর ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম এই Crist Church টি নিও-গথিক শৈলীতে সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত ১৮৪৪ থেকে ৫৭র মধ্যে তৈরি হয়। প্রথমে এটিতে ঘন্টা এবং বারান্দা ছিল না। ঘন্টাটি তৈরি শিখদের সঙ্গে যুদ্ধের সময় ইংরেজদের দখলকৃত কামানের ব্রাসে ১৮৬০ সালে এবং ১৮৭৩ সালে বারান্দাটি সংযোগ করা হয় Crist Church এ। Crist Church-এর পাশেই রয়েছে State Library.

Gaiety Theatre:- টিউডরি শৈলীতে তৈরি gaiety theatreটি সংস্কার হয় ১৯১১ সালে। শব্দ বিজ্ঞানের নিপুণ ব্যবহারের কারণে লন্ডনের পুরস্কার পায় গেইটি থিয়েটার। আজও থিয়েটারের আসর বসে Gaity-তে।

Scandal Point:- শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই scandal Point-এর ঢালে স্কেটিং রিঙ্ক রয়েছে। লালা লাজপত রায়, ওয়াই এস পারমার, চিনার বৃক্ষ, জওহরলাল নেহেরুর মুর্তির উল্টো দিকে ইন্দ্রাগান্ধীর মূর্তি রেখে ম্যালের শেষ সীমা গান্ধী মুর্তির পাদদেশে। লালা লাজপত রায়ের মুর্তির দক্ষিণ দিকে HRTC ও HPTDC-র অফিস রয়েছে। বাম দিকের দোকানপাট ছেড়ে রাস্তা চলে গেছে বাস টার্মিনাল লক্করবাজারে। ডাইনে রোমান ক্যাথলিক চার্চ, GPO, টাউন হল মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং। কিছুটা দূরে সেন্ট অ্যান্ড্রুজ চার্চ। নিচে কিছুটা নামতে থাকলে গর্টন ক্যাসেল, সেন্ট মাইকেল ক্যাথেড্রাল। ক্যাসেলের বামে নামলে রেল স্টেশন এবং ডাইনে নামলে আনানদেল। কালীবাড়ি পার হলে হিমাচল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি।

State Museum:- ইনভেরাম পাহাড় চূড়ায় state museum ম্যাল ধরে হেটে চার্চ থেকে ঘন্টাখানেক দুরত্বে অবস্থিত। রয়েছে পাহাড়ি-বাসোলী-কাংড়ার মিনিয়েচার পেইন্টিং সহ হিমাচলের মন্দির গুলো থেকে সংগ্রহ করা কাঠ ও পাথরের ভাস্কর্য, মুর্তি পোশাক-আশাক State Museum-এ। শনিবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকে Museumটি। 

Bazar:- ম্যাল থেকে গলিপথে কিছুটা নেমে এসে Bazar থেকে ওয়াকিং স্টিক, কুলু টোপি, শাল, কিন্নরী মাফলার ও পশমের তৈরি হিমাচলে তৈরি বিভিন্ন কিছু সংগ্রহ করা যেতে পারে।

Shimla Kalibari:- বাসস্ট্যান্ডে মাথায় ম্যাল সংলগ্ন Kalibariটি তৈরি করেন রামচরণ ব্রহ্মচারী ১৮৪৫ সালে। সিমলা গিয়ে কুলির দায়িত্বে ব্যাগপত্র দিয়ে বাঙালির পীঠস্থান বাপটনি পাহাড়ে চড়াই পথে Kalibari গিয়ে থাকতে পারেন। পর্যটন মরশুমে জায়গা পেতে অসুবিধা হবে তাই আগে থেকে অগ্রিম পাঠিয়ে যোগাযোগ করে নিন- দ্যা সেক্রেটারি,  ফোন:- ০১৭৭-২৬৫২৯৬৪. এই পাহাড়ের নাম হয়েছে এই মন্দিরের শ্যামলা দেবীর নাম থেকে। জয়পুর থেকে আনা দেবী কালীর ডাইনে মঙ্গলচণ্ডি এবং বামে শ্যামলা দেবী রেখে পুজা হয়।
                      শিমলা কালীবাড়ি 

Hanuman Temple:-  জাকু পাহাড়ের চূড়ায় Manuman Mandir টি অবস্থিত। রিজ থেকে দেড় কিমি চড়াই পথে ২৪৫৫ মিটার উচ্চতায় জাকু থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত মনোমুগ্ধকর এবং শিমলা শহরও সুন্দর দেখা যায় এখন থেকে। গন্ধমাদন তুলে নিয়ে ফেরার পথে ক্লান্ত হনুমান বিশ্রাম নিয়েছিলেন এখানে, রয়েছে তার পদচিহ্নও। Hanuman Mandir টিতে রয়েছে প্রচুর হনুমানের উপদ্রব তাই সাবধাানতা বাঞ্ছনীয়। ম্যাল থেকে হেঁটে গিয়ে অথবা ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে আসা যায় ঘন্টাখানেকে জাকু ও হনুমান মন্দির।

Summer Hill:- শিমলা-কালকা রেল লাইনের শিমলার আগের স্টেশন শিমলা থেকে ৫ কিমি দুরে অবস্থিত Summer Hill গান্ধীজী শিমলা এসে এখানে জর্জিয়ান শৈলীতে তৈরি Monorville ছিলেন এবং ১৯৪৫ সালে ভাইসরয়ের সাথে ভারতের স্বাধীনতা বিষয়ক আলোচনায় বসেন Summer  Hill-এ জুনে। এছাড়া হিমাচল বিশ্ববিদ্যালয় সহ এখান থেকে দুই কিমি দুরে চাদউইক ফলসটি দেখে নেওয়া যায় পাহাড়ি ট্রেনে বা পায়ে হেঁটে।

Prospect Hill:- বয়লৌগঞ্জ থেকে মিনিট কুড়ির পাহাড়ি পথে শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে ২১৪৫ মিটার উচ্চতায় চড়ুইভাতির মনোরম পরিবেশে Proapect Hill অবস্থিত। পূর্ণিমার সন্ধ্যায় prospect hill থেকে একই সঙ্গে সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রোদয় উপভোগ্য। prospect hill থেকে কামনাদেবীর মন্দির, জুটৌগ, তারাদেবীর মন্দির, লোয়ার সহাসু, সামার হিল সিমলা পাহাড়ের সৌন্দর্য সুন্দর উপভোগের। 

দ্যা রিট্রিট:- মার্বেল পাথরের প্রাসাদটি এলিজাবেথীয় শৈলে তৈরি। সিলিং তৈরি বার্মা টিকে এবং কাঠ দিয়ে তৈরি সিঁড়ি, ইনডোরে টেনিস কোর্ট রয়েছে। এই প্রাসাদে বসে ভারত ভাঙার শিমলা চুক্তি বিষয়ে আলোচনা  অংশগ্রহণ করেন জওহরলাল নেহেরু। ভারত পাকিস্তান শান্তি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয় প্রাসাদের কনফারেন্স হলে। সমস্যা নিয়ে আলোচনায় ব্যাস্ত গান্ধী-নেহেরু-জিয়ার ছবি রয়েছে এখানে। স্বাধীনতার পরে ভারতীয় রাষ্ট্রপতির গ্রীষ্ম নিবাস হয় দ্যা রিট্রিট। লাইব্রেরিতে রয়েছে ১ লক্ষ বইয়ের সম্ভার। পাশে বটানিক্যাল গার্ডেন এবং চিড়িয়াখানা। মিউজিয়াম থেকে ২০ মিনিট এবং শহর থেকে ১ কিমি দুরে  রিজ শেষ হতে অবজারভেটরি হিলের মাথায় ১৯৮৩ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত দ্যা রিট্রিট।

Wild Flower:- শীমলা শহর, বদরী গিরি, পীরপাঞ্জাল দেখা যায়  wild flower থেকে। বাম থেকে ডাইনে সারি দিয়ে দাড়িয়ে শ্রীখণ্ড পাহাড়। সিডারে ছাওয়া বরফে ঢাকা উপত্যকায় পাইনের অরণ্য পাখির কাকলিতে মোহময়ী হয়ে উঠে wild flower। বর্ষার পরে জানা-অজানা ফুলে ফুলে ভোরে ওঠে ২৫৯৩ মিটার উচু ২২ হেক্টর বিস্তৃত wild flower valley টি। কুফরীর রাস্তায় রূপসী তীর্থন এই উপত্যকা শহর থেকে ১৩ কিমি দুরে। নিচের বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে যাওয়া যায় এখানে।

Kufri:- ফেব্রুয়ারীর প্রথমে শীতকালীন ক্রীড়া উৎসব হয় Kufri তে। একসময় স্কি খেলার আসরও বসতো kufri তে। স্বর্গীয় প্রাকৃতিক পরিবেশে শহর থেকে ১৬ কিমি এবং ওয়াইল্ড ফ্লাওয়ার থেকে ৩ কিমি দুরে ২৬৩৩ মিটার উচ্চতায় দেওদারে ছাওয়া kufri অবস্থিত। মিনি জু, নেচার পার্কের উল্টো দিকে ইন্দিরা ট্যুরিস্ট পার্ক। kufri-র চিনি বাংলোতে ইন্দিরা এবং জুলফিকার আলি ভুট্টোর শিমলা চুক্তির বৈঠক হয়েছিল। গুপি গাইন বাঘা বাইনের বরফ দৃশ্য কুফরীর। যাত্রিবাসে করে ঘুরে আসা যায় কুফরী। ঘোড়া ও ইয়াকে চড়ার সুব্যবস্থা রয়েছে কুুুফরীতে। ঘোড়া যাচ্ছে kufri থেকে গোল্লু হয়ে ফাগুতে। Mahash peak অভিযান করে নিতে পারেন, ট্রেক করে বা ঘোড়ায় কুফরী থেকে।  

Sightseeing at Shimla:-
ফাগু, তত্তপানি, নলদেরা, ক্রেগনানোর, মেন্ট পার্ক, তারাদেবীর মন্দির, সঙ্কটমোচন মন্দির, আনানদেল ও গ্লেন।

How to go Shimla:-
হাওড়া থেকে হিমগিরি সুপার এক্সপ্রেসে আম্বালা ক্যান্টনমেন্ট পৌঁছে সেখান থেকে বাসী/কালকা হোয়ে বিভিন্ন বাসে যাওয়া যায় Shimla। কলকাতা-জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস, শিয়ালদহ-অমৃতসর, হাওড়া-অমৃতসর মেল, হাওড়া-অমৃতসর এক্সপ্রেস আম্বালা যাচ্ছে আবার অমৃতসর পৌঁছেও ট্রেনে বা বাসে শিমলা যাওয়া যায়। হাওড়া-কালকা মেল দিল্লি যাচ্ছে, দিল্লি জংশন থেকে পরদিন সকালে কালকা যাচ্ছে হাওড়া-দিল্লী-কালকা মেল। আর কালকা থেকে ন্যারোগেজের পাহাড়ি রেলে Shimla পৌঁছাতে পারেন।

Hotels of shimla:-
There are some Shimla hotels and contact number-
Hotel De park, Phone:- 2832872. Bright Land, Phone:- 2803659. Hotel Victory, Phone:- 2653200. Hotel Vikrant, Phone:- 2653602 কার্ট রোড।
Himanis Premium, Phone:- 2652268. Hotel Puneview, Phone:- 2658604. Doegar, Phone:- 22131247. Hotel Varuna, Phone:- 2655814. Shiwalik, Phone:- 2811122. Honey Moon Inn, Phone:- 2624868. Hotel Dream Land, Phone:- 2653005. (রিজরোড)
Hotel Diplomat, Phone:- 2652001. Hotel Arithi, Phone:- 2802676. Bridge View, Phone:- 2658537. Hotel Gulmarg, Phone:- 2653168. (ম্যাল সংলগ্ন)
Hotel Kapil, Phone:- 40070974. Hotel Flora, Phone:- 26580227. Hotel Chanakya, Phone:- 2654465. Hotel White, Phone:- 2656136 (লাক্কের বাজার)
Hotel Sun-N-Snow, Phone:- 2656364. Ramkrisna, phone:- 23509199. Hindusthan, Phone:- 22374893. Hotel Bright Land,  Phone:- 2803659. (বাস স্ট্যান্ড)
If you need further Information about Shimla hotels contact with them.




শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২১

Manali : Manali Tourism/মানালি ভ্রমণ

Manali:-
স্কিইং, হাইকিং, পর্বতারোহণ, প্যারাগলাইডিং, রাফটিং, ট্রেকিং, কায়াকিং আর মাউন্টেন বাইকিং-এর মতো এডভেঞ্চার স্পোর্টস গুলোর জন্য manali বিখ্যাত। ইয়াক স্কিইং এখানকার এক অনবদ্য স্পোর্টস। উষ্ণ প্রস্রবণ ধর্মীয় কুঠি ও তিব্বতীয় বৌদ্ধ মনাস্ট্রি রয়েছে মানালিতে। দেব উপত্যকা 'মানালি' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ 'মনুর বাসভূমি'। পুরানো manali Village এ মনুর নামে একটি বহু প্রাচীন মন্দিরও রয়েছে। মানালি প্রশাসনিক ভাবে কুল্লু জেলার অন্তর্গত এবং ছোট শহরটা প্রাচীন লাদাক বানিজ্য পথের শুরুতে এবং সেখান থেকে কারাকোরাম গিরিপথের উপর দিয়ে তারিম বেসিন-এর ইয়ারকন্দ আর খোটান পর্যন্ত বিস্তৃত। মধুচন্দ্রিমা বা honeymoon এর জন্য বিগত কয়েক বছর ধরে manali জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫০ জন নবদম্পতি এখানে মধুরাত যাপনে আসেন এবং বছরের বাঁকি সময়ে দৈনিক গড়ে ৩৫০ টি নতুন জুটির আগমন ঘটে এখানে।

Places to visit in Manali:- 

Manu Temple:- নেহেরু পার্ক রেখে মানালসু নদী পার হয়ে পুরানো মানালির পাহাড়ি বাড়িঘর গুলির সুসজ্জিত প্রবেশপথ কাঠের ব্যালকনি ও পাথরের ছাঁদ দেওয়া শিল্পকর্ম দেখতে দেখতে, মালাসু নদী থেকে তিন কিলোমিটার দুরে কাঠের তৈরি Manu Mandir-টি ঘুরে আসা যায়।

Hadima Temple:- হিড়িম্বা রাক্ষস কে এখানেই বিবাহ করেছিলেন ভীম, তাই পাইন ও দেবদারুর পাহাড়ি অরণ্যে মহারাজা বাহাদুর সিং কাঠ দিয়ে ২৭ মিটার উঁচু এই Hadima Temple-টি তৈরি করেন। পাশাপাশি কাছে দুরে দেখে নেওয়া যায় আরোও কয়েকটি মন্দির এখানে, যেমন:- ঢুংরি মন্দির, চাম্বা উপত্যকায় ত্রিলোকনাথের মন্দির, ঘটোত্কচ মন্দির।

Club House:- বিপাশা পার হয়ে ইনডোর গেমের ব্যাবস্থাপনা নিয়ে তৈরি দেবদারুতে ছাওয়া সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠেছে Club House-টি। এখানে বিপাশার পাড়ে একটি পার্কও রয়েছে। 

Tibetan Monasteries:- মডেল টাউনে সুন্দর প্রেয়ার ফ্লাগের বাহারে তিব্বতিয় মনাস্ট্রিটিতে তিব্বতিয় ছবির সংগ্রহ উল্লেখ্য। এখানে তিব্বতিয় হস্তশিল্প দেখে নেওয়া সহ কেনাও যায় হস্তশিল্পজাত পণ্য। পাশেই টেকছোকলিং গুম্ফা এবং মনাস্ট্রির প্রার্থনাসভাটি অনন্য সুষমামণ্ডিত। মাউন্টেরিয়ান ইনস্টিটিউটটিও ঘুরে দেখা যেতে পারে এখানে।

Rohtang:- বশিষ্ঠমুনির তপস্যাস্থল-মন্দির এবং সন্তান শোকে আত্মবিসর্জন দিতে চেয়েছিলেন বশিষ্ঠমুনি এখানে। উত্তর দিকে আরো তিন কিমি মতো গিয়ে কাষ্ঠ নির্মিত সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত বশিষ্ঠ আশ্রমটি দেখে নিতে পারেন। এখানে একটি গরম সালফার জলের কুণ্ড রয়েছে, রয়েছে রামমন্দিরও। কিছুটা দুরে রয়েছে ঘটোত্কচ মন্দির।

হামামে:- বশিষ্ঠ আশ্রমের গরম জলের কুণ্ড থেকে পাইপের সাহায্য জল এনে তৈরি আধুনিক বাথরুম। নারী পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা স্নানঘরের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এটির মাথার উপরে ভৃগুতঙ্গ পর্বতে অবস্থিত লেকটিতেও স্নান করে নেওয়া যায়। মনুমন্দির থেকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে গোশাল গ্রামে গৌতম মুনির বসবাস ছিল এবং এখান থেকে আরোও কিছুটা গেলে সোনাল এবং সোলাং উপত্যকা।

Nagar Durga:- পাথর, মার্বেল আর কাঠের সূক্ষ্ম কারুকার্যমণ্ডিত এই দুর্গটি পাল সাম্রাজ্যের স্মৃতি বহন করে এবং এটি হিমাচলের স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন।

Rahala Waterfalls :- মানালি থেকে রোতাং পাস যাবার ঠিক সামনে এবং মানালি থেকে ২৭ কিমি দূরে এই জলপ্রপাতের উচ্চতা ৪২১০ ফুট।

Solang Valley:- মানালি থেকে ১৩ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এটি 'স্নো পয়েন্ট' নামে পরিচিত।

Manikaran:- কুলু থেকে ৪৫ কিমি দুরে মানালি যাওয়ার রাস্তায় এই অঞ্চলটি বিখ্যাত পার্বতী নদীর কাছে উষ্ণ প্রস্রবনের জন্য।

Hotels in Manali:- 
There ar some hotels of Manali and Manali Hotels contact numbers.

Hotel Beas, Phone:- 01902-252832. Orchard Huts, Phone:- 01902-253225. Hotel Rohtang Manalsu, Phone:- 01902-253723. Hotel Kunzum, Phone:- 01902-253198. Yatri Niwas, Phone:- 01902-253531.
Pujara Shiraj, Phone:- 033-22318019. Shiwalik, Phone:- 01902-254240. Aalfa, Phone:- 01902-252310. New Shiwalik, Phone:- 01902-254239. Poorva, Phone:- 033-22371993. Paramount, Phone:- 033-22101822. Aroma, Phone:- 01902-253159.
Sun Flower, Phone:- 01902-252419. Raj Palace,  Phone:- 033-24542975. Bulbul, Phone:- 01902-252509. 
Meadows, Phone:- 033-27510091. Smart, Phone:- 01902-252356. Adarsha, Phone:- 01902-252493. Grass Land, Phone:- 01902-252122. Conifer, Phone:- 01902-252434. Blue Heaven, Phone:- 01902-252802. Anupam, Phone:- 01902-252181
Simla Kalibari, Phone:- 0177-2652964।

Weather in Manali:-
Temperature of Manali শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এবং গ্রীষ্মে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Perfect time to visit Manali:-
Perfect time to visit manali এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস, জুলাই-আগস্টের বর্ষার সময় বাদ দিয়ে। তবে সারা বছরই মানালি অনন্য রূপের ডালি সাজিয়ে অধির আগ্রহে পরদেশী প্রেমিকের আশায় দরজা খুলে রাখে। আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে আপনি আপনার প্রিয়তমা কে কোন রূপে এবং কীভাবে, কখন দেখতে চান? বরফের শুভ্রতায় সুন্দরীকে উপভোগ করতে চাইলে চলে যান, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যবর্তী সময়ে। এটিই ট্যুরিস্ট মরশুম। সব থেকে বেশি পর্যটকদের ভিড় থাকে এই সময়ে এবং লাদাখ যাত্রারও এটাই সেরা সময়। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারিতে গেলে স্নো-ফল দেখার অনবদ্য সুযোগের সদব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারীতে ঘুরে আসাটা সাশ্রয়ী এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ আনান্দ উপভোগ করা যায়ও। হোটেলে বসে থেকে মাঝেমধ্যে ভারী তুষারপাত দেখার মজাটাই আলাদা এই সময়ে।
জুনের শেষ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বর্ষার সময়ে গেলে কঠিন পাহাড়ের সাথে মেঘবালিকাদের প্রেমালাপ উপভোগ্য। পাইন অরণ্য, ক্রিস্টমাস ট্রীর রঙের বাহার উপভোগ করতে চাইলে, চলে যান সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী সময় থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। পরিস্কার আবহাওয়ায় বরফ না থাকায় ফলে, পাহাড় গুলো আসল রূপ ফিরে পায় এবং মোটামুটি ভ্রমণখরচ কম এই সময়ে। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে সহনীয় ঠাণ্ডায় আরামে ঘুরে বেড়ানো যায়। বরফ পড়তে শুরু করলেই রোথাংপাস যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় প্রসাশন। অবশ্য  মার্চ/এপ্রিলের দিকে গেলে রোথাংপাসে যাওয়া যায়।

How to go Manali:-
সিমলা, যোগীন্দরনগর, পাঠানকোট, চণ্ডীগড় আম্বালা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিয়মিত বাস সংযোগ রয়েছে মানালির। দিল্লি থেকে HPTDC, ISBT ও HRTC-র বাস আসছে মানালিতে HRTC-র ফোন:- 01902-252323

Trip route Plan to Manali:-
হাওড়া থেকে ট্রেনে এক রাত কাটিয়ে নতুন দিল্লি পৌঁছে, নতুন দিল্লি থেকে ট্রেনে আম্বালা পৌঁছে টিফিন করে ভাড়ার গাড়িতে করে মানালির পথে রওনা দিন, পথে শতদ্রু নদী, পাণ্ডু ড্যাম, সুন্দরনগর লেক দেখতে দেখতে দুপুরের খাবার সেরে নিন এবং রাত্রিতে মানালি হোটেল পৌঁছে রাতের খাবার খেয়ে রাতের বিশ্রাম। পরের দিন মানালি থেকে সোলাং ভ্যালি ঘুরে দেখে মানালিতেই রাত্রিযাপন করুণ এবং চতুর্থ দিন মানালি থেকে বনবিহার, বশিষ্ঠ মন্দির, হিড়িম্বা মন্দির, ক্লাব হাউস দেখতে দেখতে কাসোল গিয়ে রাত্রিতে থাকুন। ৫ম দিন সকালে বেরিয়ে পার্বতী নদী-মনিকরণ-গুরুদুয়ার ঘুরে বিকেলে ফিরে কাসোল ঘুরে, কাসোলে রাত্রিযাপন করে পরের দিন কাসোলে সূর্যোদয় দেখে ব্রেকফাস্ট করে ভুনতা গিয়ে NH305 ধরে বনজরে ঢুকে তিরথান নদী দেখে বনজর বাজার রেখে হিমালয়ান ন্যাশানাল পার্ককে যান। সেখান থেকে বিকেলে ১ কিলোমিটার হাইক করে গাইধার ফলস দেখে তিরথান ভ্যালিতে রাত্রিযাপন করুণ। সপ্তমদিন সকালে তিরথান থেকে জিতিগ্রাম ঘুরে দেখে দুপুরে ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে সন্ধ্যার আগে আম্বালার উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করুণ। রাস্তায় রাতের খাবার খেয়ে সকালে আম্বালার থেকে নতুন দিল্লির ট্রেনে চেপে পড়ুন এবং নতুন দিল্লি থেকে সন্ধ্যায় হাওড়ার ট্রেন ধরুণ। নবম দিন বিকেলে একরাশ স্মৃতি নিয়ে হাওড়া স্টেশন থেকে ঘরে ফেরা...Howrah to New Delhi train booking link
আম্বালা থেকে কার রেন্টাল এজেন্সি:-
1) Ambala Taxi Service, Phone:- 08950039000.
2) Bindra Travels, Phone:- 09896400300.
3) Self drive car bike rental, Phone:- 07355883006.
Manali route Plan 2:- কলকাতা-কালকা-শিমলা-মানালি-দিল্লি-কলকাতা বা মানালি-দিল্লি-আগ্রা-কলকাতা।
কলকাতা থেকে কালকা পৌঁছে টয়ট্রেনে করে শিমলা গিয়ে রাত্রিযাপন। পরের দিন সকালে কুফরী/ফাগু ভ্যালি ঘুরে রাতের বাসে মানালি পৌঁছে হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে মানালিতে বনবিহার-ক্লাবহাউস-হিড়িম্বা মন্দির-তিব্বতিয় মনাস্ট্রি ঘুরে রাত্রিযাপন মানালিতে। পরের দিন সকালে উঠে গাড়ি ভাড়া করে সোলাং ভ্যালি হয়ে রোথাং পাস ঘুরে মানালিতে ফিরে রাত্রিযাপন। সকালে মানালির ম্যালরোড থেকে বাস ধরে দিল্লির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ুন। পরের দিন দিল্লি ঘুরে সন্ধ্যা আগ্রা বা দিল্লি থেকে কলকাতার ট্রেনে উঠে পড়ুন।
Manali route Plan 3:-
সন্ধ্যার কালকা মেলে হাওড়া থেকে কালকা গিয়ে কালকা থেকে ভোরবেলা টয়ট্রেনে সিমলা। সিমলা কালিবাড়ি তিনদিন থেকে মানালি যান মানালিতে ৩ দিন থেকে ওখান থেকে একদিন মণিকরণ যান। মানালি থেকে হিমাচল প্রদেশ ট্যুরিজমের বাস ধরে (বাসের টিকিট এর সঙ্গে রাত্রে ডিনার এবং সকালে ব্রেকফাস্ট যোগ করা আছে) সকাল দশটার বাসে গিয়ে সন্ধ্যেবেলা কেলং-এ স্টে করুণ। ওই দিন রাত্রের খাবার এবং  সকালে ব্রেকফাস্ট দিয়ে বাস ছাড়ে এবং বিভিন্ন পাস অতিক্রম করে ঐদিন সন্ধ্যেবেলায় লে বাসস্ট্যান্ডে পৌছবে। লে তে দুই দিন থেকে ওখান থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে খারদুংলা পাস হয়ে হান্টার দুইদিন, ওখান থেকে একদিন তুরতুক তার পরদিন সকালবেলা গাড়ি নিয়ে প্যাংগং একদিন থেকে ওখান থেকে আবার লে। তার পরের দিন লে এয়ারপোর্ট থেকে দিল্লি এয়ারপোর্ট হোয়ে কলকাতা এয়ারপোর্টে ফিরুণ।
Manali route Plan 4 :- 
ট্রেনে কালকা এবং  কালকা থেকে টয়ট্রেনে সিমলা কালী বাড়ীতে থাকুন। সিমলা থেকে একটা অলট্রো বুক করে নিন ১২ দিনের জন্য ২০০০০ টাকা মতো পড়বে ৷ অলট্রো করে কুফরী-ফাগু হয়ে সারাহান গিয়ে সাহারান থেকে কল্পা। কল্পা থেকে সাংলা হোয়ে ছিঁটকুল গিয়ে ছিঁটকুল থেকে জিওলড়ী পাস হয়ে সুজা। সুজা থেকে কুলু হয়ে মানালি এবং মানালি সাইট সীন করে মাঝে মান্ডিতে নাইট ষ্টে করে চণ্ডীগড়।
Car rental Agencies for Manali to Shimla:-
1) Saini Tour & Travel, Phone:- 09464524622.
2) Mimachal Taxi tour, Phone:- 09805601230.

Costing for Manali tour:-
প্রথম দিন:- কলকাতা থেকে কালকা ট্রেন ভাড়া- ৭১০×২= ১৪২০ টাকা, রাতের খাবার - ২০০ টাকা, কালকা থেকে সিমলা টয়ট্রেন ভাড়া- ২৬০×২= ৫২০টাকা। টোটাল= ২১৪০টাকা।
দ্বিতীয় দিন:-  সীমালা হোটেল ভাড়া- ১২০০টাকা এবং ঘোরাঘুরি ও খাওয়া খরচ - ৫০০ টাকা।
টোটাল= ১৭০০টাকা।
তৃতীয় দিন:- সিমলা ঘুরে দেখার গাড়ি ভাড়া- ১০০০ টাকা, সকালে টিফিন এবং দুপুরের খাবার- ৮০০টাকা, রাতে মানালি বাসের টিকিট ৬০০×২= ১২০০টাকা, রাতের খাবার- ৪০০ টাকা।
টোটাল = ৩৪০০টাকা
চতুর্থ দিন:- সকালে মানালি পৌঁছে হোটেল ভাড়া- ৮০০ টাকা, মনুমন্দির-ক্লাবহাউস ঘুরে দেখা এবং  খাওয়া খরচ- ৮০০টাকা।
টোটাল = ১৬০০টাকা।
পঞ্চম দিন:- আগে থেকে ভাড়া করে রাখা গাড়িতে করে ভোরে রোতাংপাস ও সোলাং ভ্যালি ঘুরে সন্ধ্যায় দিল্লির বাসে দিল্লির উদ্দেশ্য রওনা। গাড়ি ভাড়া-৫০০০ টাকা, খাওয়া খরচ-৪০০টাকা, দিল্লির বাস ভাড়া ১৪০০×২= ২৮০০টাকা।
টোটাল = ৮২০০টাকা।
ষষ্ঠ দিন:- সকালে দিল্লি পৌঁছে একটি হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে দিল্লি ঘুরে দেখে, হোটেল ছেড়ে দিয়ে সন্ধ্যার আগে দিল্লি রেলস্টেশন এসে হাওড়ার ট্রেন ধরা।
হোটেল ভাড়া-১২০০টাকা, সারাদিন ঘোরাঘুরি ও খাওয়া- ১০০০টাকা এবং দিল্লি থেকে হাওড়ার ট্রেন ভাড়া-১৬৬৫×২ = ৩৩৩০টাকা।
টোটাল = ৫৫০০টাকা।
Total Manali trip cost= ২২৫৪০টাকা দুজনের জন্য।
মানালি ভ্রমণ খরচ আরোও কমে যাবে HPTDC-র প্যাকেজ ট্যুরে অংশগ্রহণ করলে, প্রতিদিন বাস যাচ্ছে এদের।
Contact:-
 HPTDC Office
Tourist information center in Kolkata, West Bengal, Phone:- 033-22127470
2H, 2ND FLOOR, ELECTRONIC CENTRE, 1/1 A, BIPLABI ANUKUL CHANDRA ST. KOLKATA-700072, Phone:- 
033-22126361, Fax:- 033- 22127470, Email:-
kolkata@hptdc.in

Rameswaram tour guide : রামেশ্বরম ভ্রমণ / Rameswaram, Tamilnadu

Rameshwaram temple :- রাম, রাবণকে নিধন করার পর ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে লঙ্কা থেকে ফেরার পথে শিবের পুজা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শি...