১০২টি ছোট-বড় দ্বীপে বিভিন্ন নদীর মোহনায় নিজের থেকেই মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে আসা শ্বাসমূল সহ শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে বেড়ে উঠেছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য Sundarban। সেই অরণ্যের সুন্দরী গাছেরা Sundarban নাম করণের স্বার্থকতা এনে দিয়েছে। সবুজে ছাওয়া পরস্পর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ গুলোর জলে কুমির-হাঙর ডাঙায় বাঘ। পথেঘাটে, কেউটে, গোখরো, শঙ্খচূড়। এছাড়াও কালনাগিনী, লাউডগা, বেতসি, গেছোবোড়া সহ বিভিন্ন সাপেরা গাছে-গাছে। অজস্র পাখীর কাকলিতে ভরে থাকা বনভূমি সুন্দর পরিবেশ সাজিয়ে তোলে সূর্যোদয়ের ও অস্তের মূহুর্তে। প্রতি ২৪ ঘন্টায় ছয়বার রূপবদলায় রূপের রানী। জুন থেকে অক্টোবরে পরিযায়ী পাখীরা এসে বাসা বাঁধে ডিম পাড়ে বাচ্চা ফোটায়। পাখিরা বর্ণময় শোভাযাত্রায় ফেরে সুন্দরী-গরাণ-হেঁতাল-গোলপাতা গাছের বাসায়। ফেরে- বক, কাস্তেচোরা, শামুক খোল, পানকৌড়ি, সাদা কাক, জংহিল, টিউবি, বাটাং, টিয়া, খঞ্জনি, মিনিভাটেরা আপন কুলায়। পাখিদের এই মেলায় হাজারো রঙিন প্রজাপতির পাখনা মেলাও কম যায় না দৃষ্টি সুখে।
পৃথিবীর ৭ প্রজাতির কচ্ছপের মধ্যে পাঁচ প্রকার দেখতে পাওয়া যায় Sundarban -এ। অতলান্তিক মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর থেকে অলিভ রিডলে কচ্ছপ নভেম্বর-মার্চে এসে ভালোবাসার ঘর সাজায়, ডিম পেড়ে বাচ্চা ফোটায় Sundarban-এ।
পৃথিবীর ২৬৯ টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্যে অন্যতম Sundarban এবং Sundarban Biosphere reserve-কে গ্লোবাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। Royal Bengal Tiger-এর বাসস্থান গুলোর মধ্যে 9th Tiger Reserve-এর শিরোপা Sundarban-এর মাথায়।
Kolkata to Sundarban trip:-
সুন্দরবনের Canning, Jamtala, Sonakhali, Raydighi, Namkhana সহ Dhamakhali থেকে নিয়মিত বাস চলাচল করছে কলকাতায়। শিয়ালদহ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে Canning Town কে বলা হয় Gat way of Sundarban. শিয়ালদহ সাউথ থেকে ক্যানিং লোকাল চলছে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত। যে কোনো একটি চেপে পৌঁছানো যায় Canning. Canning Bazar পার হয়ে অটো, বাস, ম্যাজিক গাড়িতে করে Godkhali থেকে নদী খেয়া পার হলে Gosaba Island. Gosaba থেকে দুপুর ১ টায় ছেড়ে একমাত্র ভুটভুটি ৪ টেয় সজনেখালি হয়ে Lahiripur সাহেব ঘাট যাচ্ছে। এছাড়া হাঁটিহাঁটি পা-পা করে গোসাবা খেয়া থেকে বাম দিকে বাজারের মধ্যে দিয়ে রিকশা ভ্যান স্ট্যান্ড থেকে রিকশা ভ্যানে অথবা অটো করে ছয় কিমি দুরে pakhiralay গ্রামে গিয়ে, সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা ছটার মধ্যে খেয়া পেরিয়ে Sajnekhali পৌঁছে যাওয়া যায়।
অথবা কলকাতার বাবুঘাট থেকে সকাল ৬ টার CSTC-র Basanti-র Bus-এ সাড়ে ন-টায় Sonakhali পৌঁছে আবার অটো ইঞ্জিনভ্যান বা ম্যাজিকে Godkhali গিয়ে Gosaba-Pakhiralay হয়ে Sajnekhali পৌঁছান যায়। এক দিনেই ঘুরে আসা যায় এভাবে Kolkata to Sundarban, Sajnekhali.
Tourist places in Sundarban:-
ওয়াচ টাওয়ার হয়েছে- সজনেখালি, ঝিঁঙেখালি, নেতিধোপানি, হলদিবাড়ি, বুড়ির ডাবরি, দোঁবাকি ও চোরাগাজি খালিতে।
Sajnekhali:- Sajnekhali Lodge ও Beat Office-এর মাঝখানে কামট, কচ্ছপ ও কুমির পুকুর। প্রতিদিন বিকালে খাবার দেওয়া হয় এদের। বিকালের খাবারের আশায় আসে হরিণেরা কুমির পুকুরের পাড়ে। এছাড়া আছে সুন্দরবনের হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রতীক লৌকিক দেবি বনবিবির মন্দির Sajnekhali. ম্যানগ্রোভ ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার ও মিউজিয়াম টি Sajnekhal-এর বিশেষ দ্রষ্টব্য।
Sudhanyakhali :- সজনেখালি থেকে মিনিট ৫০ এর জলপথ দুরত্বে Sudhanyakhali
Watch Tower. জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পথ চলে গেছে জেটি থেকে টাওয়ারে। সুন্দরবনের রাজা Bengal Tiger-এর স্বাভাবিক বাসস্থান ছেষট্টি প্রজাতির ম্যানগ্রোভের গভীর জঙ্গলে ঢাকা, টাওয়ারের নিচে মিষ্টি জলের পুুুকুর খনন করা হয়েছে বন্যেরা আসে পিপাসার্ত হয়ে মিষ্টি জলের আশায়, আসে রয়েল বেঙ্গলও।
Kalos Dwip:- ঠাকুরুন নদী ধরে শেষ দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের কাছে Kalos Dwip অথবা চুলকাটি। বাঘেদের রাজ্য কলস দ্বীপ জনবসতিহীন।পর্যটকদের জন্য "সুন্দরবন জীব পরিমন্ডল" তাবুতে থাকার ব্যবস্থা তৈরি করেছে Kalos Dwip-এ।
Boni Eco Camp:- কলস থেকে সাড়ে তিন ঘন্টা ও ক্যানিং থেকে সাড়ে পাঁচ ঘন্টার দুুুরত্বে Boni Camp Watch Tower. Boni Camp- রাতে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
যোগাযোগ- বনাধিকারিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১২ বিপ্লবী কানাই ভট্টাচার্য সরণী, ৫ম তল, কলকাতা-৭০০০২৭, ফোন:- ০৩৩-২৪৭৯৯০৩২। যেতে-যেতে ডাইনে বালিয়াড়ি হাতছানি দেয় চড়ুইভাতির সুন্দর পরিবেশে এখানে। ভিতরে মিষ্টি জলের পুকুরে বাঘেরা পিপাসা মেটায়। প্রতিমুহূর্তে বিপদ, বিপদ গন্ধ ভাসছে এখানে। ভাটায় জল সরে গেলে বিস্তৃতবালিয়াড়ি ছুঁয়ে দেখা যেতেই পারে সতর্কতার সাথে।
Halliday Dwip:- নভেম্বর-মার্চে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার কয়েকদিন আগে পরে অলিভ রিডলে কচ্ছপেরা এসে ডিম পাড়ে হ্যালিডে ও কলস দ্বীপে।
Netidhopani:- হ্যালিডে ছেড়ে উত্তরে চওড়া হয়েছে Matla River. ডাইনে বাঁক নিতে Netidhopani Ghat. মনসামঙ্গল কাব্যে বেহুলার সঙ্গে নেতাই ধোপানির দেখা হয়েছিল এখানে। Netidhopani-তে মিষ্টি জলের পুকুর ও ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। পুকুরের উল্টো পাড়ে চাঁদ সওদাগরের শিব মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ। এখন সেখানে বাঘেদের জলসা বসে। ঘন জঙ্গল-বিপদসংঙ্কুল পরিবেশ, জনবসতিহীন Netidhopani. কিছুটা দুরেই বিদ্যা নদী মাতলার সাথে মিলেমিশে সাগরের দিকে চলেছে অভিসারে।
Burirdabri:- দত্তর গাঙ, মরিচঝাঁপি উল্টো দিকে বাগনা ফরেস্ট অফিস রেখে ঝিলা নদী পার হয়ে বামে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে Burirdabri Watch Tower. অনুমতি নিয়ে গাইড সহ জঙ্গলে ঢুকে উঁচু টাওয়ার থেকে বাঘের সাথে বাংলাদেশি সুন্দরবনও চলে আসবে দৃশ্যপটে Burirdabri-থেকে। মাঝখানে বাংলাদেশ ও পচ্শিমবঙ্গের সুন্দরবনের সীমান্ত এঁকেছে Raymangal River. ঘন্টা দুইয়ের দুরত্বে বংঙ্গোপসাগর। এছাড়াও বিদ্যা নদীর পাড়ে দোবাঁকিতে বন্য জীবন দেখার আদর্শ পরিবেশ। জালে ঘেরা পথে ওয়াচ টাওয়ারে উঠে চিতলদের সাথে বাঘ দেখার প্রবল সম্ভাবনা।
Hotels in Sundarban:-
There are some sundarban Hotels Information.
স্বভাবতই সুন্দরবন ঘুরতে গিয়ে থাকা ও খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গোসাবাতে সাধারণ হোটেল আছে। লজ সূর্যতপা, ফোন:- ২৩৫৪১৪৩৬, হোটেল সম্রাট, অন্নপূর্ণা, ভাগ্যলক্ষ্ম্যী, জয় মা তারা।এছাড়াও PWD এবং সেচ দপ্তরের বাংলো গোসাবায় আছে। পাখিরালয়ের অদূরে রাঙ্গাবেলিয়া গ্রামে টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট-এর গেস্টহাউসে থাকার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া পাখিরালয় গ্রামে জেলা পরিষদের ১৬ শয্যার টুরিষ্ট লজও আছে। যোগাযোগ:- South 24 parganas Zilla Parishad, New Administrative Building, 2nd floor, 12 Biplabi Kanai Bhattacharya Sarani, Kol- 27, Call:- 24791358 Mobail:- 9830143016.
এখানেই আর্টল্যান্ড হোটেল গ্রুপের Krisna Kunja,
Sundar Vila, package Rs:- 4000 থেকে 5000. Satjalia, call:- 22107964/9831221626, Delight, call:- 9830523588.
Roman Holidays, call:- 22281268.
উল্টো পারে দয়াপুরে বিলাসবহুল Sundarban Tiger Camp বিভিন্ন ধরণের Sundarban package tour-এর ব্যবস্থা রেখেছে। যোগাযোগ:- 9, Mitter House, 2nd floor, 71 Ganesh Chandra Avenue-13, Call:- 32935749/9831170453.
Sundarban Tiger View Point, যোগাযোগ:- Commerce House, 2A Ganesh Chandra Avenue-13, Call:- 22132498/22107954.
Sundarban Tiger Safari, প্যাকেজ:- ৩৫০০ থেকে ৫৫০০, Call:- 9874459647/48
সুন্দরবন ভ্রমণে পরিকল্পনা দুটি ভাগে ভাগ করে করা উচিত। এই দুটি ভাগ টাইগার রিজার্ভে ভ্রমণ ও বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে ভ্রমণ। এ পর্যন্ত টাইগার রিজার্ভে প্রবেশের বৃত্তান্ত বর্ণনা করা হয়েছে। বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে ভ্রমণ করতে কলকাতা থেকে বাসে বা শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা থেকে নামখানা অথবা লক্ষ্মীকান্ত পুর ট্রেনে উঠে পড়া ভালো। বাসে নামখানা পৌঁছে লঞ্চ বা ভুটভুটিতে ঘুরে নেওয়া যায় সুন্দরবনের দিগ্বিদিক।
ভাগবত পুর কুমির প্রকল্প:- নামখানা থেকে ২০ কিলোমিটার জলপথে গিয়ে লোথিয়ান দ্বীপের ভাগবত পুরে কুমির প্রকল্পে কুমির চাষ দেখে নেওয়া যেতে পারে। এখানে কুমিরের ডিম সহ বিভিন্ন বয়সী নোনা জলেের কুমির দেখা যায়। এছাড়া ধাঞ্চি ফরেস্টের দ্বীপ-দ্বীপে চিংড়ি চাষের ভেড়ি সহ মৎস প্রকল্প গড়ে উঠেছে। দুপুর ১টার ভুটভুটিতে নামখানা থেকে ভগবতপুর গিয়ে, ভগবতপুর থেকে ছেড়ে আসা দ্বিতীয় ভুটভুটি ধরে প্রকল্প দেখে সীতারামপুর পৌঁছে সেচ দপ্তরের বাংলোয় রাতে বিশ্রাম নিতে পারেন। দ্বিতীয় দিনে ভুটভুটিতে নামখানা পৌঁছে বাসে বা ট্রেনে কলকাতায় ফিরে আসা সহজ হবে।
সুন্দরীকাটি ইকো ট্যুরিজম সেন্টার:- ভাগবত পুর থেকে তিন ঘন্টা মত সময় লাগে সুন্দরী কাটি ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। ফটো, ছবি ও লেখায় সুন্দরবন কে চেনার একমাত্র ঠিকানা এখানের মিউজিয়াম। ওয়াচ টাওয়ার আছে এখানেও।
লোথিয়ান দ্বীপ:- সপ্তমুখি নদীর মোহনায় মাতলার পচ্শিম পাড়ে বঙ্গোপসাগরের ধারে সুন্দরবনের আর এক অভয়ারণ্য লোথিয়ান দ্বীপ এই পথেই। বাঘের অভাব থাকলেও সাপের অভাব নেই নির্জন লোথিয়ান দ্বীপে। ৩৮ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত লোথিয়ানের বাইন, কেওড়া ও গরাণের জঙ্গলে চিত্রা হরিণ, বন্য শূকর রয়েছে। এছাড়া পরিযায়ী পাখিরাও আসে। নামখানা থেকে দেড় ঘন্টার জলযান যাত্রায় যাওয়া যেতে পারে লোথিয়ান। এক ঘরের রেস্টশেড আছে। বুকিং:- DFO, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ৩৫ গোপাল নগর রোড, কলকাতা- ২৭।
পিয়ালি নদী বা কেল্লা:- কলকাতা থেকে ৬০ কিলোমিটার দুরে। শিয়ালদহ-লক্ষ্মীকান্ত পুর ট্রেনে চেপে দক্ষিণ বারাসাত পৌঁছে ট্রেকারে পিয়ালি নদী দ্বীপে বা কেল্লা যাওয়া যায়। পিয়ালি নদীতে বাঁধ পড়ে জলাধার তৈরি হয়েছে এখানে। যার ফলে সবুজায়ন হয়েছে অম্বিকা নগরে। নদী ঘেরা সবুজ দ্বীপ, পিয়ালি নদী দ্বীপ। জনহীন এই দ্বীপে সূর্য লুকোচুরি খেলে বাদাবনের সাথে। নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলেও পর্যটন মানচিত্রে ব্রাত্য প্রচারের অভাবে।
এখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে কনটাক্ট:- ৭৮৭২৫২৪৭২৩/৯৫৬৪২২৩৩০৬/৯৪৩৩৪৩৫১৮১,
WBTDC রয়েছে পিয়ালি দ্বীপে, কনটাক্ট:- ২২৪৮৮২৭১।
সুন্দর যন্ত্রচালিত ভুটভুটি চলে নদীর জলে। এ পথেই জয়নগর-মজিলপুর স্টেশন থেকে ৩০ কিমি দূরে মাতলা নদী আর মনোরম ম্যানগ্রোভ জঙ্গলের মাঝে পটে আঁকা ছবির মত কৈখালিও ঘুরে দেখা যায়। রামকৃষ্ণ আশ্রম পরিচালিত WBTDC-র KOIKHALI TOURIST LODGE-এ থাকা ও খাওয়ার জন্য যোগাযোগ:- রামকৃষ্ণ আশ্রম, নিমপিঠ, Call:- 03218-226001।
ক্যানিং থেকে ২০ কিলোমিটার দুরে বাস বা ভুটভুটিতে মাতলা নদীর তীরে ইউক্যালিপ্টাস-বাবলা-ঝাউ-নারকেল-তাল গাছে ছাওয়া ডাবু। চাষবাস হচ্ছে এখানে, মৎস প্রধান জীবিকা, থাকার ব্যবস্থা সেচ বাংলোয়।
শীত-বসন্ত সুন্দরবন ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। পাখিরালয় ভ্রমণাথীদের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে যাওয়াই উচিত।
WBTDC, Tourism Center, 3/2 BBD Bag, Call:- 22488271/22436440. অক্টোবর থেকে মার্চ, উইক এন্ড-এ দুই-তিন দিনের সুন্দরবন ভ্রমণের প্যাকেজের ব্যবস্থা করে।
সুন্দরবন ভ্রমণে পরিচয় পাওয়া যায় সেই মানুষদের। যাঁরা সাপেদের সঙ্গে ঘরকন্না সাজায়। কুমির-কামটের সঙ্গে জলে জীবিকা নির্বাহ করে, বাঘেদের সাথে লুকোচুরি খেলে গভীর জঙ্গলে জীবন নিয়ে। সেই সমস্ত বাঙালির সাথে, প্রতিপদে যাঁদের মৃত্যু ভয় তাড়িয়ে বেড়ায়। মৌলে, বাউলে, জেলে-জিমনি যাদের থেকে শেখা যায়:- জীবন মানে যুদ্ধক্ষেত্র যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা, যোগ্যতমের টিকে থাকা লড়াই সারা বেলা।