ডিম্বাকৃতি Monipur-এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনবদ্য। নীল-সবুজাভ পাহাড়ের পাদদেশে রঙবাহারি ফুলের মেলা, নীল আকাশের চাঁদোয়া মোড়া। বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদীনালা-ঝোরা, সারা উপত্যকা জুড়ে। হাজারো রঙিন পাখপাখালি, বার্মিজ ময়ূর, মেঘলা লেপার্ডের অযুত সম্ভার Monipur-এর পাহাড়।
ভালোবেসে বিভিন্ন প্রেমিক বিভিন্ন নামে ডাকে, যেমন A Flower on Lofty Height, Switzerland of the East, A Little Paradise on Earth বা The Jewel of India.
শুধুমাত্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্পদ নয়- মণিপুরি নৃত্য মৃদঙ্গ নাচ, পুং চলম সারা ভারত সহ বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মনোরঞ্জনে সমান অংশগ্রহণ করেছে। রাস জাতীয় উৎসবের রূপ নিয়েছে, তাই রাসের সময় সরকারি ছুটি থাকে পাঁচদিন Monipur-এ। বন্ধ থাকে Monipur-এর সমস্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত। এপ্রিল-মে মাসে ফসল ঘরে তোলার লাই-হারোবা নৃত্যও উৎসবের আকার নিয়েছে Monipur-এ। ফাল্গুনের শুক্লা একাদশী থেকে কৃষ্ণা পঞ্চমীতে বসন্ত উৎসব বা দোল আর এক মন রাঙানো উৎসব। Monipur-এ সৃষ্টি হয়েছে পোলো খেলা সহ, হকি ও মল্লো যুদ্ধের সংমিশ্রণে মুকনা কাংজেই, মণিপুরী রাগবি ইউবি লাকপি খেলাও। আজোও পোলোর আসর বসে অক্টোবর-নভেম্বরে। ঘরোয়া শিল্পের রূপ নিয়েছে তাঁত শিল্প। এছাড়া সুখ্যাতি আছে মণিপুরী হস্তশিল্পেরও, বেত ও বাঁশের হরেক জিনিস, টেবল ম্যাট, মনোহারি ব্যাগ, বিছানার চাদরের।
How to go Monipur:-
Air-এ
Indian Airlines কলকাতা থেকে আইজল পৌঁছে ইম্ফল যাচ্ছে। সপ্তাহের দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ দিন কলকাতা থেকে সরাসরি ইম্ফল যাচ্ছে Indian Airlines-এর বিমান। Jet Airways ইম্ফল থেকে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতা যাচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শহর ছয় কিলোমিটার দুরে, বাস, ট্যাক্সি শহরে যাচ্ছে এবং শহরে চলছেও রিকশা, অটো, ট্যাক্সি।
By Road
শিলচর থেকে ইম্ফলে সরাসরি বাস যাচ্ছে। ইম্ফলের প্রধান রেল সংযোগকারী স্টেশন নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর থেকে জাতীয় সড়ক রয়েছে। ডিমাপুর থেকে নাগাল্যান্ডের উপর দিয়ে মাও হয়ে মণিপুরের রাজধানী শহর ইম্ফল। নাগাল্যান্ড ও মণিপুর পরিবহণের বাস প্রতিদিন সকাল থেকে ডিমাপুর ছেড়ে ইম্ফল যাচ্ছে। কলকাতা থেকে গুয়াহাটি গিয়ে, গুয়াহাটি-লামডিং-তিনসুকিয়া রেল পথের মাঝের স্টেশন ডিমাপুর। রেল ও বাস দুই-ই আসছে গুয়াহাটি থেকে ডিমাপুর। গুয়াহাটির পল্টন বাজার থেকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার লাক্সারি ও সুপার লাক্সারি বাস যাচ্ছে ইম্ফল।
Rail-এ
মোদপুর হল মণিপুর রাজ্যের একটি রেল স্টেশন যেখানে দেশের কয়েকটি স্থানের ট্রেন চলাচল করে। এছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলি; যেমন গুয়াহাটি, ডিমাপুর ও শিলচরে রেল স্টেশন রয়েছে, যেগুলির দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ রয়েছে। এই শহরগুলি থেকে সড়ক পথ দিয়ে monipur পৌঁছান যায়।
Places to visits in Monipur:-
Imphal- চারিপাশে পাহাড় ঘেরা সুন্দর ক্যানভাসে আঁকা শহর imphal। বিমানে বসেই ফুরিয়ে ফেলা যায় দেখে ১৭.৪৮ বর্গ কিমি ছোট্ট imphal শহরটি। ভারতের রাজধানী শহরগুলোর মধ্যে ইম্ফল প্রাচীন, ৩৩ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ গড়ে উঠেছিল। ইম্ফল শহর থেকে বেড়িয়ে নেওয়া যায় এই সমস্ত যায়গা গুলো।
1) Khawairaband Bazaar :-
৩০০০ ইমাস অর্থাত্ মণিপুরি মেয়েরা রকমারি পণ্যের সম্ভারে দোকান সাজিয়ে বসে। এই বাজারটির অপর নাম Ima Market যেটি সম্পূর্ণ মহিলা পরিচালিত। তাঁতবস্ত্র, হ্যান্ডিক্রাফটস বেডকভার, ফানেক, ব্যাগ, বাঁশ ও বেতের সম্ভার পর্যটকদের যথেষ্ট আকর্ষণ করে। মৈতেই মেয়েদের পোশাকও কেনা যেতে পারে ima marketথেকে প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত।
2) Langthabal:-
শহর থেকে ৮ কিমি দুরে ইন্দো-বার্মা সড়কে মণিপুরের প্রাচীন রাজপ্রাসাদ। কাঁঠাল আর পাইন বনের মাঝে অনেকগুলো মন্দির রয়েছে এখানে। রয়েছে আধা সামরিক বাহিনীর দপ্তর এবং নেহেরু ইউনিভার্সিটি সেন্টার Langthabal-এ। বাস, অটো, ট্যাক্সি বা রিকশায় ঘুরে দেখা যায় langthabal.
শহর থেকে ৮ কিমি দুরে ইন্দো-বার্মা সড়কে মণিপুরের প্রাচীন রাজপ্রাসাদ। কাঁঠাল আর পাইন বনের মাঝে অনেকগুলো মন্দির রয়েছে এখানে। রয়েছে আধা সামরিক বাহিনীর দপ্তর এবং নেহেরু ইউনিভার্সিটি সেন্টার Langthabal-এ। বাস, অটো, ট্যাক্সি বা রিকশায় ঘুরে দেখা যায় langthabal.
3) শ্রী গোবিন্দ মন্দির:-
বলরাম, শ্রী কৃষ্ণ ও জগন্নাথ মন্দিরের অধিষ্ঠিত দেবতাগন। এই মন্দিরের রাসলীলা, গোষ্ঠলীলার পর্যটক আকর্ষণ যথেষ্ট। দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত দরজা বন্ধ থাকে মন্দিরের। এই মন্দিরের গম্বুজ দুটি সোনার তৈরি এবং এখানে প্রতিদিন নাচের আসরও বসে। মন্দির থেকে কিছুটা দূরে বাঁধের উপর মহাবলী ঠাকুরের মন্দিরটিও দেখে নেওয়া যায় হেঁটে গিয়ে।
বলরাম, শ্রী কৃষ্ণ ও জগন্নাথ মন্দিরের অধিষ্ঠিত দেবতাগন। এই মন্দিরের রাসলীলা, গোষ্ঠলীলার পর্যটক আকর্ষণ যথেষ্ট। দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত দরজা বন্ধ থাকে মন্দিরের। এই মন্দিরের গম্বুজ দুটি সোনার তৈরি এবং এখানে প্রতিদিন নাচের আসরও বসে। মন্দির থেকে কিছুটা দূরে বাঁধের উপর মহাবলী ঠাকুরের মন্দিরটিও দেখে নেওয়া যায় হেঁটে গিয়ে।
4) স্টেট মিউজিয়াম:- প্রাণীতত্ত্ব, ছবি, পোশাক, ঐতিহাসিক নিদর্শনের বিভিন্ন সংগ্রহ রয়েছে। রবি ও ছুটির দিনগুলি ছাড়া সকাল দশটা থেকে বিকাল ৪-৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে মিউজিয়ামটি।
5) মুটূয়া মিউজিয়াম:- প্রত্নতত্ত্ব, শিল্পকলা, মুদ্রা ও বয়নশিল্পের ব্যক্তিগত সংগ্রহশালা মুটূয়া মিউজিয়াম।
6) ইম্ফল ওয়ার সিমেট্রি:-
ইম্ফল-ডিমাপুর রাস্তায় তৈরি করা হয়েছে কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের ব্যাবস্থাপনায় ইম্ফল ওয়ার সিমেট্রি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্রিটিশ মিত্রপক্ষের সৈনরা শান্তির ঘুমে ঘুমিয়ে এখানে। সিমেট্রি রয়েছে আরো একটি ইম্ফল-উথরুল রোডে।
7) খোনাম পার্ক:-
২০০ একর বিস্তৃত পার্কটিতে এপ্রিল-মে মাসে ৩০০র বেশি অর্কিড সহ ১২০ রকমের ফুলের মেলা বসে। ইম্ফল-কাংচুপ রাস্তায় ৩ কিমি দুরে চিড়িয়াখানাটিও দেখে আসা যেতে পারে। বাঘ, ভাল্লুক, সিংহ, পাইথন, লেপার্ড এবং এক সিং ওয়ালা নাচুনে হরিণের জন্য বিখ্যাত খোনাম পার্ক।
২০০ একর বিস্তৃত পার্কটিতে এপ্রিল-মে মাসে ৩০০র বেশি অর্কিড সহ ১২০ রকমের ফুলের মেলা বসে। ইম্ফল-কাংচুপ রাস্তায় ৩ কিমি দুরে চিড়িয়াখানাটিও দেখে আসা যেতে পারে। বাঘ, ভাল্লুক, সিংহ, পাইথন, লেপার্ড এবং এক সিং ওয়ালা নাচুনে হরিণের জন্য বিখ্যাত খোনাম পার্ক।
==================================
Bisnupur town
==================================
পাহাড়ের পাদদেশে সুন্দর সাজানো গোছানো শহর Bisnupur। ১৪৬৭ সালে চীনা শৈলীতে তৈরি বিষ্ণু মন্দিরের জন্য বিখ্যাত। এখানে পাথরের তৈরি বিভিন্ন জিনিস কিনতে পাওয়া যায়। যে কারণে পর্যটকদের কাছে যথেষ্ট আকর্ষণীয় Bisnupur । বাস যাচ্ছে শহর থেকে। এক সময়ের একমাত্র সড়ক কাছাড় রোডটি Bisnupur থেকেই শুরু হয়েছে।
===================================
Moirang
==================================
মণিপুর ভ্রমণাথীর্দের প্রধান আকর্ষণের বিষয় ইন্দো-বার্মা সড়কে মণিপুর লোকসংস্কৃতির পীঠস্থান মফস্বল শহর moirang। লেকের পাড়ে শহর, লেক জুড়ে ছোটছোট দ্বীপে ভাসমান বাগিচা। খাম্বা ও থৌইবীরের অমর প্রেমের গাঁথা খাম্বা-থৌইবী নৃত্যকলার সৃষ্টিও moirang-এ। বিষ্ণুপুর থেকে ফুবালা হয়ে মৈরাং, ইম্ফল থেকে দুরত্ব ৪৫ কিমি। মৈরাং-কাংলায় WW2-এ ভারতীয় জাতীয় বাহিনী INA-র মূল দপ্তর বসে এবং ব্রিটিশ ভারতে মুল ভুখন্ডের মৈরাং-এ INA প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ১৯৪৪-এর ১৪ই এপ্রিল। তিনমাস স্বাধীন জাতীয় সরকার স্থায়ী ছিলো। ইন্ডিয়ান পিস মেমোরিয়াল হয়েছে এখানে।
1) Loktak Lake :-
মৈরাং থেকে তিন কিমি দুরে সেন্দ্রা দ্বীপ থেকে লোকতাকে অনন্য সুন্দর শোভা অনুভব করাই ভ্রমণের মুল উদ্দেশ্য। ১৩ ×২ কিমি আয়তনের ২ মিটার গভীরতা সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তর মিষ্টি জলের লেক loktak lake। বোটিং, শুটিং ও মাছ শিকারের ব্যাবস্থা আছে লোকতাকে। বিশ্বের বিস্ময় লতাপাতা-গুল্ম ছাওয়া ফুমদি অর্থাত্ নানান আকারের দ্বীপে সাঙ্গাইদের বসবাস loktak lake-এ।
2) Keibul Lamjao National Park :- সেন্দ্রা থেকে ৫ কিমি দুরে keibul lamjao অর্থাত্ ব্যাঘ্রসঙ্কুল বিস্তৃত অঞ্চল। সারা বিশ্ব জুড়ে বিলুপ্ত হওয়া সিং ওয়ালা নাচুনে হরিণের বাসস্থান keibul lamjao national park এ। আছে বুনো শুয়োর, ভাল্লুক, ভোঁদড়, প্যান্থার সহ বিভিন্ন পশুপাখিও উদ্যাানটি। থাকার ব্যবস্থা আছে সেন্দ্রায় ও ফুবালায় রেস্টহাউসে। জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ এবং রেস্টহাউসের বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ করতে হয়। ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার, ওয়াইল্ডলাইফ, keibul lamjao national park-এ।
morec :-
ইম্ফল থেকে ১১০ কিমি দুরে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে morec town. বাস ও ট্যাক্সি যাচ্ছে ইম্ফলের মোরে পার্কিং থেকে জাতীয় সড়ক ধরে। এই পথেই পড়ে আজাদহিন্দ ফৌজের হাতে প্রথম মুক্তির সাধ পাওয়া প্যালেল। ইম্ফল থেকে ৩৭ আর প্যালেল থেকে ১৮ কিমি দুরে, পথেই পড়ে থংগজম। ১৮৯১-এ ব্রিটিশ সৈনের হাতে থংগজমে প্রাণ দেন মেজর জেনারেল পাওন। আরো একটি সুযোগের সৎ ব্যবহার করে নেওয়া যায়। morec থেকে ৫ কিমি দুরে মায়ানমারের তামু শহর বেড়িয়ে নেওয়ার বা বিদেশ সফর করার। ভোটার আইডি, রেশনকার্ড, পাশপোর্ট সঙ্গে নিয়ে Indian Immigration Booth থেকে ডে-পাশ করে সাতটা থেকে বিকাল চারটে ত্রিশ পর্যন্ত অনুমতি মেলে গিয়ে থাকার।
===================================
Canchipur :-
===================================অতীতে জয় সিং ও গম্ভীর সিং-এর সময়কালে মণিপুরের রাজধানী ছিলো ইম্ফলের এই শহর chanchipur এ। মণিপুর বিশ্ববিদ্যালয়টি এখানে।
Thoubal :-
ব্রিটিশদের সঙ্গে মণিপুর রাজার যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে এই মহকুমা শহর thoubal। মায়ানমার জাতীয় সড়কের সঙ্গে বাস যোগাযোগ রয়েছে thoubal-এর।
Kaina:-
ইম্ফল থেকে ২৯ কিমি উত্তর-পূর্বে মণিপুরের আর এক বৈষ্ণব তীর্থ kaina। শ্রী গোবিন্দ জী স্বপ্নে দেখা দেন রাজা জয় সিং কে, এই kaina তে। আর গোবিন্দ জীর ইচ্ছে অনুযায়ী কাঠাল কাঠে গোবিন্দ জীর মুর্তি তৈরি হয় কাঁঠাল গাছে ঘেরা কায়নায়। নিয়মিত বাস যোগাযোগ আছে, এক ঘন্টার এই যাত্রা পথের।
Ukhrul :-মণিপুরের মনোরম শৈলাবাস ইম্ফল থেকে ৭১ কিমি উত্তর-পূর্বে ৬০০০ ফুট উচ্চতায় ukhrul অবস্থিত। থিরুই পর্বতে থরে থরে ফুটে রয়েছে লিলিফুল। টাংখুল নাগাদের বসবাস ধর্মে খ্রিষ্টান এবং ভিষন যুদ্ধপটু এরা। বাস যাচ্ছে ইম্ফল থেকে ukhrul। রাজ্যপর্যটন শহর থেকে ঘুরিয়েও আনে উখরুল।
Kangchup :-
ইম্ফল থেকে ১৬ কিমি পচ্শিমে ৯২১ কিমি উচ্চতায় স্বাস্থ্যকর ভ্রমণ স্থল কাংচুপ। শহর থেকে বাস যাচ্ছে।
===================================
Mao :-
===================================ইম্ফল-ডিমাপুর জাতীয় সড়কে মাওয়ের দুরত্ব ইম্ফল থেকে ১০৬ কিমি এবং উচ্চতা ১৭৮৮ মিটার। সীমান্তবর্তী শহরে চেকপোস্ট বসেছে। ডিমাপুর বা কোহিমা যাওয়ার পথে লাঞ্চব্রেক দেয় গাড়ি গুলো mao এ। নাগাদের বাস mao এ, জাতীয় সড়কও সর্বোচ্চে উঠেছে। স্বাস্থ্যকর জলবায়ু, মেঘেরা মাথায় হাত বুলায় এখানে। ===================================
Churachandpur :-
=================================== প্রকৃতির মাঝে অন্যতম সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক শহর ইম্ফল থেকে ৬০ কিমি দুরে churachandpur। কুকি উপজাতিদের হস্তশিল্প স্মৃতি হিসেবে সংগ্রহ করা যেতে পারে, কূকিদের এই আবাসস্থল churachandpur থেকে। এখান থেকে ৩২ কিলোমিটার দুরে নানান পশুপাখির বাসস্থান টঙলন গুহাটিও ঘুরে নেওয়া যেতে পারে।
__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__
Director of Tourism, Government of Manipur, Imphal থেকে রুচি অনুযায়ী গাড়ি ভাড়া নিয়ে City, Keibul Lamjao Nationl Park এবং Ukhrul ঘুরে নিতে পারেন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যেতে পারে Tourist Information Center, Director of Tourism, 26, Rouland Rd, Kolkata-700020, Phone:- 24758075/8163. Government of India Tourist Office, Old Lambulsnce, Jail Road, Manipur-795001.
__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__^^__
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন