Dooars :-
৪৭৫০ বর্গ কিমি বিস্তৃত থ্রি টি মানে টি, টিম্বার ও ট্যুরিস্টের অনন্য ঠিকানা dooars। সবুজে ঘেরা রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা এর পথ চলা। ১২৫০ কিমি বনভূমি ১৫২ টি চা-বাগান ভরে থাকে অজস্র পাখীর কূজনে। অর্কিড, ছোট নদী, বড়ো নদী মিলে অপরূপ সাজসজ্জা তার। পশ্চিমে তিস্তা পূর্বে সঙ্কোশ নদী সহ বয়ে চলেছে তিস্তা, রায়ডাক, তোর্সা, জলঢাকা, কালজানি, ডায়না, মূর্তি ও জয়ন্তীর মতো পাহাড়ি কন্যারা।
Places to visit in Dooars :-
বক্সা টাইগার রিজার্ভের দুটো রেঞ্জে মানুষ যেতে এবং থাকতে পছন্দ করে, এক বক্সা ও দুই জয়ন্তী।
Raja Bhat Khawa:- ২১ মাইলের বসতিতে চা বাগানের কাছে জঙ্গলের কোলে রয়েছে 'NEST '
Jayanti:- এখানের প্রধান আকর্ষণ রিভার বেড। রিভার বেডেও NEST রয়েছে।
Santalabari- যারা পাহাড়ের উপর থাকতে চান তাদের জন্য এই জায়গাটা বেশ মনোরম এবং এখানেও রয়েছে NEST.
Lepchakha/ Buxa Fort:- যারা ঘণ্টা দুয়েকের ট্রেক করে বক্সা পাহাড়ের একদম উপরে থাকতে চান। তাদের জন্য রয়েছে এই দুই জায়গাতেই NEST.
Jaldapara National Park:- এখানেও পর্যটকরা দুটো রেঞ্জ যেতে এবং থাকতে পছন্দ করে চিলাপাতা ও মাদারিহাট।
Chilapata Forest :- জলদাপাড়া ডিভিশনের সব থেকে ভার্জিন আর সুন্দর জঙ্গল। এখানে থাকার জন্য রয়েছে 'নেস্ট'। চিলাপাতা জঙ্গলের একদম কর্নারে থাকার ব্যবস্থা সহ ওয়াচ টাওয়ার রয়েছ। 'রাভা বস্তির' আদিবাসী সংস্কৃতির মডেলে তৈরি এই হোমস্টে।
Mendabari :- দক্ষিণ মেন্ডা বাড়ি রেঞ্জের এই জঙ্গল খুব ঘন। মানুষ জঙ্গলের মাঝে রাভা গ্রামে থাকার মতো অনুভূতি পাবেন এইখানে। এখানে রয়েছে ' নেস্ট জঙ্গলক্যাম্প। একটু অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী মানুষজনেদের বেশি ভালো লাগবে।
Madarihat :- যারা প্রপার জলদা পাড়াতে থাকতে চান তারা এখানে থাকতে পারেন।
Sisamara :- সিসা মারা নদীর ধারে নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত। যারা বারান্দায় বসে জঙ্গলের অনুভূতি পেতে চান তাদের জন্য উপযুক্ত। রয়েছে NEST- এর accomodation.
Gorumara National Park:- সব থেকে জনপ্রিয় তাই এখানে তৈরি হয়েছে প্রচুর রিসোর্ট এবং হোটেল। হোমস্টে নাম হলেত হোটেলের মতই পরিষেবা। যদিও পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে বেশ কয়েকটা অফ বিট প্লেসে নেস্ট ব্যবস্থা রেখেছে হোমস্টের, মূর্তি লাটাগুড়ি বাদদিয়ে।
Chisang :- চলসার খুনিয়া মোড় থেকে ৩৫ কিমি পাহাড়ের উপর বিন্দু বারেজ পার হয়ে ভুটান সীমান্তে ছোট্ট গ্রাম। ঘর থেকে দেখতে পাওয়া যায় বরফে ঢাকা ডোকালাম রেঞ্জ। ফ্যামিলি হোমস্টে NEST রয়েছে এখানে।
Suntalekhola :- নদী পাহাড় আর জঙ্গলের মধ্যে ছোট্ট গ্রাম। বেশ পরিচিত পর্যটকদের কাছে। নেস্ট এখানেও হোস্টেলের ব্যবস্থা রেখেছে। এখানে নেপালি রান্নার স্বাদ পরখ করা যাবে।
Murti :- লাটাগুড়িতে অত্যধিক চাপের জন্য। অনেক বড়ো বাগান লন নিয়ে রয়েছে এখানের হোমস্টে।
তিনটে ন্যাশনাল পার্ক নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ জায়গার নাম Dooars। পূর্ব থেকে পশ্চিমে buxa tiger reserve, Jaldapara ও gorumara national park। এই তিনটে পার্কের মধ্যে গরুমারা রকি ল্যান্ড জঙ্গলের ঘনত্ব কম এবং এটি একটি সৃজিত বন। আর জলদাপাড়া রেঞ্জের মাদারিহাট রেঞ্জটা ওয়েট ল্যান্ড আর গ্রাসল্যান্ড, অন্যদিকে buxa - jayanti - chilapataটা অনেক গভীর এবং স্বাভাবিক জঙ্গল। বক্সার জঙ্গল এলাকা অনেক কম হলেও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বেশি। তাই দেখতে পাওয়ার সুযোগও বেশি এবং বন্যপ্রাণীদের অসুবিধা না করার জন্য সাফারি গাড়ির সংখ্যা কম, মাত্র দুটি।
পর্যটকরা অনেকেই মনে করেন Dooars মানে Gorumara। এর কারণ হলো NJP-র কাছাকাছি অনেক থাকার ব্যাবস্থা আছে কিন্তু সুন্দর আর রহস্যময় জঙ্গল বক্সা-জয়ন্তী-চিলাপাতা।
তাই শুধু buxa tour Plan করলে buxa-jayanti-chilapata ঘুরে কমপ্লিট করে নেওয়াই ভালো। যে কোনো সময় দার্জিলিং বা সিকিম উঠলে নামার সময় একদিন লাটাগুড়িতে থেকে পরের দিন ৭ পয়েন্টস ঘুরলে কভার হয়ে যাবে গরুমারাটাও। এই দিকটা হলো পিছনের দিকে এবং একবারে আবার পুরোটা ঘোরা যাবে না। তাই আগে পিছনটা ঘুরে নিলে সামনেরটা পরবর্তী সময়ে ঘোরা যাবে।
Trip plan for Dooars :-
৫ রাত্রি ৬ দিন
প্রথম দিন:- ভোরের ট্রেনে নিউ আলিপুরদুয়ার পৌঁছে আগে থেকে বুক করা গাড়িতে স্টেশন থেকে ফ্রেশ হয়ে সোজা রওনা বক্সা টাইগার রিজার্ভের দিকে। পথে পড়বে দমণপুর। এখানে ধাবার ধোঁয়া ওঠা চা হাতে নিয়ে, মাঝেরদাবি চা বাগান, পাশে বয়ে চলা নোনাই নদীটা ভোরের নরম আলোয় দেখে নেওয়া যেতে পারে। তারপর সোজা কোর এলাকায় ঢোকার আগের গ্রাম রাজাভাতখাওয়া। যখন কুচবিহারের রাজার সাথে ভুটানের রাজার যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের শেষে এই নদীর পাশে বনভোজন করে মৌ স্বাক্ষর করেন তারা। সেই কারণে জায়গাটার নাম রাজাভাতখাওয়া। এই নদীর পাশাপাশি একটা জঙ্গল ঘেরা কাঠের হোমস্টেতে চেক ইন করে সকালের খাবার। এবং ঘরটা একটু গুছিয়ে জায়গাটাকে এক্সপ্লোর করতে বেরিয়ে পড়া। ভাতখাওয়া নদীর পাড় ধরে হাঁটতে থাকলে একটা জঙ্গল ট্রেল পাবেন। ব্রিজ পার হয়ে সোজা ওটা দিয়ে এগিয়ে গেলেই ঘন জঙ্গলের ভিতর রাজাভাতখাওয়া মিউজিয়াম। এক্সটিনক্ট বন্যপ্রাণীর তথ্যের সাথে স্টাফড স্যাম্পল দেখতে পাবেন। পাশেই রয়েছে শকুন উদ্ধার কেন্দ্র। সব শেষে জঙ্গল ট্রেল। মিউজিয়ামের উল্টো দিকেই আছে তিনটে গভীর জঙ্গল ট্রেল বার্ড ট্রেল, বাটারফ্লাই ট্রেল এবং ফিসফিসানি। দেখা শেষ করে হোম স্টেতে ফেরা। এগুলো পেইন্ট না, ন্যাচারাল তাই সময় দিন ভালো লাগবে। অপেক্ষা করলে রং বেরঙের পাখি আর প্রজাপতির রঙিন পাখায় নিশ্চিত ভেসে যাবেন।
হোমস্টেতে ফিরে এসে লাঞ্চ করে কিছুটা রেস্ট নিয়ে বিকেল তিনটেতে সাফারি জিপে করে (৬ জন একটি জিপ) buxa tiger reserve এর কোর সাফারি। ঘণ্টা ২-এর এই সাফারি ভীষণ রোমাঞ্চকর। সব থেকে ঘন আর ছোটো জঙ্গল হওয়ার কারণে বন্যপ্রাণী দেখতে পাওয়ার সুযোগ বেশি। সাফারি শেষ করে সন্ধ্যা ৭টায় হোমস্টেতে ফিরে দোতলার বারান্দায় বসে আড্ডা সাথে স্ন্যাকস, রাতে খাবার সেরে লম্বা ঘুম ।
দ্বিতীয় দিন:-
সকালের বক্সার পরিবেশটা খুব সুন্দর হাঁটতে হাঁটতে জঙ্গল ট্রেলে ময়ূর হরিণ দেখা পেতে পারেন বক্সা ঝোরার টিকটায় একটু সকাল সকাল উঠে। ফিরে এসে সকালের টিফিন করে বেরিয়ে পড়ুন buxa fort/lepchakha treak। মেঘ পিওনের গ্রাম, বেড়িয়ে আশে পাশে দেখতে দেখতে সোজা সাঁওতালবাড়ি। সেখান থেকে zero point এ গাড়ির গন্তব্য শেষ। এবার ট্রেক রুট প্রায় ৩ কিমি। খুব কষ্টকর না হলেও পরিশ্রম আছে। হেঁটে হেঁটে একের পর এক, ঝর্না, কাঠের ক্যানোপি পার হয়ে সদরবাজার। তারপর বক্সা দুয়ার গ্রাম। এখানে হল্টে লাঞ্চ করার পর কোনো একটা হোম স্টেতে বক্সা ফোর্ট, মিউজিয়াম, ভিউ, আর বো বারাক দেখে সোজা lepchakha trek। লেপচা সম্প্রদায়ের ছোট্ট গ্রাম, একটা মনাস্ট্রী আছে পাশে বাগিচার মত লম্বা বাগান। শেষ পয়েন্টে দাড়ালে একদিকে গোটা buxa-Jayanti উল্টো দিকে ভুটান পাহাড় দেখতে পাওয়া যায়। সবুজ মাঠে বসে আড্ডা এবং মোমো কফি খেতে ভালোই লাগবে। বিকেলে নামা শুরু করুণ ব্যাক টু হোমস্টে। ফিরে স্ন্যাকস নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে রাত্রিযাপন। যারা ট্রেক করতে পারবেন না তারা এই দিন কুচবিহার, ভুটান - ফুন্টসেলিংটা ঘুরে নিন।
তৃতীয় দিন:-
সকালে চা খেয়ে জিনিসপত্র গুছিয়ে রাজাভাতখাওয়াকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে পড়ুন জয়ন্তীর উদ্দ্যেশে। রাস্তায় বালানদীর চরে খানিকটা সময় কাটিয়ে jayanti river bed। রিভার বেডে বেশ কয়েকটা হোটেল, সরকারি বাংলো আর হোমস্টে আছে। কোনো একটা ভালো হোমস্টেতে চেক ইন করে সকালের খাবার খেয়ে বিশ্রাম।
দুপুরে স্নানটা জয়ন্তী নদীতে করতে পারেন। তারপর দুপুরের খাবার খেয়ে গাড়ি নিয়ে নদী পার হয়ে চলে যান jayanti Safariতে। চুনিয়া ঝরা ওয়াচ টাওয়ার এবং ভুটিয়া বস্তিতে লেকের পাশে ওয়াচ টাওয়ার। সন্ধ্যেবেলা জলপান করতে আসা বন্যপ্রাণী দেখতে পাওয়ার সুযোগ প্রবল। এই দুটো ওয়াচ টাওয়ার থেকে ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে যাবে।
ফিরে এসে ফ্রেশ হয়ে রিভার বেডের উপরে পড়ে থাকা শুকনো কাঠের গুঁড়িতে বসে আড্ডার সাথে স্ন্যাকস। পাশ দিয়ে খরস্রোতা jayanti বয়ে চলেছে। পরিষ্কার আকাশের প্রত্যেকটা তারা গোনা যাবে এবং নদীর ওপারে গভীর জঙ্গল। সব মিলিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভূতি। রাতে হোমস্টেতে খাবার সেরে ঘুম ।
চতুর্থ দিন:- ভোর বেলা Jayanti বরাবর হাঁটা মুক্তির স্বাদ আনে। হাজার রকমের পাখির আনাগোনা অনন্য অনুভূতি এনে দেয়। ফিরে এসে সকালের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়ুন। মহাকাল নদীর উপরে বেশ কয়েকবার কাঠের বাঁশের ব্রিজ পার হয়ে সুন্দর স্বর্গীয় রাস্তা ধোরে পৌঁছে যান Mohakal Temple। ছোটো মহাকাল পার হয়ে বড়ো মহাকালে যেতে হয় সেটা ভূটানের সীমান্তে পড়ে। যারা পারবেন ২ ঘন্টা ট্রেক করে বড়ো মহাকাল যাবেন। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মনে থাকবে এই রুদ্ধশ্বাস ট্রেক। মহাকাল থেকে ফিরে লাঞ্চ করে বিশ্রাম নিয়ে বেরিয়ে যান পূখরি লেকের দিকে। নদী থেকে বেশ খানিকটা উপরে ঘন জঙ্গলে ঘেরা স্যাক্রেড লেক। কিছুটা হাঁটা পথ কিন্তু পথটা ভীষণ সুন্দর। বিরাট এই লেকটি কচ্ছপ আর ক্যাট ফিশে ভর্তি। এটা দেখার পর সোজা টাশি গাঁও ওয়াচ টাওয়ার ঘুরে ব্যাক টু হোম স্টে। জয়ন্তীর শেষ রাত্রির সেলিব্রেশন টা আজকেই ক্যাম্প ফায়ারে নিন সেরে।
পঞ্চম দিন:-
ভোরবেলা জয়ন্তী থেকে চেক আউট করে সোজা Chilapata অথবা মেন্দাবাড়ী। যাকে বলে আনএক্সপ্লোরেড ভার্জিন জঙ্গল। রাস্তায় বেশ কয়েকটা নদী পড়বে দেখতে দেখতে আসা উচিত। এখানের বেশিরভাগ হোমস্টে গুলো এই জঙ্গলের ভিতরে ক্যাম্পের মত। একটা ভালো জঙ্গল ক্যাম্পে চেক ইন করে সকালের টিফিন সেরে নিন। তারপর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন খয়েরবাড়ি রেসকিউ ক্যাম্প। এই পথ চলটা ভীষণ সুন্দর। চা বাগান এবং জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে। সৌন্দর্য পান করতে করতে পৌঁছে যাবেন নামে টাইগার রিজার্ভ হলেও বাঘ একটিও নেই। তাই দুধের স্বাদটা এখানে ঘোলে মিটাতে পাশের জঙ্গল ট্রেল গুলো দেখা যেতে পারে। সব দেখার পর দুপুরে ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে জিপ সাফারি। এখানে চিলা পাতা থেকে চিলা পাতা সাফারি হয় জিপে। আর মেন্ডাবাড়ি থেকে জিপ আর হাতি দুটো সাফারিই হয়। ফিরে রাতের জঙ্গল অনুভব করতে করতে ব্যাগ প্যাক করে নেবার পালা কাল বেরোতে হবে।
ষষ্ঠ দিন:-
ভোরেই চা খেয়ে চেক আউট করে বেরিয়ে পড়ুন। যাবার আগে আজ ঘুরে আসা Amazon of Dooars শিকিয়া ঝোরা, কুচবিহার যাবার রাস্তায় পড়বে। ঘন জঙ্গলের বুক চিরে একটা ছোটো নদী চলে গেছে বোট সাফারি হয় এখানে। সাফারি শেষ করে সময় থাকলে কুচবিহার রাজ বাড়ি দেখে ট্রেন। না হলে সাফারি করার পর নিউ আলিপুরদুয়ার থেকে ট্রেন ধরে কংক্রিটের শহরে ফেরা।
যারা পাহাড় এ যেতে চান শেষ দিন তারা লাভা- রিষপের দিকে যেতে পারেন অথবা চিসং বলে একটা হ্যামলেট আছে ওখানেও যেতে পারেন।
যারা এর সাথে গরুমারা ঘুরতে চান। তারা শেষ দিনের পর ওখান থেকে বেরিয়ে সোজা চালসা, সিসামারা, ঝালঙ্, মূর্তি, লাটাগুড়ির মধ্যে কোনো একটায় গিয়ে হোমস্টে / রিসোর্টে উঠে ৭ পইন্টস দেখে পরের দিন নিউ মাল জংশন থেকে ট্রেন ধরে ফিরতে পারেন ।
Resort in Dooars :-
জঙ্গল সংলগ্ন থাকতে হলে আপনাকে হোমস্টে বেছে নিতে হবে। হোটেল সেরকম নেই। dooars এর সব জায়গাতেই ' NEST ' এর হোমস্টে আছে। NEST সরকারের ' ব্লু হোম স্টে ' প্রকল্পের হোমস্টে গুলো নিয়ে তৈরি একটা প্রজেক্ট। কম খরচে থাকা খাওয়ার সুবিধা পাওয়া যায়। এদেরকে বলে সাফারি স্লট বুক করার সুবিধা রয়েছে। সবকটা হোমস্টে এবং গাড়ি একটা নম্বর থেকেই বুক করা যায়। নম্বর :- +91 6294924252
নেচার রিসর্ট, ফোন- 22370060/22258549.
মালবাজার ট্যুরিস্ট লজ, ফোন- 03562-255183/9733008793. উদীচী, ফোন-03562-257452. সাবিত্রী, ফোন:- 9733239977. নিউ শান্তি লজ, ফোন- 9932982062. সবুজের কোলে, ফোন- 9434600515. উত্তরা লজ, ফোন- 23541436. কস্তুরী হোটেল, ফোন:- 9830270097.
জঙ্গল নীড়, ফোন- 9433395517. অরণ্য গরুমারা জঙ্গল রিসর্ট, ফোন- 03561-266346/9733005454. লেক ভিউ রিসর্ট, ফোন-9434118043. সিলভার রিজ রিসর্ট, ফোন-9932904028. তপোবন ফরেস্ট রিসর্ট, ফোন-9932897205. রিসর্ট ফ্লোরেট, ফোন- 9641113088. মধুবন রিসর্ট, ফোন- 9831790080. রিসর্ট ময়ূর, ফোন- 9434808436. রাইনো জঙ্গল রিসর্ট, ফোন- 9830456112. গরুমারা ইকো রিসর্ট, ফোন- 9434319829. হাতিহানা দ্যা গ্রেট ক্যাসেল, ফোন- 8670553278.
These all are Cheapest hotels and resorts in Dooars. Contact them by Phone numbers and get further Information about Dooars Hotel and resorts.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন