পাইনে ছাওয়া নীল অর্কিডের দেশ হাফলং। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই হাফলং-এর প্রধান প্রাপ্য। সূর্য ওঠে লেকের কপালে টিপ হয়ে। দুটো লেক রয়েছে এখানে। লেকের জলে বোটিং, উষ্ণ প্রস্রবন, পাহাড় চুড়ায় নীলের বাহার পর্যটকদের বিমোহিত করে। শিলং অসম থেকে আলাদা হওয়ার পর হাফলং-এ তৈরি হওয়া শৈলশহরটির প্রান, এর ম্যাল বা চক। যেটি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে ডিসি অফিস ছাড়িয়ে লেক পর্যন্ত বিস্তৃত।
এই শহরের নিচের দিকে রয়েছে খনিজতেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভার যদিও শহর গড়ে উঠেছে ৬৮০ মিটার উচ্চতায়। কাছাড়ি উপজাতির বসবাস এখানে ভাষা যাদের দিমাশি। আগস্ট থেকে নভেম্বর অর্কিডে ঢাকা হাফলং-এর চূড়ায় জাটিঙ্গায়, নানান প্রজাপতি ও পাখিদের মেলা বসে।
কিভাবে যাওয়া যায় হাফলং:-
গুয়াহাটি থেকে ট্রেনে ২৯৭ কিমি দুরে হাফলং হিল স্টেশন। লামডিং থেকে রেলে ১১৪ কিমি দুরে হাফলং হিল স্টেশন পড়বে। হাফলং অসমের প্রায় সব জায়গার সঙ্গে সড়কপথে যুক্ত। গুয়াহাটি-হাফলং নিয়মিত বাস চলাচল করে। এ ছাড়া গাড়ি ভাড়া করেও আসা যেতে পারে হাফলং-এ। এ ছাড়াও অসমের প্রায় সব বড়ো শহরের সঙ্গে বাসে যুক্ত হাফলং। বাস যাচ্ছে গুয়াহাটি থেকে ২৭১ কিমি দুরে দিফু। দিফু থেকে দুপুর ১ টায় হাফলং-এর বাস পাওয়া যায়। নওগাঁ থেকে সকাল ১০ টায় একটি বাস ASTC-র আপার হাফলং যাচ্ছে লঙ্কা হয়ে। গুয়াহাটি থেকে Network Travel-র নাইট সুপার আসছে ১০ ঘন্টায় আপার হাফলং-এ। কলকাতা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা যাচ্ছে হাফলং।
Hotel & Lodge at Haflong
অসম পর্যটনের Tourist Lodge, Circuit Hose, ডাকবাংলো সহ প্রাইভেট নানান হোটেল আছে। Hamringdi সিনেমা হলের পাশেই হোটেল Elite, চকের মুখে হোটেল Joyoswary, DC Office-এর রাস্তায় হোটেল Eastern. চকের চারিদিকে সাধারণ মানের হোটেল Ananda, হোটেল Barail, হোটেল Romario, হোটেল Member's রয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন